Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

বাংলাদেশের আজ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সম্ভাব্য একাদশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২১২জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক: আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে আজ মাঠে নামবে টাইগাররা। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে চেমসফোর্ডে ম্যাচটি শুরু হবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ যথাক্রমে ১২ ও ১৪ মে চেমসফোর্ডেই অনুষ্ঠিত হবে।

বৃষ্টির কারণে ঠিকমতো অনুশীলনই করতে পারেনি বাংলাদেশ। যদিও গতকাল সোমবার প্রথমবারের মতো টাইগাররা অনুশীলন করেছে চেমসফোর্ডে। এর আগে এই মাঠের মুখ দেখতে পারেনি তামিম ইকবালের দল। এছাড়া বৃষ্টির কারণে পণ্ড হয়েছে অনুশীলনসহ প্রস্তুতি ম্যাচও।

গতকাল এসেক্সের আকাশ মেঘলা থাকলেও অনুশীলন করার পরিবেশ ছিল। পুরো এক সপ্তাহ অপেক্ষার পর এদিন ম্যাচ ভেন্যু এসেক্সের দ্য ক্লাউড কাউন্টি গ্রাউন্ডে গিয়েছিলেন ক্রিকেটাররা। অনুশীলনও করেছেন সেখানে। পিচ দেখে একাদশ সমন্বয় ইস্যুতে আলাপ-আলোচনা শেষে একটা যৌক্তিক সিদ্ধান্তে উপনীতও হতে পেরেছেন সবাই।

পাঁচজন নিয়মিত ব্যাটারের সঙ্গে দু’জন অলরাউন্ডার আর চারজন বোলার নিয়ে একাদশ সাজানোর চিন্তা-ভাবনা। এর কারণও রয়েছে, ছয়জন বোলার থাকলে অধিনায়কের জন্য সুবিধা হয়।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ
তামিম ইকবাল, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান, তাওহিদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, মেহেদী মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, এবাদত হোসেন, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।


আরও খবর



নীলফামারীতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সাথে মতবিনিময় সভা

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৪৪জন দেখেছেন

Image
শাহজাহান কবির লেলিন, নিলফামারী,(জলঢাকা),প্রতিনিধি:নীলফামারীতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন উন্নয়নমুলক কাজ নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(৩০ জুন)শনিবার দুপুরে নীলফামারী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের  সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারের নানা উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দ মামুনুল আলম বলেন, “যে, যাই বলুক, আমরা সরকারের কর্মচারী মাত্র। আপনারা শিক্ষক,আপনারাই সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ। কারন,শিক্ষকরা মানুয তৈরীর প্রধান হাতিয়ার। আপনারা শিক্ষার্থীকে সঠিক শিক্ষা দিতে পারলে, দেশে সঠিক মানুষ তৈরী হবে, এতে করে দেশ এগিয়ে যাবে।” তিনি আরো  বলেন,“সরকার আপনাদের প্রতি অনেক আন্তরিক। এ জন্যই  বাজেটের মোট বরাদ্দের ৮(আট) ভাগের ১(এক) ভাগ শিক্ষাখাত বরাদ্দ দিয়েছে।’তাই বলব আপনারা কোয়ালিটি শিক্ষাদান দিন আমাদের সন্তানদের ।সন্তানরা  কোয়ালিটি না হলে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে টিকে থাকা তাঁদের পক্ষে  কঠিন হবে।আমাদের দেশ অনেক এগিয়ে গেছে, এশিয়ার চারটি দেশ জাপান,কোরিয়া, সিংগাপুর,হংকং এর পরে বাংলাদেশের অবস্থান। ভারত, চীন উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় রয়েছে, আমরাও একই তালিকায় রয়েছি।তিনি এ সরকারের  শিক্ষা ব্যবস্থায় চিন্তা,ভাবনা, উন্নয়ন-প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে  সভাপতিত্ব করেন, নীলফামারী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এর নির্বাহী প্রকৌশলী হাজেরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন, রংপুর সার্কেল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তারেক আনোয়ার জাহেদী, নীলফামারী সরকারী কলেজ অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, নীলফামারী সরকারি মহিলা কলেজ অধ্যক্ষ ওবায়দুল আনোয়ার ও জেলা শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় জেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার  প্রধানগন উপস্থিত ছিলেন।প্রতিষ্ঠানের  প্রধানদের মধ্যে অনেকেই শিক্ষা- ব্যবস্থা,প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন দিক নিয়ে সভায় বক্তব্য রাখেন। 

আরও খবর



নয় প্রাণ নাশের পর টনক নরেছে উপজেলা প্রকৌশলীর!

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১২৫জন দেখেছেন

Image

আব্দুল্লাহ আল নোমান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:নয় প্রাণ নাশের পরে টনক নরেছে আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুনের।  মঙ্গলবার তিনি  আমতলী উপজেলার ২০ টি অতি ঝুকিপুর্ণ সেতুতে সতর্কীকরণ নোটিশ বোর্ড ও বেড়া দিয়েছেন। তিনি ভেঙ্গে যাওয়া হলদিয়া হাট সেতুতেও নতুন করে নোটিশ ও বেড়া দিয়েছেন।

জানাগেছে, আমতলী উপজেলার ২০০৭-০৮ অর্থ বছরের পরে ২০ টি লোহার সেতু নির্মাণ করে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর। ওই সেতুগুলো নির্মাণে অনিয়ম ছিল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সেতুগুলোতে রেলপাটির বীম বসানোর কথা থাকলেও ঠিকাদারগণ নরমাল বীম বসিয়ে সেতু নির্মাণ করেছেন। ওই সেতুগুলোর ঠিকাদার ছিলেন হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম মৃধাসহ বেশ কয়েকজন। ওই সময় তারা প্রভাব খাটিয়ে দায়সারা সেতু নির্মাণ করে টাকা তুলে নেয়। অল্প দিনের মধ্যেই ওই সেতু গুলোর লোহার বীম অকেজো হয়ে যায়। ফলে সেতুগুলো অত্যান্ত ঝুকিপুর্ণ  হয়ে পড়ে।  গত ১৬ বছরে ওই সেতুগুলো ঝুকিপুর্ণ অবস্থায় থাকলেও উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুনের নজরে আসেনি। গত শনিবার বৌভাত অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে চাওড়া নদীর ওপর নির্মিত চাওড়া ও হলদিয়া ইউনিয়নের সংযোগ হলদিয়া হাট সেতুর মাঝখান ভেঙ্গে মাইক্রোবাস পানিতে তলিয়ে যায়। এতে কনে মরিয়ম বিল্লাহ হুমায়রার মামা বাড়ীর ৭ জন ও বাবার  বাড়ীর ২ জন  নিহত হয়। নয় প্রাণ নাশের পর মঙ্গলবার তিনি উপজেলার ২০ টি ঝুকিপুর্ণ সেতুতে সতর্কীতরণ নোটিশ টানিয়েছেন এবং বেড়া দিয়েছেন। 

কাউনিয়া গ্রামের জিয়া উদ্দিন জুয়েল, নজরুল ইসলাম ও দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া গ্রামের নাশির উদ্দিন বলেন, নয়টি প্রাণ নাশের পরে টনক নরেছে উপজেলা প্রকৌশলীর। তিনি সেতুর মাঝখানে পিলার গেড়ে দিয়েছেন। যাতে যানবাহন চলাচল করতে না পারে। এই পিলারটা আগে গেড়ে দিলে নয়টি প্রাণ ঝড়ে যেতো না।  তার অবহেলার কারনে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। 

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, উপজেলার ২০ টি অতি ঝুকিপুর্ণ লোহার সেতুতে সতর্কীকরণ নোটিশ ও বেড়া দেয়া হয়েছে। আগে কেন সতর্কীকরণ নোটিশ ও বেড়া দেননি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগেই নোটিশ টানিয়ে দিয়েছিলাম কিন্তু স্থানীয়রা সরিয়ে ফেলেছেন।

বরগুনা নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, ঝুকিপুর্ণ সেতুগুলোকে সতর্কীকরণ নোটিশ ও বেরিকেট দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমরা চেষ্টা করছি স্থায়ীভাবে বেরিকেট দেয়ার যাতে ভারী যানবাহন সেতুতে না উঠতে পারে।


আরও খবর



মধুপুর পৌরসভার বাজেট ঘোষণা

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইল:- টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভার ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের এক শত ছাব্বিশ কোটি ছয় লক্ষ আটানব্বই হাজার নয়শত পঁচানব্বই টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। রবিবার (৭ জুলাই) দুপুরে পৌর ভবনের সভা কক্ষে মেয়র আলহাজ্ব সিদ্দিক হোসেন খান এ বাজেট ঘোষণা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্যানেল মেয়র- ০১ও ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. জাকিরুল ইসলাম  হক ফারুক, প্যানেল মেয়র -০২ ও ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো.  বেশর আলী ফকির, প্যানেল মেয়র- ০৩ ও সংরক্ষিত আসন ৪,৫, ও ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোছা. মালেকা বেগম, ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. হারুন অর রশিদ, ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রায়হান, প্রসাসনিক কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল কায়ছার, প্রধান সহকারী মো. শাহীন মিয়া, হিসাব রক্ষক মো. মিজানুর রহমান আসাদ,সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা সোনিয়া ইয়াসমিন,  বাজার পরিদর্শক মাহমুদা পারভীন  সহ পৌরসভার কাউন্সিলর, কর্মকর্তা -কর্মচারী, বিভিন্ন শ্রেনী পেশার প্রতিনিধি, বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস ও প্রিন্ট মিডিয়ার  সাংবাদিকগন  উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সন্চালনা করেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো, নজরুল ইসলাম।

    -খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর



বেনাপোল কাস্টম হাউস’ ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে বেশি আয় করেছে ২১৬.৫৯ কোটি টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২০জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:টানা ১ যুগ ধরে বেনাপোল কাস্টম হাউস রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জণে ব্যর্থ হলেও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২১৬.৫৯ কোটি টাকা বেশি আয় করেছে।

সুত্রে জানা যায়, এ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বেনাপোল কাস্টম হাউসকে বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৬২৩৮ কোটি টাকা। সেখানে বেনাপোল কাস্টম হাউস ৩০ জুন-২০২৪ পর্যন্ত সংশোধিত রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা প্রকাশ করেছেন ৫৯৪৮ কোটি টাকা। আদায় দেখিয়েছেন ৬১৬৪.৫৯ কোটি টাকা। যা শতকরা প্রবৃদ্ধির হার প্রকাশ করা হয়েছে ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি।

এই সময়ে এ বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ১৭ লাখ ২১ হাজার ৭৮০ টন। যা বিগত বছরের তুলনায় ২ লাখ ৮১ হাজার ৯৭০ টন কম। এখানে পণ্য আমদানি কমলেও রাজস্ব আদায় বেড়েছে।

জানা গেছে, প্রতিবেশি দেশ ভারতের সঙ্গে স্থলবন্দরের মাধ্যমে বাংলাদেশের মধ্যে যতো বাণিজ্য সম্পাদিত হয় তার প্রায় ৮০ ভাগ পণ্য আমদানি হয় বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে। তবে বৈশি^ক মন্দাসহ নানা কারণে গেল কয়েক বছর ব্যবসায়ীরা ঠিকমতো এলসি করতে না পারায় আমদানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এছাড়া, ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্য শুল্কায়নে কাস্টম কর্মকর্তাদের লাগামহীন ঘুষ বাণিজ্য, কতিপয় চিহ্নিত দুস্কৃতিকারি আমদানিকারকদের মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা পণ্য পাঁচারে কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করা ও চেকপোস্ট কাস্টম দিয়ে সীমান্তের চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের সাথে অবৈধ আতাতের মাধ্যমে অবাধে বিনা শুল্কে আমদানি পণ্য পাঁচার হওয়ায় দীর্ঘ ১ যুগ যাবত প্রতিবছর এ বন্দর থেকে কাস্টম কর্মকর্তা ও চোরাকারবারিরা আঙুল ফুলে কলাগাছ বনেগেলেও সরকার হারাতে থাকে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব।

জানা যায়, বিদায়ী অর্থবছরে বেনাপোল বন্দর থেকে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে ফেব্রিক্স, পচনশীল কাঁচা পণ্য, ইংগড, ট্রাকের চেচিস, মটরপার্টস এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কাঁচামাল থেকে। আর সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি বিডি, এসএমসিএল নিলয় ও এসএম কর্পোরেশন বলে জানিয়েছে কাস্টমস সূত্র।

স্থানীয় সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল বন্দর থেকে সরকার প্রতিবছর প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ করলেও বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সন্তোষ জনক না। বন্দর থেকে পণ্য চুরি ও বারবার বন্দর অভ্যন্তরে রহস্যজনক অগ্নিকান্ডের ঘটনায় অনেক ব্যবসায়ী এখান থেকে ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়ে ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছেন। এছাড়া এ বন্দর দিয়ে বৈধ পথে আমদানি পণ্যের সাথে ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য আসতে থাকায় ঝামেলা এড়াতে সচেতন ব্যবসায়ীদের অনেকে অন্য বন্দরে চলে গেছে। নাম প্রকাশে ভয়ে ভীত বেনাপোল কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডি এজেন্টের অধিকাংশ কর্মচারিরা জানান, বেনাপোল কাস্টমস হাউসের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারিরা আমদানি-রপ্তানিকারকদের গলার ফাঁস। বেনাপোল বন্দর হয়ে ভারত-বাংলাদেশ আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি পণ্যের শুল্কায়ন করেন শুল্কায়ন কর্মকর্তারা। সেখানে পণ্যের শ্রেণিভেদে শুল্কায়ন করেন সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা থেকে শুরু করে যুগ্ম কমিশনার পর্যন্ত। যেখানে ফাইল উপস্থাপনের সাথে পণ্য শুল্কায়নের আগেই নগদে প্রত্যেক দপ্তরের কর্মকর্তাদের পরিশোধ করতে হয় সর্বনিম্ন ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে লক্ষ লক্ষ টাকা।

এদিকে অধিকাংশ সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা জানান, শাড়ি, থ্রি-পিছ,কসমেটিক্স, ব্লাঙ্ককেটস, মেশিনারীজ পার্টস, সার্জিক্যাল আইটেম, চকলেটসহ আমদানিযোগ্য লাভজনক অনেক পণ্য দীর্ঘদিন যাবত ব্লাকের মাধ্যমে বেনাপোল আর্ন্তজাতিক চেকপোষ্ট কাস্টম হয়ে কাস্টমসের কতিপয় অসাধু সিন্ডিকেট কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সহযোগীতায় শুল্কফাঁকি দিয়ে দেশে প্রবেশ করছে। এতে চেকপোস্ট কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তার অবৈধ পণ্য পাঁচারকারি সিন্ডিকেটের সদস্য সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) জুলহাস, নাইম, ইমরান, লিঙ্কন, দিদার বক্স, আনিছুর রহমান আনিছ, শরিফ,  ছাবিরা, সিপাই মতিন, নাজমুল, ট্যান্ডেল সাদ্দাম হোসেন, শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তা, আনসার সদস্য আনিছুর,শামীম, নাসিম রেজা, সুমনসহ কতিপয় কর্মকর্তারা রাতারাতি কোটিপতি বনে গেলেও আমদানিকারকরা সরকারের শুল্ক দিয়ে বৈধপথে আমদানি বাণিজ্যে লোকশান গুনতে গুনতে বন্ধ করে দিয়েছে এ ধরণের পণ্য আমদানি। একইসাথে প্রতিবছর সরকার হারাচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয়।

কাস্টম সুত্রে জানা যায়, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে বেনাপোল কাস্টমস হাউসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা, সেখানে আদায় হয়েছিলো ৫ হাজার ৭৮৬ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় কম হয় ১৮০ কোটি টাকা। ২০২১-২২ অর্থ বছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৬২৪৫ কোটি টাকা, আদায় হয়েছিলো ৪৫৯৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এতে রাজস্ব ঘাটতি হয় ১৬৪৫ কোটি ৮ লাখ টাকা। তবে, সংশোধিত রাজস্ব আয় ৫১৫৮ কোটি টাকার বিপরীতে ঘাটতির পরিমান ৫৫৮ কোটি ৮ লাখ।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ২৪৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, সেখানে আদায় হয়েছিল ৪ http://cricket.banglaconverter.org/হাজার ১৪৫ কোটি ১৪ লাখ টাকা। ওই বছর ঘাটতি ছিল ২ হাজার ৯৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব ঘাটতি হয়েছিল ৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ঘাটতি ১১৪৫ কোটি টাকা, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ঘাটতি ১৭৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। তবে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৪৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা রাজস্ব বেশি আদায় হয়েছিল, আবার  ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ঘাটতি ২০৩ কোটি টাকা, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ঘাটতি ৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা, ২০১৩-১৪ তে ঘাটতি ১৩৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, ২০১২-১৩ তে ঘাটতি ৪৫২ কোটি ৮৯ লাখ এবং  ২০১১-১২ অর্থবছরে ঘাটতির পরিমান ছিল ১৯৪ কোটি টাকা।

তবে, এবারের (২০২৩-২৪) অর্থবছরে রাজস্ব আহরণে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বেনাপোল বন্দরের কাস্টম সংশ্লিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা। অধিকাংশরা বলেছেন, এবার দূর্ণীতি দমন কমিশন কর্তৃক বেনাপোল কাস্টম হাউসের অধিনে কর্মরত ঘুষখোর কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে তাদের নামে-বেনামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবসহ নগদ অর্থ ও সম্পত্তির খোজ-খবর নিলে বেরিয়ে আসবে অনেক অজানা তথ্য। বেরিয়ে আসবে নতুন চাকুরিতে প্রবেশকারিদের কর্মকর্তাদেরও অজ্ঞাত আয়ের পরিধি। তাতে, হয়রানী এড়িয়ে একদিকে এ বন্দর দিয়ে সুষ্ঠভাবে ব্যবসা বাড়াতে পারতে ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে সরকারের বাড়তে থাকবে প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয়।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার মির্জা রাফেজা সুলতানা বলেন,বেনাপোল কাস্টম হাউস কমিশনারের সঠিক দিকনির্দেশনায় এবার আমরা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছি। এখানে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের মধ্যে জবাবদিহিতা ও কাজের প্রতি স্বচ্ছতা বেড়েছে। আগামীতে এ রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জণ অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



অফিস-আদালত খুলছে আজ, চলবে নতুন সূচিতে

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৭৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ছুটি শেষ হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহার। আজ থেকে দেশের সব অফিস-আদালত খুলছে। আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে সব সরকারি অফিস ও ব্যাংকের নতুন সূচি।

নতুন সূচি অনুযায়ী, বুধবার (১৯ জুন) থেকে সকাল ৯টায় শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে সরকারি অফিসগুলো। এছাড়া ব্যাংকে লেনদেন শুরু হবে সকাল ১০টায়, চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। তবে, ব্যাংকের অফিস খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

গত সোমবার (১৭ জুন) সারাদেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হয়েছে। ঈদের আগে ১৩ জুন ছিল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেষ কর্মদিবস। ঈদ ঘিরে গত ১৪ জুন থেকে শুরু হয় টানা পাঁচদিনের ছুটি, যা শেষ হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার (১৮ জুন)।

এর আগে গত ৩ জুন মন্ত্রিসভা বৈঠকে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন অফিস সূচি নির্ধারণ করা হয়। ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবস থেকেই নতুন এই সূচি কার্যকর হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মন্ত্রিসভা।

ওইদিন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, রোববার থেকে বৃহস্পতিবার অফিস সময় হবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। মাঝে দুপুর ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতি। শুক্র ও শনিবার বন্ধ থাকবে।

আগে সরকারি চাকরিজীবীরা সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্তই অফিস করতেন। জ্বালানি সংকটের মধ্যে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ২০২২ সালের ২৪ আগস্ট থেকে কর্মঘণ্টা কমিয়ে অফিস ও ব্যাংকের সময়সূচি বদলে দেয় সরকার। সে অনুযায়ী দুই মাসের বেশি সময় সব সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিস চলে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত।

দুই মাসেরও বেশি সময় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সূচিতে অফিস চলার পর ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে সব সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলছিল। ঈদের আগ পর্যন্ত এ সময়সূচি বহাল ছিল।

পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী, আজ বুধবার থেকে ব্যাংকের লেনদেন শুরু হবে সকাল ১০টায়, আর চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। তবে ব্যাংকের অফিস খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। ব্যাংকেও শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। এতদিন ব্যাংকে লেনদেন হয়ে আসছিল সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। তবে ব্যাংকের অফিস সময় ছিল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।


আরও খবর