Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

বাংলাদেশের হার দিয়ে সুপার এইট শুরু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৭৮জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক:বাংলাদেশ থেকে বহু এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপ ইতিহাসেও সফল দল তারা। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ইনিংসে যখন দ্বিতীয় দফায় বৃষ্টি শুরু হয়, তখনই ধারণা করা হচ্ছিল ম্যাচটি বাংলাদেশের নাগালেই বাইরে চলে গেছে।

আজ শুক্রবার (২১ জুন) বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হতেই বৃষ্টি নামে অ্যান্টিগার আকাশে। অবশেষে বৃষ্টির কারণে আর খেলা মাঠে গড়ায়নি। এর ফলে ২৮ রানে জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৪০ রানের পুঁজি পায়। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান আসে অধিনায়ক শান্তর (৪১ রান) ব্যাট থেকে। তাওহীদ হৃদয় করেন ৪০ রান। এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই মারমুখী হয়ে খেলতে থাকে অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার হেড ও ওয়ার্নার। মাঝে একবার বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হলেও তখনও এগিয়ে ছিল অজিরা।

যদিও বৃষ্টির পর খেলা শুরু হলে রিশাদের ঘূর্ণিতে দুই উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। প্রথম হেডকে বোল্ড করেন এই লেগ স্পিনার। এরপরের ওভারে অজি অধিনায়ক মার্শকেও তুলে নেন তিনি। এরপর অবশ্য আর সুযোগ দেয়নি অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা। ওয়ার্নার ও ম্যাক্সওয়েল পেটাতে থাকে মোস্তাফিজ-রিশাদদের। এরই মাঝে দলীয় ১০০ রান পূরণ হলে নামে বৃষ্টি। আর এই বৃষ্টিতেই জয় পায় অজিরা।

এদিকে, প্যাট কামিন্স তার ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক তুলে নিয়েছেন আজ। প্রথমে মাহমুদউল্লাহকে বোল্ড করেন তিনি। তার পরের বলেই মেহেদি হাসানকে তুলে নেন অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে ও টেস্ট অধিনায়ক। আর ২০তম ওভারের প্রথম বলে হৃদয়কে তুলে নিয়ে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন কামিন্স। হ্যাটট্রিককের কারণে ম্যাচসেরাও হয়েছে কামিন্স।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সপ্তম এবং অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় বোলার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন কামিন্স। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করেছিলেন ব্রেট লি। ২০০৭ সালে এই বাংলাদেশের বিপক্ষেই হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, সুপার এইটে আরও দুটি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। পরের দুই ম্যাচের প্রতিপক্ষ ভারত ও আফগানিস্তান।


আরও খবর



ড. ইউনূসের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১১০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ড. ইউনূসের ছয় মাসের সাজা ও দণ্ড শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে স্থগিতের আদেশ বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।মামলার রায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের করা আপিল দ্রুত নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। প্রকাশিত ৫০ পৃষ্ঠার রায়ে আদালত আরও বলেছেন, সাজা কখনো স্থগিত হয় না।

বুধবার (৩ জুলাই) সকালে রায় প্রকাশের বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের আইনজীবী মো.খুরশীদ আলম খান। তবে রায়ের অনুলিপি হাতে পাননি বলে জানিয়েছেন ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে, শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে করা মামলায় ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড পাওয়া গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের দণ্ডের রায় ও আদেশ স্থগিত করে দেওয়া শ্রম আপিলের ট্রাইব্যুনালের আদেশ অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট। ফলে ড. ইউনূসের ৬ মাসের সাজা চলমান থাকে।

চারজনের দণ্ড স্থগিতের বৈধতা প্রশ্নে কলকারখানা প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুলের শুনানি নিষ্পত্তি করে গত ১৮ মার্চ হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে ওইদিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। ড. ইউনূসের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার তানভীর শিহাব খান।

এর আগে তৃতীয় শ্রম আদালতের ১ জানুয়ারি দেওয়া রায় ও আদেশের কার্যক্রম স্থগিত করে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের ২৮ জানুয়ারি দেওয়া আদেশ কেন বাতিল হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ড. ইউনূসসহ চারজন ও রাষ্ট্রের পক্ষে ঢাকার জেলা প্রশাসকসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

একই সঙ্গে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় সাজার রায় থেকে অব্যাহতি পাওয়া গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। এ মামলার বাকি তিন আসামিকেও বিদেশযাত্রার ক্ষেত্রে একই আদেশ প্রতিপালন করতে হবে।


আরও খবর



মারা গেছেন ‘জল্লাদ’ শাহজাহান

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১১৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৬ আসামিসহ প্রায় ২৬ জনের ফাঁসির দড়ি টানা আলোচিত ‘জল্লাদ’ শাহজাহান ভূঁইয়া মারা গেছেন।

আজ সোমবার (২৪ জুন) রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

কারা সূত্রে জানা যায়, জল্লাদ শাহজাহান ২০০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২৬ জনের ফাঁসি দিয়েছেন। এর মধ্যে ছয়জন বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, চারজন যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গি নেতা বাংলাভাইসহ দুজন জেএমবি সদস্য এবং আরও ১৪ জন অন্যান্য আলোচিত মামলার আসামির ফাঁসি কার্যকর করেছেন তিনি।

জল্লাদ শাহজাহানের বোন ফিরোজা বেগমর জানান, ভাই বেশ কিছুদিন ধরে ঢাকার অদূরে হেমায়েতপুরে থাকতেন। রোববার রাতে তার বুকে ব্যথা শুরু হলে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।

জানা যায়, ১৯৯১ সালে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ৩৬টি মামলায় শাহজাহানের ১৪৩ বছরের সাজা হয়। পরে ৮৭ বছরের সাজা মাফ করে তাকে ৫৬ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ফাঁসি কার্যকর ও সশ্রম কারাদণ্ডের সুবিধার কারণে সেই সাজা ৪৩ বছরে এসে নামে। দুটি মামলায়পাঁচ হাজার টাকা করে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাস করে অতিরিক্ত এক বছর জেল খেটে ৩২ বছর পর ১৮ জুন মুক্ত আকাশে শ্বাস ফেলার সুযোগ পাবেন জল্লাদ শাহজাহান।

সহযোগী জল্লাদ হিসেবে গফরগাঁওয়ের নূরুল ইসলামকে ফাঁসি দিয়ে শাহজাহান তার জল্লাদ জীবনের সূচনা করেন। এরপর কারাগারে কারও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় আসলেই ডাক পড়তো তার। টানা আট বছর এই কাজ করার পর কারা কর্তৃপক্ষ তাকে প্রধান জল্লাদের স্বীকৃতি দেন।


আরও খবর



জয়পুরহাটে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্বিতীয় দিনেও কর্মবিরতি পালন করছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

এস এম শফিকুল ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃবাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) মধ্যকার বৈষম্য দূরীকরণসহ অভিন্ন চাকরি স্থায়ী করণের দাবিতে অনির্দিষ্ট কালের কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনেও জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা- কর্মচারীরা পালন করছে।

সোমবার (১লা জুলাই) থেকে শুরু হওয়া আজ  মঙ্গলবার (২জুলাই) ও জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির  কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচিতে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, সহকারী জেনারেল ম্যানেজার, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার, হিসাব রক্ষক, লাইনম্যান, মিটার রিডারসহ কর্মকর্তা কর্মচারীরা অংশ নেয়। কর্মসুচী চলাকালে দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ আছে।

কর্মবিরতী চলাকালে বক্তারা বলেন,পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দুই রকম নীতির কারণে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা হতে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা- কর্মচারী। দেশের প্রত্যৗল্প এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজে নিয়োজিত কর্মীরা একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলেও পদ-পদবি, বেতন-ভাতা, বোনাসসহ পদোন্নতির ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার, শোষণ,  নির্যাতণ, নিপীড়ন অব্যাহত রাখা, গুণগত মানহীন মালামাল ক্রয় করে গ্রাহক ভোগান্তি করে আসছে। সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন সময় গণ স্বাক্ষও সংগ্রহ, বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি প্রদানসহ নিয়মতান্ত্রিক ভাবেই তাদের দাবি দাওয়া বাস্তবায়নে চেষ্টা করে আসছে। কিন্তু সমিতির নিয়ন্ত্রকের

ভূমিকায় থাকা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) তাদের দাবি না মেনে বরং উল্টো প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত ভোলা পবিসের ২ জন এজিএমকে সাময়িক বরখাস্ত ২ জন এজিএমকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে অন্য পিবিএসে বদলী এবং সিরাজগঞ্জ পবিস-২ এর ১ জন ডিজিএম এবং ১ জন এজিএমকে বোর্ডে সংযুক্ত করে। এতে ৮০টি পবিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারী ক্ষুব্ধ হয়। তবে  আন্দোলনে থাকাকালীন জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রতিটি উপকেন্দ্রে একজন করে জনবল কাজ করছে বলে জানান আন্দোলনকারীরা। সেই সাথে  সকল ধরনের গ্রাহক সেবা চালু থাকবে।

সংশ্লিষ্টরা জানায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি দেশের প্রায় ১২ কোটি মানুষকে সার্বক্ষণিক নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা দিয়ে যাচ্ছে।  বিআরইবি দ্বারা নিয়মতান্ত্রিত এসব সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রতিনিয়ত নানান বৈষম্যেও শিকার হচ্ছেন।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লাইন টেকনিশিয়ানরা বলেন, লাইনম্যান গ্রেড-১ ও লাইন টেকনিশিয়ান পদে দীর্ঘ অনেকে ১৫ থেকে ১৭ বছর পর্যন্ত একই পদে কর্মরত থাকার পরও পদোন্নতি হয়না। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে ওই পদ ফাঁকা থাকা সত্বেও পদোন্নতি না পাওয়াতে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি। তাদের দাবী গুলো না মেনে নেওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে।


আরও খবর



কোটা আন্দোলনকারীদের ব্লকেড থেকে সরে আসতে বলল ছাত্রলীগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৮০জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার,স্টাফ রিপোর্টার:কোটা আন্দোলনকারীদের ব্লকেড থেকে সরে আসতে বলল ছাত্রলীগ অনতিবিলম্বে ব্লকেড থেকে সরে এসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল করে ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলন নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে ‘জনদুর্ভোগ তৈরি না করে ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরে আসা ও কোটার যৌক্তিক সমাধান’ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ছাত্রলীগের নেতারা।

ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের আগে কথা বলেন সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। তিনি বলেন, বুধবার আদালত একটি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আপিল বিভাগে চার সপ্তাহের সময় নিয়েছেন। কারো কোন কথা থাকলে তা আদালতে বিস্তারিত বলতে পারবে। এমন অবস্থায় আদালতের এই আদেশ নিয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। কোন কোন ক্ষেত্রে তা আদালত অবমাননার শামিল হবে বলেই মনে করি। এসময় তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা আন্দোলন করছেন তারা ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরবেন এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কোন কর্মসূচি দেবেন না।

এদিকে নারীদের জন্যে আলাদা করে কোটা না রাখার ব্যাপারটি প্রত্যাখ্যান ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, অবশ্যই সমতা প্রদর্শন করতে অনগ্রসর নাগরিকদের দিকে আমাদের লক্ষ রাখতে হবে। তাদের প্রতি থাকতে হবে সংবেদনশীলতা। মেট্রোপলিটন নির্ভর চাকরি ব্যবস্থাকে দৃঢ়তার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করে ছাত্রলীগ।’

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর

হাসপাতালে ভর্তি শামীম ওসমান

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪




কুষ্টিয়ায় কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্মের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৬০জন দেখেছেন

Image
কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃকুষ্টিয়ায় কোটাবিরোধী আন্দোলনের মদদদাতা ও রাজপথে বিশৃংখলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম। শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ ইং বেলা ১১ টায় কুষ্টিয়া শহরের এনএস রোডের পাঁচ রাস্তার মোড় বঙ্গবন্ধু চত্তরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্মের ব্যানারে এ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়। এর আগে কুষ্টিয়া পৌরসভার সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরে বিভিন্ন রাস্তা ও মজমপুরগেট প্রদক্ষিন শেষে পাঁচ রাস্তার মোড়ে সমাবেশ করে সংগঠনটি। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান মালিথা ও সন্চালনায় ছিলেন, সাধারন সম্পাদক শেখ মোঃ সুভীন আক্তার । সমাবেশে বক্তব্য রাখেন,জেলা কমিটির সহ-সভাপতি ইমরুল ইসলাম , ওয়ালিউর রহমান রনি, শেখ মিজানুর রহমান ,শামিম রেজা,হাবিবুর রহমান ব্যাপারী, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক খন্দকার মাহাবুব হোসেন মিলন,মাসুদ উর রহমান রুবেল,এ এস এম তুজামতুল্লাহ বকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাগফেরাতুন নাহার সাথী, এস এম তৌফিকুল কবির তুহিন,কাউন্সিলর আনারকলি ,শাহিদুর রহমান মাসুদ,গোলাম মোস্তফা,শেখ সাইদুর রহমান, উপ-অর্থ সম্পাদক মামুনুর রহমান,দপ্তর সম্পাদক সুমাইয়া খাতুন,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফাতেমা খাতুন,উপ-শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শাখায়াত হোসেন বিপ্লব,ধর্ম সম্পাদক নওশাদ আলী, সদস্য আজব আলী,শহিদ মোসাব্বির, হাবিবা নীম সহ প্রমূখ। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম শহরের সাধারন সম্পাদক শহীদী আলম রতন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মেজবাহুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক সাব্বির খান শাওন, মিরপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আবু হুরায়রা স্বপন, দৌলতপুর উপজেলা শাখার সভাপতি রকিবুল ইসলাম রাজন, সাধারন সম্পাদক সোহেল রানা ,খোকসা উপজেলা শাখার যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক মিন্টু হোসেন , কুমারখালী উপজেলা শাখার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সজিব হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রীতম মজুমদার ও কুষ্টিয়া জেলা মুক্তিযুদ্ধ মন্চের সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রধান ও সাধারন সম্পাদক লায়ন আরিফ খান। সমাবেশে বক্তারা বলেন, যারা কোটা বিরোধী আন্দোলন করছেন, তারা মুলত জামাত- বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে শ্লোগান দিয়ে তারা বাংলাদেশকে অস্বীকার করছে,আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা ঘরে বসে থাকবোনা। তাদেরকে হুঁশিয়ার করতে চাই, প্রয়োজনে ৭১-এর হাতিয়ার হাতে তুলে নেব, তবুও মুক্তিযোদ্ধার অপমান সহ্য করা হবে না। যতক্ষন না তারা এই অযোক্তিক কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে বিরত না হবে ততোক্ষন আমাদের আন্দোলন চলবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর