Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৭৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশকে ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)দেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে । বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ ২ হাজার ৯৩৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১১৭.৪২ টাকা ধরে)।

সোমবার (১০ জুন) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সঙ্গে এডিবি ঋণ চুক্তি সই করে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ইআরডি সচিব সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিনটিং নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং বলেন, দ্বিতীয় শক্তিশালীকরণ সামাজিক স্থিতিস্থাপকতা কর্মসূচির লক্ষ্য হলো সুরক্ষার কভারেজ এবং দক্ষতা বৃদ্ধি, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি উন্নত করা এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ সুরক্ষা চাহিদার প্রতিক্রিয়া জোরদার করার ক্ষেত্রে সংস্কারমূলক কাজকে ত্বরান্বিত করা। এ কর্মসূচির প্রথম ধাপ ২০২২ সালের জুনে শেষ হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন এই প্রোগ্রামটি বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিরক্ষামূলক এবং প্রতিরোধমূলক ক্ষমতা জোরদার করার জন্য সরকারের জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশলের দ্বিতীয় ধাপের কর্মপরিকল্পনাকে সমর্থন করে। প্রোগ্রামটি সামাজিক সুরক্ষা প্রোগ্রাম পরিচালনায় দক্ষতা উন্নত করতে, সবচেয়ে দুর্বলদের জন্য সুরক্ষা বাড়াতে এবং অবদানকারী সুরক্ষা প্রকল্পগুলো প্রবর্তনের মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষার সুযোগ উন্নত করতে সহায়তা করবে। এটি দুর্বলতা, বর্জন এবং আরও দারিদ্রের মধ্যে পড়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।

সংস্থাটি জানায়, এই প্রোগ্রামটি দক্ষতা এবং কার্যকারিতা উন্নত করার জন্য প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য দুটি নগদভিত্তিক সুরক্ষা প্রোগ্রামকে একীভূত করবে। এই প্রোগ্রামটি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদেরও শনাক্ত করাসহ জলবায়ু দুর্বলতার বিরুদ্ধে স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করার জন্য সামাজিক সুরক্ষায় জলবায়ু অভিযোজিত ব্যবস্থাগুলোকে একীভূত করতে সহায়তা করবে।

এডিবির সহায়তা বিধবা ভাতা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি করবে এবং ট্রান্সজেন্ডারদের জন্য জীবিকা সহায়তা কর্মসূচির কভারেজ সম্প্রসারণের মাধ্যমে অসহায় নারী ও ট্রান্সজেন্ডারদের সুরক্ষাকে শক্তিশালী করবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক মহিলা উদ্যোক্তাদের জন্য ক্ষুদ্র উদ্যোগ পুনঃঅর্থায়ন প্রকল্পের জন্য তার তহবিল দ্বিগুণ করছে, যাতে আর্থিক পরিষেবাগুলোতে মহিলা ক্ষুদ্র ব্যবসা অপারেটরদের অংশগ্রহণ সম্প্রসারিত করা যায়।

এডিবি জানায়, কর্মসূচির আরেকটি লক্ষ্য হলো তৈরি পোশাক খাতের শাসন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা। এ ছাড়া এটি একটি ত্রিপক্ষীয় কমিটি গঠনে সমর্থন করে, যার মধ্যে রয়েছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে কর্মীদের জন্য সামাজিক সুরক্ষার ওপর কর্মী সমিতি, নিয়োগকর্তা সমিতি এবং দেশের সামাজিক বিমা প্রকল্পগুলোকে আরও বিকাশের ক্ষেত্রে একটি মূল প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা হিসেবে সহায়তা করা।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




রেলওয়ে যাত্রীবাহী ২০০ বগি কিনছে ভারত থেকে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১৪৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশ রেলওয়ে ব্রডগেজ লাইনে চলাচলের জন্য ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রেল ইন্ডিয়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকনোমিক সার্ভিসের (আরইটিইএস) কাছ থেকে ২০০টি যাত্রীবাহী বগি সংগ্রহ করতে যাচ্ছে।

সোমবার (২০ মে) বিকেলে রাজধানীর রেলভবনের যমুনা মিলনায়তনে দু’দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম বলেন, আমাদের ক্যারেজের খুব সমস্যা। এই মুহূর্তে আপনারা (ভারতীয়) যে ক্যারেজ দিচ্ছেন এর জন্য ধন্যবাদ। ক্যারেজ কবে দেওয়া হবে সেই সময়ের কথা চুক্তিতে নেই। এটা থাকলে আমাদের সুবিধা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে পারি। আগামী দুই মাসের মধ্যে দুই সেট ক্যারেজ পাওয়া গেলেও আমাদের জন্য ভালো হবে। বাকিগুলো শিডিউল করে নিলে হবে।

রেল সচিব হুমায়ুন কবীর বলেন, সম্প্রতি দেশের দক্ষিণাঞ্চলে রেল সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। এতে ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণের জেলাগুলোর যোগাযোগ বাড়ছে। প্যাসেঞ্জার ক্যারেজ এলে তা রেল যোগাযোগকে ত্বরান্বিত করবে।

রেলের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী বলেন, রেল যোগাযোগের পরিধি বাড়ানো, বিভিন্ন প্রান্তে রেল সংযোগ স্থাপন করা এবং যাত্রীসেবা বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সেই লক্ষ্য অনেকাংশে পূরণ করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় কোম্পানির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাহুল মিত্তাল, ভারতের রেলওয়ের প্রোডাকশন ইউনিটের অতিরিক্ত সদস্য সঞ্জয় কুমার পংকজ ও ইউরোপিয় ইউনিয়নের হেড অফ করপোরেশন মিচেল ক্রেজা ও রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

২০২২ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময় ধরা হয়েছে এই প্রকল্পের। সরকারের পাশাপাশি ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (ইআইবি) অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২৯৮ কোটি ৫৮ লাখ ৭৭ হাজার ১৩৯ টাকা (ডলার ১১৬ টাকা ৭১ পয়সা)।

সে হিসেবে প্রতিটি বগির দাম পড়বে ৬ কোটি ৪৯ টাকা, এই অর্থ দেবে ইআইবি। বগি দেশে এলে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস করতে প্রায় ৩০৩ কোটি টাকা (৩৫%) লাগবে, সেটি দেবে সরকার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চুক্তি অনুযায়ী ১৬ মাসের মধ্যে রেলওয়ে বগিগুলো পাবে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২০ মাস পর থেকে বগি দেওয়া শুরু হবে যা ৩৬ মাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। বগিগুলো হবে স্টেইনলেস স্টিলের, দ্রুতগতি সম্পন্ন।

বগির ছাদে এসি থাকবে, এগুলো অটোমেটিক এয়ার ব্রেক পদ্ধতি ও পরিবেশবান্ধব। যা পরবর্তীতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




খোলামেলা ছবিতে উষ্ণতা ছড়িয়েছেন জাহ্নবী

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিনিধি:প্রেমিক শিখর পাহাড়িয়ার সঙ্গে অনেকদিন ধরেই প্রেমের সম্পর্কে আছেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। অবশ্য বিষয়টি নিয়ে বেশ ঢাকঢোলও পিটিয়েছেন এই অভিনেত্রী। কারণ, শিখর পাহাড়িয়াকেই যে তিনি ভালোবাসেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে নিজের কিছু খোলামেলা ছবি প্রকাশ করে উষ্ণতা ছড়িয়েছেন জাহ্নবী। সেসব ছবিতে প্রেমিককে কৃতজ্ঞতা জানান এই বলিউড অভিনেত্রী। বিষয়টি অন্তত পরিষ্কার, এখন জাহ্নবী যেখানেই যান না কেন, সঙ্গে বয়ফ্রেন্ডকে নিয়েই যান। এ সময় জাহ্নবীকে ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন তার প্রেমিক; বয়ফ্রেন্ডের ক্যামেরার সামনে দিয়েছেন আদুরে পোজ। সরাসরি নাম না উল্লেখ করলেও যা পরোক্ষভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন এই অভিনেত্রী।

সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা ওই ছবিতে জাহ্নবী লিখেছেন, ‘এটাই আমার সেরা ছুটি। এই মধুর স্মৃতিটা আমাকে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ প্রিয়।’

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, এই মুহূর্তে বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে সঙ্গে বিলেতে পাড়ি দিয়েছেন শ্রীদেবী কন্যা। সেখানেই খোলামেলা পোশাকে বয়ফ্রেন্ডের কাছে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি শিখরের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেন জাহ্নবী। তিনি বলেন, ‘আমি আমার প্রেমিকের ফোনে নিয়মিত নজর রাখি। কার সঙ্গে কথা বলছে, কী করছে, সব দেখি। জানি এগুলো করা ঠিক না, তাও করি।’

তবে শিখর যদি তার ফোন দেখতে চায়, তাহলে এতে ঘোর আপত্তি থাকে শ্রীদেবী কন্যার। শিখর পাহাড়িয়া মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সুশীল কুমার সিন্ধের নাতি। এর আগে কফি উইথ করণে মুখ ফসকে জাহ্নবী বলেই ফেলেন, শিখরকে আদর করে শিখু বলেই ডাকেন এই অভিনেত্রী। যদিও একসময় শিখরের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছিল জাহ্নবীর। এর কয়েক বছর পরে আবার তাদের সেই সম্পর্ক জোড়া লাগে। শিখরকে ‘পারিবারিক বন্ধু’ বলেই পরিচয় দেন জাহ্নবী। জাহ্নবীর বাবা বনি কাপুরও শিখরকে খুব পছন্দ করেন।

বলিউডের নতুন সিনেমা ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহি’ চলচ্চিত্রের মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাহ্নবী। গত ৩১ মে মুক্তি পায় চলচ্চিত্রটি। আর তা থেকেই নতুন করে আলোচনায় এই অভিনেত্রী।


আরও খবর



ফল ঘোষণা সব আসনের: লোকসভা নির্বাচনের কোন দল পেল কতটি

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১০১জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:৫৪৩টি আসনের সবগুলোর চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়েছে ভারতের লোকসভা নির্বাচনের। ভারতের নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ২৪০টিতে জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস ৯৯টি আসন।

অন্য দলগুলোর মধ্যে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) ৩৭টি, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস ২৯টি, দ্রাবিড় মুনেত্র কাজগম (ডিএমকে)২২টি, তেলেগু দেশম পার্টি (টিডিপি) ১৬টি, জনতা দল (জেডি-ইউ) ১২টি, শিবসেনা (উদ্ভব) নয়টি, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপিএসপি) সাতটি ও শিবসেনা (এসএইচএস) সাতটি আসনে জয় পেয়েছে।

পাঁচটি আসন পেয়েছে লোক জনশক্তি পার্টি (রাম বিলাস)। চারটি করে আসনে জয় পেয়েছে কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সিস্ট)- সিপিআই (এম), ওয়াইএসআরসিপি ও রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি)। আম আদমি পার্টি, ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) ও ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ (আইইউএমএল) তিনটি করে আসন পেয়েছে।

কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সিস্ট–লেনিনিস্ট) (লিবারেশন)–সিপিআই (এমএল) (এল), রাষ্ট্রীয় লোক দল (আরএলডি), কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (সিপিআই), জনতা দল-জেডি (এস), জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর ন্যাশনাল কনফারেন্স (জেকেএন), জনসেনা পার্টি (জেএনপি) ও ভিসিকে দুটি করে আসনে জয় পেয়েছে। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি দল একটি করে আসনে জয় পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সাতজন।

ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দুর তথ্যমতে, ঘোষিত ফল অনুযায়ী বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স-এনডিএ জোটের মোট আসনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮৬টি। অপর দিকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটের মোট আসনসংখ্যা হয়েছে ২০২টি।

এর আগে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এককভাবে ৩০৩ আসনে জয় পেয়েছিল। সেবার বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ ৩৫২ আসনে জয় পায়। এবার বিজেপি সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি। সে ক্ষেত্রে এনডিএ জোট শরিকদের ওপর নির্ভর করতে হবে বিজেপিকে। গত নির্বাচনে কংগ্রেস এককভাবে পেয়েছিল ৫২টি আসন। আর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন তৎকালীন ইউপিএ জোট পেয়েছিল ৯৪ আসন।

লোকসভার মোট ৫৪৩ আসনের মধ্যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন হয় ২৭২ আসন। সে ক্ষেত্রে বিজেপি তার জোটসঙ্গীদের নিয়ে সরকার গঠন করতে পারবে। তবে জোটসঙ্গীদের মধ্যে বেশি আসন পাওয়া দলগুলো বিরোধী শিবিরে গেলে চিত্র ভিন্ন হতে পারে।


আরও খবর



তানোরে সেচ অরাজকতা ও প্রচন্ড তাপমাত্রায় কমেছে ধানের ফলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ২৪৭জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:বরেন্দ্র অঞ্চল হিসেবে কৃষি ভান্ডার খ্যাত, খরা প্রবন এলাকা রাজশাহীর তানোর উপজেলাটি। এবারে চলতি বোরো মৌসুমে গভীর অগভীর নলকূপের সেচ অরাজকতা এবং প্রচন্ড তাপমাত্রার কারনে বিঘায় ৬ থেকে ৭ মন করে ধানের ফলন কমেছে বলে নিশ্চিত করেন কৃষকরা। গত মৌসুমে বিঘায় যদি ২৬ মন ফলন হয়েছে,  এবার কমে প্রকার ভেদে ১৮ থেকে ২০ মন করে ফলন হয়েছে। অথচ গত মৌসুমেের চেয়ে এবারে দ্বিগুণ খরচ হয়েছে প্রতি বিঘায়। অতিরিক্ত সেচ, সার কীটনাশকের বাড়তি দাম এবং শ্রমিক সংকটের জন্য  উৎপাদন খরচ হয়েছে প্রচুর পরিমানে। যাদের নিজস্ব জমি তাদের কোন রকমে খরচের টাকা উঠেছে, তবে যারা টেন্ডার নিয়ে  জমি চাষ করেছেন  তাদের বিঘায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা করে লোকসান গুনতে হয়েছে।তানোর পৌর সদর এলাকার কৃষক সাহেব আলী বলেন বিল কুমারী বিলে ৬ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপন করেছিলাম। কিন্তু সঠিক সময়ে সেচ না পাওয়া এবং তীব্র তাপদহের কারনে বিঘায় ৬ থেকে -৭ মন ধান কম ফলন হয়েছে। গত মৌসুমে ৬ বিঘায় রোপন করে বিঘায় ৩০ থেকে- ৩২ মন করে ফলন হয়েছিল।  এবার বিঘায়  ২৪-২৫ মন করে ফলন হয়েছে। তিনি আরো বলেন শাওন বিলে ৬ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপন করে তারও একই অবস্থা। আব্দুস সালাম সাড়ে তিন বিঘা জমিতে রোপন করে ফলন কম পেয়েছে । প্রতি বিঘায়  রোপন থেকে মাড়ায় পর্যন্ত ১৯ হাজার টাকা  থেকে ২০ হাজার টাকা  আবার যাদের জমি দূরে তাদের ২২ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে। কোন রকমে উৎপাদন খরচ উঠে আসছে।তানোর পৌর সদর এলাকায় সাড়ে ২৮ কেজিতে এক মন হিসেব ধরা হয়। আর পৌর এলাকার বাহিরে ৩৮ কেজিতে এক মন হিসাবে সবকিছু হয়।সাহেব জানান, গত সপ্তাহে এক মন ধান বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা করে। গত দুদিন ধরে কমে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক বিঘায় ২২ মন ফলন হলে ৯০০ টাকা মন ধরা হলে ১৯ হাজার  ৮০০ টাকা আসে। আবার যাদের বিঘায় উর্ধ্বে ২৫ ফলন হয়েছে ৯০০ টাকা মনে ২২ হাজার ৫০০ টাকা আসে।

কৃষক মফিজ জানান, ধান কাটার সময় তীব্র তাপমাত্রার সাথে ছিল প্রচন্ড খরতাপ। কোনভাবেই জমিতে টিকে থাকা যেত না। খাবার স্যালাইন পানি খেয়ে কোন কাজ হত না। কিন্তু জমিতে পাকা ধান কাটতেই হবে। এত কষ্ট করার পর যদি দিনের দিন সিন্ডিকেট করে ধানের দাম কমে যায় তাহলে কৃষকরা যাবে কোথায়। মিল মালিকদের সিন্ডিকেটের কারনে ধানের দাম কমছে। অথচ প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়তি। তাহলে যে কৃষক ফসল উৎপাদন করে দেশকে খাদ্যে ভরপুর করছে সেই কৃষকদের সাথে কেন এমন প্রতারনা করা হচ্ছে। কার ইশারায় কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেনা। একদিকে সেচের অভাবে কমেছে ফলন অন্যদিকে দিনের দিন কমতেই আছে ধানের দাম। আর কৃষি দপ্তর ঠান্ডা রুমে বসে রিপোর্ট দিচ্ছেন। যত মরন পা ফাটা কৃষকের। কৃষকের কথা কেউ ভাবেনা। তাহলে সেচ পানি সার কীটনাশক নিয়ে ইচ্ছে মত সিন্ডিকেট হত না।তবে কৃষি অফিসের এমন কাল্পনিক তথ্য মানতে নারাজ কৃষক রা। কারন উপজেলায় দুভাগে মনের হিসাব চলমান। ৩৮ কেজিতে একমন আবার সাড়ে ২৮ কেজি তে একমন হিসেবে ফলন কেনা বেচা হয়ে থাকে। আর কৃষি অফিস ৪০ কেজিতে এক মনের হিসাব করে থাকে। সুতরাং স্থানীয় হিসেবের সাথে কৃষি অফিসের হিসেবে অনেক ফারাক দেখছেন কৃষকরা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অফিসের এক ব্যক্তি জানান এবার সেচ এবং প্রচন্ড খরতাপ, অতিরিক্ত তাপদহের কারনে বিঘায় ফলন কম হয়েছে এমন হিসেব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু গত মৌসুমের হিসেব বলবত রাখতে বাধ্য করা হয়েছে।কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়,  এবারে উপজেলায় ১৪ হাজার ২৬০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে। এপর্যন্ত  ৭ হাজার ১৩৫ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। ফলন ধরা হয়েছে বিঘায় হাইব্রিড সাড়ে ২৬ মন এবং উপশী বিঘায় ২৩ মন করে।স্বর্ন প্রদক প্রাপ্ত আদর্শ কৃষক নুর মোহাম্মদ বলেন, বোরো মৌসুমে সেচ নিয়ে ব্যাপক অরাজকতা চলে। সময় মত সেচ দিতে চায় না। আবার অতিরিক্ত সেচ হার। আবার ছিল রেকর্ড পরিমাণ  তাপমাত্রা একারনে ফলন কম হয়েছে।

এবিষয়ে জানতে উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

আরও খবর



সৈয়দপুরে মা ও মেয়ে একসাথে উত্তির্ন এস এস সি পরিক্ষায়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১৪৩জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:সৈয়দপুর পৌরসভার সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলরর ও প্যানেল মেয়র-৩ সাবিয়া সুলতানা ও তার মেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তির্ন হয়েছেন।

ওই পরিক্ষায় প্যানেল মেয়র সাবিয়া সুলতানা পেয়েছেন জিপিএ-৩.৬৪ ও মেয়ে মোহিনী পেয়েছেন ৩.৫০ পয়েন্ট।মা পড়াশোনা করেছেন আসমতিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে আর মেয়ে শহরের ইসলামিয়া স্কুল থেকে। 

শিক্ষার যে কোন বয়স নেই তার প্রমান করলেন মা সাবিহা সুলতানা। এঘটনায় সৈয়দপুর শহর আলোচনায় মুখরিত। 

সাবিহা সুলতানা বলেন, আমার মা ছিলেন সৈয়দপুর পৌরসভার সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিল। নবম শ্রেনিতে যখন পড়তাম তখন আমার বিয়ে দেয়া হয়। স্বামী চাকরি করতেন পৌর পরিষদের অধিনে। তার ইচ্ছে ছিল আমাকে পড়াশোনা করাবে কিন্তু  শ্বশুর বাড়ির লোকজন চাইতেন না বলেই পড়াশুনা করতে পারিনি।  প্রায় দশ বছর আগে আমার মা মারা যাওয়ায় জনগনের চাপের মুখে আমি সংরক্ষিত আসনে নির্বাচন করি। ওই নির্বাচনে জনগণ আমাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত করেন। পরপর দুইবার  কাউন্সিল নির্বাচিত হলে বর্তমান পৌর মেয়র ও এলাবাসী আমাকে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে বলে।  সবার অনুমতি নিয়ে আবার পড়াশুনা শুরু করি। কারন, পড়াশুনার যে কোনো বয়স বা বিকল্প নেই বলে তা আমি জানতে পেরেছি । ভর্তি হই আসমতিয়া দাখিল মাদ্রাসায়। মেয়ে এস এস সির ফরম ফিলাপ করে ইসলামিয়া স্কুল থেকে, আর আমি আসমতিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে। মা ও মেয়ে একসাথে এস এস সি পরিক্ষায় উত্তির্ন হয়ে খুব ভালো লাগছে।  তিনি সকল মা দের বয়স না দেখে শিক্ষিত হওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। 


আরও খবর