Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

আলিয়াকে রেখে কাজে যোগদান রণবীরের

প্রকাশিত:Monday ১৮ April ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১৪৮জন দেখেছেন
Image

বিনোদন ডেস্কঃ

নতুন জীবন শুরু করার পর একদমই ছুটি কাটাতে পারছেন বলিউড অভিনেতা রণবীর কাপুর। বিয়ের এক সপ্তাহ পার হওয়ার আগেই তাকে ছুটতে হলো কাজে।


সোমবার (১৮ এপ্রিল) প্রযোজনা সংস্থা টি-সিরিজের অফিসের সামনে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন এই অভিনেতা। তখন তিনি একাই ছিলেন। নতুন কোনো সিনেমার কাজ সারতেই এই তারকা সেখানে গিয়েছেন বলে ধারনা করা হচ্ছে।  


টি-সিরিজের অফিসে ঢোকার আগে ফটোসাংবাদিকদের দিকে হাত উঁচিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এই তারকা। তবে কাজের ব্যাপারে বিস্তারিত কিছুই বলেননি তিনি।  


প্রায় পাঁচ বছর প্রেম করার পর বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) আলিয়া ভাটকে বিয়ে করেন রণবীর কাপুর। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই সাত পাকে বাঁধা পড়েন তারা। বলিউডের প্রতীক্ষিত বিয়ের মধ্যে এটি ছিল অন্যতম।  


দুইদিন পর শনিবার (১৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হয় এই নবদম্পতির রিসেপশন পার্টি। বিয়ের আয়োজনের মত রণবীরের বান্দ্রার বাসা ‘বাস্তু’তেই রিসেপশনের আয়োজন করা হয়। যেখানে বলিউডের তারকাদের হাট বসেছিল।  শাহরুখ খান, গৌরী খান, করণ জোহর, আদিত্য রায় কাপুর, আয়ান মুখোপাধ্যায়, কারিশমা কাপুর, অর্জুন কাপুর, মালাইকা আরোরাসহ বহু তারকা তাদেরকে আশীর্বাদ করতে হাজির হন।


আরও খবর



বঙ্গোপসাগরে জাহাজ ডুবি

বঙ্গোপসাগরে গম বোঝাই জাহাজ ডুবি

প্রকাশিত:Wednesday ১৮ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১২২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকার গমসহ  ডুবে গেছে লাইটার জাহাজ ‘এমভি তামিম’।  


বুধবার (১৮ মে) বিকেল ৩টার দিকে জাহাজটি রামগতি পাইলট বিচের নিচে তিল্লার চর এলাকায় ডুবে যায়।


আগের দিন মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থানরত বড় জাহাজ ‘এমভি প্রোফেল গ্রেস’ থেকে প্রায় ১ হাজার ৬০০ টন গম বোঝাই করে ঢাকার নাবিল অটো ফ্লাওয়ার মিলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিল জাহাজটি। 


দুর্ঘটনার পর জাহাজটির ১২ জন নাবিককে অপর একটি জাহাজ এসে উদ্ধার করেছে।


এমভি তামিম জাহাজটি ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের (ডব্লিউটিসি) সিরিয়ালে পরিচালনা করছিল সমতা শিপিং অ্যান্ড লজিস্টিকস। সমতার কর্মকর্তা জামাল হোসেন  জানান, চলার পথে পানির নিচে অদৃশ্য বস্তুর সঙ্গে লেগে জাহাজের সামনের হেজ ফেটে যায়।


এ সময় হেজে পানি ঢুকে যায়। পরে মাঝের ও সামনের হেজেও পানি ঢুকে জাহাজটি ডুবে যায়।


শুধু জাহাজের ব্রিজ দেখা যাচ্ছে। নাবিকদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।  




আরও খবর



স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস এর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

গাজীপুরে ঔষধ তৈরি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড কারখানায় আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট কর্মীরা কাজ করছে।


 


সোমবার (২৩ মে) দুপুরে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।


ফায়ার সার্ভিস জানায়, কারখানার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়।


খবর পেয়ে জয়দেবপুর, মির্জাপুর, ইপিজেড ও কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।


কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ওয়ার হাউস ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম জানান, তাৎক্ষণিক আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।


অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



প্রেমিকার সাথে মনোমালিন্যের সূত্র ধরে

প্রমিকাকে ভিডিও কল করে প্রেমিকের আত্মহত্যা

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
Image

নিজস্বপ্রতিনিধিঃ

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভায় প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে এক কলেজছাত্র আত্মহত্যা করেছেন।তার নাম ফজলে রাব্বি ওরফে সোলাইমান (২৪) ।মঙ্গলবার (২৪ মে) দিবাগত রাত ২টার দিকে চক্ষু হাসপাতালের পেছনে ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। 


ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে ফজলে রাব্বিকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


নিহত কলেজ ছাত্র চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বোয়ালমারি গ্রামে টুলু মিয়ার ছেলে। তিনি চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র সনো সেন্টারে এক্স-রে বিভাগে কর্মরত ছিলেন রাব্বি। বাবা টুলু মিয়ার চাকরির সুবাদে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার চক্ষু হাসপাতালের পেছনে ভাড়া বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন।


পরিবারের সদস্যরা বলেন, ‘দিনগত রাত ২টার দিকে অজ্ঞাত একটি নারী আমাদের ফোন করে ফজলে রাব্বি গলায় ফাঁস দিয়েছে বলে তার ঘরে যেতে বলেন। আমরা গিয়ে দেখি দরজা বন্ধ। প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। পরে জানতে পারি প্রেমিকার সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে ভিডিও কলেই আত্মহত্যা করে ফজলে রাব্বি।’


পরিবারের কাছে ফোন দেওয়া নাম্বারে কথা হলে অপরপ্রান্ত থেকে বলা হয় নম্বরটি চুয়াডাঙ্গার শুভ নামে এক তরুণীর। তিনি ঢাকায় একটি ছাত্রী মেসে থাকেন। ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। শুভ ফজলে রাব্বির প্রেমিকা। রাতে তারা ভিডিও কলে কথা বলছিলেন। হঠাৎ তাদের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দিলে ভিডিও কলে রেখেই রাব্বি তার ঘরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেন। পরে শুভর এক বান্ধবীর মাধ্যমে ফজলে রাব্বির পরিবারের নম্বর সংগ্রহ করে খবর দেওয়া হয়।


চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সোহরাব হোসেন বলেন, দিনগত রাত ২টার দিকে ফজলে রাব্বি নামে এক যুবককে হাসপাতালে নিয়ে আসে পরিবারের সদস্যরা। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ হিম ঘরে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হবে।


চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।’


আরও খবর



কর্তৃপক্ষের দাবি লাফিয়ে আত্মহত্যা

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদ থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৭৯জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

রাজধানীর গ্রিনরোডে এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির সাততলা থেকে পড়ে ইমাম হোসেন (২৩) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। 


সে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।


বৃহস্পতিবার (১৯ মে) সকাল আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।  


মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমাম হোসেনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সকাল দশটায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


নিহত শিক্ষার্থীর বাড়ি ভোলা লালমোহন উপজেলায়। নিহতের বাবার নাম আক্তার হোসেন।


কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে ৯৮নং পূর্ব রাজাবাজারে একটি মেসে থাকতেন। ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন তিনি।


 বৃহস্পতিবার সকালে তার তৃতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা ছিল।


বিশ্ববিদ্যালয়টির এ্যাসিস্টেন্ট অ্যাডমিন অফিসার ফয়সেলুজ্জামান জানান, সকালে তিনি যখন ভার্সিটিতে ঢুকছিলেন তখন শুনতে পান ভবন থেকে এক শিক্ষার্থী নিচে পড়ে গেছেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল, পরে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল নিয়ে যান। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।


তিনি দাবি করেন, ভার্সিটির সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেছে ওই শিক্ষার্থী নয়তলা ভবনটির সাত তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন।


 ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. বাচ্চু মিয়ার মৃত্যু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



আরও খবর



ডেসটিনির রফিকুল আমিনের ১২ বছর সাবেক সেনাপ্রধান হারুনের চার বছরের সাজা

প্রকাশিত:Thursday ১২ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৯৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এমএলএম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের মামলায় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনের ১২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।


একইসঙ্গে গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদের ৪ বছর, পলাতক আসামি জসিম উদ্দিন ভূঁইয়ার ১০ বছর এবং মামলার বাকি ৪৩ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 



বৃহস্পতিবার (১২ মে) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।


এর আগে গত ২৭ মার্চ ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১২ মে দিন ধার্য করেছিলেন।



মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ মোট আসামি ৪৬ জন। তাদের মধ্যে জামিনে রয়েছেন লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম, লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ, মিসেস জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল। কারাগারে আছেন এমডি রফিকুল আমীন ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন। অন্য ৩৯ আসামি পলাতক।



অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুদকের তৎকালীন উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে পৃথক দুটি মামলা করেছিলেন।


২০১৪ সালের ৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন মোজাহার আলী সরদার। এতে ডেসটিনির গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।


এর মধ্যে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন এবং ডেসটিনি ট্রি প্ল্যানটেশন লিমিটেডে দুর্নীতির মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলায়ই আসামি হারুন-অর-রশিদ ও রফিকুল আমিন।


মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ প্রজেক্টের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে ধরা পড়ে। ওই অর্থ আত্মসাতের ফলে সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।


ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন প্রজেক্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাড়ে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারী।


অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ডেসটিনি গ্রুপের নামে ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল নামসর্বস্ব। আসামিরা প্রথমে প্রজেক্টের টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা করতেন। এরপর বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে তা স্থানান্তর করা হতো। দুদক ৩৪টি ব্যাংকে এমন ৭২২টি হিসাবের সন্ধান পায়, যেগুলো পরে জব্দ করা হয়।


আরও খবর