Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কে ম্যানেজ করে চলছে নিয়োগ-বাণিজ্য

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৩৭০জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃ 

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলাধীন ১৩ নং পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের বড় রঘুনাথপুর গ্রামে অবস্থিত রঘুনাথপুর দেশান্তর কাঠি ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য এবং সৃষ্ট পদে ১জন, পরিছনতা কর্মী ১জন আয়া ১জন সহ মোট চারজনকে নিয়োগ দেয়া হবে মর্মে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ স্কুলে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কাউকে কোন কিছু না বলে ঈদুল আযহার বন্ধের মধ্যে গোপনে পত্রিকায় বিজ্ঞাপনটি দেয়া হয়। যাতে করে প্রধান শিক্ষক তার নিজ পছন্দের ব্যক্তিদের ওই পদ গুলোতে নিয়োগ দিতে পারে। গত ২ জুলাই ছিল আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করাটা ছিল একটি কৌশল মাত্র। কৌশল অবলম্বনে নিয়োগ বাণিজ্যের পিছনে হাত রয়েছে বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের প্রধান হিসাবরক্ষক নাছির উদ্দিনের। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে আবেদন বাছাই কমিটি হওয়ার আগেই যাদের নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন তাদেরকে বলা হয়েছে,যে টাকা নেওয়া হয়েছে ও টাকা আমরা খাব না এই টাকা বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার স্যারকে এবং জেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর স্যারকে দিতে হবে। এই দুই শিক্ষা কর্মকর্তার নামে তারা টাকাগুলো হাতিয়ে নেয়। বিদ্যালয়টির বর্তমান প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে যে সমস্ত ব্যক্তির নিকট থেকে টাকা নিয়েছেন তারা হলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে আবেদনকারী মোঃ সোহাগ মৃধা, পিতা মোঃ ইউসুফ আলী মৃধা, তার কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়। সৃষ্ট পদে আবেদনকারী মোঃ কুদ্দুস হাওলাদার, পিতা মোহাম্মদ মানিক হাওলাদার (মুসল্লী) এর কাছ থেকে নেয়া হয়েছে পাঁচ লক্ষ টাকা, পরিছন্নতা কর্মী পদে আবেদনকারী আব্দুর রহিম,পিতাঃ মোঃ লাল মিয়া হাওলাদার এর কাছ থেকে নেয়া হয়েছে চার লক্ষ টাকা। আয়া পদে আবেদনকারী সুজনা আক্তার, স্বামী মোঃ সোহাগ এর কাছ থেকে নেয়া হয়েছে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা। এসব টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমানের নাম পাওয়া গেছে। সূত্র মতে জানা গেছে বর্তমান প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান আগামী ১৪ আগষ্ট ২০২৪ তারিখে চাকরি থেকে অবসরে যাবেন। তাই তড়িঘড়ি করে স্থানীয়দের না জানিয়ে গোপনে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছেন সেই পত্রিকাটি বাকেরগঞ্জে পাওয়া যায় না। তার প্রধান উদ্দেশ্য অবসরে যাওয়ার আগে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া। 

এই বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর ফোন কেটে দেন।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের প্রধান হিসাব রক্ষক নাসির উদ্দিনের সাথে ফোনে কথা বললে তিনি জানান, নিয়োগ দেওয়ার জন্য অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টি আমরা অবগত নই, তবে অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।



আরও খবর



শেরপুরে প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ,বিক্ষোভ

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৭৪জন দেখেছেন

Image
শেরপুর প্রতিনিধি:শেরপুর জেলার সদর উপজেলায়  গাজীরখামার উচ্চ বিদ্যালয়ের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মাহবুবুর রহমান বুলবুল এর বিরুদ্ধে অসহনীয়  অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে দুইদিন ব্যাপী ৭ জুলাই রোববার অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শেরপুর - নালিতাবাড়ী  সড়ক অবরোধ এবং বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ বিক্ষুদ্ধ ছাত্রছাত্রীদের অবরোধ তুলে নেয়ার জন্য বলেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনেন। 

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, সদর উপজেলার গাজীরখামার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মাহবুবুর রহমান বুলবুল ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। এদিকে ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়াই ওই বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ১০ম শ্রেণির মাসিক বেতন ৬০ টাকার স্থলে ১৫০ টাকা করে আদায় এবং অন্যান্য শ্রেণির বেতন বৃদ্ধি করার ফলে ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষুদ্ধ হয়ে পড়ে।যদিও সরকারী নির্দেশনায় সরকার  বা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যয়নত উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি বা বেতন মওকুফ থাকবে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কে উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনুকূলে স্কিম ডকুমেন্ট মোতাবেক নির্ধারিত হারে টিউশন ফি বা বেতন দেয়া হবে। উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনক্রমেই টিউশন ফি বা বেতন আদায় করা যাবে না। 

এছাড়াও গরীব, অসহায় ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী এবং একই পরিবারের দুই শিক্ষার্থী পড়ালেখা করলেও পরীক্ষার ফিসহ অন্যান্য কোন সুযোগ সুবিধা দেন না প্রধান শিক্ষক। 

বিক্ষুদ্ধ ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ বিগত দুই বছর পূর্বে পরিচয় পত্র দেয়ার জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২০০ শত করে টাকা নেয়ার পরেও অদ্যবধি তাদের পরিচয় পত্র দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করে তারা। 

অপরদিকে প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান বুলবুল ২২ জন শিক্ষকের মধ্যে তার কাছের ৪ জন শিক্ষক ছাড়া অন্যান্য ১৮ জন শিক্ষককে বাদ দিয়ে সে বিদ্যালয় পরিচালনা করেন এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের সিদ্ধান্ত ছাড়াই নিজেই মনগড়া বিদ্যালয় পরিচালনা করে থাকেন বলে প্রকাশ্যে ওই বঞ্ছিত শিক্ষকরা অভিযোগ করেন। এমন উদ্বৃত পরিস্থিতির খবর পেয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রেজুয়ার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ চাঁন মিয়া, গাজীরখামার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আওরাদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। এসময় বিক্ষুদ্ধ ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ গুলো শুনেন শিক্ষা অফিসারসহ অন্যান্যরা। পরে ছাত্রছাত্রীদের দাবি দাওয়া ও সমস্যার সমাধান করার আশ্বাস দিয়ে বক্তব্য রাখেন জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রেজুয়ান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ চাঁন মিয়া, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আওলাদুল ইসলাম, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বেলাইয়ের হোসেন, বাংলা শিক্ষক জিকরুল ইসলাম, অভিভাবক সাহাদত হোসেন খান মিন্টু প্রমুখ। পরে বিক্ষুদ্ধ ছাত্রছাত্রীরা তাদের দেয়া আশ্বাসের প্রেক্ষিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি তুলে নেন এবং পরিস্থিতি শান্ত হয়। 

এব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মোঃ মাহবুবুর রহমান বুলবুল এর বিরুদ্ধে ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ এবং বিক্ষোভের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটি মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং ছাত্রছাত্রীদের উস্কানি দিয়ে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। তবে এঘটনায় বিষয় গুলো তিনি শীঘ্রই সমাধান করে বিদ্যালয়ের ভালো পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করবেন বলে এমনটাই বলেন তিনি।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



নাইজেরিয়ায় দফায় দফায় বিস্ফোরণে নিহত ১৮

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৫৭জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:প্রাণঘাতী বিস্ফোরণে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় কমপক্ষে ১৮ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন। দেশটির উত্তরাঞ্চলে দফায় দফায় বিস্ফোরণে এ ঘটনা ঘটে।

রোববার (৩০ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্ব বোর্নো প্রদেশে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে অন্তত ১৮ জন নিহত ও আরও ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এর মধ্যে শনিবার একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে সন্দেহভাজন বোমা হামলায় ছয়জন নিহত এবং অন্যদের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বোর্নো প্রদেশের জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, সন্দেহভাজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীরা গোওজা শহরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার অনুষ্ঠান এবং হাসপাতালে হামলা চালায়। মূলত এই প্রদেশটি গত ১৫ বছর ধরে জঙ্গি গোষ্ঠী বোকো হারামের বিদ্রোহের কেন্দ্রে রয়েছে।

এই সংঘাত ও সহিংসতায় ২০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। ২০১৪ সালে বোর্নো প্রদেশের চিবোক শহর থেকে ২৭০ জনেরও বেশি স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করে বোকো হারাম আন্তর্জাতিক কুখ্যাতি অর্জন করেছিল।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার একের পর এক বিস্ফোরণে ১৮ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে, যার মধ্যে শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক এবং গর্ভবতী নারীও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। কিছু স্থানীয় মিডিয়া প্রাণহানির সংখ্যা আরও অনেক বেশি বলে রিপোর্ট করেছে। যার মধ্যে নাইজেরিয়ার ভ্যানগার্ড এবং দিস ডে সংবাদপত্র জানিয়েছে, বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হয়েছেন।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কারফিউ জারি করা হয়েছে। তবে এখনও কেউ হামলার দায় স্বীকার করেনি।

বিবিসি বলছে, ২০১৪ সালে গোওজা শহরটি দখল করে নিয়েছিল বোকো হারাম। তবে ২০১৫ সালে নাইজেরিয়ান বাহিনী এটি আবারও পুনর্দখল করে। কিন্তু তারপর থেকে সন্ত্রাসী এই গোষ্ঠীটি শহরের কাছে আক্রমণ এবং লোকজনকে অপহরণের মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

গত বছরের নভেম্বরে প্রতিবেশী ইয়োবে প্রদেশে একটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় বোকো হারাম বিদ্রোহীদের হাতে ২০ জন নিহত হয়।

গ্রামবাসীরা তথাকথিত ফসলের ট্যাক্স দিতে অস্বীকার করার পরে জঙ্গিরা গুরোকায়েয়া গ্রামে হামলা চালিয়ে ১৭ জনকে হত্যা করার একদিন পর এই হামলাটি ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে।


আরও খবর



মাগুরায় কলেজ ছাত্র তীর্থ খুন: হত্যার রহস্য পায়নি পুলিশ উদ্ধার হয়নি মোটর সাইকেল মোবাইল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১০৯জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরায় তীর্থ রুদ্র (২১) নামে  উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে জবাই করে হত্যার কোন রহস্য এখনো পায়নি পুলিশ। তবে শিগ্রই এ হত্যা রহস্য উদঘাটিত হবে বলে পুলিশ জানায়।মাগুরা শহরের পুরাতন বাজার রুদ্র স্টোরের মালিক নিমাই রুদ্র’র ছেলে তীর্থ রুদ্র মাগুরা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তীর্থ রুদ্র নিজের ব্যবহৃত ডিসকোভার মটর সাইকেল নিয়ে শহরের আতর আলী সড়কের বাড়ি থেকে বের হয়। 
সে সময় বাড়ির সামনেই তার জন্যে চার বন্ধু অপেক্ষা করছিলো। তাদের সাথে সে রওনা দিলেও দীর্ঘ সময়েও বাড়ি না ফেরায় রাত দেড়টার দিকে থানায় বিষয়টি অবহিত করা হয়। 
এরই মধ্যে সকালে এলাকাবাসী এতিমখানার পেছনে রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়।

পরীক্ষার্থী তীর্থ রুদ্রকে নির্মমভাবে জবাই করে হত্যার ঘটনা ঘটলেও পরিবারের সদস্যরা মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট কিছু জানাতে পারেনি।

নিহত তীর্থ রুদ্র’র বাবা নিমাই রুদ্র বলেন, তাদের পরিবারের সাথে কারো কোনো বিরোধ নেই। 
ইতোপূর্বে মোবাইল নিয়ে শহরের দুটি ছেলের সাথে তীর্থ’র বিরোধ তৈরি হলেও সেটি মীমাংসা হয়ে যায়। তার মটর সাইকেলটি পাওয়া যায়নি। মটর সাইকেল কেড়ে নিতে তাকে হত্যা করা হয়েছে কিনা বুঝতে পারছি না বলে জানান তিনি।

মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মেহেদি রাসেল বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের পর তার মৃতদেহ সাতদোহা মহাস্মশানে দাহ করা হয়েছে।
কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সেটি এখনো জানা যায়নি। হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে বলে জানান পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তা।

আরও খবর



২০০ বছরের পুরোনো রোপনকৃত গাছ ভেংগে পরার ঝুঁকি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ২০২জন দেখেছেন

Image

 জহুরুল ইসলাম খোকন (নীলফামারী) প্রতিনিধি:রেলওয়ের শহর নীলফামারীর সৈয়দপুরে। প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো গাছগুলো উপড়ে বা ভেংগে পরার ঝুঁকিতে থাকায় আতংকিত শহরবাসী। পর্যাপ্ত বৃষ্টি বা  ঝড় হলে যে কোন সময় বাড়তে পারে প্রানহানীর ঘটনা।গাছগুলো কেটে ফেলার জন্য রেলবিভাগও  বনবিভাগকে স্হানীয়রা অনুরোধ জানালেও কাটা হচ্ছে না। এর ফলে লোকজন আতংক ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই গাছগুলোর নিচে বসবাস ও চলাচল করছেন।

সৈয়দপুর রেলবিভাগ জানায়, ১৮৭০ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের বিশাল কারখানা গড়ে উঠে সৈয়দপুরে। ওই সময় এ শহরে ৮০০ একর রেলওয়ের এ্যাকোয়ারকৃত জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় দুই হাজারেরও বেশি বিশাল বিশাল বৃক্ষ রোপন করা হয়। এছাড়া দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা সহ রেলওয়ে পুলিশ লাইন, রেলের প্রশাসনিক দপ্তর, রেলওয়ে হাসপাতাল, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের দুটি গির্জা, রেলওয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বসবাসের জন্য একাধিক বাংলো ও কোয়ার্টার নির্মাণ করা হয় এই জমিতে।

রেলবিভাগ আরো জানায় বৃটিশ আমলে সৈয়দপুর শহরের শোভা বৃদ্ধি ও শীতল ছায়া দিতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ওই সময় প্রায় দুই হাজার গাছ রোপণ করেন এ্যাকোয়ারকৃত জমিতে ।গাছ গুলোর মধ্যে রয়েছে রেইনট্রি, কড়াই, সিরিস, কৃষ্ণচূড়া, ইউক্যালিপটাস, শাল, অর্জুন, দেবদারু ইত্যাদি। ১৮৭০ সালে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা স্থাপনের সময় সৈয়দপুর শহরের রেলওয়ে অফিসার্স কলোনি, সাহেবপাড়া, মিস্ত্রিপাড়া, নতুন ও পুরাতন বাবুপাড়া, মুন্সিপাড়া, খালাসি মহল্লা, গার্ড পাড়া, হাওয়ালদার পাড়া, রোমান ক্যাথলিক ও প্রোটেস্ট্যান্ট গির্জা, পুলিশ লাইন, রেলওয়ে হাসপাতাল এমনকি রেলওয়ে কারখানায় রোপণ করা হয় ওই গাছগুলো।

১৮ জুন বেলা সারে ১১ টায় শহরের হাওয়ালদার পাড়া গিয়ে দেখা যায়, ১৭ জুন রাতে বৃষ্টি ও সামান্য বাতাসে বিশাল মাপের একটি সিরিস গাছের ডাল আলতো ভাবে ভেঙে টিনের চালে পড়ে আছে। শুকিয়ে যাওয়া ওই সিরিস গাছের বাকি ডাল গুলোও সামান্য বাতাসে ভেঙে ভেঙে পরছে। ঘুর্ণিঝড়ের মতো বাতাস বইলে ওই গাছের ডাল ভেঙে পরা সহ উপড়ে পরারও আশংকা রয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী। অতিসত্বর গাছটি কেটে না ফেললে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে অর্ধশতাধিক মানুষের প্রানহানী ঘটতে পারে বলে জানান আতংকিত এলাকাবাসী। 

সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেট বিভাগের ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম জানান, গাছগুলো বাংলাদেশ রেলওয়ের সম্পদ। ইচ্ছে করলেই এসব কেটে ফেলা সম্ভব নয়। আমরা ১৬টি ঝুঁকিপূর্ণ গাছ চিহ্নিত করেছি। সৈয়দপুর রেলওয়ের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। তিনি তদন্ত শেষে ওইসব গাছ কেটে ফেলার অনুমতি দিবেন বলে জানান। 

সৈয়দপুর সামাজিক বনায়ন ও নার্সারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাহিকুন ইসলাম মুশকরি জানান, সৈয়দপুর শহরের অনেক গাছই ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে রেলওয়ের অর্ধশতাধিক গাছ কেটে ফেলা দরকার।কারন এ গাছ গুলো অতি পুরাতন। যেকোনো সময় উপড়ে বা ভেংগে পরে প্রান হানি ঘটতে পারে। 

এ ব্যাপারে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) সাদেকুর রহমান জানান, শিগগিরই রেলের ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো কেটে ফেলার প্রক্রিয়া চলছে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি মিললে অল্প দিনের মধ্যেই ঝুকিপুর্ন সব ধরনের গাছ কাটা হবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর



মেহেরপুরে সামাজিক সুরক্ষায় ডাল ও চালের ভূমিকা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৯৭জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ,মেহেরপুর প্রতিনিধি:ভাত ও ডালের মাধ্যমে পুষ্টি নিশ্চিতকরনে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য মেহেরপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত। বায়োফোর্টিফাইভ ধান সংগ্রহ এবং সামাজিক সুরক্ষায় জলবায়ু বান্ধব মসুর ডাল ও চালের ভূমিকা বিষয়ক এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।  আজ বেলা বারোটার দিকে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ কর্মশালাতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক শামীম হাসান। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাজীব হাসান ও কৃষি প্রকৌশলী সুবল চন্দ্র মন্ডল। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এম এম ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে স্লাইডের মাধ্যমে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইম্প্রুভড নিউট্রেশন এর কনসালটেন্ট ড. এম মনির উদ্দিন।

এসময় বায়োফোর্টিফাইভ জিংসমৃদ্ধ ধানের উপকারিতা নিয়ে এবং ব্রি ধান ৭৪ সংগ্রহ নিয়ে আলোচনা করা হয়।  এছাড়াও আপনি ঘরে বসে আছেন কাদের সবাই বসে আছেন সামাজিক সুরক্ষায় জলবায়ু বান্ধব মসুর ডাল ও চালের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরিকল্পিতভাবে পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন করতে সকলকে একত্রিত ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা। কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত কৃষক, কৃষি মাঠকর্মী, স্বাস্থ্যকর্মীসহ খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করে।

কর্মশালাতে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর