Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

আমার রুপসী বাংলা

প্রকাশিত:Thursday ১৭ March ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৮৮জন দেখেছেন
Image

সোহরাওয়ার্দীঃ

পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য বাংলার বর্ষাকালের অসাধারণ রূপ।আমার রুপসী বাংলা,এখানে আকাশ অনেক বড়। মেঘগুলো খুব কাছ দিয়ে হেলেদুলে উড়ে যায় দক্ষিণ থেকে উত্তরে।আলতারাঙা ভোর নিয়ে দিন শুরু হয় শ্যামল বাংলার প্রন্তরে।বর্ষায় নানান রঙের বাহরি নৌকাগুলো বাতাসের স্রোতে গা ভাসিয়ে দিয়ে হেলে দুলে এগিয়ে চলে—স্রোত যেদিকে নিচ্ছে, সেদিকে যায়।বর্ষায় বাংলার প্রকৃতির যৌবন যেন উছলে পড়ে।



মাঝে মাঝে একপশলা বৃষ্টি হয়ে গেলে, সঙ্গে সঙ্গেই পূর্ব দিক রাঙিয়ে জন্ম নেয় এক টুকরো রঙের মিছিল, মিনিটে মিনিটে সে মিছিলে যোগ দেয় আরও রং—বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল...ছৈ ওয়ালা নৌকার ছাদে বসে প্রকৃতি দেখার মজাই আলাদা।বর্ষাকালের নাটাই ছেঁড়া মেঘের ভেলা মন ছুয়ে যায় অন্যরকম ভাল লাগায়।মন-মোহনীয় হয়ে ওঠে অপরুপ সৌন্দর্যে।মেঘে মেঘে রংধনু বিস্তীর্ন সবুজের মাঝে দিগন্ত জুড়ে রঙের আল্পনা।বাংলাদেশের সৌন্দর্য বর্ননা করতে গেলে ভাষা হারিয়ে ফেলি মাঝে মধ্যে।



রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘পার হয়ে যায় গরু’র মতো কবিতা পড়তে মন চঞ্চল হয়ে ওঠে।মন কেড়ে নেয় বিল হাওড়ের অবারিত জলরাশি! নদী,খাল,বিল, নদীর পাশের কাশফুল, পালতোলা নৌকা, মেঘ, রংধনু, খালভর্তি হাঁস, নদী ভরা গরু—এদের সান্নিধ্য পেতে হলে রুপসী বাংলার গ্রাম-গঞ্জে চলে যেতে হবে।


বাতাসে ঢেউয়ের সঙ্গে দুলতে দুলতে মন খারাপ হারিয়ে যাবে সুদূরে। শেষ বিকেলের আলোতে স্নিগ্ধতার পরশে পুলকিত হয়ে উঠবে দেহ মন।


   



আরও খবর



ইতালিতে প্রথম চিকিৎসকের সহায়তায় আত্মহত্যা

প্রকাশিত:Friday ১৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
Image

ইতালিতে প্রথমবারের মতো ৪৪ বছর বয়সি ফ্রেডরিকো কার্বনি চিকিৎসকদের সহায়তায় স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ করেছেন। গলা থেকে নিচ পর্যন্ত পক্ষাঘাতে অসাড় হয়ে গিয়েছিল তার শরীর। বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) ওই অসুস্থ মানুষটি আত্মহত্যা করেন।

ইতালির আইন অনুযায়ী, কারও মৃত্যুতে সাহায্য করা অপরাধ। কিন্তু ২০১৯ সালে সাংবিধানিক আদালত জানিয়ে দেন, সামান্য কিছু ব্যতিক্রম হতে পারে। তবে তার জন্য কঠিন শর্ত পালন করা জরুরি।

জানা গেছে, বিশেষ মেশিনের সহায়তায় তার শরীরে মৃত্যুর জন্য ওষুধ দেওয়া হয়। তার অন্তিম শয্যায় তার বন্ধু ও স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

ফ্রেডরিকো কার্বনির মৃত্যুর ঘোষণা করে লুকা কসিওনি অ্যাসোসিয়েশন। এই সংস্থাটি ইউথেনেশিয়া বা স্বেচ্ছামৃত্যুর সমর্থনে প্রচার চালায়। কার্বনির বিষয়টি নিয়েও তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রচার চালাচ্ছিল।

ফ্রেডরিকো কার্বনি ছিলেন অবিবাহিত ট্র্যাক চালক। প্রায় দশ বছর আগে দুর্ঘটনার পর তিনি পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন।

লুকা কসিওনি অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, মৃত্যুর আগে কার্বনি বলেছেন, ‘এভাবে জীবন থেকে বিদায় নিতে আমার আক্ষেপ হচ্ছে। কিন্তু বাঁচার জন্য আমি সবরকম চেষ্টা করেছি। আর সম্ভব নয়। শারীরিক ও মানসিকভাবে জীবনের শেষ সীমায় এসে পৌঁছেছি। আমি সমুদ্রে নৌকার মতো ভাসছি।’

কার্বনির জন্য ২৪ ঘণ্টা সাহায্যকারী থাকতেন। স্বাধীনভাবে তিনি কিছুই করতে পারতেন না। বিদায় নেয়ার আগে তিনি বলেন, ‘এখন আমি যেখানে খুশি উড়ে যেতে পারবো।’

২০১৯ সালে ইতালির সুপ্রিম কোর্ট কিছু ক্ষেত্রে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু রোমান ক্যাথলিক চার্চ ও রক্ষণশীল দলগুলো এর বিরোধিতা করে।

আদালত তাদের নির্দেশে বেশ কিছু মাপদণ্ড ঠিক করে দেন। সেই মাপদণ্ড মেনেই একমাত্র চিকিৎসকদের সহায়তায় জীবন দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়।

অন্যতম মাপদণ্ড হলো, রোগী আর কখনো ভালো হবেন না, তিনি জীবনধারণের জন্য সবসময় অন্যের উপর নির্ভরশীল থাকবেন এবং শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে তিনি অসহনীয় যন্ত্রণা ভোগ করছেন। আর তার এই চেতনা থাকবে যে, তিনি নিজের মৃত্যুবরণের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারবেন।

কার্বনি গত নভেম্বরে এথিক্স কমিটির কাছ থেকে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি পান। তারপর তিনি জীবন শেষ করে দেয়ার জন্য পাঁচ হাজার ইউরোও জোগাড় করেন। ড্রাগ ও মেশিনের জন্য ওই পরিমাণ অর্থ জরুরি ছিল তার।

সূত্র: ডয়েচে ভেলে, নিউইয়র্ক টাইমস


আরও খবর



গো-খাদ্যের চড়া বাজারের মধ্যে সিরাজগঞ্জে কমেছে ভুসির দাম

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

সিরাজগঞ্জে সব ধরনের গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় বেশ বিপাকে পড়েছিলেন খামারিরা। তবে আশার খবর হলো অন্য পশুখাদ্যের দাম এখনো বাড়তি থাকলেও জেলায় কমেছে ভুসির দাম। এতে কিছুটা স্বস্তিবোধ করছেন খামারিরা।

তবে খামারিদের দাবি, যদি ভুসির মতো অন্য সব গো-খাদ্যের দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে না আনা যায় তাহলে এই অঞ্চলের গবাদি পশুর খামারে ধস দেখা দেবে।

মঙ্গলবার (৭ জুন) সরেজমিনে সিরাজগঞ্জের কয়েকটি বাজারের পশুখাদ্যের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, ভুসির দাম বস্তাপ্রতি ৪০০ টাকা কমেছে। আগে এক বস্তা ভুসির দাম ছিল ১ হাজার ৯৫০ টাকা। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকায়।

তবে গম মাসখানেক আগে ৩২ টাকা কেজি বিক্রি করলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৪২-৪৫ টাকায়। খৈল আগে ৪০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ৪৫ টাকা। প্যাকেটজাত দানাদার খাদ্য ছিল ১৮ টাকা কেজি, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩৫ টাকা।

জেলার শাহজাদপুর উপজেলার উল্টাডাব গ্রামের কৃষক আফাজ উদ্দিন বলেন, আমার খামারে বর্তমানে ১০টি গরু আছে। এখান থেকে যা দুধ পাই তা স্থানীয় ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করি। কিন্তু খাদ্যের দাম বাড়াতে গরুকে ঠিকমতো খাবার দিতে পারছি না। তাই দুধ আগের চেয়ে কম হচ্ছে।

পোঁতাজিয়া গ্রামের খামারি আবুল কালাম বলেন, গম, ভুট্টা, খৈল, ময়দাসহ সব খাদ্যের দাম বেড়েছে। তবে দুই-তিনদিন হলো ভুসির দাম কমেছে। এতে আমরা যারা খামারি আছি তাদের একটু হলেও খাদ্য নিয়ে চিন্তা কমেছে। তবে ভুসির সঙ্গে আরও যেসব খাদ্যসামগ্রী রয়েছে সেগুলোর দাম কমলে খামারিদের খরচ কমবে।

বেলকুচি উপজেলার তামাই গ্রামের ফিরোজ হোসেন বলেন, প্রতিবছর কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে কিছু গরু মোটাতাজা করে বিক্রি করে থাকি। এবছরও বেশ কয়েকটা গরু মোটাতাজা করছি। তবে খাবারের যে দাম তাতে খরচ বেড়ে গেছে। যা খরচ হয়েছে গরু বিক্রি করে তা তুলতে পারবো কী না তা নিয়ে চিন্তায় আছি।

jagonews24

সিরাজগঞ্জ সদরের হাজী গো-খাদ্য ভাণ্ডারের ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন হলো ভুসির দাম কমেছে। আগে প্রতি বস্তা ১ হাজার ৯৫০ টাকা বিক্রি করলেও এখন তা ১ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি করছি। তবে অন্য সব খাদ্যের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত আছে।

বেলকুচি উপজেলার মুকুন্দগাঁতি বাজারে গো-খাদ্যের পাইকারি বিক্রেতা আব্দুল হালিম বলে, ভুসি বাদে সব খাবারের দাম বেড়েছে। আমি সপ্তাহখানেক আগে প্রতি বস্তা ভুসি বিক্রি করেছি ১ হাজার ৯৫০ টাকায়। এখন তা বিক্রি করছি ১ হাজার ৫৫০ টাকায়।

একই বাজারের ভুসি ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, বর্তমানে গো-খাদ্যের মধ্যে খৈল, গম, দানাদার খাবারের দাম চড়া রয়েছে। তবে দাম কমেছে ভুসির। বর্তমানে প্রতি বস্তা ভুসি আমরা ১ হাজার ৫৫০ টাকায় বিক্রি করছি। সামনে ভুসির দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গৌরাঙ্গ কুমার তালুকদার বলেন, গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় এ অঞ্চলের খামারিদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তবে আমরা জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে খামারিদের সবসময় কাঁচা ঘাস খাওয়াতে পরামর্শ দিয়ে আসছি।


আরও খবর



সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন চান ফখরুল

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
Image

সীতাকুণ্ডে বিএম ডিপোর বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে ‘নিরপেক্ষ কমিশন’ চান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই ঘটনার পর জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার (৬ জুন) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমি মনে করি, এই ঘটনার জন্য অবিলম্বে একটা নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন করা উচিত। এর জন্য যারা দায়ী, তাদের খুঁজে বের করা দরকার।

ঘটনার ভয়াবহ বর্ণনা করে তিনি বলেন, কী ভয়াবহ? মানুষের বডি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বডি একেবারে অগ্নিদগ্ধ হয়ে গেছে, চেনা যাচ্ছে না। হঠাৎ করে যে বিস্ফোরণ হবে- এটাও তারা বুঝতে পারেনি। যার ফলে এই ঘটনাগুলো ঘটেছে।

এ সময় এই ঘটনায় নিহতদের পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং আহতদের সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে দেশের সকল কন্টেইনার ডিপোতে তদারিক ব্যবস্থা চালু করার দাবিও জানান তিনি।

কেমন তদন্ত কমিশন চান জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি কিন্তু এখন পর্যন্ত অতীতের কোনো ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন দেখিনি। আমরা যখন নিরপেক্ষ কথাটা বলি, এটা মিন করি (বুঝাই) যে, দল নিরপেক্ষ ও সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক নেই, যারা বিশেষজ্ঞ আছেন ও সত্যিকার অর্থে বিষয়গুলো যারা বুঝেন, তাদের দিয়ে তদন্ত করা। অর্থাৎ নিরপেক্ষদের দিয়ে তদন্ত করতে হবে। আমরা চাই সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্ত।

ঘটনার প্রসঙ্গে টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল আর্মির একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারের কথা টেলিভিশনে শুনছিলাম। তিনি বলছিলেন যে, তাদের কাছে প্রয়োজনীয় উপকরণ নেই। আজকে আমি এই জায়গায় প্রশ্ন করতে চাই- এই সরকার তাহলে কী করেছে? এই ধরনের অগ্নিকাণ্ডগুলো নিয়ন্ত্রণ করার মতো আমাদের প্রয়োজনীয় লোকবল ও উপকরণ নেই কেন?

‘তথাকথিত অবকাঠামো নির্মাণের নামে নিজেদের পকেট ভারি ও দুর্নীতি করা- এটাই তাদের (সরকার) মূল লক্ষ্য। জনগণের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও মানুষকে ভালো রাখার জন্য এই সরকারের কোনো দায়বদ্ধতা নেই। এই সরকার যেহেতু নির্বাচিত সরকার না, সেই কারণে তাদের জবাবদিহিতা নেই।’

‘এই যে ভয়াবহ ও মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটলো সম্পূর্ণভাবে তাদের ব্যর্থতার জন্য। আমি পত্রিকায় দেখলাম যে, প্রধানমন্ত্রী একটু সাহস দেওয়ার চেষ্টা করেছেন যে, পদ্মা ব্রিজে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। তাতে তো এই সমস্যার (সীতাকুণ্ড বিস্ফোরণ) সমাধান হয় না।’

‘এই ঘটনার পর জাতীয় শোক ঘোষণা করা উচিত ছিলো। অন্যান্য যেকোনো সভ্য দেশ হলে তাই করতো। আমেরিকাতে যে বাচ্চাগুলো মেরে ফেললো, তখনই আমেরিকা জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে।’

সীতাকুণ্ডের বিস্ফোরণে দেশের পোশাকশিল্প বা অর্থনীতিতে কোনো প্রভাব পড়বে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবশ্যই নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। অলরেডি এই নিয়ে কথা-বার্তা শুরু হয়েছে।

শনিবার রাত ৯টার দিকে সীতাকুন্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে বেসরকারি ওই কন্টেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৯ জনের মৃত্যু এবং দুই শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার খবর জানিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।


আরও খবর



এবার জিদানকে পিএসজিতে চান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের সঙ্গে কাইলিয়ান এমবাপের তিন বছরের নতুন চুক্তিতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এবার তিনি চাইছেন দেশটির কিংবদন্তি ফুটবলার জিনেদিন জিদানও যেনো পিএসজিতে যোগ দেন।

গত মৌসুমের শেষ দিক থেকেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, হেড কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনোকে বিদায় করে দেবে পিএসজি। তবে নতুন কোচ কে হবে তা এখনও নিশ্চিত হয়নি। মাঝে শোনা গিয়েছে জোসে মরিনহোর নাম। এবার জিদানের কথা বললেন ম্যাক্রোঁ।

এমবাপের সঙ্গে কথা বলে তাকে পিএসজিতে রাখার ব্যাপারে রাজি করাতে পারলেও, এখনও জিদানের সঙ্গে পিএসজির কোচ হওয়ার বিষয়ে কোনো কথা হয়নি ম্যাক্রোঁর। তবে জিদানের গুণমুগ্ধ ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট চান, এ কিংবদন্তি ফুটবলারই যেনো পিএসজির দায়িত্ব নেন।

আরএমসি স্পোর্টে ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ‘এমবাপের সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল ঠিক। তবে সে নিজের সিদ্ধান্ত স্বতন্ত্রভাবেই নিয়েছে। সে এটি করে দেখিয়েছে। সে খুবই পরিপক্ব এবং নিজের ক্যারিয়ারের দিকে মনোযোগী। দায়িত্ববোধের সঙ্গে নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছে এমবাপে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘জিনেদিন জিদানের সঙ্গে আমার এখনও কথা হয়নি। তবে আমি তার বড় ভক্ত। খেলোয়াড় এবং কোচ- দুটোরই গুণমুগ্ধ। ফ্রান্সে আমরা তার উপস্থিতি চাই। জিদানের মতো প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ ও কোচের আমাদের খুব প্রয়োজন।’

সরাসরি পিএসজির নাম উল্লেখ না করে ম্যাক্রো বলেন, ‘আমি আশা করি ফ্রান্সের জন্য সে ফিরে আসবে এবং এখানের বড় ক্লাবকে প্রশিক্ষণ করাবে। এটি দারুণ হবে। আমার দায়িত্ব এটি জানানো যে, খেলাধুলা ও ফুটবলের জন্য ফ্রান্স দারুণ দেশ। আমরা এই খেলাকে ভালোবাসি। তাই আমাদের জন্য সেরাদের এখানে থাকা জরুরি।’

কোচিং ক্যারিয়ারে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে দারুণ সব সাফল্য পেয়েছেন জিদান। ২০১৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত এবং পরে ২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত রিয়ালের কোচ ছিলেন তিনি। তার অধীনে তিনটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, দুইটি লা লিগা ও দুইটি ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ জিতেছে রিয়াল।


আরও খবর



‘কোর্টে প্রতারণার আশ্রয় নিতে গেলেও তিনবার চিন্তা করবে’

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

আদালতের সঙ্গে প্রতারণা করায় এক কোম্পানির কাছ থেকে এক কোটি টাকা জরিমানা আদায়ের বিষয়টি নজিরবিহীন উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেছেন, কেউ প্রতারণার আশ্রয় নিতে গেলেও তিনবার চিন্তা করবে।

মঙ্গলবার (৭ জুন) ‘এফএমসি ও-২ লিমিটেড’ কোম্পানির কাছ থেকে জরিমানা আদায়ের পর রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা এ কথা বলেন।

এদিন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে কোম্পানিটির প্রতিনিধিরা এই টাকা জমা দেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘এফএমসি ও-টু লিমিটেড’ ২০১৭ সালে হাইকোর্টে একটি মামলা করে। তখন ছিল ডিসেম্বর মাস। তখন নিম্ন আদালতে ছুটি ছিল। এ কারণে হাইকোর্টে মামলা করে তারা জানালো তাদের প্রতিষ্ঠানের নাম সিআইবি তালিকায় আসছে। এ কারণে এটি চ্যালেঞ্জ করে নিম্ন আদালতে মামলা দায়ের করবে জানিয়ে আদালত বন্ধ থাকাকালীন নিষেধাজ্ঞা চায়।

তিনি বলেন, তখন আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করে তাদের মামলা করতে বলেন। এরপর ২০১৭ থেকে ২০২১ পর্যন্ত তারা কোনো মামলা করেনি, বরং নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়ে এভাবেই চালিয়ে আসছিল। এরপর যখন তারা আবারও মেয়াদ বাড়াতে আবেদন করলো তখন বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এটা দেখে বলেন, আপনারা তো মামলাই করেননি। আপনারা এতদিন কী করেছেন?

এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, এ প্রশ্নের কোনো জবাব দিতে না পারায় তাদের আবেদন খারিজ করে এক কোটি টাকা জরিমানা করেন আদালত। এরপর হাইকোর্টের জরিমানার আদেশের বিরুদ্ধে তারা স্থগিত চেয়ে আপিলে আবেদন করেন। কিন্তু সেখানেও তারা সেটি শুনানি না করে ফেরত নিতে চাইলেন। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে আমাদের তথ্য জানানো হয়। তখন আমরা আদালতকে বললাম, আপনারা যদি এটা ডিসমিস করে দেন তাহলে তারা আর জরিমানার টাকাটা দেবে না। পরে আদালত প্রতিষ্ঠানটিকে টাকা জমা দিয়ে তারপর মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করতে বলেন। পরে আজকে তারা টাকা জমা দিলে আদালত তাদের আবেনটি নিষ্পত্তি করে দেন।

এ আদেশ দেশে যুগান্তকারী উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, দেশে প্রথমবারের মতো কোর্টের সঙ্গে প্রতারণা করে আদেশ নেওয়ায় তাদের এক কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ আদেশ বিচারব্যবস্থায় নতুন একটি মাইলফলক। এভাবে কেউ প্রতারণার আশ্রয় নিতে গেলে কম করে হলেও তিনবার চিন্তা করবে।


আরও খবর