Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বাড়িতে না যাওয়া পর্যন্ত কেউ শঙ্কামুক্ত নন: সামন্ত লাল সেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৩২৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর সিদ্দিকবাজারে বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত ২৪ জনের মধ্যে ৯ জন শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে দুজন ভেন্টিলেটরে, একজন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) এবং বাকিরা এইচডিইউতে চিকিৎসাধীন। তবে বাড়িতে না ফেরা পর্যন্ত কেউ শঙ্কামুক্ত নন বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সমন্বয় ডা. সামন্ত লাল সেন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন আহতদের বিষয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

‘শ্বাসনালী পু‌ড়ে গে‌ছে, চিকিৎসাধীন ১০ জ‌নের কেউই শঙ্কামুক্ত নন’

সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘গতকাল পর্যন্ত ১০ জন চিকিৎসাধীন ছিলেন। এর মধ্যে গত রাতে একজনের মৃত্যু হয়। বর্তমানে ৯ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে দুজন লাইফ সাপোর্টে আছেন। আইসিইউতে একজন। বাকি ছয় জন এইচডিইউতে আছেন।

আহতদের চিকিৎসায় ২০ সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আহতদের যে অবস্থা তাতে আরও বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। বার্ন রোগীদের একেবারে আশঙ্কামুক্ত বলা যায় না। কাজেই যতক্ষণ পর্যন্ত বাসায় না যায় ততক্ষণ পর্যন্ত তারা শঙ্কামুক্ত নন।’


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




কালিয়াকৈরে গাছের চাপায় পড়ে স্বামী নিহত,আহত স্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ, কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ গাছ কাটতে গিয়ে গাছের নিচে চাপা পড়ে স্বামী নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন তার স্ত্রী। রোববার সকালে উপজেলার গাবতলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত হলেন, কালিয়াকৈর উপজেলার শ্রীফলতলী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের গাবতলী এলাকার খালেক সরকারের ছেলে জসিম উদ্দিন (৪৫)। আহত হলেন, তার স্ত্রী বিনা বেগম (৪০)।

এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জসিম উদ্দিন কালিয়াকৈর উপজেলার বাইপাস এলাকার সিকদার মেডিকেল হাসপাতাল নামে একটি ক্লিনিকে মার্কেটিংয়ের কাজ করতেন। রোববার সকালে জসিম তার গাবতলী এলাকার বাড়ির উঠানে ঝড়ের ক্ষতিগ্রস্থ একটি গাছ কাটতে যান। কিন্তু গাছটি কাটার এক পর্যায় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ করে গাছের নিচে চাপা পড়ে জসিম। এসময় তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার স্ত্রী বিনা বেগম আহত হন। তার ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে গাছের নিচ তাদের উদ্ধার করে। আহতদের মধ্যে স্ত্রী বিনা বেগমকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও গুরুতর আহত অবস্থায় জসিমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় এলাকাবাসী। এসময় ওই হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক জসিমকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) আমিরুল ইসলাম ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, বাদ মাগরিব নিহতের নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



আগামী অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৫.৭ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৬৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৫.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

মঙ্গলবার (১১ জুন) বিশ্বব্যাংকের ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস’ শীর্ষক জুন মাসের প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কম হবে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৫.৮ শতাংশ। আর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে হবে ৫.৬ শতাংশ। সেই হিসেবে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার কমবে। তবে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫.৭ শতাংশ হতে পারে। আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেটি কিছুটা বেড়ে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫.৯ শতাংশ ।

যদিও প্রস্তাবিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬.৭৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে সরকার। প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দেশের অর্থনীতি বর্তমানে কিছুটা চাপের মুখে থাকলেও প্রাজ্ঞ ও সঠিক নীতিকৌশল বাস্তবায়নের ফলে জিডিপি প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত আছে। এদিকে, বিশ্বব্যাংক বলছে, বাংলাদেশে আমদানি নিষেধাজ্ঞা থাকায় শিল্প–কলকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি উচ্চমূল্যের কারণে মানুষের প্রকৃত মজুরি ও পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। আর বৈশ্বিক অর্থনীতি সম্পর্কে বিশ্বব্যাংক বলেছে, গত তিন বছরের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতি এবারই প্রথম স্থিতিশীল হবে।


আরও খবর



মীরপুর ১০ ব্যাস্ততম এলাকায় রাস্তা দখল করে হকার বসিয়ে চাঁদাবাজী

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১২৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিনিধী:- রাজধানীর ব্যস্ততম মিরপুর১০ নম্বর গোলচত্বরসহ এলাকার  ফুটপাতসহ সড়কের অর্ধেকটা দখল করে চলছে পাচ হাজার হকারদের রমরমা ব্যবসা। এই ব্যবসার দোকান গুলোতে আলো জ্বালাতে অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে মাসে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। এদিকে সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার জন্য লোডসিটিং চালু করেছে। অন্য অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে মোটা অস্কের টাকার হাতিয়ে নিচ্ছে।


এর পাশাপাশি কোটি টাকার চাঁদাবাজিও হচ্ছে ফুটপাত থেকে। মিরপুর মডেল থানার কর্মরত কনস্টেবল মোহাম্মদ হেলাল প্রায় এক যুগ ধরে পুলিশের নামে ফুটপাত ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা তোলেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ পুলিশের পিআই মোহাম্মদ জিয়া সহ পুলিশের বড় কর্মকর্তাদের নামে এই সব টাকাগুলো ওঠানো হয়। প্রায় চার লেনের চওড়া রাস্তার দুই লেনই দখল করে ব্যবসা করছেন হকারা।এখান থেকে মাসে কোটি টাকার লেনদেন করছেন হকার নেতারা।


 ফুটপাতের একাধিক ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, প্রসাশনসহ সরকার দলীয় নেতা -কর্মীরা এসব টাকা ভাগ করে খাচ্ছেন। ফুটপাতের পজিশন নিতে প্রথমে দিতে ৪০-৫০ হাজার টাকা। আবার প্রতিদিন দিতে হয় ৩-৪ শ টাকা। এ ছাড়া, আরও অনেককে ম্যানেজ করতে হয়।তারা শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাতের নামে টাকা উঠায়। এতে করে শুধু পথচারীই নয়, চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকেও। বিশেষ করে মিরপুর-২ নম্বর থেকে১০  গোলচত্বরসহ আশ পাশের পুরো এলাকা জুড়ে ও শাহ আলী মার্কেটের রাস্তার অর্ধেকের বেশি দখলে থাকে হকারদের। ক্রেতা-বিক্রেতা একাকার হয়ে যায় প্রধান সড়কে। 


এসব এলাকার রাস্তা দখল এবং ফুটপাতের অবস্থা বেগতিক। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাাসনকে ম্যানেজ করে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে রাস্তাকে পজিশন বিক্রি করা হয়েছে। ফলে যেখানে বসে নিশ্চিন্তে ব্যবসা করছেন হকাররা। এসব হকারদের কারণে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মার্কেটের ব্যবসায়ীরাও।ব্যবসায়ীদের অভিযোগ ফুটপাত, রাস্তা দখল করে হকার বসিয়ে স্থানীয় নেতারা প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা চাঁদাবাজি করছে। এমন কি সরকারকে ফাকি দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে মাসে অর্ধকোটি টাকা হর্কারদের কাছ থেকে আদায় করছে চক্রটি। যার ভাগ প্রশাসনের বিভিন্ন মহলেও পৌঁছে যাচ্ছে। এমনকি সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরাও বাদ নেই। কিন্তু এ কারণে মূল মার্কেটের ব্যবসা কমে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা আরও অভিযোগ করে বলেন, শাহ আলী মার্কেটের আশপাশের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ করছে রুবেল, জাহাঙ্গীর, হিরু মিয়া, রাড্ডার সামনে টিংকুর নিয়ন্ত্রণে সাদ্দাম,  আকবর, হাবিব ও নুরু মিয়াসহ কয়েকজন। এবং ১০ নম্বর গোলচত্বরসহ তার আশপাশের ফুটপাতে থেকে মো. আখের মিয়া, রুবেল, নেতা জাকির, সাদ্দাম, ফেলান ও মোরসালিন। তারা নিজেরাও দোকান বসিয়েছে। ব্যবসায়ীদের আরো অভিযোগ মোরসালিন এমপি এসএম জাহিদের নাম ভাঙ্গিয়ে ফুটপাত দখল করে ও বিভিন্ন জায়গা থেকে চাঁদাবাজি করে আসছে। নিয়ন্ত্রণকারীরা  বলেন, সবাই এসে আমাদেরকে ধরেন হকারেরা।


 আমরা বাধ্য হয়ে মোটা অংকের  টাকা নিয়ে হকারদেরকে বসতে দেই। তাদের নিয়ন্ত্রিত বাহিনীর সদস্যরা শুধু ফুটপাতই নয়, রাস্তা দখল করে পজিশন বিক্রি করছে হকারদের কাছে। সকাল থেকেই রাস্তা ও ফুটপাত দখল হয়ে যায়। রাস্তায় দেখা দেয় তীব্র যানজট। বাস চালক আবুল কালাম বলেন, ঢাকায় এত চওড়া রাস্তা খুবই কম এলাকাতেই আছে। কিন্তু চওড়া হলে কী হবে। হকারদের কারণে আমরা তার সুফল ভোগ করতে পারি না। সব যায়গায় ফুটপাত দখল করলেও এখানে রাস্তাই দখল করে বসে আছে। থানা পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ সব দেখছে। 


কিন্তু কেউ কিছুই বলছে না। মার্কেটের কয়েক জন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করে বলেন, হকারদের এ উৎপাতে আশপাশের মার্কেটগুলোর ব্যবসায়ীরা সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। রাস্তা, ফুটপাথ বন্ধ থাকার কারণে ক্রেতারা মার্কেটে আসতে পারেন না। যার কারণে তাদের বিক্রিও তেমন হয় না। এসব বিষয়ে কোনো কথা বলতে গেলে দখলদার সন্ত্রাসীরা নানা ধরনের হুমকি দিতে শুরু করে।


শুধু তাই নয়, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে থাকে।রাস্তায় পজিশন নেওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আলমগীর  হোসেন ও শামসুল আলম বলেন, মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা দিয়ে বসার জায়গাটুকু পেয়েছি। তার পরও প্রতিদিন তাকে ৩০০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয়। এর পর আবার বিদ্যুৎ জ্বালানোর জন্য প্রতি লাইটে ৩০ টাকা করে দিতে হয়। বিক্রি হোক বা না হোক এই চাঁদা তাদেরকে দিতেই হবে।


এটা এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এর বাইরে যখন চাঁদা দিতে হয় তখন ব্যবসায়ীদের পুঁজি ভেঙে খাওয়া ছাড়া কোনো পথ থাকে না।তিনি বলেন, ফুটপাতে খুবই কম লাভে পণ্য বিক্রি করতে হয়। এখন প্রচুর দোকান থাকায় খুব বেশি লাভও হয় না। তার মধ্যে থানা পুলিশ, লাইনম্যান, ঝাড়ুদার, পুলিশ সোর্স এবং এলাকার বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের আলাদা আলাদা করে টাকা দিতে হয়। কেউ দিন হিসেবে আবার কেউ সপ্তাহ হিসেবে এসব টাকা নিয়ে থাকে।


আর যাদের কাছ থেকে জায়গা বা পজিশন নিয়েছি তাদের তো আলাদাভাবে চাঁদা দিয়ে জায়গা রক্ষা করতে হয়।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশে শর্তে তিনি বলেন, মাঝে মধ্যেই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। কিন্তু তাতে লাভ হয় না।তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের কিছু অসাধু কর্মচারী ও কর্মকর্তারা এবং  প্রসাশনের লোকজন এসব অনৈতিক কাজে জড়িত থাকেন।তা হলে তো আর উচ্ছেদ করেও কোনো লাভ হচ্ছে না।


একদিকে উচ্ছেদ হচ্ছে আবার কিছুক্ষণ পরে হকাররা আবার দোকান বসাচ্ছে। তাই পুলিশের পক্ষ থেকে কার্যকরি পদক্ষেপ নেওয়া হলে উচ্ছেদের পর নতুন করে হকার বসতে পারবে না। ডেসকোর একজন প্রকৌশলী এ ব্যাপারে বলেন, এই সব অভিযোগ শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। আমরা ওই সব এলাকায় বারবার অভিযান চালিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন করা হয়। কিন্তু আমাদের অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারী ও কর্মকর্তারা অর্থের বিনিময়ে ওই সব অবৈধ চক্রের সাথে হাত মিলিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎতের লাইন সংযোগ দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।


তিনি দুঃখকরে আরও বলেন, যেখানে সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার জন্য লোডসিটিংয়ে পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর মধ্যে তারা গ্রাহকে ঠকিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগদিয়ে টাকা নিচ্ছেন। মিরপুর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন মোল্লাহ জানান, অতি তাড়াতাড়ি সবার সহযোগিতায় মিরপুর এলাকার ফুটপাথ ও রাস্তা দখল থেকে হকারদের উচ্ছেদ করে দখলমুক্ত করা হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




কালিয়াকৈরে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকের মূল্য-কর বৃদ্ধির দাবী

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | ৮৪জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:“তামাক কোম্পানী হস্তক্ষেপ প্রতিহত করি, শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে রোববার দুপুরে অবস্থান কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের সহযোগীতায় ও দিশারীর আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সামনে লতিফপুর এলাকায় এ কর্মসূচী পালন করা হয়। কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন-দিশারীর নির্বাহী পরিচালক মতিউর রহমান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক এস এম ওয়ারেচ, মিনহাজ আহম্মেদসহ আরো অনেকে।এসময় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আসন্ন বাজেটে তামাকের মূল্য ও কর বৃদ্ধির দাবী জানান অবস্থান কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ কারীরা।


আরও খবর



হাইওয়ে পুলিশের ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৭০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট হাইওয়ে পুলিশের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে (১১ জুন) রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান।

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বিপিএম (বার), পিপিএম-এর সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মো. শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম (বার)।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেনজীর আহমদ, এমপি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মো. জাহাংগীর আলম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) মো. কামরুল আহসান, স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধান অতিরিক্ত আইজি মোঃ মনিরুল ইসলামসহ বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিগণ, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এবং সড়ক পরিবহন সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, এমপি বলেন, মহাসড়কে যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হাইওয়ে পুলিশ প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে। ট্রাফিক ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে হাইওয়ে পুলিশে ড্রোন সংযোজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতার ফলে গত ঈদুল ফিতরে জনগণের যাত্রা স্বস্তিদায়ক হয়েছে। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, এবার ঈদুল আযহায়ও জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন।

মন্ত্রী সড়কে নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি মাদক পরিবহন বন্ধে কাজ করার জন্য হাইওয়ে পুলিশকে নির্দেশনা প্রদান করেন। জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেন, নিরাপদ সড়ক গড়ে তোলা শুধু হাইওয়ে পুলিশের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন সড়ক ব্যবহারকারীদেরকে ট্রাফিক আইন মান্য করা। তিনি ট্রাফিক আইন মেনে চলার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বিপিএম (বার), পিপিএম বলেন, হাইওয়ে পুলিশ আন্তরিকতার সাথে সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কাজ করছে। আজ হাইওয়ে পুলিশের অস্তিত্ব সকল স্থানে দৃশ্যমান।

তিনি বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া পশুবাহী কোন গাড়ি থামানো যাবে না বলে পুলিশের সকল ইউনিটকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পুলিশ সফলতার সাথে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আইজিপি বলেন, জনগণ যাতে নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছতে পারে সেজন্য হাইওয়ে পুলিশ, জেলা পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকল পুলিশ ইউনিট আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি মো. শাহাবুদ্দিন খান, বিপিএম (বার) বলেন, নানা সীমাবদ্ধতা স্বত্বেও নিরাপদ সড়ক গঠনের জনপ্রত্যাশা পূরণে হাইওয়ে পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি হাইওয়ে পুলিশের জনবল বাড়ানো এবং আইন প্রয়োগে কঠোরতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে হাইওয়ে পুলিশের সার্বিক কার্যক্রমের ওপর একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। পরে এ উপলক্ষে একটি কেক কাটা হয়।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪