Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

বাসদ নেতা বকুল খাঁনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৭৬জন দেখেছেন

Image

আব্দুল হান্নান:আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মনবাড়ীয়া-১ সংসদীয় ২৪৩ নাসিরনগর  আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন-মোঃ বকুল হোসেন খান (বকুল)।  তিনি গতকার রোজ বুধবার নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা  নিকট থেকে এ মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।মোঃ বকুল হোসেন খান-নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা   ইউনিয়নের কুন্ডা গ্রামের রাজনৈতিক ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কৃতি সন্তান।

তার চাচা মোঃ ওমরাও খাঁন ছিলেন কুন্ডা ইউনিয়নের পাঁচবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি।তাছাড়াও বকুল খাঁনের আপন চাচাতো ভাতিজা, ভাতিজি ও ভাতিজার বৌ তিনজনই বর্তমানে লন্ডনে ব্যারিষ্টারী পড়াশোনা করছে।বকুল খাঁন ১৪ দলীয় জোটের শরীক দল "বাসদ"এর নাসিরনগর উপজেলা শাখার আহব্বায়ক এবং বাসদের কেন্দ্রিয় কার্য নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিচারকদের প্রতি রাষ্ট্রপতি

"ক্ষমতা প্রয়োগে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়ার আহ্বান"

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিচারকদের উদ্দেশে বলেছেন, ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে সুপ্রিম কোর্টের ইনার কোর্ট ইয়ার্ডে দুই দিনব্যাপী ‘একবিংশ শতাব্দীতে দক্ষিণ এশিয়ার সাংবিধানিক আদালত: বাংলাদেশ ও ভারত থেকে শিক্ষা’ শীর্ষক কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ক্ষমতার সঙ্গে দায়িত্ব ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দায়িত্ব পালনের জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে। আবার ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে এবং ক্ষমতার যেন অপব্যবহার না হয় সেদিকে কঠোরভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

বিচারকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশ, জনগণ ও সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচার প্রার্থীরা অত্যন্ত কম খরচে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে ন্যায়বিচার পাবে ও বিচারকরা তাদের মেধা এবং মননশীলতার মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন।

দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বিচার বিভাগকে সামিল হতে হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, সরকার বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিতের জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট তার যাত্রা শুরু করেছে এবং প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এটা মানুষের মৌলিক মানবাধিকার রক্ষা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং স্বল্প সময়ে বিচার প্রার্থীদের ন্যায়বিচার দিতে কাজ করে যাচ্ছে।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জাতির ক্রান্তিকালে যখনই প্রয়োজন হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট তার ওপরে অর্পিত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মানুষের মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সংবিধানকে রক্ষা করেছে। শান্তি ও সংকটে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের অভিভাবক ও রক্ষক হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি সোনার বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট ষড়যন্ত্রকারীদের সেই নীল নকশা বাস্তবায়িত হতে দেয়নি। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ৫ম ও ৭ম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারকে প্রতিষ্ঠা করেছে।

রাষ্ট্রপ্রধান সুপ্রিম কোর্টের সে সময়ের অকুতোভয় বিচারপতি ও আইনজীবীদের যারা বন্দুকের নলের কাছে নতি স্বীকার করেননি ও বিবেককে কখনো বিকিয়ে দেননি, তাদের ভূমিকাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দক্ষিণ এশিয়ার দুটি বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্রের উন্নয়ন ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় তাদের নিজ নিজ যাত্রায় অনন্য পথ অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশই এমন দৃষ্টান্ত প্রত্যক্ষ করেছে যেখানে বিচার বিভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায়, পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন এবং সুশাসনের নীতিগুলোকে সমুন্নত রাখতে হস্তক্ষেপ করেছে।

ভারত আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী ও বন্ধুপ্রতিম দেশ উল্লেখ করে সাহাবুদ্দিন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতা ও সহমর্মিতার জন্য বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক ক্রমান্বয়ে বাণিজ্য-বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে সম্প্রসারিত হচ্ছে। দু’দেশের বিচার বিভাগ, বিচারক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় দেশের বিচার বিভাগ, বিচারক ও জনগণ উপকৃত হতে পারে বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি।

বাংলাদেশ ও ভারতের সাংবিধানিক আদালতগুলোকে মামলা জট নিরসন, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার এবং বিচারিক জবাবদিহিতার মতো বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেওয়ার পাশাপাশি বিচার বিভাগের উন্নয়নে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেন রাষ্ট্রপ্রধান।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, ভারতের প্রধান বিচারপতি ড. ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির এবং আপিল বিভাগের বিচারপতি বোরহান উদ্দিন।


আরও খবর



মাগুরায় জুনিয়র টেনিস কার্নিভাল সমাপ্ত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশন আয়োজিত জুনিয়র টেনিস কার্নিভাল এর সমাপনি অনুষ্ঠান শুক্রবার বিকেলে মাগুরা টেনিস কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ এক সময়ের দেশসেরা টেনিস খেলোয়াড় খালেদ সালাউদ্দিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরার জেলা প্রশাসক, মাগুরা জেলা টেনিস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ। টেনিস খেলোয়ার শফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, খালেদ সালা উদ্দিন, মাগুরা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী সানিউল কাদের প্রমুখ। তিনদিন ব্যাপী এ প্রশিক্ষন কর্মসুচিতে প্রশিক্ষক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন বর্তমান বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন রঞ্জন লাল। অনুষ্ঠানে মাগুরার সিনিয়র টেনিস খেলোয়াড়, প্রশিক্ষনে অংশগ্রহনকারী খুদে খেলোয়াড়দের অভিভাবক, বিদ্যলয়ের শিক্ষক মন্ডলী উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষনে অর্ধশত শিশু অংশগ্রহন করে।


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




হাসপাতালে শয্যা সংকট,মেঝেতেও হচ্ছে না ঠাঁই

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬১জন দেখেছেন

Image

আব্দুল হান্নান,নাসিরসগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট,মেঝেতেও হচ্ছেনা ঠাঁই।সরেজমিন হাসপতালে গিয়ে দেখা গেছে এমনই চিত্র।

হাসপাতালে সীট না পেয়ে রােগীদের মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে দেখা যাচ্ছে।হাতপাতাল সুত্রে জানা গেছে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হলেও এখানে প্রতিদিন ৮০ থেকে ৯০ জন রোগীকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে ডাক্তার আর নার্সদের খেতে হচ্ছে হিমশিম।

এমন হওয়ার কারন কি জানতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়,এখানে ডাক্তারদের ব্যবহার,পর্যাপ্ত ঔষধ পত্র আর সেবার মান ভাল হওয়া পার্শ্ববর্তী সরাইল,লাখাই,মাধবপুর,অষ্টগ্রাম থেকেও চিকিৎসা নেয়ার জন্য রোগীরা আসেন।আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আর,এম,ও) ডাঃ সাইফুল ইসলাম জানান উক্ত হাসপাতালে আউটডোরে প্রতিদিন প্রায় ৫ থেকে ৬ শ রোগী দেখতে ডাক্তারদেন হিমশিম খেতে হচ্ছে।

নাসিরনগর হাসপাতালের চিকিৎসকদের  মাঝে ডাক্তার অভিজিৎ রায়,ডাক্তার মোঃ সাইফুল ইসলাম,ডাক্তার জীবণ চন্দ্র দাস,ডাক্তার মৌমিতা বসাকের চিকিৎসা ব্যবস্থা অন্যতম।তাই হাসপাতালের শয্যা সংকট দুর করতে স্থানীয়রা মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ একে একরামুজ্জামজন এমপি সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু দৃষ্টি কামনা করছেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ডেমরায় ২০ নং ধীৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৯জন দেখেছেন

Image

সোহরাওয়ার্দীঃরাজধানীর ডেমরা থানাধীন ৭০ নং ওয়ার্ডের ২০ নং ধীৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়েছে। শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারি বিদ্যালয় মাঠে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।এতে সভাপতিত্ব করেন ২০ নং ধীৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যাবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ শামছুল হুদা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব আতিকুর রহমান আতিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৭০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবু, ধীৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যাবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতি ৭০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোস্তফা কামাল, সাংবাদিক আজম ইকবাল সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহীনুর আক্তার এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা দলীয় নৃত্য,একক নৃত্য, সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথির কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় বিজয়ীরা।


আরও খবর

ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ক্যানসার নিয়ে ফের হাসপাতালে সাবিনা ইয়াসমিন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৮জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিনিধি:প্রায় ১৭ বছর পর গত বছর শেষের দিকে ফের মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের শরীরে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালের ন্যাশনাল ক্যানসার সেন্টারে।

সাবিনা ইয়াসমিনের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বছরের শেষের দিকে কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের শরীরে কিছু জটিলতা ধরা পড়ে। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, তার মুখগহ্বরে ফের ক্যানসারের সংক্রমণ ঘটেছে। পরে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়।

ইতোমধ্যে সাবিনা ইয়াসমিনের মুখের অভ্যন্তরে একটি সার্জারি হয়েছে। শিগগিরই থেরাপি দেওয়া শুরু হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া চাওয়া হয়েছে শিল্পীর জন্য।

এর আগে, ২০০৭ সালে প্রথম ওরাল ক্যানসারে আক্রান্ত হন কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। তখন দেশে ও বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন। এরপর থেকে নিয়মিত চেক-আপের মাধ্যমে ভালোই ছিলেন তিনি।

পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে সঙ্গীতের সঙ্গে আছেন সাবিনা ইয়াসমিন। চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান কণ্ঠে তুলে সৃষ্টি করেছেন ইতিহাস।তিনি ১৪ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। সঙ্গীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘একুশে পদক’ লাভ করেন সাবিনা ইয়াসমিন।

ছোট থেকেই সঙ্গীতের ভুবনে পদচারণা শুরু হলেও চলচ্চিত্রে পূর্ণ নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে সাবিনা ইয়াসমিনের আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৬৭ সালে; ‘আগুন নিয়ে খেলা’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে। ১৯৭২ সালে ‘অবুঝ মন’ চলচ্চিত্রের ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি প্রথম জনপ্রিয়তা লাভ করেন।

এই শিল্পীর উল্লেখযোগ্য গানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘সব সখীরে পার করিতে’, ‘এই পৃথিবীর পরে’, ‘মন যদি ভেঙে যায়’, ‘ও আমার রসিয়া বন্ধুরে’, ‘জীবন মানেই যন্ত্রণা’, ‘জন্ম আমার ধন্য হলো মা গো’, ‘সব ক’টা জানালা খুলে দাও না’, ‘ও আমার বাংলা মা’, ‘মাঝি নাও ছাড়িয়া দে’, ‘সুন্দর সুবর্ণ’, ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’ প্রভৃতি।


আরও খবর