Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত

বালু নদে নাব্যতা সংকটে আটকে আছে অসংখ্য বালুবাহী বালুভর্তি বাল্কহেড, কোটি কোটি টাকার লোকসান।

প্রকাশিত:Saturday ১৫ January ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ২৪৬জন দেখেছেন
Image


মো. বজলুর রহমানঃ

রাজধানীর কোলঘেষা বালু নদে নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে চরম আকারে। এ কারণে প্রতিনিয়ত ওই নদে আটকে যাচ্ছে বালুবাহী মাঝারি ও বড় বালুভর্তি বাল্কহেড। গত ৫ দিন ধরে ঢাকার ভাটারা থানাধীন বালু নদের বেরাইদ এলাকায় মক্কা মদিনা ৫, টিউলিপ ও অঞ্জুমান-২ নামে ২৬ হাজার ফুটের ৩ টি বড় বড় বাল্কহেড নাব্যতা সংকটে আটকে যাওয়ায় দীর্ঘ প্রায় ২ কিলোমিটার  বাল্কহেড যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।


আর শুস্ক মৌসুমে প্রায়ই এ ধরণের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে শীতকালে শত শত কোটি টাকার বাল্কহেড বিনিয়োগকারীদের কোটি কোটি টাকার লোকসান গুণতে হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বাল্কহেড শ্রমিকের মজুরিতেও চরম ভাটা পড়ে বলে পারিবারিকভাবে তারা অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটায়। এদিকে আটকে পড়া বাল্কহেডের লাখো শ্রমিকরা বিগত করোনাকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় এখনো ঋণের বোঝা বইছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।


সরজমিন দেখা গেছে,শুক্রবার বিকেলেও বেরাইদ বাজার এলকায় নাব্যতা সংকটে বালু নদের পানি কম থাকায় ৪ দিন ধরে আটকে আছে বালুভর্তি ৩ টি বড় বাল্কহেড। এতে করে অন্যান্য শতাধিক বাল্কহেড ওই নদে আটকে গিয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে শ্রমিকরা নদের পঁচা পানির মধ্যেই বন্ধ বাল্কহেডে দিনাতিপাত করছেন। খাওয়া দাওয়া ও নামাজ পড়ছেন বাল্কহেডেই। জটে আটকা পড়ে শ্রমিকরা অলস সময় পাড় করছেন।


এ বিষয়ে রমজান আলী নামে সাদিয়া ২ নামের এক বাল্কহেড শ্রমিক বলেন, গত ৫ দিন ধরে বালু নদের পঁচা পানিতে আটকে মশার কামড় খাচ্ছি। খোরাকির টাকাও নাই হাতে।মালিক বিকাশে টাকা পাঠাচ্ছে আর খাচ্ছি কিন্তু টাকার অভাবে বাড়ির লোকেরা খাওয়ায় কষ্ট করছে। নদিটা গভীর থাকলে সমস্যায় পড়তামনা।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খনন বা ড্রেজিংয়ের অভাবে গত কয়েক বছর ধরে বালু নদে ফকিরখালি, বেরাইদ, নাওড়া ও নগরপাড়া এলাকায় নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে। এ সব এলাকায় অন্তত ১২ হাত পানির প্রয়োজন হয় বাল্কহেড চলাচল করতে। এক্ষেত্রে এসব এলাকায় এখন ৭ হাত পানি পাওয়া যাচ্ছে। তবে এ নদের ৩১ টি মৌজায় বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃক ২০১৩-১৪ সালে রক্ষণাবেক্ষণ (মেইনট্যানেন্স) ড্রেজিং করা হয়েছে। তারপর আর কোন খনন বা ড্রেজিং করা হয়নি বলে নদের তলদেশ অনেক ভরাট হয়ে গেছে। আর এ নদ দিয়ে বাল্কহেডের মাধ্যমে বালু বহন করে শহরের নি¤œাঞ্চলগুলো ভরাট করে আধুনিক নগরে রূপান্তর করা হচ্ছে। অথচ নাব্যতা সংকটে তা ব্যহত হচ্ছে চরমভাবে। তবে শুস্ক মৌসুমে নাব্যতা সংকটে এ নদ দিয়ে ১২শ’ থেকে ১৬শ’ ফুটের বেশি বড় বাল্কহেড চলাচল করতে পারেনা।  

 

সরেজমিন দেখা গেছে, ঢাকার ক্ষিলগাঁও থানাধীন বালু নদের ইটাখোলা থেকে ইদারকান্দি, ফকিরখালি ও ভাটারা থানাধীন বেরাইদ বাজার এলাকা পর্যন্ত বালুভর্তি বাল্কহেডের দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আর নাব্যতা সংকটেই গত ৪ দিন ধরে এ যানজট সৃষ্টি হয়েছে বলে তা অপসারণ করা যাচ্ছেনা। এক্ষেত্রে জোয়ারের পানির অপেক্ষায় রয়েছে দীর্ঘ প্রায় দুই মাইলের বাল্কহেড যানজট। তাছাড়া প্রতিবছরই ঢাকার বালুরপাড়, ফকিরখালি, ইদারকান্দি, বেরাইদসহ বালু নদের অধিকাংশ এলাকায় নাব্যতা সংকট দেখা দেয়। নদের তলদেশ ইতিমধ্যে ভরাট হয়ে গেছে।


এ বিষয়ে বেরাইদ বাজার এলাকার বাল্কহেড ব্যবসায়ী আকবর হোসেন বলেন, বড় ৩ টি বাল্কহেড বালু নদে প্রবেশ করায় এ দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তারা জানা সত্বেও কেন এত বড় লোড জাহাজ এ নদ দিয়ে আনল বুঝলামনা। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।


এ বিষয়ে বেসরকারি সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ ও নদী রক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (ইআরপিডিএফ) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান  এইচ এম সুমন বলেন, বালু নদে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে বৃহৎপরিকল্পনা প্রয়োজন যা নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। একই সঙ্গে নদী বাঁচাতে জলাবায়ু ঝুঁকি রাশের লক্ষ্যেও কাজ করছি। সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদের নিয়ে দ্রুত জরুরী এসব কাজ সমাধানে সবার এগিয়ে আসতে হবে।


এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে টঙ্গী নদী বন্দরের সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা সমর কৃষ্ণ সরকার বলেন, নাব্যতা সংকট বালু নদে চরম। জরুরী ভিত্তিতে খনন প্রয়োজন, প্রয়োজন বৃহৎ পরিকল্পনারও। এত বড় বাল্কহেড যানজট লাগার একমাত্র কারণই হচ্ছে নাব্যতা সংকট।

আর জোয়ারের পানি না আসা পর্যন্ত এ যানজট নিরসন সম্ভব নয়। রোইদ এলাকায় অনেকভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে যানজট নিরসনে। এখানে ১২ হাত গভীর পানির প্রয়োজন,অথচ পাওয়া যাচ্ছে ৭ হাত।


আরও খবর



চকবাজার অগ্নিকাণ্ড: দুই লাখ করে পেলো নিহতদের পরিবার

প্রকাশিত:Tuesday ১৬ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া বরিশাল হোটেলের ছয় শ্রমিকের স্বজনদের হাতে শ্রমিক কল্যাণ তহবিল থেকে দুই লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়া হয়েছে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের নির্দেশে মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড হাসপাতাল) স্বজনদের হাতে এ চেক তুলে দেওয়া হয়।

এসময় বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক গোকুল কৃষ্ণ ঘোষ, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের ঢাকা জেলার উপ-মহাপরিদর্শক মো. সালাহ উদ্দিনসহ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

jagonews24

এর আগে মঙ্গলবার সকালে শ্রম প্রতিমন্ত্রী চকবাজারে দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া শ্রমিকদের প্রত্যেকের পরিবারকে দুই লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দেন। তিনি নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।


আরও খবর



‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে’

প্রকাশিত:Tuesday ১৬ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
Image

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘আর্টিকেল নাইনটিন’। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) এক বিবৃতিতে এই কথা জানানো হয়।

সংগঠনটির দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ফারুখ ফয়সল বলেন, আর্টিকেল নাইনটিনের হিসাব অনুযায়ী ২০২০ সালের জানুয়ারি হতে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত আড়াই বছরে ১৭৭ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ৮৯টি মামলা হয়েছে। এই সাংবাদিকদের মধ্যে ৫৩ জনকে বিনাবিচারে দীর্ঘদিন কারাবন্দী থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ধারাবাহিক অবদমন ও নাগরিক অধিকারের ক্রমাগত সংকোচন বিষয়ে আর্টিকেল নাইনটিন উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউয়ের (ইউপিআর) তৃতীয় পর্বের সুপারিশ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে একটি সমন্বিত ও কার্যকর জাতীয় ব্যবস্থা তৈরির আহ্বান জানিয়েছে আর্টিকেল নাইনটিন।

এছাড়া সংস্থাটির জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেটের চলমান বাংলাদেশ সফরের প্রেক্ষাপটে মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নে চার বছর আগে বাংলাদেশ সরকারের করা অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি তুলে ধরারও আহ্বান জানায় সংগঠনটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ৩৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশ সরকার ইউপিআরের আওতায় বিভিন্ন রাষ্ট্রের ১৭৮ সুপারিশ গ্রহণ করে, যার মধ্যে অন্তত ২৫টি সুপারিশ ছিল মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুরক্ষা ও শক্তিশালী করা সম্পর্কিত। নিয়ম অনুযায়ী গৃহীত সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে পরবর্তী পাঁচ বছর সময় পাওয়া যায়। সেই হিসেবে, বাংলাদেশ সরকার তৃতীয় পর্যায়ের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের শেষ বছরে রয়েছে। আগামী বছর ২০২৩ সালের জুনে বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা নিয়ে সরকারকে জাতীয় প্রতিবেদন জমা দিতে হবে এবং নভেম্বরে পর্যালোচনায় অংশ নিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে ফারুখ ফয়সল বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর সম্ভাব্য অপব্যবহার ও অপপ্রয়োগ বিষয়ে ইউপিআরে উচ্চমাত্রার উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও সরকার তখন সেটি আমলে নেয়নি। দেরিতে হলেও এই আইনের অপপ্রয়োগ ও অপব্যবহারের কথা স্বীকার করে সরকার বর্তমানে একটি কমিটি করেছে বলে জানানো হয়েছে। সেই কমিটি এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বলে সরকার সফররত মানবাধিকার হাইকমিশনারকে জানিয়েছে। এই প্রতিবেদন প্রকাশ করার জন্য এবং আইনটির চিহ্নিত নিবর্তনমূলক ধারাগুলো অবিলম্বে বাতিল করার দাবি জানায় আর্টিকেল নাইনটিন।

তিনি আরও বলেন, ইউপিআর প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ এবং সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন বাংলাদেশের জন্য একটি অগ্রাধিকার ইস্যু বলে সরকারের নীতি-নির্ধারকরা বলে থাকেন। আবার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের মানবাধিকারবিষয়ক অঙ্গীকারের মধ্যে অন্যতম। অথচ এ সংক্রান্ত ইউপিআর সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে সরকার আদৌ কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে কি না- তা আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়।


আরও খবর



বিএনপি নেতা দেলোয়ার কারাগারে

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ১৫ August ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় পরোয়ানামূলে গ্রেফতার বিএনপির মিরপুর থানার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন দুলুকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৭ জুলাই) তাকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) দেলোয়ার হোসেন দুলুকে মিরপুরে বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে মিরপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল।


আরও খবর



রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুরি হওয়া মালামালসহ আটক ৪

প্রকাশিত:Friday ১২ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

বাগেরহাটের রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে চুরি হওয়া মালামালসহ চারজনকে আটক করেছে র‌্যাব।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে খুলনা র‌্যাব-৬ এর পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

আটকরা হলেন- বাগেরহাট সদরের বাসিন্দা মো. রাসেল (৩৮), রামপালের বাসিন্দা মো. আসাদ শেখ (৩২), মো. সোহেল শেখ (২১) ও মোংলার বাসিন্দা সুব্রত রায় (২১)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৯ আগস্ট রাতে রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেল কোম্পানির অন্তর্ভুক্ত গানাত্রা হেভী লিফটারস কোম্পানির ইলেকট্রিক ক্যাবল ড্রাম থেকে ৫০০ কেজি অ্যালুমিনিয়াম প্লেইন সিড চুরি হয়। যার মূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা। এছাড়া ১০ আগস্ট রাতে একই কোম্পানির ইলেকট্রিক ক্যাবল ড্রাম থেকে বিভিন্ন প্রকার ইলেকট্রিক সামগ্রী চুরি হয়।

চুরির বিষয়ে গানাত্রা হেভী লিফটারস কোম্পানির সাইট ইনচার্জ ১১ আগস্ট বৃহস্পতিবার র‌্যাব-৬ এ একটি লিখিত অভিযোগ দেন। একই ভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব-৬ এর একটি দল চোর চক্রকে ধরতে গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে চুরি হওয়া অ্যালুমিনিয়াম প্লেইন সিড বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানা এলাকায় রয়েছে।

থানার কাটাখালী মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথম দফায় চুরি হওয়া ৫০০ কেজি অ্যালুমিনিয়াম প্লেইন সিডের মধ্যে ৪৬৫ কেজি উদ্ধার হয়। এ সময় রাসেলকে আটক করা হয়। এছাড়া একই এলাকা থেকে দ্বিতীয় দফায় চুরি হওয়া একটি কপার ফ্লাট, ১১ কেজি কপার ক্যাবল, দুটি কপার কন্ডাকটার উদ্ধার করা হয়। এ সময় আসাদ শেখ, সোহেল শেখ ও সুব্রত রায়কে গ্রেফতার করা হয়। চুরির ঘটনায় আটকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।


আরও খবর



নিরাপত্তা চেয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষার্থীর আবেদন

প্রকাশিত:Monday ০৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

হামলার আশঙ্কায় নিরাপত্তা চেয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) চার শিক্ষার্থী প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। রোববার (৭ আগস্ট) বিকেলে প্রক্টরের কাছে বাংলা ও লোক প্রশাসন বিভাগের দুই শিক্ষার্থী পৃথক লিখিত আবেদন জমা দেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) রসায়ন ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের দুই শিক্ষার্থী পৃথক লিখিত আবেদন জমা দিয়েছিলেন।

চার শিক্ষার্থীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এরমধ্যে নানা উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃপক্ষ।

নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করা শিক্ষার্থীরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন, লোক প্রশাসন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. রাব্বি খান, ব্যবস্থাপনা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইরাজ রব্বানী ও রসায়ন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মো. সাইমুন ইসলাম।

লিখিত আবেদনে তার উল্লেখ করেন, ঈদুল আজহার ছুটি শেষে ২০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় খুললেও তারা ঠিকমতো ক্লাসে অংশ নিতে পারছেন না। মহিউদ্দিন আহমেদ সিফাত ও তার সহযোগীরা ক্যাম্পাসে না আসতে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। এমনকি তারা যেখানে থাকছেন সেসব ছাত্রাবাস ও মেসে গিয়ে মহিউদ্দিন আহমেদ সিফাত ও তার সহযোগীরা হুমকি দিচ্ছেন। হুমকির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা নিয়ে তারা দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন। শিক্ষা জীবন ধ্বংসের আশঙ্কা করছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কোনো কমিটি নেই। এরপরও দুটি পক্ষ নিজেদের ছাত্রলীগ নেতাকর্মী দাবি করে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে। একপক্ষ বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমের অনুসারী ও অপর পক্ষ বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অনুসারী পরিচয় দিয়ে ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছেন।

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমের পক্ষে ক্যাম্পাসে নেতৃত্বে রয়েছেন অমিত হাসান ওরফে রক্তিম। সিটি মেয়রের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মহিউদ্দিন আহমেদ ওরফে সিফাত। বেশ কয়েকবার তাদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

সর্বশেষ ৫ জুলাই রাতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের সাতজন আহত হন। এরপর থেকেই মহিউদ্দিন আহমেদ সিফাতের সহযোগী ও অনুসারীরা ক্যাম্পাসে দল বেধে মহড়া দেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর খোরশেদ আলম জাগো নিউজকে বলেন, চার শিক্ষার্থীর লিখিত আবেদন পেয়েছি। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তারা যেন ক্লাস বা পরীক্ষায় অংশ নিতে কোনো ধরনের অসুবিধা না হয় বিভাগের চেয়ারম্যান ও ছাত্র উপদেষ্টাকে ব্যবস্থা গ্রহণে অবহিত করা হয়েছে।


আরও খবর