Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৮১জন দেখেছেন
Image

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যে ভারত রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় অসামান্য অবদান রেখেছে, তাদের সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত চমৎকার সম্পর্ক থাকাই স্বাভাবিক এবং তাই আছে। মতদ্বৈততার মুখ্য কোনো বিষয় নেই, সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজন একসঙ্গে কাজ করার।

শনিবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় ফিরে ঢাকা ক্লাবে ‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব মাসকমিউনিকেশন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশর সম্মেলন কানেকশন্স ২০২২’ উপলক্ষে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কভিত্তিক রিপোর্টিং পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক আজ নতুন উচ্চতায় বর্ণনা করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ভারত মুক্তিযুদ্ধের সময় এ দেশের এক কোটি মানুষকে আপন করে আশ্রয় দিয়েছে, তখনকার ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী পাকিস্তানের কারাগারে ফাঁসির মুখে দাঁড়ানো বঙ্গবন্ধুকে মুক্ত করতে বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন, পাকিস্তানিরা যে গণহত্যা করেছে, সে চিত্র বিশ্বে তুলে ধরেছেন। সেসব কারণে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে ভারতের নাম চিরদিন স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

মন্ত্রী ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কভিত্তিক রিপোর্টিং পুরস্কার বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান ও আইআইএমসি গ্র্যাজুয়েটরাসহ সব গণমাধ্যম দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে শিক্ষা ও জনগণের উন্নতিসাধনে ভারত বাংলাদেশকে সাধ্যমতো সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আইআইএমসিএএবির সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এহসানুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ নেওয়াজ খান, সিনিয়র সাংবাদিক আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ঐক্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী অপু মাহফুজ ও সাংবাদিক প্রসাদ স্যানাল।


আরও খবর



ফজিলাতুন নেছা মুজিব দৃঢ়চেতা-বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন

প্রকাশিত:Monday ০৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব ছোটবেলা থেকেই ছিলেন দৃঢ়চেতা ও বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী। তিনি শুধু জাতির পিতার সহধর্মিণীই ছিলেন না, বাঙালির সুদীর্ঘ স্বাধিকার আন্দোলন ও মুক্তিসংগ্রামের নেপথ্যের কারিগর হিসেবে প্রতিটি পদক্ষেপে তাকে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দৃঢ় চেতনাকে আরও শাণিত করেন।

সোমবার (৮ আগস্ট) বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে একথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য সহধর্মিণী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার স্মৃতির প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীর এবারের প্রতিপাদ্য ‘মহীয়সী বঙ্গমাতার চেতনা, অদম্য বাংলাদেশের প্রেরণা’- যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি। আমি বঙ্গমাতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়নকালে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগ দেন। তখন থেকেই বঙ্গমাতা তার রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ কর্মপস্থার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। দেশ বিভাগের পূর্বে ১৯৪৬ সালে দাঙ্গার সময় বঙ্গমাতা নিজেও অসুস্থতা সত্ত্বেও স্বামীকে কাছে না রেখে কলকাতার দাঙ্গাপীড়িত মানুষকে সহায়তা করার পরামর্শ দিয়ে দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় তার সাহসী ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সিদ্ধান্তে মামলার সব রাজবন্দীর জীবন রক্ষা হয় এবং স্বাধীনতার আন্দোলনকে আরও বেগবান করে তোলে।

৬-দফা ও ১১-দফা আন্দোলনে তিনি বলিষ্ঠ অবদান রাখেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রদানের ক্ষেত্রেও বঙ্গমাতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। জাতির পিতা কারাগারে থাকাকালীন বঙ্গমাতা দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতেন এবং কারাগারের বাইরের অবস্থা সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুকে অবহিত করতেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে লেখালেখিতে অনুপ্রেরণার মাধ্যমে বঙ্গমাতা আমাদের ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রেও তাৎপর্যময় অবদান রেখে গেছেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর পরই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সঙ্গে বঙ্গমাতা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। বিশেষ করে নির্যাতিত মা-বোনদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং সামাজিকভাবে তাদের প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নেন। স্বাধীনতা ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারী অপশক্তি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে জাতির পিতার সঙ্গে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবকেও নৃশংসভাবে হত্যা করে, যা জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। দেশ ও জাতির জন্য তার অপরিসীম ত্যাগ এবং অবদানের কারণে জাতি তাকে ‘বঙ্গমাতা’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।

তিনি বলেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব ছিলেন নির্লোভ, নিরহংকার ও পরোপকারী। আমি আশা করি, তার জীবনী চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে এবং জাতির পিতার সংগ্রামী জীবন, বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামে অনেক অজানা অধ্যায় সম্পর্কে জানতে পারবে। আমি বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করছি।


আরও খবর



৩০০ টাকা ছাড়িয়েছে আপেল-কমলা, আঙুর ৪৬০

প্রকাশিত:Tuesday ০৯ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১৪জন দেখেছেন
Image

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিভিন্ন পণ্যে। ফলের বাজারেও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে। গত তিনদিনে বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। আপেল ও কমলার কেজি ৩০০ টাকা ছাড়িয়েছে। আড়াইশো টাকা ছুঁয়েছে আমের কেজি। আর আঙুরের দাম কেজিতে ৮০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪৬০ টাকা দরে।

দাম বেড়েছে কমলা, মাল্টা, নাটফল, আনার ও আনারসেরও। জ্বালানির দাম বাড়ানোর পর কয়েকদিন খুচরাপর্যায়ে এসব ফলের দাম ৩০-১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মৌসুম শেষ হয়ে আসায় এখন আম শেষের পথে। বাজারে এখন বারি ফোর ও আশ্বিনা আম পাওয়া যাচ্ছে। বারি ফোরের তুলনায় আশ্বিনা আমের সরবরাহ বেশি। তবে ধীরে ধীরে এ দুই জাতের আমের সরবরাহও কমে আসছে। ফলে কয়েকদিন ধরে আমের দাম বাড়তি। এরমধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোয় আমের বাজার আরও চড়া।

তাদের দাবি, জ্বালানির দাম বাড়ানোর কারণে পরিবহন খরচ অনেক বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা পরিবহনের জন্য বাড়তি যে টাকা ব্যয় করছেন, তা গিয়ে যোগ হচ্ছে পণ্যের দামে। এতে স্বাভাবিকভাবেই দাম বেড়ে যাচ্ছে। এখানে ব্যবসায়ীদের কিছু করার নেই।

jagonews24

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা বারি ফোর আমের কেজি বিক্রি করছেন ২৪০-২৫০ টাকা। তেলের দাম বাড়ার আগে এ আমের কেজি বিক্রি হচ্ছিল ১৬০-১৮০ টাকা দরে। আশ্বিনা আমের কেজি এখন ৭০-১২০ টাকা, যা আগে ছিল ৬০-৮০ টাকার মধ্যে।

আমের দাম বাড়ার বিষয়ে রামপুরার ব্যবসায়ী মো. ঝন্টু বলেন, আমের মৌসুম শেষ। এখন বারি ফোর ও আশ্বিনা আম কিছু পাওয়া যাচ্ছে। কয়েকদিন পর এগুলোও পাওয়া যাবে না। মৌসুম শেষের দিকে দাম একটু বেশি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তবে গত দু-তিনদিনে দাম অনেক বেশি বেড়ে গেছে। এর মূল কারণ তেলের দাম বাড়া।

একই কথা জানিয়েছেন কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী বশির উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আমের দাম এমনিতেই বাড়তি ছিল। এখন তেলের দাম বাড়ায় তা আরও উসকে দিয়েছে। গত তিনদিনে বারি ফোর আম কেজিতে ৬০ টাকার ওপরের বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের আসলে কিছু করার নেই। জ্বালানি তেলের কারণে পরিবহন খরচ যা বেড়েছে, তাতে এ দাম বাড়া স্বাভাবিক।’

jagonews24

এদিকে, খুচরা ব্যবসায়ীরা দক্ষিণ আফ্রিকার আপেলের (গ্রিন আপেল) কেজি বিক্রি করছেন ৩০০-৩২০ টাকা, যা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর আগে ছিল ২৪০-২৮০ টাকা। গালা আপেলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০-২৯০ টাকা, যা আগে ছিল ২২০-২৪০ টাকা। ফুজি আপেলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০-২৬০ টাকা, যা আগে ছিল ১৮০-২০০ টাকার মধ্যে।

আপেলের দামের বিষয়ে মালিবাগ হাজীপাড়ার ব্যবসায়ী মিজানুর বলেন, ‘৬-৭ বছর ধরে ঢাকায় ফলের ব্যবসা করছি। এর আগে কখনো আপেলের এতো দাম দেখিনি। আড়তে আপেলের অস্বাভাবিক দাম। দরদাম করতে গেলে আড়তদার খারাপ ব্যবহার করছেন। অনেক সময় কার্টনে পচা আপেলও থাকে। তখন লোকসান গুনতে হয়।’

জয়নাল নামে আরেক ব্যবসায়ী বলেন, ‘গত তিনদিনে ঘাটে আপেলসহ সব ধরনের ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে। একদিকে আমদানি কমে যাওয়া, অন্যদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে এ দাম বেড়েছে।’

jagonews24

তিনি বলেন, ‘ফলের দাম বাড়ার কারণে আমরাও অস্বস্তিতে আছি। বিক্রি আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। লাভও কমে গেছে। যা বিক্রি হচ্ছে, তা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে আমাদের পক্ষে ঢাকায় থাকা অসম্ভব হয়ে পড়বে।’

হাসপাতালে এক আত্মীয়কে দেখতে যাওয়ার জন্য মালিবাগ বাজারে আপেল কিনতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী আরমান হোসেন। আপেলের দাম শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি।

আরমান বলেন, ‘এক কেজি আপেলের দাম ৩২০ টাকা চাচ্ছে। দরদাম করে ৩০০ টাকায় কিনেছি। কমলা, মাল্টা, আঙুরের দামও অনেক। কমলার কেজি সাড়ে তিনশো টাকা, আঙুর ৪৫০ টাকা ও মাল্টা ২০০ টাকা চাচ্ছে। ফলের এতো দাম কিছুতেই স্বাভাবিক না।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাজারে সবকিছুর দাম অস্বাভাবিক। জিনিসপত্রের দামে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এভাবে চলতে থাকলে কম খেয়েও খরচের লাগাম টানা সম্ভব হবে না।’

jagonews24

রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাল্টার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০-২১০ টাকা, যা আগে ছিল ১৬০-১৮০ টাকা। নাটফলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩৬০ টাকা, যা আগে ছিল ২০০-২৪০ টাকার মধ্যে। কমলা বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩৬০ টাকা কেজি, যা আগে ছিল ২৫০-৩০০ টাকার মধ্যে।

আঙুরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৪৬০ টাকা কেজি, যা কয়েকদিন আগে ছিল ৩২০-৩৮০ টাকা। আনারের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩০০ টাকা, যা আগে ছিল ২২০-২৫০ টাকা। কয়েকদিন আগে ৫০ টাকা পিস বিক্রি হওয়া আনারস এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা।

ফলের এমন দাম বাড়ার বিষয়ে বাদামতলীর ব্যবসায়ী মো. আকবর বলেন, ‘আম, কাঁঠালের মৌসুম শেষ। আপেল, কমলা ও মাল্টার আমদানি তুলনামূলক কম। ডলারের দাম বাড়ার কারণে আমদানি খরচ বেড়েছে। এর সঙ্গে এখন নতুন করে যোগ হয়েছে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি। সবকিছু মিলে এখন ফলের দাম বাড়তি। ডলারের দাম না কমলে সামনে ফলের দাম আরও বাড়তে পারে।’


আরও খবর



একদিনে ১৮৪৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত প্রায় ৭ লাখ

প্রকাশিত:Wednesday ১০ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৭জন দেখেছেন
Image

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে ১ হাজার ৮৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪ লাখ ৪১ হাজার ২৮২ জনে। নতুন করে ৬ লাখ ৯৬ হাজার ৯৭৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত শনাক্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯ কোটি ১১ লাখ ৬৭২ জনে।

একদিনে করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮০ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ৫৬ কোটি ২৯ লাখ ৮ হাজার ৭৪৯ জন।

বুধবার (১০ আগস্ট) সকালে করোনাভাইরাসে শনাক্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার নিয়মিত আপডেট দেওয়া আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে ব্রাজিলে। এ সময় দেশটিতে ৩৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মোট ৬ লাখ ৮০ হাজার ৫৯৮ জনের মৃত্যু হলো। এছাড়া একদিনে ব্রাজিলে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩০ হাজার ২২০ জনের। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত শনাক্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৪০ লাখ ৬৬ হাজার জনে।

দৈনিক সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে জাপান। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৯৮ জনের এবং মারা গেছেন ১৬২ জন। পূর্ব এশিয়ার এ দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত ১ কোটি ৪৪ লাখ ২১ হাজার ৫৩৯ জন এবং মারা গেছেন ৩৩ হাজার ৮২৫ জন।

দৈনিক মৃত্যুতে ব্রাজিলের পরই যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান। সেখানে একদিনে ৫৮ হাজার ২২৩ জন সংক্রমিত এবং ৩৪২ জন মারা গেছেন। করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এ দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত ৯ কোটি ৪১ লাখ ২৮ হাজার ৯০৭ জন এবং মারা গেছেন ১০ লাখ ৫৯ হাজার ৬৪১ জন।

ব্রাজিলকে টপকে শনাক্তের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসা ফ্রান্সে ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত ৩৮ হাজার ২৩০ জন এবং মারা গেছেন ১১১ জন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩ কোটি ৪১ লাখ ১৭ হাজার ৮৮৮ জন সংক্রমিত এবং মারা গেছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৮২২ জন।

একদিনে ইতালিতে সংক্রমিত ৪৩ হাজার ৭৮ জন এবং মারা গেছেন ১৭৭ জন। দেশটিতে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত ২ কোটি ১৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৮০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৪২৬ জনের।

রাশিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত ১৬ হাজার ৩২৫ জন এবং মারা গেছেন ৬০ জন। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত ১ কোটি ৮৭ লাখ ৪৬ হাজার ৮৮৬ জন এবং মারা গেছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ৮৪৬ জন।

একদিনে অস্ট্রেলিয়ায় মারা গেছেন ১০৪ জন। এ সময়ে দেশটিতে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৬ হাজার ৫৩০ জনের। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃত্যু বেড়ে দাঁড়ালো ১২ হাজার ৪৩৯ জনে। মহামারির শুরু থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ৯৬ লাখ ৮৪ হাজার ৬৪২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

বিশ্বে অন্য দেশগুলোর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় স্পেনে সংক্রমিত ৩ হাজার ৫৯৪ এবং মারা গেছেন ৬২ জন; ইরানে সংক্রমিত ২ হাজার ৩৪৩ জন এবং মারা গেছেন ৪৯ জন; দক্ষিণ কোরিয়ায় সংক্রমিত ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮১৯ জন এবং মারা গেছেন ৪০ জন; রোমানিয়ায় সংক্রমিত ৯ হাজার ৮৬৪ জন এবং মারা গেছেন ৪১ জন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে সংক্রমিত হয়েছেন ২৩৯ জন। এ নিয়ে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মোট মৃত্যু ২৯ হাজার ৩০৮ জন এবং শনাক্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৭ হাজার ৮৭০ জনে। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ।


আরও খবর



প্যারামেডিকেলে পড়ে পরিচয় দেন মেডিকেল অফিসার!

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

প্যারামেডিকেল কোর্স করে নিজেকে পরিচয় দিতেন সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার বলে। এ অপরাধে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় মুনতাকা দিলশান ঝুমা (২২) নামের এক তরুণীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) দুপুরে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নুরুন্নবীর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত উলানিয়া বাজারে সান্ত্বনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালান। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে মুনতাকা দিলশান ঝুমার এসব প্রত্যারণার তথ্য বেরিয়ে আসে। পরে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মুনতাকা দিলশান ঝুমা উপজেলার আন্ধারমানিক ইউনিয়নের মানছুর বিল্লাহের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, আন্ধারমানিক ইউনিয়নের মো. মারুফ নামের এক ব্যক্তি সান্তনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী। ঝুমা তার ভাইয়ের স্ত্রী। মারুফ তার ভাইয়ের স্ত্রীকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। ঝুমাও নিজেকে মেডিকেল অফিসার পরিচয় দিতেন। এমনকী ব্যবস্থাপত্রেও মেডিকেল অফিসার লেখা রয়েছে। এভাবে মুনতাকা দিলশান ঝুমা প্রতারণা করে আসছিলেন। বিষয়টি দীর্ঘদিন গোপন থাকলেও সম্প্রতি রোগীদের সন্দেহ হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুন্নবী বলেন, সান্তনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও সেখানের চিকিৎসক মুনতাকা দিলশান ঝুমার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে দুপুরে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মেডিকেল অফিসার পরিচয় দেওয়া মুনতাকা দিলশান ঝুমা নিজেকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার পরিচয় দেন।

তার কথায় সন্দেহ হলে তার এমবিবিএস সনদ ও রোগী দেখার জন্য বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশন দেখতে চাওয়া হয়। কিন্তু তিনি কোনোটিই দেখাতে পারেননি। পাশাপাশি নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মুনতাকা দিলশান ঝুমা নামে কোনো মেডিকেল অফিসার নেই বলে জানানো হয়।

ইউএনও আরও বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ঝুমা প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি আদালতকে জানান, এইচএসসি পাস করে তিনি প্যারামেডিকেল একটি কোর্স করেছেন। ওই কোর্স সম্পন্ন করে নিজেকে মেডিকেল অফিসার পরিচয় দিয়ে প্রায় এক বছর ধরে সান্তনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখে আসছেন এবং রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছেন।

প্রতারণার অপরাধে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জরিমানার টাকা পরিশোধ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণার আশ্রয় আর নেবেন না বলে মুচলেকা দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।


আরও খবর



দ্রৌপদী মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের অভিনন্দন

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভারতের নতুন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সোমবার (২৫ জুলাই) তিনি এক বার্তায় এ অভিনন্দন জানান।

দ্রৌপদী মুর্মু (৬৪) সোমবার ভারতের ১৫তম রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নিয়েছেন। তিনি দেশটির প্রথম আদিবাসী ও দ্বিতীয় নারী রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ডার হলেন।

অভিনন্দন বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে, আমার নিজের পক্ষ থেকে ভারতের প্রজাতন্ত্রের ১৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাতে চাই। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমি এই অঞ্চলে নারীর ক্ষমতায়নে সেরা দেশগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে আপনাকে এ উচ্চপদের দায়িত্ব নিতে দেখে আনন্দিত।’

আবদুল হামিদ বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পারস্পরিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি, আস্থা এবং দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও অব্যাহত সহযোগিতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত সরকার এবং জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন ছিল আমাদের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। আজ আমাদের সহযোগিতা বাণিজ্য, সংযোগ, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, শক্তি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত।’

তিনি বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী যে, ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসাবে আপনার মেয়াদে দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ বন্ধন ও ভালো সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। আমি শুধু পারস্পরিক স্বার্থকে এগিয়ে নিতেই নয়, এই অঞ্চলে উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচেষ্টা বাড়াতেও আপনার সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ।’


আরও খবর