Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বাংলাদেশ থেকে রোমানিয়া কর্মী নেবে

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৩৮৫জন দেখেছেন

Image

অনলাইন ডেস্ক;  রোমানিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ নিয়ে সুখবর দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আগামী বছর বাংলাদেশ থেকে রোমানিয়া এক লাখের অধিক কর্মী নেবে। নির্মাণ খাতে এসব কর্মী নেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী।

ড. মোমেন বলেন, অনেক দিন ধরে আমাদের লোক মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে। সুখবর হলো গত বছর থেকে রোমানিয়ায় আমাদের লোক যাওয়া শুরু হলো। গত পরশু (রোববার) খবর পেলাম আগামী বছর (২০২৩ সাল) এক লাখের অধিক কর্মী নেবে রোমানিয়া। আমাদের রাষ্ট্রদূত এ তথ্য জানিয়েছেন। যতদূর জেনেছি, রোমানিয়া নির্মাণ খাতে কর্মী নেবে।

বাংলাদেশে রোমানিয়ার কোনো মিশন নেই। দেশটি ভারত থেকে বাংলাদেশের কার্যক্রম দেখভাল করে। চলতি বছরের এপ্রিলের মাঝামাঝিতে দেশটি ৩ মাসের জন্য ঢাকায় ৬ সদস্যের কনস্যুলার টিম পাঠায়। তারা ঢাকা থেকে বাংলাদেশিদের কনস্যুলার সেবা দেয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, দেশটি তিন মাসে ঢাকায় ৩ হাজার ৪০০ পেন্ডিং ভিসাসহ প্রায় ৫ হাজার ভিসা ইস্যু করেছে। আগামী বছর বাংলাদেশি কর্মী নিতে দেশটির কনস্যুলার টিম আবার ঢাকায় এসে সেবা দেবে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, রোমানিয়ার ভিসা পেতে হলে যেতে হয় দিল্লিতে। একই অবস্থা মালটা বুলগেরিয়াও হাঙ্গেরিতে। আমরা রোমানিয়ার সঙ্গে আলাপ করলাম। আমরা বলেছি, তোমরা ঢাকায় আসো। আমরা তোমাদের সব ব্যবস্থা করে দেব। তারা রাজি হলো। তারা ১৪ হাজার ভিসা দেয়। আমাদের লোক চলে গেছে। তারা নির্মাণ খাতে কাজ করছে। তারা আগের মতো এসে সেবা দেবে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হলেও টাকার কারণে রোমানিয়া ঢাকায় কনস্যুলার খুলছে না বলে জানান ড. মোমেন।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




আমরা মনে করছি মাংসের টুকরোগুলো এমপি আনারেরই : হারুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১০০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:উদ্ধার হওয়া মাংসের টুকরোগুলো এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারের বলে মনে করছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। বাংলাদেশ ও ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের বক্তব্য এবং পারিপার্শ্বিক অন্যান্য ঘটনা বিবেচনায় তিনি এ ধারনা করছেন বলে জানান।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বিকেলে কলকাতা থেকে বাংলাদেশে নেমে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ডিবি প্রধান বলেন, কলকাতায় আমাদের তদন্তকাজ সফল হয়েছে। সংসদ সদস্য আনার হত্যাকাণ্ড নিয়ে যেসব তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে গিয়েছি, তা পেয়েছি। আলামত উদ্ধার, পারিপার্শ্বিক ডিজিটাল তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করায় আনার হত্যার তদন্ত অনেকটাই এগিয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট পেলেই তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ডিবি প্রধান বলেন, মামলায় ভিকটিমের মরদেহ বা মরদেহের অংশ বিশেষ না পাওয়া গেলে তদন্তকারী কর্মকর্তার সুরতহাল, ভিসেরা ও মেডিকেল রিপোর্ট দিতে বেগ পেতে হয়। এগুলো না পাওয়া গেলে মামলাটি নিষ্পত্তি করাও অনেক কঠিন হয়ে যায়। আমরা সেখানে গিয়ে আমাদের হাতে গ্রেপ্তার আসামিদের তথ্য ক্রস এক্সামিনেশন করেছি। এছাড়া কলকাতায় গ্রেপ্তার আসামির তথ্য যাচাই-বাছাই করেছি। কলকাতার সিআইডিকে সঙ্গে নিয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা কলকাতা পুলিশকে অনুরোধ করেছিলাম সুয়ারেজ লাইন ও সেপটিক ট্যাংক দেখার জন্য। আমরা মনে করি, সেখান থেকে কিন্তু ভিকটিমের মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতীয় পুলিশ ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষা করে এ বিষয়ে জানাবে। আমরা প্রাথমিকভাবে মনে করি, স্বাভাবিকভাবে ফ্লাশের মাধ্যমে মাংসগুলো সেখানে যায়নি। তাই আমরা মনে করছি, মরদেহের খণ্ডাংশগুলো এমপি আনারের।

হারুন আর রশিদ আরও বলেন, আমরা সে দেশের কলকাতা পুলিশ প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছি। কলকাতায় গ্রেপ্তার কসাই জিহাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তার কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছি। মূল পরিকল্পনাকারী আখতারুজ্জামান শাহীন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে। আরেকজন অভিযুক্ত নেপালে। ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে। আমরা কাঠমুন্ডুর সঙ্গে যোগাযোগ করছি। শাহীনকে ফেরাতে ইন্টারপোলের সহায়তা নিতে ভারতকে অনুরোধ করেছি।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




উদ্ভাবনী চার্জিং প্রযুক্তির কারণে অনন্য ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজ

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১১৯জন দেখেছেন

Image

প্রযুক্তি ডেস্ক:উদ্ভাবনী ও স্টাইলিশ ফোন বাজারে এনে তরুণ ও প্রযুক্তিপ্রেমীদের মাঝে জনপ্রিয় হয়েছে ট্রেন্ডি প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স। সম্প্রতি স্মার্টফোন শিপমেন্টের ক্ষেত্রে অন্যান্য বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের তুলনায় সর্বোচ্চ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে ব্র্যান্ডটি।

একইসঙ্গে দ্রুত ও উদ্ভাবনী চার্জিং প্রযুক্তি নিয়ে ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছে ইনফিনিক্স। সম্প্রতি বাজারে আসা নতুন নোট ৪০ সিরিজের স্মার্টফোনে এই প্রযুক্তির মান আরও বেড়েছে। ফলে ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাও উন্নত হয়েছে।

প্রথমবারের মতো নোট ৪০ সিরিজে যুক্ত করা হয়েছে অল-রাউন্ড ফাস্টচার্জ ২.০ নামে পরিচিত ইনফিনিক্সের অল- রাউন্ড ফাস্টচার্জ প্রযুক্তির দ্বিতীয় প্রজন্ম। অত্যাধুনিক এই প্রযুক্তিতে আছে একটি মাল্টি-ট্যাব গঠনের ব্যাটারি এবং তিনটি সমান্তরাল ফাস্ট-চার্জিং চিপ। যার মাধ্যমে ১০০ ওয়াট পর্যন্ত স্থিতিশীল ও কার্যকর ওয়্যারড চার্জিংয়ের সুবিধা  পাওয়া যায়। এছাড়া, সিরিজটি ২০ ওয়াটের ওয়্যারলেস চার্জিং ও ওয়্যারলেস রিভার্স চার্জিংও সাপোর্ট করে। যার সাহায্যে ফোনকে অন্যান্য ডিভাইসের জন্য পাওয়ার ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

নোট ৪০ সিরিজের একটি উল্লেখযোগ্য ফিচার হলো- ওয়্যারলেস ম্যাগচার্জ, যা অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্ষেত্রে একটি নতুন  সংযোজন। নিরবচ্ছিন্ন ম্যাগনেটিক চার্জিংয়ের জন্য এই সিস্টেমে আছে একটি ফোন কেস (ম্যাগকেস), একটি ম্যাগনেটিক চার্জিং প্যাড (ম্যাগপ্যাড) এবং একটি ওয়্যারলেস ম্যাগনেটিক পাওয়ার ব্যাংক (ম্যাগপাওয়ার)। সম্প্রতি,  ফোর্বস ইনফিনিক্সের ম্যাগচার্জকে অ্যাপলের ম্যাগসেফ-এর সাথে তুলনা করেছে। তাদের মতে, কার্যকারিতা ও সুবিধা উভয় ক্ষেত্রেই ইনফিনিক্সের সমাধান উন্নততর।

অল-রাউন্ড ফাস্টচার্জ ২.০ প্রযুক্তির কেন্দ্রে আছে ইনফিনিক্সের তৈরি পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট চিপ চিতা এক্স১। যার সাহায্যে বিভিন্ন ধরনের চার্জিং ফিচার ও মোড কাজ করতে পারে। যেমন- মাল্টি-স্পিড ফাস্ট চার্জিং, বাইপাস চার্জিং, এআই চার্জিং প্রোটেকশন এবং পিডি ৩.০ প্রোটোকলের জন্য সাপোর্ট। মাল্টি-স্পিড ফাস্ট চার্জিংয়ের আওতায় আছে সুপার মোড, স্মার্ট মোড এবং লো-টেম্পারেচার মোড। এই মোডগুলো ব্যবহারকারীদের চার্জিংয়ের অভিজ্ঞতা উন্নত করে।

উচ্চ তাপমাত্রা সহনীয় ডিভাইস হিসেবে নোট ৪০ সিরিজের ডিজাইন করা হয়েছে। মাইনাস ২০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায়ও অনায়েসেই এই স্মার্টফোন চার্জ দেওয়া যায়। এ কারণে ভ্রমণপ্রেমীরা নিশ্চিন্তে এই ডিভাইসটি বেছে নিতে পারেন।

এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের বাজারে নোট ৪০ সিরিজের দুটি মডেল এসেছে- নোট ৪০ ও নোট ৪০ প্রো। দেশজুড়ে ইনফিনিক্স অফিশিয়াল রিটেইলারের কাছে পাওয়া যাচ্ছে ফোনগুলো।


আরও খবর



আদর্শ-ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় নৈতিক শিক্ষার প্রভাব সূদূরপ্রসারী: ধর্মমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ১১৯জন দেখেছেন

Image
লিয়াকত হোসাইন লায়ন,জামালপুর প্রতিনিধি:ধর্মমন্ত্রী মোঃ ফরিদুল হক খান বলেছেন, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা শিক্ষার্থীদেরকে ধর্মীয় জ্ঞানে আলোকিত করার পাশাপাশি তাদের আচরণগত উৎকর্ষ সাধন এবং নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টিতে বিশেষ প্রভাব ফেলে। একটি আদর্শ ও ন্যায়বিচার ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় নৈতিক শিক্ষার প্রভাব সূদূরপ্রসারী।

২৭ মে সোমবার বিকেলে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে বিয়াম অডিটোরিয়ামে 'টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট অর্জন এবং নৈতিক শিক্ষার প্রসারে মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের ভূমিকা' বিষয়ক জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃত্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, মসজিদ-মন্দিরের মতো পবিত্র স্থানে বসে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা লাভের সুযোগ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। সাধারণ শিক্ষার সাথে নৈতিক শিক্ষার মেলবন্ধনে শিক্ষার মাহাত্ম্য ও গুরুত্ব অনেকগুণে বৃদ্ধি পায়। সমাজের সমস্ত জরা-ব্যাধি প্রতিরোধ করে একটি সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে এরূপ শিক্ষা অত্যন্ত ফলপ্রসূ।

ধর্মমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট ও সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনার নিরিখে কাজ করে যাচ্ছে।  গত দেড় দশকে জাতির সামনে তিনি ৩টি উন্নয়ন পরিকল্পনা পেশ করেছেন।  রুপকল্প-২০২১ এর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকার সফল হয়েছে। বাংলাদেশ স্বপ্লোন্নত দেশের দুষ্টচক্র অতিক্রম করে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, কাউকে পিছিয়ে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়। এসডিজি’র অন্যতম মূলনীতি হলো কাউকে পিছিয়ে রাখা যাবে না। আমাদের মূল ফোকাসটা এখানেই। আমরা সবাইকে সমান তালে এগিয়ে নিতে চাই। সকল ধর্মের মানুষকে সমান গরুত্ব দিয়ে তাদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে চাই।  সরকার সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ন্যায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এসডিজির লক্ষ্য অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।

মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে চারিদিকে নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় লক্ষণীয়। দুর্নীতি-সন্ত্রাস, ঘুষ, কালোবাজারি, মজুতদারি, ভেজাল প্রভৃতি ব্যাধিগুলো সমাজে জেঁকে বসেছে। এই ব্যাধির করাল গ্রাস থেকে সমাজকে বাঁচাতে হলে নৈতিক শিক্ষার বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে এই প্রকল্পটির উপযোগিতা এখনও শেষ হয়ে যায়নি। প্রকল্প বাস্তবায়নে কোন ত্রুটি-বিচ্যূতি থাকলে সেটা অবশ্যই আমলে নিতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সৎ ও একনিষ্ঠ থাকতে হবে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুঃ আঃ হামিদ জমাদ্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি  মাগুরা-২ আসনের  সংসদ সদস্য এবং হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ড. বীরেন শিকদার, সংরক্ষিত মহিলা আসন ও হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রীমতি আরমা দত্ত, কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি  ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব ড. কৃষেন্দু কুমার পাল ও মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কাযক্রম (৬ষ্ঠ পযায়) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. শ্রীকান্ত কুমার চন্দ বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম  প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় প্রকল্পের সহকারী পরিচালক, মাস্টার ট্রেইনার, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, শিক্ষকমন্ডলী ও সাংবাদিকেরা অংশগ্রহণ করেন।

আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১১৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানিয়েছেন ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা প্রস্তুত রয়েছেন।

রোববার (২৬ মে) বিকেলে সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ মোকাবিলার প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনুমান আজ রাত ৯টা থেকে রাত ১২টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড় রিমাল আঘাত হানবে। আমাদের প্রতিটি নিরাপত্তা বাহিনী আমাদের কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের কোস্টগার্ড গত তিনদিন ধরে উপকূলের ৫৭টি স্থানে মাইকিং করে যাচ্ছে। একইসঙ্গে সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ বোটের সঙ্গে কিছু রিলিফও তারা জোগাড় করে রেখেছে। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তীতে এই রিলিফ তাদের প্র‍য়োজন হতে পারে বলে এই প্রস্তুতি তারা নিয়ে রেখেছে।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের নৌপুলিশ এবং জেলা পুলিশ কাজ করছে। লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার জন্য তারা কাজ করছে। বাংলাদেশ আনসার এবং গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী গত ৪ দিন ধরে ১০ হাজার সদস্যকে ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন এবং পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রমের জন্য সেখানে অবস্থান করছে। বিজিবি এবং র‍্যাব আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন- সুনামগঞ্জে হঠাৎ করে বন্যা হয়ে কারাগারের ভেতরে দুই থেকে তিনফুট পানি ঢুকে গিয়েছিল। সেজন্য উপকূলীয় কারাগারগুলোতে যাতে এ ধরনের পরিস্থিতি না হয় সেকারণে আইজি (প্রিজন) সেসব প্রস্তুতি নিয়েছেন। উপকূলীয় এলাকার কারাগারে বন্দিদের অন্য নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা তাদের খাদ্যসামগ্রীর যাতে কোনো ঘাটতি না হয় সেগুলোরও তারা একটা প্রস্তুতি নিয়েছেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিজিবি, আনসার, কোস্টগার্ড, র‍্যাব, ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়ী-ঘরে হামলা ভাংচুর, লুটপাট, ২ টি ড্রাম ট্রাকে আগুন

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক ব্যবসায়ীর বাড়ীতে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা,  ভাংচুর ও লুটপাটে চালিয়েছে। এসময় ব্যবসায়ীর ২ টি মালবাহী ড্রাম ট্রাক আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। এসময় বাধাঁ দেয়ায় ব্যবসায়ী ও তার স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম করে হামলাকারীরা। 

গত শুক্রবার বিকালে উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের খৈশার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে ঘটনায় পর ৩ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিশ মামলা নিতে গরিমসি করছে। এদিকে  হামলাকারীদের ভয়ে চরম আতঙ্কে রয়েছে ব্যবসায়ীর পরিবার।

জানাযায়, খৈশার এলাকার ব্যবসায়ী মফিজুলের সাথে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী এসটি ছাত্তারের বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে শুক্রবার বিকালে ছাত্তারের নির্দেশে ১৫/২০ জন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে  ব্যবসায়ী মফিজুলে বাড়ী ঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়।  একপর্যায়ে বাড়ির সামনে রাখা ২ টি  ড্রাম ট্রাকে  পেট্রোল দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এসময় বাধাঁ দেয়ায় ব্যবসায়ী ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেন তারা। হামলায় কমপক্ষে ৯০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী করেছেন ব্যবসায়ী।

এদিকে ঘটনার পর মফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ছাত্তারসহ ১০ জনকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভাযোগ দায়ের করলে ঘটনার ৩ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলে পুলিশ থানায় মামলা রুজু করছে না। এমনকি হামলাকারী ছাত্তারসহ তার লোকজনের প্রতিনিয়ত হুমকির কারনে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ব্যবসায়ী ও তার পরিবার।

এব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার ওসি দিপক চন্দ্র সাহার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হামলা ভাংচুর ও গাড়ীতে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সম্পন্ন হলে পরবর্তী আইনানুক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর