Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

আমতলীতে রিমালের পানিতে সাড়ে ৩শ’ হেক্টর জমির আউশের বীজতলার সর্বনাস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৮০জন দেখেছেন

Image

আব্দুল্লাহ আল নোমান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:আমতলীতে রিমালের পানিতে দেড় সপ্তাহ ধরে আউশের বীজতলা তলিয়ে থাকায় তা পচে নষ্ট হওয়ায় কৃষকের  সর্বনাস হয়েছে। উপজেলার শত শত কৃষকের ঘামে শ্রমে তৈরী করা নীচু জমির সাড়ে ৩শ’ হেক্টর বীজতলা পচে নষ্ট হওয়ায় চলতি মৌসুমের  আউশ আবাদ নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন কৃষকরা। 

আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,  উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভায় এবছর ৭৫৫ হেক্টর জমিতে আউশের বীজতলা করা হয়েছে। আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৩শ’ ২৫ হেক্টর জমি। ফসলের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৯শ’ ৭৫ মেট্টিক টন । কিন্তু কৃষকের আউশ আবাদের বাধা হয়ে দারায় রিমাল। রিমালের সময় অতি বৃষ্টি এবং পায়রা নদীতে অধিক উচ্চতায় জলোচ্ছাস এবং বাঁধ ধসে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার  ফলে আউশের বীজতলা ৩-৪ ফুট পানিতে তলিয়ে যায়। সপ্তাহখানেক ধরে এভাবে বীজতলা ২ ফুট পানির নীচে  থাকায় উপজেলার অধিকাংশ কৃষকের বীজতলা পচে সম্পূর্ন নষ্ট হয়ে গেছে। সরকারী হিসেবে চাষ করা ৭৫৫ হেক্টর বীজতলার মধ্যে ১৭৯ হেক্টর নষ্ট হওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে অর্ধেক বীজতলা প্রায় সাড়ে ৩শ হেক্টর  নষ্ট হয়েছে বলে সরেজমিন চিত্রে দেখা গেছে। কৃষকরা জানান, আউশ রোপনের এখন ভরা মৌসুম। রিমালের আগে অনেকে তাদের আউশ রোপন শুরু করেছে। এই মুহুর্তে বীজতলা নষ্ট হওয়ায় আমাদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। এই মুহুর্তে নতুন করে বীজতলা তৈরী করে আর আউশ রোপন করতে পারবো না। এতে আমাদের সামনে অনেক দুর্দিন অপেক্ষা করছে।

সোমবার সকালে উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কুকুয়া, কালিপুরা, কৃষ্ণনগর, আঠারগাছিয়া ইউনিয়নের সোনাখালী, গাজীপুর, হলদিয়া ইউনিয়নের হলদিয়া, উত্তর তক্তাবুনিয়, দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া, গুরুদল, আমতলী সদর ইউনিয়নের ছোটনীলগঞ্জ, চলাভাঙ্গা, চাওড়া ইউনিয়নের বেতমোর বৈঠাকাটা, আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ঘোপখালী, পশুরবুনিয়া ও বালিয়াতলী গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে এখনো শত শত হেক্টর আউশের বীজতলা প্রায় ২ফুট পানির নীচে তলিয়ে রয়েছে। প্রায় দেড় সপ্তাহখানেক ধরে বীজতলা এভাবে  পানিতে তলিয়ে থাকায় তা পচে দুর্গন্দ ছড়াচ্ছে। 

কুকুয়া ইউনিয়নের কুকুয়া গ্রামের কৃষক মো. ইউনুছ মীরা বলেন, বইন্যার আগে আউশ লাগানের লইগ্যা  ৩৫ শতাংশ জমিতে  বীজ তলা করি। বইন্যায় সব তলাইয়া যায়। এহনো দেড় দুই আত পানি জইম্যা রইছে। পানি জইম্যা থাহায় মোর সব বীজতলা পইচ্যা নষ্ট অইয়া গ্যাছে। এহন টাহা আর বীজ পামু কই। আর কি দিয়া ধান লাগামু হেই চিন্তায় আছি। একই গ্রামের অনেছ খা বলেন, মোর ১০ কড়া জমির বীজ নষ্ট অইয়া গ্যাছে।

হলদিয়া ইউনিয়নের হলদিয়া গ্রামের ফজলু প্যাদা বলেন, মুই ৩০ শতাংশ জমিতে  ৭৫ স্যার ধান হালাইছি। বইন্যার পানি জইম্যা  হেইয়াসব পইচ্যা নষ্ট অইয়া গ্যাছে। তিনি আরো বলেন, এহন কুম্মে বীজ ধান পামু। হেইয়ার পর আবার বীজ কইর‌্যা চাষ করা মোগো লইগ্যা ব্যামালা কষ্টের।

চাওড়া ইউনিয়নের বৈঠাকাটা গ্রামের মাসুম গাজী, জসিম খান, আমতলী সদর ইউনিয়নের আলতাফ হাওলাদার, ঘোপখালী গ্রামের হোচেন বয়াতি বলেন, ব্যামালা টাহা খরচ কইর‌্যা আউশের বীজ চাষ হরছি। বইন্যায় সব নষ্ট অইয়া গ্যাছে। এহন মোরা আউশ ধান আর লাগাইতে পারমু না। ধান লাগাইতে না পারলে গুরাগারা লইয়া সামনের দিনে কি খামু হেই চিন্তায় আছি।

আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইছা বলেন, এবছর আমতলীতে রিমালের তান্ডবে বাধ ভেঙ্গে পায়রা নদীর জলোচ্ছাস  এবং অতিরিক্ত বৃষ্টি পানি বীজতলায়  জমে থাকায় ১৭৯ হেক্টর আউশের বীজতলা সম্পূর্ন নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, বিপুল পরিমান আউশের বীজতলা নষ্ট হওয়ায় এবছর আউশ ধান চাষের লক্ষমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। এতে ফলনেও বিপর্যয় হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, রিমালের তান্ডবে  আমতলী উপজেলার কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরুপন করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে  দুর্যোগ ব্যবস্থপনা অধিদপ্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের জাতীয় দুর্যোগ সাড়াদান সমন্বয় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বরাদ্দ পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্তদের পুন:বাসন করা হবে।


আরও খবর



গোদাগাড়ীতে রিইব-এর তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক ক্যাম্পেইন

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ৬২জন দেখেছেন

Image

মুক্তার হোসেন,গোদাগাড়ী(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃরাজশাহীর গোদাগাড়ীতে তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত। শনিবার (৮ জুন)রিসার্চ ইনিশিয়েটিভস বাংলাদেশ (রিইব)-এর উদ্যোগে উপজেলার কাকনহাট রিইব অফিসে হয়। রিইব-এর মাঠ সমন্বয়কারী বাবুল চন্দ্র সূত্রধরের সভাপতিত্বে

 বক্তব্য রাখেন আদিবাসী নেতা নীরেন খালেেকা, গণেশ মার্ডি, সুবোধ মাহাতো, সুধীর চন্দ্র ওরাওঁ, সুসেন শ্যামদুয়ার, সমাজকর্মী আনোয়ার হোসেন, সামিউল বাসির, চন্দনা রাণী, মিনতী রাণী প্রমুখ। কর্মসূচীতে গণগবেষণা দলের সদস্যদের মধ্য থেকে তথ্য অধিকার চর্চার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন ইতি টুডু (সাঁওতাল), প্রতিমা রাণী (মাহাতো) রিনা খাখা (ওরাওঁ) ও মণিবালা (মূলধারা)।

 কর্মসূচীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন লিপি টুডু ও সুধা টপ্প্য। ক্যাম্পেইনটি সঞ্চালনা করেন নৃপেন্দ্রনাথ মাঝি। 

বক্তারা বলেন,তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ চর্চা করে জীবনমানের উন্নয়নের জন্য সকলকে উৎসাহিত করতে হবে এবং জ্ঞান ও কর্মতৎপরতা হল সবচেয়ে বড় সম্পদ, এ সম্পদের মালিক হতে পারলে সরকার কেন, কারো দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে না। আর এজন্যে সবচেয়ে টেকসই হাতিয়ার হল শিক্ষা। উল্লেখ্য, গত ৭ জুন এলাকার বিভিন্ন কলেজের ১৮ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে অনুরূপ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন ।

প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটটি দিল্লি সময় বেলা ১১টা ৫১ মিনিটে অবতরণ করে জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী প্রেস উইং থেকে।

বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে ফ্লাইটটি।

নয়াদিল্লিতে অবস্থানকালে শেখ হাসিনা রোববার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠক করবেন।

পরে তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে যোগ দেবেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী রোববার নয়াদিল্লিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

সোমবার বিকেল ৫টায় (নয়াদিল্লি সময়) পালাম এয়ার ফোর্স স্টেশনে পৌঁছাবেন এবং একই দিন রাত ৮টায় (বাংলাদেশ সময়) তার ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আজ (শুক্রবার)। ১৭ মে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ৪৪তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে দীর্ঘ নির্বাসন জীবন শেষে শেখ হাসিনা বাংলার মাটিতে ফিরে আসেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে বিপথগামী একদল সেনা কর্মকর্তা নির্মম বুলেটের আঘাতে ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। এসময় বিদেশে থাকায় বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করে বাঙালি জাতির অস্তিত্বকে বিপন্ন করতে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু করে ঘাতকগোষ্ঠী।

বাঙালি জাতির জীবনে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে ঘোর অন্ধকার। ঠিক তেমনি এক ক্রান্তিলগ্নে ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। দেশমাতৃকার মুক্তির সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব অর্পণ করা হয় জাতির পিতার জ্যেষ্ঠ কন্যার হাতে। বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতে যেন নেতৃত্ব না যায়, সেজন্য নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে সামরিক শাসকগোষ্ঠী।

পরে ১৯৮১ সালের ১৭ মে বিকেল সাড়ে ৪টায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে শেখ হাসিনা ভারতের রাজধানী দিল্লী থেকে কোলকাতা হয়ে তৎকালীন ঢাকা কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। সেদিন রাজধানী ঢাকা মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঢাকা শহর মিছিল আর স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া আর প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টিও সেদিন লাখ লাখ মানুষের মিছিলকে গতিরোধ করতে পারেনি। কুর্মিটোলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও শেরেবাংলা নগর পরিণত হয় জনসমুদ্রে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে এক নজর দেখতে সেদিন সারাদেশের মানুষের গন্তব্য ছিল রাজধানী ঢাকা। স্বাধীনতার অমর স্লোগান, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয় বাংলার আকাশ-বাতাস। জনতার কণ্ঠে বজ্রনিনাদে ঘোষিত হয়েছিল ‘হাসিনা তোমায় কথা দিলাম পিতৃ হত্যার বদলা নেব’, ‘ঝড়-বৃষ্টি আঁধার রাতে আমরা আছি তোমার সাথে’, ‘শেখ হাসিনার আগমন, শুভেচ্ছায় স্বাগতম’ ইত্যাদি স্লোগান।

দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকার, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার, স্বৈরতন্ত্রের চির অবসান ঘটিয়ে জনগণের হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সার্বভৌম সংসদীয় পদ্ধতির শাসন ও সরকার প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন শেখ হাসিনা।

১৯৮১ সালের ১৭ মে ঝড়-বাদল আর জনতার আনন্দ অশ্রুতে অবগাহন করে শেরেবাংলা নগরে লাখ লাখ জনতার সংবর্ধনার জবাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তার আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই।

তিনি আরও বলেছিলেন, ‘আমার আর হারাবার কিছুই নেই। পিতা-মাতা, ভাই রাসেলসহ সকলকে হারিয়ে আমি আপনাদের কাছে এসেছি, আমি আপনাদের মাঝেই তাদেরকে ফিরে পেতে চাই। আপনাদের নিয়েই আমি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তা বাস্তবায়ন করে বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই। বাঙালি জাতির আর্থ-সামাজিক তথা সার্বিক মুক্তি ছিনিয়ে আনতে চাই।’

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আজ ১৭ মে সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের নেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময়, বিকেল সাড়ে ৩টায় তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় জাতীয় নেতা ও বরেণ্য বুদ্ধিজীবীরা বক্তব্য রাখবেন। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।

এছাড়া সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বিশেষ প্রার্থনাসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




মেহেরপুর সরকারী মহিলা কলেজে শিক্ষার্থীদের মনোসামাজিক সহায়তা কেন্দ্রের উদ্বোধন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৫৩জন দেখেছেন

Image

মেহেরপুর প্রতিনিধি:মেহেরপুর সরকারী মহিলা কলেজে শিক্ষার্থীদের মনোসামাজিক সহায়তা কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা তৈরী, মনোসামাজিক সমস্যা চিন্হিতকরণ ও সহায়তা প্রদান।  শিক্ষার্থীরা তাদের বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক বিষয়ে যে সমস্ত কথা অকপটে বাবা মা বা  অন্য কারো কাছে সহজে বলতে পারেনা সে সমস্ত বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষককে যাতে বলতে পারে এবং সে বিষয়ে সহায়তা পেতে পারে সে লক্ষ্য কে সামনে রেখে সরকারী মহিলা কলেজে এ সহায়তা কেন্দ্রে উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে কলেজে  এ সহায়তা কেন্দ্র উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষ কাজি আশরাফুল আলম। এ সময় সেখানে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য যে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে এবং ব্রাকের সার্বিক সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানের ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক  রেকসোনা  আক্তার মে  মাসের ০২,  তারিখ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত অনলাইন এবং অফলাইনে ট্রেনিং প্রাপ্ত হন।  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ উদ্যোগে প্রথম পর্যায়ে ১০০ জন শিক্ষক ট্রেনিং প্রাপ্ত হন পরবর্তীতে আরও ৪০০ জন শিক্ষক কে ট্রেনিং করানো হবে। মেহেরপুর জেলায় প্রথম একজন শিক্ষক এ বিষয়ে ট্রেনিং করেছেন। মেহেরপুর সরকারী মহিলা কলেজ যখন শিক্ষা, সংস্কৃতিসহ সকল দিক  দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে তখন এ ধরনের একটি নুতন বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশনায় ও পরামর্শে মেহেরপুর মহিলা কলেজে একটি সেল খোলা অবশ্যই প্রশংসার দাবীদার। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় মহিলা কলেজের একজন  শিক্ষককে  প্রশিক্ষণ  দেয়ায় মেয়েদের জন্য অবশ্যই  এটা বাড়তি প্রাপ্তি । শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা তৈরীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তরভুক্ত কলেজ গুলোতে একটি সাপোর্ট সিস্টেম তৈরী করা। কলেজের একজন শিক্ষককে ট্রেনিং 

এর  মাধ্যমে  তিনি মেয়েদের সাপোর্ট সিস্টেম সহায়তাকারী আপা হিসেবে কলেজে মেয়েদের বিভিন্ন মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য বিষয়ে যে কোন সমস্যা চিন্হিত করে তার যথাযথ প্রক্রিয়ায় তার সমাধান করা যদি সেটা সম্ভব না হয়ে তবে সঠিক পদ্ধতিতে রেফার করার ব্যবস্থা করা। এর আগে সহায়তাকারী আপা এবং প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের  মধ্যে এব  বিষয়ে প্রচারণা ও সচেতন করা হয়।   মেহেরপুর জেলার সর্ববৃহৎ নারী  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেহেরপুর সরকারী মহিলা কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান  থেকে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, বুয়েটসহ অসংখ্যা ছাত্রী দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছে। দীর্ঘদিন শিক্ষক সংকট থাকলেও কলেজ অধ্যক্ষ কাজী আশরাফুল আলমের ঐকান্তিক চেষ্টায় ও জনপ্রশাসন মন্রী ও মেহেরপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেনের সার্বিক সহযোগিতায়  গতমাসে  ১৩ জন্  শিক্ষক পদায়ন হওয়ায় কলেজটি এখন সকল দিক দিয়ে শিক্ষার্থীদের মনের মতো সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রুপান্তর হয়েছে। কলেজটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজি আশরাফুল আলম দায়িত্ব নিয়েই কলেজের বিভিন্ন সমস্যা চিন্তিত করে তা সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।  কলেজ অধ্যাক্ষ আশা করছেন সকলের সহযোগিতায় কলেজটি মেহেরপুর  জেলা তথা খুলনা বিভাগের মধ্যে সেরা    নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠবে। 

আরও খবর



হোমনা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কে কোন প্রতীক পেলেন

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image

শাজু, হোমনা (কুমিল্লা:আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় প্রতদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে লটারী ও সমঝোতার মাধ্যমে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।  

নির্বাচনের সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও হোমনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্ষেমালিকা চাকমা জানান,  একাধিক প্রার্থী একই প্রতীক চেয়েছেন।ফলে সেটি লটারি এবং সমঝোতার ভিত্তিতে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এতে চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান রেহানা বেগম ( আানারস), উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক একেএম সিদ্দিকুর রহমান আবুল মোটর সাইকেল), সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ উল্লাহ (ঘোড়া) প্রতীক পেয়েছেন । 

ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক মনিরুজ্জামান টিপু (টিয়া পাখি), সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মোকবল হোসেন পাঠান (তালা) এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে অ্যাড.  খন্দকার হালিমা (হাঁস), নাজমা হক (ফটবল) ও শিউলি আক্তার আলো (কলস) প্রতীক পেয়েছেন। 

আগামী ৫ জুন এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আরও খবর