Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

আমিরাতের আল আইন প্রবাসীদের সাথে মান্যবর রাষ্ট্রদূতের ইফতার মাহফিল

প্রকাশিত:Sunday ০১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১৪৬জন দেখেছেন
Image

মোঃ শাজাহান খান,(আরব আমিরাত)

বাংলাদেশ দূতাবাস আবুধাবি  কর্তৃক  শুক্রবার মাহে পবিত্র রমজান উপলক্ষে    প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্মানে গ্রীন সিটি আল আইনে ৫ নম্বর সানাইয়া   আল আইন বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোহাম্মদ শফিক সাহেবর বিল্ডিং এ  ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। 


উক্ত  অনুষ্ঠানের  সভাপতিত্ব করেন উক্ত অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক বঙ্গবন্ধু পরিষদ আল আইন কেন্দ্রীয় কমিটির    সভাপতি  মোহাম্মদ আলতাফ হোসেনের। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও মোনাজাত করেন আল আইন বঙ্গবন্ধু পরিষদের যুগ্ম  সম্পাদক জনাব ফজলুল করিম মাসুদ হাজারী। ইফতার উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব আল আইন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আইয়ুবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবুধাবির বাংলাদেশ দূতাবাসের মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব মোহাম্মদ আবু  জাফর সাহেব।

 

বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব মোহাম্মদ সালেহ আল কাসেমী,লেবার কাউন্সিলর আব্দুল আলীম মিয়া , লুৎফুন নাহার নাজিম (সচিব) মাজহারুল ইসলাম (তৃতীয় সচিব), বঙ্গবন্ধু পরিষদ আল আইন কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা  মোহাম্মদ শেখ ফরিদ আহমেদ সি,আই,পি।

 উত্তম কুমার হাওলাদার  সহ-সভাপতি জনাব জহিরুল ইসলাম,মোহাম্মদ রফিক 

, মোহাম্মদ আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, মোহাম্মদ মনির হক টুটুল, 


হাফেজ শফিকুল আলম মানিক,মোহাম্মদ করিম,

আল আইন আওয়ামীলীগ এর সম্মানিত সভাপতি জনাব কাসাউদ্দিন,বি,সি,সি,আল আইনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এ আর  মাকসুদ, ডাক্তার খান সি আই পি,  মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া সিআইপি, মোহাম্মদ আবু মনছুর,মোহাম্মদ সোলেয়মান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ শেখ আহম্মদ,আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইউসুফ,মোহাম্মদ মোরশেদ মোহাম্মদ ফরিদ তালুকদার, 

এতে সার্বিক তথ্যাবধানে  মোহাম্মদ ইয়াকুব,সেকান্দর সান,মোহাম্মদ ফজলুল করিম মাসুদ হাজারী, মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, আবুল খায়ের মিলন,

মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ টিপু, 

মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। 

মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম নয়ন।, মোহাম্মদ সাহাজান,মোহাম্মদ হারুন,

মোহাম্মদ ইসলাম,মোহাম্মদ আলম, মোহাম্মদ আকবর,মোহাম্মদ নিজাম, 

মোহাম্মদ জুয়েল, মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, মোহাম্মদ মহিউদ্দন 

মোহাম্মদ আলমগীর, মোহাম্মদ সেলিম, মোহাম্মদ মুসা, মোহাম্মদ ইব্রাহিম,  মোহাম্মদ ফরিদ ও মোহাম্মদ জাহেদ সহ অনেকে।



আরও খবর



স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৮জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সব থেকে পরিবেশবান্ধব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  


গ্যাস ফুরিয়ে গেলে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আমাদের বিদ্যুৎ দেবে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানান।


বুধবার (১৮ মে) আওয়ামী লীগ আয়োজিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।  


বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সভায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে তিনি ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন।


সরকারের উন্নয়ন ও অর্জন তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ বাংলাদেশ পৃথিবীতে উন্নয়নের রোল মডেল।


এর ভেতরে আমাদের কিছু নতুন আঁতেল আবার জুটেছে। একজন অর্থনীতিবিদ বলেই দিলেন আমরা যে, রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র করেছি এটা না কি অর্থনৈতিকভাবে ভীষণ ক্ষতিকর।


আমরা প্রশ্ন হচ্ছে, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র এটা হচ্ছে সব থেকে পরিবেশবান্ধব। গ্যাস তো চিরদিন থাকে না। এক একটা কূপের তার তো সময় নির্দিষ্ট থাকে। তেলভিত্তিক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ আমরা করি, অনেক খরচেরও ব্যাপার। যদি কোন দিন এমন হয় যে, আমাদের গ্যাস ফুরিয়ে যাচ্ছে তখন আমাদের এই নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টই বিদ্যুৎ দেবে। 


আর এটা পরিবেশবান্ধবও একটা বিদ্যুৎকেন্দ্র। এখানে বিনিয়োগটা বড় করে দেখা যায়। কিন্তু এর বিদ্যুৎ যখন উৎপাদন হবে আর এর বিদ্যুৎ যখন মানুষ ব্যবহার করবে আমাদের অর্থনীতিতে অনেক বেশি অবদান রাখবে। 


আজ আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছি বলেই সারা বাংলাদেশে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমরা যখন রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করলাম তখন কত সমালোচনা। আমরা যখন ডিজিটার বাংলাদেশ ঘোষণা দিলাম তখন কত সমালোচনা। এখন ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করেই আমাদের সমালোচনা করছে। তারা যে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন এটা কিন্তু আমরা দিচ্ছি। 


খালেদা জিয়ার আমলে, জিয়ার আমাল বা এরশাদের আমলে তাদের কি কথা বলার কোনো সুযোগ ছিল। অধিকার ছিল, কতটুকু অধিকার ভোগ করতেন তারা। টক শো তারা করেই যাচ্ছেন, টক টক কথা বলেই যাচ্ছেন। তাদের তো গলাটিপে ধরি না, মুখ চিপেও ধরি না। বলেই যাচ্ছেন, সব কথা বলার শেষে বলে কথা বলতে দেওয়া হয় না। 


বিএনপির এক নেতা তো সারা দিন মাইক মুখে লাগিয়ে আছেন। সারাক্ষণ বলেই যাচ্ছেন। একবার কথা বলতে বলতে গলায় অসুখও হলো। চিকিৎসা করে তিনি আবার কথা বলছেন। কথা তো কেউ বন্ধ করছে না। তাদের আন্দোলনে যদি জনগণ সাড়া না দেয় সে দোষটা কাদের?


প্রধানমন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে যে, অর্থনীতিবিদ তিনি হিসাব দেখালেন তাকে আমি বলবো, তিনি কী এটা প্রকৃতপক্ষে জেনেই বলছেন, না কি না জেনেই বলছেন। আমি তার জ্ঞান নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলবো না কারণ তারা অনেক ভালো লেখাপড়া জানেন। 


কিন্তু একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ পেয়ে একটি মানুষের বা একটা জাতি যে কতটুকু উন্নতি হতে পারে সে তো আজকের বাংলাদেশ। বাংলাদেশের উন্নয়নটা বাইরের লোকে দেখে কিন্তু তারা দেখে না চোখে।


পদ্মাসেতুর প্রসঙ্গ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আরেকটি হচ্ছে পদ্মাসেতু, এই পদ্মাসেতুর অর্থ বন্ধ করালো ড. ইউনুস। কেন, গ্রামীণ ব্যাংকের একটা এমডির পদে তাকে থাকতে হবে। তাকে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম গ্রামীণ ব্যাংকে উপদেষ্টা হতে। এমিরেটাস উপদ্ষ্টো হিসেবে থাকার জন্যে, আরও উচ্চ মানের। সেটায় সে থাকবে না, তার এমডিই থাকতে হবে। কিন্তু তার বয়সে কুলায় না। 


ড. ইউনুস কিন্তু আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন। কিন্তু কোর্ট আর যাই পারুক তার বয়স তো কমিয়ে দিতে পারবেন না ১০ বছর। গ্রামীণ ব্যাংকের আইনে আছে ৬০ বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। তখন তার বয়স ৭১ বছর। এই বয়সটা কমাবে কীভাবে, তিনি মামলায় যে হেরে যায়। কিন্তু প্রতিহিংসা নেয় ড. ইউনুস এবং যেটা আমরা শুনেছি মাফুজ আনাম তারা আমেরিকায় চলে যায়, স্টেট ডিপার্টেটমেন্টে, হেলারির কাছে ই-মেইল পাঠায়। হিলারি লাস্ট একেবারে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তার শেষ কর্মদিবসে পদ্মাসেতুর টাকা বন্ধ করে দেয়। 


যাক একদিকে সাপে বর হয়েছে। বাংলাদেশের নিজের অর্থায়নে পদ্মাসেতু করতে পারে সেটা আজকে আমরা প্রমাণ দিয়েছি। কিন্তু আমাদের এখানে একজন জ্ঞানী লোক বলে ফেললেন পদ্মাসেতু দিয়ে যে রেললাইন হচ্ছে ৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে, এ টাকা তো ঋণ নিয়ে করা হচ্ছে এই ঋণ শোধ হবে কী করে কারণ দক্ষিণবঙ্গের কোনো মানুষ তো রেলে চড়বে না। তারা তো লঞ্চে যাতায়াত করে। তারা রেলে চড়তে যাবে কেন, এই রেল ভায়াবল হবে না। সেতুর কাজ হয়ে গেছে এখন সেতু নিয়ে আর কথা বলে পারছে না। রেলে কাজ চলছে, রেলের কাজ নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছে। আমার মনে হয় আমাদের সবার উনাকে চিনে রাখা উচিত। রেলগাড়ি যখন চালু হবে উনাকে রেলে নিয়ে চড়ানো উচিত।


পদ্মাসেতু নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আর খালেদা জিয়া বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু করা হচ্ছে। কারণ স্প্যান‌গুলো যে বসাচ্ছে ওটা ছিল তার কাছে জোড়াতালি দেওয়া। বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু বানাচ্ছে ওখানে চড়া যাবে না, চড়লে ভেঙে পড়বে। তার সঙ্গে তার কিছু দোসসরাও। তাদেরকে কী করা উচিত, পদ্মাসেতুতে নিয়ে যেয়ে ওখান থেকে টুস করে ফেলে দেওয়া উচিত। আর যিনি একটা এমডি পদের জন্য পদ্মাসেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করে দেয় তাকেও পদ্মানদীতে নিয়ে দুটা চুবনি দিয়ে উঠিয়ে নেওয়া উচিত। মরে যাতে না যায়, একটু চুবনি দিয়ে সেতুতে তুলে দেওয়া উচিত, তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়। 



বড় অর্থনীতিবিদ জ্ঞানীগুণী তারা এই ধরনের অর্বাচীনের মতো কথা বলে কিভাবে, সেটাই আমার প্রশ্ন। মেগা প্রজেক্টগুলো করে না কী খুব ভুল করছি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাই উৎক্ষেপণ করেছি, এতো টাকা দিয়ে স্যাটেলাইট করে কি হবে এ প্রশ্নও কিন্তু তুলেছে তারা। অর্থাৎ বাংলাাদেশের জন্য ভালো কিছু করলেই তাদের গায়ে লাগে। কেন তারা কী এখনও সেই পাকিস্তানি জান্তাদের পদলেহনকারি খোসামোদি-তোসামোদি দল। 


গালিটালি দেই না, দেওয়ার রুচিও নাই তবু একটু না বলে পারি না পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী যেভাবে মেয়েদের ওপর নির্যাতন করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে, পেড়ামাটি নীতি নিয়ে বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল সেই পাকিস্তানিদের পদলেহনকারি সারমেয়র দল এখনও বাংলাদেশে জীবিত। এখনও এরা বাংণাদেশে ভালো কিছু হলে এরা ভালো দেখে না। বাংলাদেশ এগিয়ে গেলে তাদের ভালো লাগে না। 


তাদেরকে জিজ্ঞাসা করবো ভ্যাকসিনটা বিনা পয়সা দিয়েছি আমি, হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করেছি। সে ভ্যাকসিন তো এরা নিয়েছেন, এটা তো বাদ দেয়নি। আমরা বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দিয়েছি। বুস্টার ডোজও আমরা শুরু করেছি। তারা তো নিশ্চয় দুটো ডোজ নিয়েছে, বুস্টার ডোজও নিয়েছেন।


 বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন নিতে পারলো আর আমাদের উন্নয়নটা চোখে পড়ে না। এখন কি ভ্যাকসিন চোখেও দিতে হবে না কি সেটাই মনে হচ্ছে, তাহলে যদি দেখে, তাছাড়া দেখবে না। ম্যাগা প্রজেক্ট জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে।


 আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই বাংলাদেশের এই উন্নতি হচ্ছে। এর আগে, যারা ক্ষমতায় ছিল তারা কি একটা দৃষ্টান্ত দেখাতে পারবে যে তারা বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করে বা দেশের কোনো উন্নয়ন করেছে বা বিদেশে ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করেছে, করতে পারে নাই। বাংলাদেশকে ভিক্ষুকের জাতি বানিয়েছিলেন, আজকে আমরা মর্যাদাশীল জাতি। আমরা আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে আমাদের প্রায় ৯০ শতাংশ নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা অর্জন করেছি।


বিএনপি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেশি কথা বলে যাচ্ছে বিএনপি, এদের নেতৃত্ব কোথায়, নেতৃত্ব নাই। সব তো সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এই সাজাপ্রাপ্ত আসামি দিয়ে নির্বাচনে জেতা যায় না। আর নির্বাচনে পরাজয় হবে জেনে তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, কলুষিত করতে চায়। যারা একটু আমাদের জ্ঞানী-গুণী আঁতেলরাও উল্টোপাল্টা কথা বলেন তাদেরকেও বলবো দেশ চালাবার যদি ইচ্ছা থাকে তো মাঠে আসেন, ভোটে নামেন, কেউ ভোট কেড়ে নেবে না। আমরা বলতে পারি, আমরা ভোট কেড়ে নিতে যাই না। আমরা জনগণের ভোট পাই এবং আমরা পাবো কারণ আমরা জনগণের জন্য কাজ করেছি। সেজন্যই জনগণ আমাদের ভোট দেবে।


সবশেষে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেক দিন পর মন খুলে কথা বললাম। এ সময় তিনি বলেন, আসলে এই করোনা ভাইরাস বন্দি করে রেখে দিয়েছে আমাকে। ২০০৭ সালে ছিলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে বন্দি। এখন আমি নিজের হাতে নিজেই বন্দি।


আরও খবর



সিলেটে বন্যা কবলিত মানুষের খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট

সিলেটের বন্যা কবলিত এলাকা গুলোতে বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট

প্রকাশিত:Friday ২০ May ২০22 | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৮২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

 বন্যায় সিলেট নগরীর অর্ধেকাংশ নিমজ্জিত পানিবন্দি হয়ে আছেন লাখ লাখ মানুষ। এতে কোথাও খাদ্য সংকট, কোথাও সুপেয় পানি ও খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে।

বেশিরভাগ বন্যা কবলিত মানুষ মানবেতর দিন পার করছেন।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিভিশন-২’র অধীস্থ নগরের উপশহরের বিভিন্ন ব্লক, তেররতন, সুবহানীঘাট, যতরপুর, মেন্দিবাগ, চালিবন্দর, মাছিমপুর, ছড়ারপাড় এলাকা তলিয়ে আছে। উপশহরে অবস্থিত বিদ্যুতের সাব স্টেশনও গত ৫ দিন ধরে পানির নিচে তলিয়ে গেছে তাই অন্ধকারে নিমজ্জিত এখানকার লোকজন।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিভিশন-৩’র অধীনস্থ দক্ষিণ সুরমা এলাকাও বন্যা কবলিত।

পানিতে তলিয়ে থাকায় এলাকাগুলোয় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত। তাই স্থানীয় লোকজন সুপেয় পানির সঙ্কটে পড়েছেন।

নগরের মেন্দিবাগ এলাকায় অবস্থিত সিটি করপোরেশনের পানি বিশুদ্ধকরণ (ওয়াটার ট্রিটমেন্ট) প্লান্টও তলিয়ে গেছে। পাশাপাশি আরও চারটি পাম্পও তলিয়ে যাওয়ায় পানি সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফলে এসব এলাকার জনগণও সুপেয় পানি পাচ্ছেন না।

সিলেটের অন্তত ১০টি উপজেলার শতাধিক গ্রাম বন্ধ্যা কবলিত। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন এসব এলাকার প্রান্তিক পর্যায়ের লোকজন।

নিত্যদিনের উপার্জনের সংসার চালানো লোকগুলো বন্যায় আটকে পড়ায় তাদের আয়-রোজগারে প্রভাব পড়েছে। তাছাড়া আশ্রয় কেন্দ্রে রান্নার ব্যবস্থা নেই। শুকনো খাবারের পাশাপাশি তাদের রান্না করা খাবারও বেশি প্রয়োজন।

ভোগান্তিতে পড়েছে নগরের শাহজালাল উপশহর, শেখঘাট, কলাপাড়া, সোনাপাড়া, মেন্দিবাগ, মাছিমপুর, ছড়ার পার, চালিবন্দর কানিশাইল, মণিপুরি রাজবাড়ী, তালতলা, জামতলাসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ।

সরেজমিন দেখা গেছে, সিলেটে বন্যা কবলিত উপজেলাগুলোর প্রান্তিক পর্যায়ের লোকজনের কাছে সেসব সেবা পৌঁছাচ্ছে না। ফলে খাদ্যের পাশাপাশি সুপেয় পানির সংকটে রয়েছেন বন্যা কবলিত গ্রামীণ জনপদের লোকজন।


আরও খবর



পিছন থেকে ট্রাকটি এসে ধাক্কা দেয়

রাজধানীর জুরাইনে ট্রাক চাপায় শ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

রাজধানীর জুরাইন কমিশনার রোড এলাকায় ট্রাকের চাপায় রাসেল (৩২) নামে এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে।


শুক্রবার (২০ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


রাসেলের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায়। বাবার নাম আবুল হোসেন।


তিনি শ্যামপুরের আলী বহর এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন বলে জানা গেছে।


ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা রাত দেড়টার দিকে রাসেলকে মৃত ঘোষণা করেন।


কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইমরুল হাসান জানান, রাসেল ট্রাকের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। শুক্রবার রাতে কমিশনার রোড চেয়ারম্যান বাড়ি মোডে রাস্তার পাশে ট্রাক থেকে বালু ফেলার কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক।


এ সময় ট্রাকের পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। তখন চালক ট্রাকটি পেছনের দিকে নিতে গেলে রাস্তার পাশে বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ট্রাকের মধ্যে চাপা পড়েন রাসেল। পরে তাকে উদ্ধার করে সহকর্মীরাই হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে মারা যান তিনি।


এসআই মো. ইমরুল হাসান জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



আরও খবর



মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী আনার কলি বেপরোয়া

আশুগঞ্জে মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী আনার কলির বিরুদ্ধে থানায় জিডি

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১১০জন দেখেছেন
Image
আশুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দিন দিন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছেন মহিলা আওয়ামীলীগের নেত্রী আনার কলি। 

সম্প্রতি  তার দখল বাণিজ্যের তথ্য অনুসন্ধ্যান করতে গিয়ে ওই নেত্রীর হুমকি-ধামকিসহ তোপের মুখে পড়েছেন উপজেলা সহকারি (ভূমি) ও গনমাধ্যম কর্মীরা। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন ও গণমাধ্যম কর্মীরা ওই নেত্রীর বিরুদ্ধে আশুগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন।


মহিলা আওয়ামীলীগের নেত্রীর বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন এবং সাংবাদিকের জিডি করার বিষয়টি টক অব দ্যা আশুগঞ্জে পরিণত হয়েছে।
অনুসন্ধ্যানে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের অর্থ সম্পাদক  ও আশুগঞ্জের প্রভাবশালী নেত্রী আনার কলি স্থানীয় রওশন আরা জলিল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন রেলওয়ের ১১৮৮ বর্গফুট জায়গা লীজ নেন মৎস্য, কৃষি ও নার্সারী করার শর্তে ।


ওই জায়গা লীজ নিয়ে আনার কলি লীজের শর্ত ভঙ্গ করে সেখানে মার্কেট করার জন্য জলাশয় ভরাট করতে থাকেন। খবর পেয়ে  গত ৩০ এপ্রিল আশুগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধ মাটি ভরাটে বাঁধা দেন। এ সময় সেখানে থাকা আনার কলি ও তার সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জন সহকারি কমিশনার (ভূমি) কে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান করেন।
 এ ঘটনায় সহকারি কমিশনারে পক্ষে নাজির মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে গত ৩০ এপ্রিলই  আশুগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেন। জিডি নং-২৭৩৬।


এদিকে মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী আনার কলির জলাশয় ভরাট করে অবৈধভাবে সেখানে মার্কেট নির্মান করার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক লেখালেখি শুরু হলে সময় টেলিভিশনের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যুরো প্রধান উজ্জ্বল চক্রবর্তী তার ক্যামেরাপারসন মোঃ জুয়েলুর রহমানকে সাথে নিয়ে গত বুধবার দুপুর  সোয়া ১২ টার দিকে আশুগঞ্জে ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকলে খবর পেয়ে মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী আনার কলি ঘটনাস্থলে এসে চিৎকার করে বলতে থাকেন ‘আপনারা ভুয়া সাংবাদিক, আমার কাছ থেকে টাকা নিতে এসেছেন।’ 

এ সময় আনার কলি তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি এবং নারী নির্যাতনের মামলা করার হুমকি দেন। এ সময় আনার কলি মোবাইলে সাংবাদিক উজ্জল  ও তার ক্যামেরাপারসন জুয়েলুর রহমানের ভিডিও ধারণ করেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়ারও হুমকি দেন। এ সময় আনার কলি সাংবাদিক উজ্জ্বল চক্রবর্তী দেখে নেয়ার হুমকি দেন।
এ ঘটনায় সাংবাদিক উজ্জ্বল চক্রবর্তী বুধবার দুপুরে আশুগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডি নং-১০৪৬।


স্থানীয়রা জানান, আনার কলি রেলওয়ে থেকে এগারশ আটাশি বর্গফুট জায়গা লীজ নিয়ে জলাশয় ভরাট করে কয়েকগুণ বেশি জায়গা জুড়ে মার্কেটের কাঠামো নির্মাণ করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা, নূর উল্লাহ সরকার সাংবাদিকদের বলেন, ওই নেত্রী লীজ নেয়া জায়গায় অবৈধভাবে দোকান নির্মান করেছেন। অথচ এলাকায় কোন সিএনজিচালিত অটোরিকসা স্ট্যান্ড করার মতো কোন জায়গা নেই। প্রতিদিন এখানে যানজট লেগে থাকে। ওই নেত্রীকে কেউ কিছু বলতে পারে না। যে তার বিরুদ্ধে কথা বলেন, তাকে চাঁদাবাজি ও নারী নির্যাতন মামলা দেয়ার ভয় দেখায়। 

মোঃ সালমান নামে আরেক বাসিন্দা মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী আনারকলি  রেলওয়ের কাছ থেকে এই জায়গা মাছ চাষ করার কথা বলে লীজ নিয়েছেন বলে শুনেছি। মাছ চাষ করার কথা বলে ওই জায়গা লীজ এনে তিনি জলাশয় ভরাট করে দোকানপাট  নির্মান করেছেন। তার ভয়ে কেউ তাকে কিছু বলতে সাহস পায়না।

মার্কেটে দোকান ভাড়া নেয়া মোঃ আল-আমিন বলেন, আমি আনার কলির কাছ থেকে মাসিক ৪ হাজার টাকা ভাড়ায় একটি দোকান ভাড়া নিয়েছি। সিকিউরিটি বাবদ দিয়েছি ৬০ হাজার টাকা।
এ ব্যাপারে সাংবাদিক উজ্জ্বল চক্রবর্তীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী আনার কলি আমাদের সাথে আপত্তিজনক আচরণসহ চাঁদাবাজি নারী নির্যাতন করার হুমকি দেন এবং মোবাইলে আমাদের ভিডিও ধারণ করেন অসৎ উদ্দেশ্যে ।

এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরবিন্দু বিশ্বাসের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লীজের শর্ত ভঙ্গ করে আনার কলি অবৈধভাবে জলাশয় ভরাট করছে খবর পেয়ে এসিল্যান্ড বাঁধা প্রদান করলে আনার কলি তার সাথে অশোভন ও আপত্তিকর আচরণ করেন। আমরা বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। এ ঘটনায় এসিল্যান্ড আশুগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। আমরা বিষয়টি রেলের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাবো। 

এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হানিফ মুন্সী সাংবাদিকদেরকে বলেন, উপজেলা পরিষদের আসার পথে আমি এই জায়গাটি দেখেছি। বালু দিয়ে ভরাটের সময় সময় আমি স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারি জায়গাটি আনারকলি ভরাট করছেন। পরে আনার কলির সাথে কথা বললে তিনি জানান, এই জায়গা তিনি রেলওয়ের কাছ থেকে লীজ এনেছেন। তবে এখানকার অটোরিক্সা চালকদের দাবি ছিল এখানে একটি সিএনজি স্ট্যান্ড করার জন্য । 

কিন্তু রেলওয়ের জায়গা হওয়ার কারণে আমরা সেখানে হস্তক্ষেপ করতে পারিনি। জলাশয় ভরাটের বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি এবং এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এ ব্যাপারে রেলওয়ের ভূ-সম্পদ কর্মকর্তা শহীদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, লীজের শর্ত ভঙ্গ করলে এবং অবৈধভাবে জলাশয় ভরাট করলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও খবর



সুন্দরবন পৌঁছেছেন ডেনমার্কের রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ ডোনাল্ডসন

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ April ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১০৯জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

বুধবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টা ১২ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ধানখালীতে নির্মিত হ্যালিপ্যাডে অবতরণ করে সেখান থেকে রাজকুমারীগাড়িতে করে সুশীলনের টাইগার পয়েন্ট হয়ে মুন্সিগঞ্জ থেকে তিন কিলোমিটার দূরে কুলতী গ্রামে যান।


একই সঙ্গে তিনি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর বসবাসের এলাকা, সাইক্লোন সেন্টার ও বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করবেন।


এসময় ডেনমার্কের রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ ডোনাল্ডসন বাঁধের পাশে বসবাসকারী প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের সঙ্গে কথা বলবেন।


দুপুরে রাজকুমারী স্থানীয় বরসা রিসোর্টে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন।এছাড়ারাজকুমারী সুন্দরবন ভ্রমণ ও বনবিভাগের লোকজনের সঙ্গেও কথা বলবেন।  


আরও খবর