Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

বেনাপোল ইমিগ্রেশনে থার্মাল স্ক্যানিং মেশিন বিকল’ করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি অব্যাহত

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২৫জন দেখেছেন

Image
ইয়ানূর রহমান, শার্শা (যশোর):বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতকারী পাসপোর্টধারী যাত্রীদের জে.এন.ওয়ান করোণার নতুন উপধরণ সংক্রমন রোধে স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু এ ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের পূর্বের থার্মাল স্ক্যানিংসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি বিকল হয়ে পড়ে থাকায় স্বাস্থ্য পরীক্ষণ কার্যক্রমে ব্যহত হওয়ায় করোণা সংক্রমনের ঝুকি অব্যাহতভাবে বেড়েই যাচ্ছে। তবে, এখানকার স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে থার্মাল স্ক্যানারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যোগান পাওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

বেনাপোল আমদানি রপ্তানি সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক জানান, প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে দেশী-বিদেশি ৭ থেকে ৮ হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত ও ৬ থেকে ৭০০ পন্যবাহী ট্রাক এবং দেড় সহ¯্রাধীক ট্রাক চালক-হেলপার আসা যাওয়া করে। এদের মাধ্যমেও করোণা সংক্রমন ছড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

ভারতগামী কয়েকজন পাসপোর্টধারী যাত্রী জানান,  বন্দরের নিরাপত্তাকর্মী ও যাত্রীদের মধ্যে মাস্ক ব্যবহারের আগ্রহ কম দেখা গেছে। তারা নিজেরা সচেতন ও যাত্রীদের সচেতন করলে সুরক্ষা জোরদার হবে।

ভারতগামী পাসপোর্টধারী যাত্রী আসলাম জানান, ঘরে বসে থাকলেতো আর জীবন চলবেনা। সরকারের নির্দেশনা মেনে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে পথ এগোতে হবে। আর এ  সতর্কতা কেউ না মানলে আবারো পিছনের করোণা পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে।

পাসপোর্ট যাত্রী কবির হোসেন জানান, চিকিৎসার জন্য পরিবারের সাথে ভারতে যাচ্ছেন। বন্দর ও কাস্টমস স্বাস্থ্য বিভাগে যারা দায়িত্বে আছেন তারা সচেতনতার বিষয়ে কিছু বলেননি। তবে, এখন যেহেতু শুনলাম সচেতন থাকার চেষ্টা করবো।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার মরিয়ম খন্দকার জানান, করোনার জে.এন.ডট.ওয়ান নতুন উপধরন সংক্রমন রোধে স্বাস্থ্য বিভাগ সুরক্ষা বাড়াতে নির্দেশ দিয়ে চিঠি প্রেরণ করেছেন। যাত্রীদের সচেতন ও  হ্যান্ড  থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে সন্দেহভাজন যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষণের কথা বলা হয়েছে। তবে, থার্মাল স্ক্যানিং সহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নষ্ট থাকায় কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে। আধুনিক যন্ত্রাংশ সরবরাহের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

আরও খবর



মধুপুরে পৌর বিএনপির উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০৬জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইল:টাঙ্গাইলের মধুপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল (বিএনপি) মধুপুর পৌর শাখার উদ্যোগে অসহায় হতদরিদ্র ও শীতার্ত  মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (১২ফেব্রুয়ারী) বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এর দিক নির্দেশনায় এবং মধুপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব খন্দকার মোতালিব হোসেন এর সার্বিক সহযোগিতায় এ শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

পৌরবিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল করিম সিদ্দিক এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান রবিন, ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আঃ ছালাম আকন্দ  সহ পৌর বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও  সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী গন উপস্থিত ছিলেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সবাই মিলে দূষণরোধে কাজ করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সবাই মিলে সমন্বয় করে দূষণরোধে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, আমরা পরিবেশ দূষণরোধে মানমাত্রা ঠিক করে দেই। কিন্তু সেটা আমরা এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। এখানে বিআরটিএ, মেট্রোপলিটন, শিল্প ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়সহ সবার প্রয়োজন আছে। এই পরিবেশ দূষণরোধ যে সবাই মিলে করতে হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পানি ভবনে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং ঢাকা ওয়াসার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, নদীর পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নষ্ট হয়। এ লক্ষ্যে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা এবং পানিসম্পদ ব্যবহারের টেকসইকরণে জোর দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের নদীর পাড় ভাঙন এখন বড় একটি টার্ম, ক্লাইমেট রিফিউজি। প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ স্থানচ্যুত হচ্ছে। এসব বিষয়ে আমাদের পদক্ষেপ নিতে হবে। আমরা যদি পরবর্তী ৫০ বছরের দিকে তাকাই তা কীভাবে দেখব সেটা নির্ভর করবে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সম্পর্কের ওপর।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। কর্মশালায় মূল বক্তব্য দেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং জাতিসংঘের সাবেক উন্নয়ন গবেষণা প্রধান ড. নজরুল ইসলাম। কর্মশালা পরিচালনা করেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাসকিম এ খান।


আরও খবর



অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন: বিশ্ব নেতাদের প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, অর্থহীন অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে জলবায়ু তহবিলে অর্থ বাড়ানোর জন্য।

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জার্মানিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৪ এ ‘ফ্রম পকেট টু প্ল্যানেট: স্কেলিং আপ ক্লাইমেট ফাইন্যান্স’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় এ প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি।

জলবায়ু তহবিল নিয়ে ছয় প্রস্তাব পেশ করে বিশ্ব নেতাদের প্রতি শেখ হাসিনা বলেন, অর্থহীন অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে এবং এর পরিবর্তে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহের জন্য সম্পদের সংস্থান করা দরকার।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে যে, মানবতার অস্তিত্ব যখন হুমকির মুখে পড়বে, তখন সংকীর্ণ স্বার্থ রক্ষার পথ অনুসরণ করলে তা কোনও সুফল বয়ে আনবে না।

ছয়টি পরামর্শের প্রথমটি উপস্থাপন করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সঠিক পথে রাখতে জলবায়ু অর্থায়নের বরাদ্দ ছাড় করার সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।

তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, উন্নত দেশগুলোকে পরিকল্পনার ভিত্তিতে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দুই বছরে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, এই বছরের শেষ নাগাদ, আমাদের সবাইকে অবশ্যই বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে বিশেষ করে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওপরে ২০২৫-পরবর্তী একটি নতুন জলবায়ু অর্থায়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে একমত হতে হবে।

দ্বিতীয় প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বকে যুদ্ধ ও সংঘাত, অবৈধ দখলদারিত্ব এবং নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নির্মম হত্যাকাণ্ড থেকে পরিত্রাণ পেতে হবে। যা গাজা ও অন্যত্র বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করছে।

তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার প্রভাব সংঘাতের অনুভূতির বোধ থেকেও অনেক দূরে অনুভূত হয়।

তৃতীয় পরামর্শে, তিনি বলেন, জলাযায়ু প্রভাব প্রশমন ও অভিযোজনের জন্য অর্থায়নের তীব্র ভারসাম্যহীনতা দূর করার জন্য অভিযোজন অর্থায়নের বর্তমান পর্যায় অন্তত দ্বিগুণ করা প্রয়োজন।

এ লক্ষ্যে, অভিযোজনে সহায়তার জন্য বাংলাদেশকে ১ বিলিয়ন ইউরো প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার জন্য তিনি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁকে ধন্যবাদ জানান।

চতুর্থ পরামর্শে তিনি বলেন, বিদ্যমান আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল থেকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থ প্রাপ্তি সুগম করার জন্য দীর্ঘকালের অমীমাংসিত সমস্যাটি তাদের সক্ষমতায় বিনিয়োগ করার সুযোগসহ সমাধান করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড থেকে অর্থায়ন পাওয়ার জন্য আমাদের শুধুমাত্র দুটি যোগ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং আরও দুটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পঞ্চম পরামর্শে শেখ হাসিনা বলেন, বৈশ্বিক অর্থায়নের ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের ক্ষেত্রে বিশেষ করে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ঋণের বোঝা দূর করতে তাদের জন্য অনুদান ও সুবিধাজনক ঋণ লাভের সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থপূর্ণ ফলাফল দেখাতে হবে।

সর্বশেষ ও ষষ্ঠ পরামর্শে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু কর্মসূচি জন্য বেসরকারি পুঁজি প্রবাহের ক্ষেত্রে সরকারগুলোকে সঠিক পরিকল্পনা, নীতি ও ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রকল্পগুলোর জন্য বেসরকারি পুঁজি আকৃষ্ট করার জন্য উদ্ভাবনী, মিশ্র অর্থায়নের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, এটি সুস্পষ্ট যে, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ছাড়া জলবায়ু অর্থায়নের বিপুল পরিমাণ ঘাটতির কার্যকর সমাধান করা যাবে না।

শেখ হাসিনা বলেন, সবাই জলবায়ু প্রভাব প্রশমন ও অভিযোজনে বিনিয়োগের জন্য আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের বর্তমান মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে।

তিনি বলেন, দুঃখের বিষয়, প্রতিশ্রুত জলবায়ু অর্থায়ন এখনও গুরুতরভাবে অপর্যাপ্ত। ‘জলবায়ু অর্থায়ন’ এবং এর অ্যাকাউন্টিং পদ্ধতির বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত সংজ্ঞার অনুপস্থিতির কারণে এটি আরও জটিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে কপ-১৫ চলাকালে শেষ মুহূর্তের সমাধান খুঁজে বের করার লক্ষ্যে নেতাদের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন এবং বুঝতে পেরেছিলেন যে, আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা বেশ কঠিন হবে। দেশে ফিরে যাওয়ার পর, তিনি স্থানীয়ভাবে অভিযোজন প্রকল্প গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে এখন স্থানীয়ভাবে পরিচালিত জলবায়ু অভিযোজনের একটি পরীক্ষাগার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৪৮ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে প্রায় ৮০০ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, সবগুলোই নিজস্ব সম্পদ থেকে। তবে, আমাদের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রতি বছর যে ৭-৮ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন তার তুলনায় এটি এখনও অপর্যাপ্ত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিষয়গুলোকে পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনায় রাখার জন্য, জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি) অনুসারে প্রভাব প্রশমনের জন্য ২০৩০ সাল পর্যন্ত প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন প্রয়োজন বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, অভিযোজনের জন্য ২০৩০ সাল পর্যন্ত বার্ষিক ২১৫-৩৮৭ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। এটা সুস্পষ্ট যে, অর্থায়নের বিপুল ব্যবধান বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

শেখ হাসিনা বলেন, লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড চালু করার মাধ্যমে দুবাইতে কপ-২৮ একটি ইতিবাচক যাত্রা শুরু করেছে। আমরা সন্তুষ্ট যে, তহবিলের জন্য ৭৯২ মিলিয়ন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। আমরা আশা করি যে, তহবিলে অতিরিক্ত প্রতিশ্রুত অর্থ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, অর্থায়নের সিদ্ধান্তের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে এখন লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ডের গভর্নিং বোর্ড গঠিত হয়েছে।

তিনি প্যারিস চুক্তির নীতিমালা দ্বারা তহবিল পরিচালিত হওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ওডিএ এবং অন্যান্য ধরনের জলবায়ু অর্থায়নের বাইরে তহবিল অবশ্যই নতুন ও অতিরিক্ত অর্থ পাবে। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে যে, লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড থেকে জলবায়ু অভিযোজনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় অর্থ সংস্থান করা হয় না।

তিনি বলেন, তহবিলের পরবর্তী কাজ হলো কার্যকর প্রকল্পের জন্য অর্থ ছাড় শুরু করা। তহবিল তাদের কাছে পৌঁছানো উচিত যাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থ ছাড় প্রক্রিয়া সহজ ও নমনীয় করা উচিত। আমরা আশা করি যে, তহবিলের পরিচালনা পর্ষদ এলডিসি এবং সিডস প্রতিনিধিদের মতামতের বিষয়ে যথাযথ মনোযোগ দেবে।

তিনি আরও বলেন, আমি অবশ্যই বাংলাদেশকে লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ডের সহায়তার প্রথম প্রাপক হিসেবে দেখতে চাই।

বাংলাদেশ সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বব্যাপী কার্বন নিঃসরণে আমাদের অবদান নগণ্য (বৈশ্বিক নির্গমনের ০.৪৭%-এর কম) হলেও তার দেশ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে সপ্তম স্থানে রয়েছে।

তিনি বলেন, এটা অনুমান করা হয় যে, এখন থেকে ২০৫০ পর্যন্ত, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমাদের বার্ষিক জিডিপি ক্ষতি হবে ২%, এবং এই হারে ২১০০ সালের মধ্যে, ক্ষতি ৯% পর্যন্ত হবে। আরও অনুমান করা হয়েছে যে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের প্রায় ১৩.৩ মিলিয়ন মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বাংলাদেশ জলবায়ু অভিযোজন এবং সহিষ্ণুতার জন্য বার্ষিক বাজেটের প্রায় ৪.৬ শতাংশ এবং জিডিপির ০.৭৪ শতাংশ ব্যয় হয়, যার ৭৫ শতাংশ আসে অভ্যন্তরীণ সম্পদ থেকে।

বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড ২০০৯ সালে নিজস্ব সম্পদ থেকে গঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তহবিল এ পর্যন্ত প্রায় ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে ৮০০টিরও বেশি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।

সূত্র: বাসস


আরও খবর



সরাইল প্রেসক্লাব এর ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক তৌফিক

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২৩জন দেখেছেন

Image

রুবেল মিয়াঃ১৯৭৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার সদরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন সংগঠন সরাইল প্রেসক্লাবের  ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২৪ উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কার্যালয়ে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।নির্বাচনে মোট ১৮জন ভোটারের মধ্যে ১৭জন তাদের ভোটাধীকার প্রয়োগ করেন। ভোট গ্রহন শেষে নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সহিদ খালিদ জামিল খান নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনা করেন।

এ নির্বাচনে সভাপতি হিসেবে মোহাম্মদ আলী মাষ্টার (সাপ্তাহিক পরগণা), সাধারণ সম্পাদক তৌফিক আহমেদ তফছির (ওয়াশিংটন নিউজ), সহ-সভাপতি  সৈয়দ কামরুজ্জামান ইউসুফ (দৈনিক সংবাদ) ও মো: সামছুল আরেফিন ( দৈনিক প্রভাত) নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার প্রতিনিধি মো: জহিরুল ইসলাম (রিপন)।

এর আগে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন যারা তারা হলেন-  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক মানব কন্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি শেখ মো. ইব্রাহিম মিয়া , অর্থ সম্পাদক পদে দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকার প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দৈনিক খবর ও বিজয় টিভির প্রতিনিধি মোহাম্মদ মাসুদ, দপ্তর সম্পাদক পদে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার প্রতিনিধি মো. মুরাদ খান, কার্যনির্বাহী সদস্য পদে দৈনিক  ব্রাহ্মণবাড়িয়া পত্রিকার প্রতিনিধি এম এ মুসা ও পাক্ষিক বাতায়নের জেসমিন সুলতানা মুসা।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




তানোরে ৪৭ বিঘা জমির খড়ের পালা ও দোকানে আগুন! হতাশ কৃষক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৯জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরে আলু চাষী লুৎফর রহমানের ৪৭ বিঘা জমির খড়ের পালায় ও লাবলু নামের এক যুবকের দোকানে আগুন দিয়েছে দূর্বৃত্তরা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আগুনে খড় ও দোকানে থাকা মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।  সোমবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়ন ইউপির চিমনা উত্তরপাড়া   গ্রামে ঘটে আগুন লাগার ঘটনাটি। সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিস প্রায় তিন ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হন বলে জানান খড়ের মালিক। ফলে একসাথে এতগুলো খড় ও দোকানের মালামাল  পুড়ে যাওয়ায় চরম হতাশ হয়ে পড়েছেন কৃষক, দোকানী, সেই সাথে হঠাৎ এমন আগুনের ঘটনায় গ্রামে চরম আতঙ ছড়িয়ে পড়েছে। পরদিন মঙ্গলবার দুপুরের দিকে  থানার ওসি আব্দুর রহিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
লুৎফর জানান, আমি পরিবার নিয়ে রাজশাহীতে বসবাস করি। আর মা ভায়েরা চিমনা গ্রামে থাকে। চিমনা মাঠে দীর্ঘ দিন ধরে ৭০/৮০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করি। গত সোমবার তানোর এসে রাত ৮ টার দিকে শহরে চলে গেছিলাম। ফজরের আগে আমার চাচাতো বোন মোবাইল করে জানায় খড়ের পালায় আগুন লেগে পুড়ে শেষ হয়ে গেছে।তিনি আরো জানান, ফজরের নামাজ পড়ার জন্য প্রতিবেশী রুবেল বের হলে আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার দেয়া শুরু করেন। সাথে সাথে প্রতিবেশিসহ গ্রামের লোকজন আগুন নিভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিস কে খবর দেয়া হলে দ্রুত এসে তিন ঘন্টা প্রচেষ্টা চালানোর পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু তার আগেই খড় পুড়ে গেছে। খড়গুলো জালানি ছাড়া কিছুই হবেনা। প্রায় ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা থেকে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।দোকানদার লাবলু বলেন, চিমনা উত্তরপাড়া মোড়ে মুদির দোকান ছিল। প্রতিদিনের ন্যায় রাত প্রায় ১০ টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যায়। ভোরে আগুন লাগিয়ে দোকানের মালামাল সহ টিভি ফ্রিজ পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। প্রায় ১ লাখ ৬০/৭০ হাজার টাকার মত ক্ষতি হয়েছে। দোকানের ব্যবসা দিয়ে সংসার চলে। এখন মালামাল তুলব কিভাবে, সংসার চালাবে কিভাবে এসব নিয়ে মারাত্মক দুশ্চিন্তায় আছি।প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত আগুন লাগার ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান লুৎফর রহমান। থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন, আগুনে পুড়ে যাওয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে, তদন্ত চলমান রয়েছে। তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


প্রসঙ্গত,   এর আগে চলতি মাসে ১৫ ফেব্রুয়ারী দিবাগত রাতে  আলোচিত জিয়ারুল হত্যা মামলার ১ নম্বর আসামী মেম্বার ও তালন্দ ইউনিয়ন ইউপির আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসানের বালাইনাশক দোকানে আগুন দেয়া হয়।চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি দিবাগত রাতে তালন্দ ইউনিয়ন ইউপির মোহরগ্রামের কীটনাশক ব্যবসায়ী মাসুদের প্রায় ২৫/৩০ বিঘা জমির খড়ে আগুন দেয়া হয়।রোপা আমন ধান উত্তোলন করে মাড়ায়ের জন্য খাম্বা মেরে রাখেন পাঁচন্দর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার চিমনা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের পলাশ। তার ধানে রাতের আধারে আগুন দেয়া হয়। এঘটনায় আদালতে মামলা হয়।

আরও খবর