Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

বাড়ছে মোবাইল ফোনের দাম

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
Image

এবারের বাজেটে মোবাইল টেলিফোন সেটের ব্যবসায়ী পর্যায়ে বিদ্যমান ৫ শতাংশ মূসক অব্যাহতি প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে বাড়তে পারে মোবাইল হ্যান্ডসেটের দাম।

এছাড়া সেলুলার ফোনের ব্যাটারি-চার্জার আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশের প্রস্তাব করায় মোবাইল ফোনের দাম বাড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় এ কথা জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, মোবাইল টেলিফোন সেটের ব্যবসায়ী পর্যায়ে বিদ্যমান ৫ শতাংশ মূসক অব্যাহতি প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশীয় উৎপাদিত সেলুলার ফোন উৎপাদনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে আরও বিকশিত করার লক্ষ্যে সেলুলার ফোন, ব্যাটারি ও চার্জারের আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এসবের ফলে মোবাইল ফোনের দাম আরেকদফা বাড়েছে।

করোনাভাইরাসের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার হচ্ছে ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। এবারের বাজেটের আকার যেমন বড়, তেমনি এ বাজেটে ঘাটতিও ধরা হয়েছে বড়।

অনুদান বাদে এই বাজেটের ঘাটতি দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির সাড়ে ৫ শতাংশের সমান। অনুদানসহ বাজেট ঘাটতির পরিমাণ দুই লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ৪০ শতাংশের সমান।

এটি বর্তমান সরকারের ২৩তম এবং বাংলাদেশের ৫১তম ও বর্তমান অর্থমন্ত্রীর চতুর্থ বাজেট। বাজেটে সঙ্গত কারণেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কৃষিখাত, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাসহ বেশকিছু খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



জবির উপাচার্যসহ পাঁচজনকে লিগ্যাল নোটিশ

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির বর্তমান সভাপতি বিদেশে অবস্থান করায় তার পদ শূন্য ঘোষণা করে রিফাত মহিউদ্দিনকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্যসহ পাঁচজনকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২৭ জুলাই) আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (জবিসাস) সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন রিফাতের পক্ষে তিনি এই নোটিশ পাঠান।

জবি উপাচার্য পদাধিকারবলে জবিসাসের প্রধান উপদেষ্টা। এছাড়াও সমিতির অপর দুই উপদেষ্টা বিশ্বিবদ্যালয়ের ট্রেজারার ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি এবং জবিসাসের সাধারণ সম্পাদক ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদেরও এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, গত ১৩ জুলাই বর্তমান সভাপতি রবিউল আলম উচ্চশিক্ষার জন্য ভারত চলে যান। তাছাড়া তিনি চলতি বছরের শুরু থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে কোনো গণমাধ্যমে কাজ করছেন না। তাই সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সভাপতি রবিউল আলম আর জবিসাসের সাধারণ সদস্য নন। এ অবস্থায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সমিতির সহ-সভাপতি রিফাত মহিউদ্দিন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের অধিকারী।

কিন্তু সমিতির সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যনিবার্হী কমিটির অন্য সদস্যরা রিফাত মহিউদ্দিনকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দিতে গড়িমসি করছেন।

এ অবস্থায় আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে রিফাত মহিউদ্দিনকে দায়িত্ব দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচর্যসহ জবিসাসের তিন উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। অন্যথায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।


আরও খবর



খেলা শুরু করতে নড়েচড়ে বসেছে হকি ফেডারেশন

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ৩০ July ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

দীর্ঘ ৮ মাস ঘরোয়া কোন খেলা আয়োজনে ব্যর্থ হওয়ায় চরম সমালোচনার মুখে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন। দেশে আর কোন ক্রীড়া ফেডারেশন কিংবা অ্যাসোসিয়েশন আছে কিনা সন্দেহ, যারা ৮ মাস কোনো খেলা আয়োজন করে না!

হকি ফেডারেশনের ঘুমিয়ে থাকা নিয়ে খেলোয়াড়রাও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। নারী খেলোয়াড়রা তো নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে ভারতে খেলতে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

এমন অবস্থায় বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা বুধবার অনির্ধারিত সভা করে প্রথম বিভাগ লিগ শুরু করা যায় কিনা তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। অগ্রগতির মধ্যে এতটুকুই যে, ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রথম বিভাগ লিগ পরিচালনার জন্য একটা কমিটি গঠন করতে পেরেছেন।

এই কমিটির সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ হাজী মোঃ হুমায়ুনকে। ডিসি মতিঝিলকে করা হয়েছে চেয়ারম্যান এবং সহসভাপতি করা হয়েছে ফেডারেশনের চার সহসভাপতি যথাক্রমে আব্দুর রশিদ সিকদার, সাজেদ এএ আদেল, জাকি আহমেদ রিপন, মো. ইউছুপ আলী, যুগ্ন-সম্পাদক কামরুল ইসলাম কিসমত ও চেয়ারম্যানের মনোনীত একজন প্রতিনিধিকে।

কমিটির যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে জামিল আবদুল নাছির এবং সদস্য করা হয়েছে খাজা তাহের লতিফ মুন্না ও বদুরুল ইসলাম দিপুকে। ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, আম্পায়ার্স বোর্ডের প্রতিনিধি, গ্রাউন্ডস কমিটির প্রতিনিধি এবং ফেডারেশনের সভাপতির একজন প্রতিনিধি থাকবেন লিগ কমিটির সদস্য হিসেবে।

এই কমিটি ক্লাব প্রতিনিধিদের নিয়ে সভা করে লিগ শুরুর বিষয়ে আলোচনা করবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ।


আরও খবর



গুচ্ছগ্রাম থেকে আশ্রয়ণ: ভাগ্য বদলেছে উপকূলবাসীর

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

উপকূলীয় উপজেলা লক্ষ্মীপুরের রামগতি। দুর্যোগ-দুর্বিপাক যার নিত্যসঙ্গী। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়ংকর থাবায় এই উপজেলার কত-শতজন হারিয়েছেন আপনজন-ভিটেমাটি, তার ইয়ত্তা নেই। তবে উপকূলীয় এই উপজেলায় যেমন আঘাত এসেছে, তেমনি আলোকিতও হয়েছে। উপকূলের নানা সংকটের পরও আশ্রয়ণের আলোয় সমৃদ্ধ হয়েছে রামগতি।

১৯৭০ থেকে ২০২২, বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা; প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম এই অঞ্চলের জন্য খুলে দিয়েছেন হাত। সত্তরের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত এই জনপদে এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু। স্বজন ও ভিটেমাটি হারা শত শত পরিবারকে পুনর্বাসন করেছেন। সেই থেকেই আশ্রয়ণের ধারণার উদ্ভব হয়। যার চিহ্ন ধরে রাখতে এখানে বঙ্গবন্ধু স্মৃতিস্তম্ভও করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর মতো শেখ হাসিনাও এই উপকূলে ক্ষতিগ্রস্তদের আপন করে নিয়েছেন, আশ্রয় দিয়েছেন। সত্তর থেকে এ পর্যন্ত রামগতির ২ হাজার ৯৩২ পরিবারকে পুনর্বাসন করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) লক্ষ্মীপুরের সদর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে রামগতির চর পোড়াগাছা ইউনিয়নে গিয়ে দেখা যায়, ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর আশ্রয়ণের গুচ্ছগ্রাম এখন সমাজের মূলধারার মতোই একটি ইউনিয়নে পরিণত হয়েছে। সর্বহারা সেসব মানুষের অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। এখানকার সেই ২১০ পরিবার এখন প্রায় ৬ শতাধিক পরিবারে রূপ নিয়েছে।

বিশাল এই গুচ্ছগ্রামে গিয়ে দেখা হয় ষাটোর্ধ্ব মেজবাহ উদ্দিনের সঙ্গে। ৭০ এর স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ৭০ এর সাইক্লোনে আমরা সব হারিয়েছি। সর্বহারার মতো অবস্থা। বঙ্গবন্ধু দেখতে এসেছিলেন। আজকে যেটা সুন্দর গ্রাম দেখছেন, সেটা ছিল মরুভূমির মতো মাঠ। একটা চর। বঙ্গবন্ধু তখন এই জায়গা থেকে আমাদের প্রতি পরিবারকে ২.৫ একর করে জায়গা দিয়েছিলেন।

তারা বলছেন, প্রত্যেকের বাড়ির জন্য ৩০ শতক ও কৃষির জন্য ২ একর ২০ শতক জমি। মোট ৬০০ একর ভূমিতে গুচ্ছগ্রাম। ৫০০ একর লোকদের নামে। ১০০ একর কমন। যেখানে ২২টি পুকুর, ১০ ফ্যামিলির জন্য একটা করে দিঘি, মসজিদ, মন্দির, মাদরাসা, বাজার, খেলার মাঠ, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় আছে। দিঘিতে সবাই মিলে মাছ চাষ করেন। বঙ্গবন্ধুর ঘর করে দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তার হত্যাকাণ্ডের পর আর ঘর হয়নি।

‘ওনার (বঙ্গবন্ধু) সময়ে সারাদেশে মোট ৭টা গুচ্ছগ্রাম হয়েছে। উনি থাকলে আরও বহু কিছু হতো।’ যোগ করেন মেজবাহ উদ্দিন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা একরাম উদ্দীন বলেন, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর দেশে ফিরে আমাদের এখানেও আসেন। নিজের হাতে মাটি কেটে এই গুচ্ছগ্রাম শুরু করেন।

তিনি বলেন, তখন এই জায়গা ছিল মরুভূমির মতো। ঘাসও ছিল। আমরা ঘরবাড়ি করে নিয়েছি।

কথা হয় আরেক উপকারভোগী মাইনুদ্দিন দুলালের সঙ্গে। তিনি আক্ষেপ করে জানান, তার ৩০ শতক জমি আছে। বাকিটা মামলা করে খুইয়ে ফেলেছেন। পাশ থেকেই এনামুল হক নামের আরেকজন জবাব দেন, বঙ্গবন্ধু যতদিন ছিলেন গায়ে মাছিও বসেনি। পরে অনেকে অনেকভাবে হয়রানি করেছে।

চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন হাওলাদার বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ২১০টি পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রতিটি পরিবারকে ২.৫ একর করে ভূমি দিয়ে ছিন্নমূল ও অসহায় এসব মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রম সর্বপ্রথম শুরু করেন। এখন বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত এই ইউনিয়নের কলাকোপা আশ্রয়ণ প্রকল্পে ৫.১৫ একর অবৈধ দখল উদ্ধারকৃত জমিতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত জেলে, ভিক্ষুক, বিধবা ও অসহায় ১ হাজার ৪২৫ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হচ্ছে।

লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নূরে আলম বলেন, এখানে ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাইক্লোনে ক্ষতিগ্রস্ত ২১০ পরিবারকে পুনর্বাসন করেন। প্রতিটি পরিবারকে ২.৫ একর জমি বরাদ্দ দেন। সেই পুনর্বাসন স্মৃতিকে ধরে রাখতে এখানে একটা স্মৃতিস্তম্ভসহ কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানে ২ একর ১২ শতক জায়গার ওপর ২৮ জনের জন্য পাকা ঘর, শিশুপার্ক ও মার্কেট থাকছে।

১৯৭২ সালে রামগতিতে করা বঙ্গবন্ধুর গুচ্ছগ্রামের ধারণা থেকে এখন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে ‘আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প’র মাধ্যমে সারাদেশে ভূমিহীন-গৃহহীনদের পুনর্বাসন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা- ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না।’ এরই মধ্যে পুনর্বাসনের মধ্যদিয়ে দেশের ৫২টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত করেছে সরকার।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে ৫ লাখ ৯ হাজার ৩৭০ পরিবারকে ভূমি ও সেমিপাকা ঘর করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্বাহী সেলের মাধ্যমে ৭ হাজার ৮০৯টি পরিবার, ভূমি মন্ত্রণালয় ৭২ হাজার ৪৫২টি পরিবার, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৪ হাজার ২৩৭টি পরিবার, বাংলাদেশের গৃহায়ণ তহবিল থেকে ৮৮ হাজার ৭৮৬টি পরিবার এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ২৮ হাজার ৬০৯টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এভাবে সারাদেশে মোট ৭ লাখ ১১ হাজার ৬৩ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।


আরও খবর



নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ অস্ত্র মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

প্রকাশিত:Friday ২৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৯৪জন দেখেছেন
Image

স্টাফ রিপোর্টারঃ মোঃআবু কাওছার মিঠু 


র‌্যাব-১১’র দায়ের করা অস্ত্র মামলায় ইসমাইল মিয়া (৩৩) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছেন নারায়ণগঞ্জ আদালত। এ মামলায় মাসুম নামে অপর আসামি খালাস পেয়েছেন।


বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) সকালে জেলা ও দায়রা জজ মুন্সি মশিয়ার রহমান আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

জেলা আদালতের পিপি মনিরুজ্জামান বুলবুল জানান, অস্ত্র মামলায় দুইজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে প্রধান আসামিকে যাবজ্জীবন এবং অপর আসামিকে খালাস প্রদান করে রায় দেন আদালত।


মামলার সূত্রে জানাযায়, যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামি ইসমাইল মিয়া কিশোরগঞ্জ জেলার পীরপুর এলাকার গিয়াসউদ্দিনের ছেলে।


২০১৯ সালের ১ আগস্ট সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় আদর্শনগর এলাকা থেকে থেকে একটি বিদেশী পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলিসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন ইসমাইল।


আরও খবর



২৫ দিনের মধ্যে বাজারে মিলবে ঈশ্বরদীর আগাম শিম

প্রকাশিত:Friday ২২ July 20২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

যত দূর দু’চোখ যায় মাঠের পর মাঠ শিমের ক্ষেত। শিমের লতা-পাতার সবুজ সমারোহের মাঝে বেগুনি ও সাদা রঙের ফুল যে কারো নজর কাড়বে। এরই মধ্যে কিছু কিছু গাছে শিমও ধরতে শুরু করেছে। বলছিলাম ‘অটো শিমে’র কথা। পাবনার ঈশ্বরদীর মুলাডুলি ইউনিয়নে আগাম চাষ হওয়া এ শিম ২৫ দিনের মধ্যে বাজারে মিলবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

‘অটো শিম’ চাষে এখানকার কৃষকরা প্রতিবারই লাভবান হন। এবারও একই স্বপ্ন দেখছেন তারা। তাই শিম গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ঈশ্বরদীতে ১১৩০ হেক্টর জমিতে শিমের আবাদ হয়। এরমধ্যে শুধুমাত্র মুলাডুলি ইউনিয়নে ৮৫০ হেক্টর জমিতে শিম চাষ হয়। ২০২১ সালে এ উপজেলায় ৮১ কোটি ৩৬ লাখ টাকার শিম বিক্রি হয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, দেশের অন্যতম শিম উৎপাদনকারী এলাকা হিসেবে পরিচিত ঈশ্বরদীর মুলাডুলিতে এখন চলছে আগাম শিম চাষ। জৈষ্ঠ্যের মাঝামাঝিতে আগাম শিম চাষের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে চাষিরা। বর্ষা মৌসুমের বৃষ্টির পানি থেকে শিম গাছকে রক্ষা করতে জমিতে ১২ থেকে ১৬ ইঞ্চি উঁচু করে তৈরি করা হয়েছে বিট বা টিবি। সে উঁচু বিটে চাষ হচ্ছে শিমের।

ish-(3)

‘অটো’ জাতের শিম গাছ এরই মধ্যে মাচায় উঠে ফুলে ফুলে ভরে গেছে। ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যেই পুরোদমে এসব শিম বাজারে উঠবে। এ শিম চাষে প্রতিবছরই সফলতা পান এখানকার চাষিরা। তাই প্রতিবছরই আবাদ বাড়ছে। শিম চাষকে কেন্দ্র করে ঈশ্বরদীর মুলাডুলিতে গড়ে উঠেছে বিশাল বাজারও। প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০ ট্রাক শিম ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশালসহ দেশের জেলা শহরগুলোতে যায়।

মুলাডুলির বাঘহাচলা গ্রামের শিম চাষি কামাল হোসেন বলেন, ‘আড়াই বিঘা জমিতে শিমের আবাদ করেছি। প্রতি বিঘা আবাদে খরচ হয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। আবাদ ভালো হলে বিঘা প্রতি শিম বিক্রি হবে ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।’

তিনি আরও বলেন, ‘গতবছরই আগাম জাতের অটো শিম বাজারে প্রথম বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকা কেজি দরে। ফলন ভালো হলে আর কৃষক ন্যায্য দাম পেলে লাভবান হবেন।’

বেতবাড়িয়া গ্রামের কৃষক ইউনুস আলী বলেন, ‘আগাম জাতের শিম চাষে ব্যাপক লাভবান হয়েছে এখানকার কৃষকরা। শিম চাষে উৎসাহ বাড়ছে।’

ish-(3)

মুলাডুলি দৈনিক সবজি বাজার সমিতির উপদেষ্টা আমিনুল ইসলাম বাবু জাগো নিউজকে বলেন, আগাম জাতের শিম চাষাবাদ শুরু হয়েছে। এখনো শিম বেচাকেনা শুরু হয়নি। আশা করছি ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যেই আগাম জাতের শিম বাজারে আসবে।

মুলাডুলি ইউনিয়নের কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. আলিউজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, অটো, ঘৃত কাঞ্চন ও রূপসী নামের আগাম জাতের শিম এখানে চাষাবাদ বেশি হয়। আগাম জাতের শিমে চাষিরা লাভবান হলেও এ ফলনে সার ও কীটনাশক মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগ করতে হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিতা সরকার জাগো নিউজকে বলেন, রাজধানীর বাজারে আগাম যে শিম পাওয়া যায় সেটি উৎপাদন হয় ঈশ্বরদীতে। দেশের সবচেয়ে বেশি শিম এখানে চাষাবাদ হয়। তবে আগাম শিম চাষে কৃষকরা অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার করে যা স্বাস্থ্যর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সার ও কীটনাশক কম ব্যবহার করে কীভাবে আগাম শিম উৎপাদন করা যায় সে বিষয়ে কৃষকদের নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর