Logo
আজঃ শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

আমার অধীনে বিচার বিভাগ না: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ২৬৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিচার বিভাগ মোটেও আমার অধীনে না, বলেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ম্যাজিস্ট্রেটরাও না। বিচার বিভাগ স্বাধীন এবং অধস্তন আদালতগুলো সংবিধান অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের আওতায়। সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতায় তারা বলবে, আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলবে না। আমি বহুবার বলেছি, আইন মন্ত্রণালয় হচ্ছে, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের একটি সেতুবন্ধন।

বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

নির্বাচনকে প্রভাবিত করে এমন কোনো কাজ সরকার করবে না বলে জানিয়েছে আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার রুটিন কাজ করবে। পলিসি-সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না, আইন হবে না, কারণ সংসদ বসবে না।

মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কিংবা পুলিশের বিষয়ে যদি নির্বাচন কমিশনের কিছু বলার থাকে, তারা সে নির্দেশনা দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে।

আইনমন্ত্রী বলেন, গতকাল যেহেতু তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে, এরপরে নির্বাচনের কাজকর্ম নির্বাচন কমিশন দায়িত্বশীলভাবে করবে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের কাজে যেসব সরকারি বিভাগ, সংস্থা বা অফিস তাদের প্রয়োজন হবে এবং নির্বাচন প্রভাবিত হবে না, সেসব নির্বাচন কমিশন করবে। যে সরকার আছে, সেই সরকার গতানুগতিক রুটিন কাজগুলো করে যাবে। আর গণতন্ত্রে মূল বক্তব্য যখন নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার এখন থেকে রুটিন কাজ করে যাবে।

আনিসুল হক বলেন, আইনতো হবেই না, কারণ সংসদ বসবে না। কিন্তু এমন কথা আমি বলতে পারি না, এটা একটা স্বাধীন দেশ, যদি প্রয়োজন হয় যে অধ্যাদেশ দিয়ে আইন জারি করতে হবে, কোনো বিশেষ কারণে বিশেষ ব্যবস্থায় অত্যন্ত জরুরি কারণে, সেখানে আইন হবে না এ কথা আমি বলতে পারি না।

তিনি বলেন, গতানুগতিক অফিস চলার ব্যাপারে, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বেতন পাওয়ার ব্যাপারে, প্রতিদিনকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে, এসব বিষয়ে অবশ্যই এ সরকার কাজ করবে। উন্নয়ন কাজ যেগুলো আছে, সেগুলো চলমান থাকবে।

তবে নতুন করে কোনো উন্নয়ন কাজ শুরু হবে না, নতুন করে কোনো প্রকল্প নেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, একটি দলের পক্ষে যা কিছু নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে, এ রকম কাজ আমরা করব না।

পুলিশকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাকি নির্বাচন কমিশন চালাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ব্যাপারটি হচ্ছে যদি পুলিশের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য থাকে, তাহলে তারা সেটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানাবে এবং নির্বাচন কমিশন যেটা বলেছে, সেটা যৌক্তিক হলে নির্বাচন কমিশন সেটা করবে।


আরও খবর



নাসিরনগর থেকে ২০৬ পিস ইয়াবা সহ স্বামী স্ত্রী দুইজন গ্রেফতার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image

আব্দুল হান্নান,নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর থানার পুলিশ গোকর্ণ ইউনিয়নের নুরপুর পুকুরপাড় এলাকায় ৮ জুলাই ২০২৪ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন । পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে গত ২৪ ঘন্টায় থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালে মাদকদ্রব্য ২০৬ পিস ইয়াবাসহ ২ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।


জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ শাখাওয়াত হোসেন,বিপিএম-সেবার, নির্দেশে, সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ রাকিবুল হাসান, সরাইল সার্কেলের দিক-নির্দেশনায় এবং নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ  মো: সোহাগ রানার  তত্ত্বাবধানে থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে এস.আই (নিরস্ত্র) মো: আনোয়ার হোসেন, এস আই (নিরস্ত্র) রুপন নাথ, এএসআই (নিরস্ত্র) মোশাররফ হোসেন, এএসআই (নিরস্ত্র) কামরুল হোসেন ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত অনুমান সোয়া ১১ ঘটিকার সময় নাসিরনগর থানা পুলিশ ১০ নং গোকর্ণ ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার দোকানের সামনে হইতে ২০৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করেন ।


তারা হলেন রুহেনা বেগম (২৮), স্বামী- জাহাঙ্গীর মিয়া,জাহাঙ্গীর মিয়া(৩৫), পিতা- ফুলবাহার মেম্বার, উভয়সাং- নুরপুর পুকুরপাড়।

এ সময় তাদের কাছ নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: সোহাগ রানা বলেন গোকর্ণ  ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পর্যক্রমে প্রত্যেকটি ইউনিয়নে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

গ্রেফতারকৃত আসামীর  বিরুদ্ধে নাসিরনগর থানায় নিয়মিত মাদক মামলা রুজু করা হচ্ছে ।

    -খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর



জয়পুরহাটে পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্সের বীমাদাবীর ১২ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৬১জন দেখেছেন

Image

এস এম শফিকুল ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধি:পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের একক বীমা প্রকল্পের জয়পুরহাট অঞ্চলের মেয়াদ উত্তীর্ণ গ্রাহকদের বীমাদাবীর ১১ লক্ষ ৯৭হাজার ৫২৭ টাকার চেক হস্তান্তর ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা  অনুষ্ঠিত  হয়েছে। 

সোমবার বিকেলে পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের জয়পুরহাটে সার্ভিস সেল কার্যালয়ে এ  বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা  অনুষ্ঠিত হয়।

পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের একক বীমা প্রকল্পের জয়পুরহাট সার্ভিস সেলের ইনচার্জ মনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে মেয়াদ উত্তীর্ণ বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের উর্দ্ধতন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ( ব্রাঞ্চ কন্ট্রোল)  সৈয়দ মোতাহার হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের একক বীমা প্রকল্পের প্রকল্প ইনচার্জ আফজাল হোসেন, পপুলার ডিপিএস প্রকল্পের মহাব্যবস্থাপক (উঃ), একুশে টেলিভিশন ও দৈনিক আজকালের খবরের জেলা প্রতিনিধি এস এম শফিকুল ইসলাম, হিসাব কর্মকর্তা রাজু সরদার, অবলিখন কর্মকর্তা মহিউদ্দিন, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার সানজিদা খাতুন জুই, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার  মুক্তি ঘোষ, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার শাহানাজ তালুকদার, ইউনিট ম্যানেজার নার্গিস শাহানাজ, হিসাব কর্মকর্তা শ্রীফল, ফিনান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েট রুনা লায়লা প্রমুখ। 

সমাবেশ  শেষে ১১ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫২৭ টাকার বীমা দাবীর চেক গ্রাহকদের হাতে হস্তান্তর করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের উর্দ্ধতন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ( ব্রাঞ্চ কন্ট্রোল)  সৈয়দ মোতাহার হোসেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



ঠাকুরগাঁওয়ে ভুয়া নিয়োগে ৪০ লাখ টাকা আত্মসাত

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৪৫জন দেখেছেন

Image

জসীমউদ্দীন ইতি ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:ভুয়া নি‌য়ো‌গে ঠাকুরগাঁওয়ে ‌তিন‌টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬ সহকারী শিক্ষিকা প্রায় চার বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলছেন। এ ঘটনায় ৬ সহকারী শিক্ষিকাসহ তৎকালীন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের অ‌ফিস সহকারীকে অভিযুক্ত ক‌রে আদাল‌তে অভিযোগ দিয়ে‌ছে দুদক।

গত মঙ্গলবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এ অ‌ভিযোগপত্র জমা দেন ঠাকুরগাঁও দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় সহকারী পরিচালক আজমির শরিফ মারজী।

অ‌ভিযুক্তরা হ‌লেন, তৎকালীন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও বর্তমানে নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ এম শাহজাহান সিদ্দিক ও সদ‌র উপজেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী সলিম উদ্দিন।

অ‌বৈধ নি‌য়োগপ্রাপ্ত ৬ শিক্ষিকা হ‌লেন, সদর উপজেলার দেহন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক কৌশলা রানী ও ভারতী রানী রায়। কৌশলা রানী বর্তমা‌নে ৮নং আখানগর আর্দশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং ভারতী রানী রায় সদ‌র উপজেলার কাশিডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করছেন। এছাড়াও ভুয়া কাগ‌জে নিয়োগ নিয়েছেন আখানগর ধনীপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়য়ের সাবেক সহকারী শিক্ষিকা মোছা. নাহিদ পারভীন ও লতা বালা। মোছা. নাহিদ পারভীন বর্তমা‌নে গাইবান্ধা সদ‌রের চাপাদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং লতা বালা সদর উপজেলার মাধবপুর যোতপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। একইভাবে নিয়োগ নিয়েছেন সদর উপজেলার সেনিহারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষিকা লিলি রানী রায় ও সুইটি রানী রায়। লিলি রানী রায় বর্তমানে কালীতলা কান্দরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং সুইটি রানী রায় একই স্কুলে কর্মরত আছেন।

আদাল‌তে দেওয়া অ‌ভি‌যোগ প‌ত্রে জানা যায়, তৎকালীন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ এম শাহজাহান সিদ্দিক সদ‌র উপজেলা শিক্ষা অফিসের অ‌ফিস সহকারী মো. সলিম উদ্দিন পরস্পর যোগসাজসে তথ্য গোপন ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যেমে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কা‌ছে ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে মোট ৬ জন শিক্ষককে অবৈধভাবে নিয়োগ দেন। একই স‌ঙ্গে তা‌দের জাতীয়করণ এবং অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হয় ৬ ভুয়া শিক্ষক।

নি‌য়োগপ্রাপ্তরা ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি চাক‌রি‌তে যোগদা‌নের তা‌রিখ দে‌খি‌য়ে ৩০ জুন ২০১৭ সা‌লে জাতীয়করণ হয় তা‌দের চাক‌রি। বিদ্যাল‌য়ের শিক্ষক হাজিরা খাতায় এ চার বছ‌র পর্যন্ত তাদের কোনো সই পাওয়া যায়নি। বিদ্যাল‌য়ে অনুপ‌স্থিত থে‌কেও উপজেলা অফিস সহকারী সলিম উদ্দিন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পরস্পরের সঙ্গে যোগসাজসে অবৈধভাবে বেতন ভাতা ও উৎসব ভাতা বাবদ ৪০ লাখ ৪২ হাজার ৯২০ টাকা বকেয়া বিল রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে উত্তোলণ ক‌রে আত্মসাৎ করেন। যা দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে ব‌লে দুদক আদালতের অ‌ভি‌যোগ পত্রে উ‌ল্লেখ ক‌রা হয়।

এ বিষ‌য়ে সদ‌র উপজেলার আখানগর ধনীপাড়া সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক উম্মে কুলসুম ব‌লেন, তার বিদ্যাল‌য়ে দুই শি‌ক্ষিকা ২০১৩ সা‌লে নি‌য়ো‌গের বিষয়‌টি তারা কেউ জান‌তেন না। প‌রে ২০১৭ সা‌লে তা‌দের চাক‌রি জাতীয়করণ হ‌লে তারা নিয়‌মিত বিদ্যাল‌য়ে আ‌সে। এর ম‌ধ্যে ওই দুই শি‌ক্ষিকা বি‌ভিন্ন সময় তা‌দের যোগদা‌নের তা‌রিখ‌ পি‌ছি‌য়ে


আরও খবর



কুড়িগ্রামের রৌমারী সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এর সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | ৬২জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এমপি, বিপক্ষে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা আংশিক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। গতকাল শনিবার সকাল ১১ টার দিকে রৌমারী উপজেলায় এ ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ প্রশাসন পক্ষে বিপক্ষের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় শতর্কতাবস্থায় অবস্থানে ছিলেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিস কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাবেক এমপি জাকির হোসেন প্রতিমন্ত্রী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় লিখিত বক্তব্য পাঠ করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে ব্যাক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য কতিপয় আইসিইউ, জনবিচ্ছিন্ননেতা যারা দলের সুবিধা নেয় এবং দলের কাজ করে না। সবসময় দলীয় লোকজনদের সাথে অসুভ আচরন, দুর্নীতি, লুটপাট, ঘর ও রিলিফের চাউল বিক্রি করা, যতরকামের সরকারি সুবিধার জন্য নেতাকর্মীদের টাকা মারা। দাপরেটর সাথে ঠিকাদারী করা, সবচেয়ে নিন্মমানের কাজ করা, মাদক ব্যবসা করা, ধাপ্পাবাজি করা, এমনকি পায়খানা দিয়েও টাকা হাতিয়ে নেওয়া, ভুমিদস্যু, কতিপয় জনবিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসী নেতা। 

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী থাকা কালিন সময়ে দুর্নীতি, লুটপাট ভুমি দখল চর দখল, সরকারি জায়গা দখল, বহুতল ভবন নির্মান, মাজার দখল, বালু ব্যবসা প্রতিবেশির জমি দখল করাসহ নানা ধরনের মিথ্যা অসত্য ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সংবাদ প্রচার করে দল ও সরকারের ভাবমুর্তি চরম ভাবে ক্ষুন্ন করেছে। আমরা উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ সংবাদ সম্মেলন ও সংবাদ পত্রের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট দৃষ্টি আকর্ষন করছি। এমন মিথ্যা অসত্য তথ্য প্রচার করে দল ও সরকারের ভাবমুর্তি যারা ক্ষুন্ন করেছে তাদের দৃষ্টান্ত মূলক ও আইনানুগ ব্যবস্থারও কথা বক্তব্যে বলেছেন।

অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ কমিটির আংশিক নেতাকর্মীগণ সকাল  ১১ টায় রৌমারী ইসলামী ব্যাংকের সামন থেকে একটি মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বেড় হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা চত্তরে এসে শেষ হয়। 

এসময় বক্তারা সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এমপির নানা অনিয়ম দুর্নীতি ও অনিয়মিত আংশিক উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি ভেঙ্গে নতুন করে কমিটি গঠনের জন্য বক্তব্যের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল ইসলাম মিনু, সহসভাপতি রফিকুল আলম শাহিদ, সাবেক সহসভাপতি এনআর জাহাঙ্গির রবু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আবিদ শাহ নেওয়াজ তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাইদুল ইসলাম, শ্রমীক লীগের সভাপতি আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, যুব ও ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক আফজাল হোসেন বিপ্লবসহ উপজেলা ও ইউনিয়নের নেতাকর্মী প্রমুখ। 

এ বিষয়ে রৌমারী থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুুল্লা হিল জামান জানান, রৌমারীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের পাল্টা পাল্টি সংবাদ সম্মেলন মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলকে টেকেল দিতে দুই উপজেলার পুলিশ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় শতর্কতাঅবস্থানে রয়েছি। 

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



তরুণরাই বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | ১৩৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:এই বাংলাদেশ এগিয়ে যাওয়ার বাংলাদেশ, এই বাংলাদেশ বদলে যাওয়ার বাংলাদেশ। আগামী দিনগুলোয় তরুণরাই বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করাই সরকারের লক্ষ্য,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।

সোমবার (২৪ জুন) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত মাধ্যমিক থেকে স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আমলে স্বাক্ষরতার হার ৪৫ ভাগ। আমরা সেটিকে বর্তমানে ৭৬.৮ ভাগে উন্নীত করেছি। এ সময় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানোয় তা সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বিনামূল্যে বই বিতরণের বিষয়টি অনেকে অসম্ভব মনে করলেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে তা করে দিয়েছে। ২০১০ সাল থেকে আমরা বিনামূল্যে বই বিতরণ করছি। এখন পর্যন্ত ৪৬৪ কোটির বেশি বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিজ্ঞান, গবেষণা ও প্রযুক্তিজ্ঞান ছাড়া কোনও দেশ বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে না। আমরা সমস্ত টেলিফোন সিস্টেমকে ডিজিটালাইজ করি। কম্পিউটার শিক্ষার জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয় দুই তিনটা কম্পিউটার দিয়ে। ছেলেমেয়েরা যাতে শিক্ষা নিতে পারে তার ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। তাছাড়া আইন পাশ করে ১২টা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ কাজ শুরু করি। ৭৫ পরবর্তী যারা ক্ষমতায় ছিল তারা গবেষণায় কোনও বরাদ্দ দেয়নি। গবেষণা আমাদের কোনও বরাদ্দ ছিল না। আমাদের প্রথম বাজেট অল্প ছিল। সেখান থেকেও গবেষণার জন্য টাকা দিয়ে দেই। পরে যখন বাজেট দেই তখন ১০০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ দিয়েছিলাম। সেটা ছিল কম্পিউটার শিক্ষা এবং গবেষণায়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের শুধু একটা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। আমি আরও কয়েকটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করে দেই। সেইসঙ্গে ১৬টি বেসরকারের বিশ্ববিদ্যালয়, নভোথিয়েটার প্রতিষ্ঠা, সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট, বায়ু টেকনোলজি ইনস্টিটিউট, এই সবগুলো আওয়ামী লীগ সরকার আমলে শুরু করেছিলাম।

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বেগম শামসুন্নাহার, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান।


আরও খবর