Logo
আজঃ Sunday ২৪ October ২০২১
শিরোনাম
আমরা আজকে ফেসবুকে যা নিয়ে কথা বার্তা বলছি সেটাই বুঝি বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রায় ১২ কোটি মানুষের কোন আগ্রহই নেই ফেসবুকে

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ১২৪জন দেখেছেন
Image


 

Solaiman Shukhon  এর পেইজ থেকে নেয়া

 

 

আমরা ঢাকা বা কিছু বিভাগীয় শহরে বাস করা মানুষজন নিজেদেরকে বেশ খানিকটা পন্ডিত মনে করি |আমরা ভাবি আমরা আজকে ফেসবুকে যা নিয়ে কথা বার্তা বলছি সেটাই বুঝি বাংলাদেশ |

 

বাংলাদেশের প্রায় ১২ কোটি মানুষের কোনো অংশগ্রহণ এবং আগ্রহই নেই এসবে |

অধিকাংশ বাংলাদেশিদের মনোযোগ তার গ্রাম তার ধানক্ষেত তার মাছ ধরার নৌকা কিংবা বিদেশে কাজ করতে যাওয়া ছেলেকে নিয়ে |

 

শহরের কিছু মানুষ ফোনের স্ক্রিনে কি দেখে হাহা হিহি করছে সেটা এখনো বাংলাদেশকে রিপ্রেসেন্ট করে না | শহরের আমরা নিজেদের যতটা পন্ডিত মনে করি আমরা আসলে ততটা পন্ডিত না 🙂|

 

 

 

 


আরও খবর



স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে গ্রিসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘বাংলাদেশ উৎসব ২০২১

১৭ অক্টোবর গ্রিসে অনুষ্ঠিত হবে ‘বাংলাদেশ উৎসব’

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ৫৭জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image



ডেস্ক এডিটর :

মুজিববর্ষ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে গ্রিসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘বাংলাদেশ উৎসব ২০২১’।মুজিববর্ষের কূটনীতি, প্রগতি ও সম্প্রীতি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এথেন্সে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে আগামী ১৭ অক্টোবর আয়োজিত হবে এই জমকালো উৎসব।

 

দূতাবাস কার্যালয় প্রাঙ্গণে ওইদিন দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে এ উৎসব। দূতাবাস সূত্রে জানা যায়, এরই মধ্যে নানা ধরনের অনুষ্ঠানমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশি খাবার, পণ্য প্রদর্শনী ও মেলার আয়োজন রয়েছে।

 

শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। আয়োজনে গ্রিসে বসবাসকারী বাংলাদেশি শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করবেন। এরই মধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে দূতাবাস।

 

উৎসবকে আনন্দমুখর করে তুলতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সবান্ধব/সপরিবারে উপস্থিত হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস, এথেন্স, গ্রিস।

 

খবর প্রতিদিন /সি.বা 


আরও খবর



গন্ডারের পঁচা মাংসে হাজী বিরিয়ানি, ৭০ কেজি কাঁচা ও ৩০ কেজি রান্না করা গন্ডারের পঁচা মাংস জব্দ

গন্ডারের পঁচা মাংস দিয়ে রান্না হচ্ছে স্বাদের হাজী বিরিয়ানি

প্রকাশিত:Sunday ১৭ October ২০২১ | হালনাগাদ:Saturday ২৩ October ২০২১ | ৩৯০জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image



গন্ডারের পঁচা মাংস দিয়ে বিরিয়ানি বিক্রির দায়ে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর হাজী বিরিয়ানি হাউজকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আর দোকানও সাময়িক বন্ধ করে দিয়েছে। এ সময় ৭০ কেজি কাঁচা ও ৩০ কেজি রান্না করা গন্ডারের পঁচা মাংস জব্দ করা হয়।

 

শনিবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করেন সোনাইমুড়ী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফজলুর রহমান।

 

সোনাইমুড়ী বাজারের বাসিন্দা খলিলুর রহমান বলেন, স্বাদের কারণে অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করে এই হাজী বিরিয়ানি হাউজ। কিন্তু জনপ্রিয়তার আড়ালে এমন ক্ষতিকর পঁচা মাংস বিক্রি করবে তা আমরা ভাবতেও পারিনি। প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত থাকলে ভোক্তাদের ঠকাতে পারবে না তারা।

 

সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফজলুর রহমান বলেন, সোনাইমুড়ী বাজারের হাজী বিরিয়ানি হাউজ দীর্ঘ দিন ধরে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ১০০ কেজি ক্ষতিকর ও গন্ডারের পঁচা মাংস জব্দ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

 

অভিযান পরিচালনার সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাফিজুল হক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর



ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মেয়র আতিকুলের বিরুদ্ধে মামলা

মেয়র আতিকুলের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ১৫৮জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেনের আদালতে এ মামলা করা হয়। মামলাটি করেন রাজধানীর ভাষানটেক পুনর্বাসন প্রকল্পের রূপকার মো. আব্দুর রহিম।

 

এরপর আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। মামলার বিষয়ে আদেশ পরে দেবেন বলে জানান আদালত।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদীর আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা একে অপরের সহযোগিতায় বাদী ও তার প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি জোর করে দখল করেন। মেয়র আতিকুল ইসলামের হুকুম ও অন্য আসামিদের সহযোগিতায় বিভিন্ন মিডিয়া এবং ডিজিটাল ডিভাইসে ইচ্ছাকৃতভাবে বাদী ও তার পরিবার নিয়ে আক্রমণাত্মক, মিথ্যা, ভীতিপ্রদর্শন এবং মানহানিকর তথ্য প্রকাশ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫/২৯ ধারায় অপরাধ করেছেন।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, হাজারো পরিবার পানিবন্দি

নীলফামারীতে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে তিস্তার পানি

প্রকাশিত:Wednesday ২০ October ২০21 | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ১২২জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


নীলফামারীতে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে তিস্তা নদীর পানি। অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬৩.৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে ১৫টি গ্রামের প্রায় সাত হাজার পরিবারের বসতবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে।

 

এদিকে, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভেঙে যায় তিস্তা ব্যারাজের ফ্লাড বাইপাস সড়ক। এতে রংপুর-বড়খাতা সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় রেড অ্যালার্ট (লাল সংকেত) জারি করে তিস্তার আশপাশের মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

 

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত ১১টা থেকে ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বাড়তে শুরু করলে রাত ২টায় তা বিপৎসীমা অতিক্রম করে। রাত ৪টায় আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৫০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বর্তমানে ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬৩.৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে জেলার ডিমলা উপজেলার নদীবেষ্টিত পূর্বছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশাচাপানী, ঝুনাগাছচাপনী, পশ্চিম ছাতনাই, গয়াবাড়ীর একাংশে, তিস্তার ভাটিতে জলঢাকার ৩টি ইউনিয়নসহ ১৫টি গ্রামের প্রায় সাত হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

 

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডি অমিতাব চক্রবর্তী বলেন, অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় নদীর পানি বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের সবকটি গেট খুলে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলে ফায়ার সাভির্সের নীলফামারী, ডোমার, ডিমলা ও চিলাহাটি টিম উদ্ধার কাজ অব্যাহত রেখেছে।

 

-খবর প্রতিদিন /সি.বা 


আরও খবর



স্থানীয় সাংসদের ডিওলেটার নকল অর্ধকোটি আয়, সিন্ডিকেটে জড়িত সরকারী কর্মকর্তারা

মিঠাপুকুরে ভুয়া কাজীর হাতে ২ হাজার বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রি

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
Image

 

রুবেল ইসলাম,মিঠাপুকুর :

 

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় ভূয়া নিকাহ্ রেজিস্ট্রার সেজে ৭ বছরে বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রি করে কোটি টাকা আয় করেছেন এনামুল হক নামে কাজী। এই সময়ে তিনি ২ হাজারেরও বেশি নিকাহ্ ও তালাক রেজিস্ট্রি করেছেন। সম্প্রতি জানা গেছে তিনি একজন ভুয়া কাজী। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন আমিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি।

 

গত ২৬ শে আগস্ট আলোচিত অভিযোগটি উঠেছে-উপজেলার ময়েনপুর ইউনিয়নে দক্ষিণপাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের পুত্র কাজী এনামুল হকের বিরুদ্ধে।ভুয়া রেজিস্ট্রারি নিয়োগ দেখিয়ে কাজির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।এতে সহযোগিতা করছেন জেলা রেজিস্ট্রার অফিস, মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর রংপুর আঞ্চলিক অফিসের কিছু কর্মচারী।তবে এই বিষয়ে উভয় উভয়কে দোষারোপ করছেন।

 

অভিযোগকারী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মুন্ডপাশা গ্রামের আলাউদ্দিন মিয়ার ছেলে আমিরুল ইসলাম মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন)আইনে ১৯৭৪(১৯৭৪ সনের ৫২ নং আইন)এর ৪ ধারানুযায়ী নং-বিচার-৭/২এন/২০০৪-৪৪২ নং স্মারেেক কাজীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সেই স্মারক জালিয়াতি করে দীর্ঘ ৭বছর ধরে কাজীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন এনামুল হক।তিনি আরও বলেন-তৎকালীন সময়ে আইন ও বিচার বিভাগ থেকে নিকাহ্ রেজিস্ট্রার নিয়োগপ্রাপ্ত সঠিকতা প্রসঙ্গে ও তার বিরুদ্ধে বিচার-৭/২এন-৬৯/২০০৪-২৬৫ স্মারকে ৮ই মার্চ ২০১৭ সালে জেলা রেজিস্ট্রারকে ফৌজদারি মামলার নির্দেশ দেন সিনিয়র সহকারী সচিব জি.এম.নাজমুল শাহাদাৎ।কিন্তু তৎকালীন জেলা রেজিস্ট্রার অর্থের বিনিময়ে কোন ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।জানা যায়-গত ১৬ই ফেব্রয়ারী ২০১৪ সালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান কাজী আব্দুল ওয়াদুদ(৪৫)।তার মৃত্যুর পর থেকে ভুয়া নিয়োগপত্র দেখিয়ে কাজীর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

 

নামপ্রকাশে অনিশ্চুক স্থানীয় বাসিন্দা জানান-এনামুল কাজী এলাকায় ৮-১০ হাজার টাকার বিনিময়ে বাল্যবিবাহ পড়িয়ে থাকেন।এছাড়া বিভিন্ন ধরণের ঝামেলার বিয়ে অনেক অর্থের বিনিময়ে রেজিস্ট্রোর করেন বলে দাবী তাদের।

এই বিষয়ে এনামুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য করেননি। আবু তালেব মিয়া ও ইদ্রিস আলী নামে দুজনকে সাব কাজীর দায়িত্ব দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন তিনি।

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর রংপুর আঞ্চলিক অফিসের ম্যানেজার আব্দুস ছালাম বলেন-ময়েনপুর ইউনিয়নের কাজী এলামুল হকের কোন ফাইল তার অফিসে নেই ।জেলা রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত অনুমতি ও সরকারী মূল্য পরিশোধ না হওয়া পযর্ন্ত আমাদের কাছ থেকে বই পাওয়ার কোন সুযোগ নেই।তাহলে বই পেল কিভাবে এমন প্রশ্নে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসকে দায়ী করেন তিনি।

 

জেলা রেজিস্ট্রার আব্দুল সালাম প্রামাণিক জানান-তিনি এই বিষয়ে অবগত নন।ইতিপূর্বে যিনি দায়িত্বে ছিলেন তিনি এই কাজ করেছেন। তার অফিসের সুপারিশ ছাড়া মুদ্রণ শাখা কখনই কোন বই হস্তান্তর করেন না। কাজী বই কিভাবে পেল এমন প্রশ্নে  তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর