Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

আইপিএলের নিলামে সাকিব-লিটন নেই, মাহমুদউল্লাহ

প্রকাশিত:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৮৯জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক:টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ মানেই সাকিব আল হাসানকে নিয়ে বাড়তি উন্মাদনা। বিশ্বসেরা এই অল-রাউন্ডার কোন দলে খেলবেন এ নিয়ে বেশ আলোচনাও হয়। লম্বা সময় ধরে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম একজন সাকিব আল হাসান। তবে সেই জৌলুস শেষ হতে চলল।

ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে সাকিব। এবার নেই আইপিএলের ড্রাফটের তালিকায়। গত আসরের নিলামে ভিত্তি মূল্যে বাংলাদেশের দুই বাংলাদেশি তারকা সাকিব আল হাসান আর লিটন দাসকে নিয়েছিলো কলকাতা নাইট রাইডার্স।

দল পেলেও সাকিব সেবার খেলেননি, অন্যদিকে লিটন খেলতে গেলেও ম্যাচ পান কেবল একটি। এবার নিলামের আগে দুজনকেই ছেড়ে দেয় কলকাতা। সুযোগ ছিল নিলামে থাকার, তবে সুযোগ নেননি তারা। সাকিব-লিটন নাম না দিলেও নাম দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদসহ বাংলাদেশের ছয় ক্রিকেটার।

চলতি মাসে দুবাইতে হতে যাচ্ছে আইপিএলের মিনি নিলাম। এই নিলামের জন্য ১ হাজার ১৬৬ জন ক্রিকেটার নিজেদের নাম পাঠিয়েছেন। তাতে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২ কোটি ভিত্তিমূল্য নিয়ে আছেন মোস্তাফিজুর রহমান। তাকেও এবার ছেড়ে দেয় দিল্লি ক্যাপিটালস।

৮৩০ জন ভারতীয় ক্রিকেটার ছাড়া ৩৩৬ জন বিদেশি খেলোয়াড়ের মধ্যে নাম দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, শরিফুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ। নিলামে আকর্ষণীয় নাম বিশ্বকাপ মাতানো তারকা মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স, ট্রেভিস হেড, ড্যারেল মিচেল ও রাচিন রবীন্দ্র।

চলতি মাসের ১৯ তারিখ দুবাইতে হবে আইপিএলের নিলাম। এবারই ফ্র্যাঞ্চাইজি মেগা আসরটির নিলাম ভারতের বাইরে হচ্ছে।


আরও খবর



কিশোর গ্যাং বিভিন্ন গ্রুপের অতিষ্ঠ মানুষ, গ্রেপ্তার গ্যাংয়ের ৩৭ কিশোর

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২০৪জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:বাবা গ্রুপ, ০০৭ গ্রুপ, জাউরা গ্রুপ, ভোল্টেজ গ্রুপ,ডি কোম্পানি ও জাহাঙ্গীর গ্রুপসহ বিভিন্ন নামে গড়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। প্রতি গ্রুপে আনুমানিক ১০/১৬ জন করে কিশোর। টাকার বিনিময়ে মারামারি, দখলবাজি, পিকেটিং, ছিনতাই, ডাকাতি, খুনসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করে থাকে। তাদের ক্ষমতার জাহিরে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে মানুষ।গত বৃহস্পতিবার মাত্র ৩ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের ৩৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১। এলাকাবাসী ও র‌্যাব-১ সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় আনাচে-কানাচে গড়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। তাদের নামে বেনামে গড়ে তুলেছে বিভিন্ন গ্রুপ। বর্তমান সময়ে কিশোর গ্যাং, গ্যাং কালচার, উঠতি বয়সি ছেলেদের মাঝে ক্ষমতা বিস্তারকে কেন্দ্র করে এক গ্রুপের সাথে অন্য গ্রুপের মারামারি করা বহুল আলোচিত ঘটনায় পরিনত হয়েছে।

গ্যাং সদস্যরা এলাকায় নিজেদের অস্তিত্ব জাহির করার জন্য উচ্চ শব্দে গান বাজিয়ে দল বেধে ঘুরে বেড়ায়, বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালায়, পথচারীদের উত্ত্যক্ত করে এবং ছোট খাটো বিষয় নিয়ে সাধারণ মানুষের উপর চড়াও হয়ে হাতাহাতি- মারামারি করে। এছাড়াও তারা নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখার জন্য একই এলাকায় অন্যান্য গ্রুপের সাথে প্রায়সই কোন্দলে লিপ্ত থাকে। তাদের এই ধরনের চলাফেরার কারণে সাধারণ লোকজন তাদের অনেকটাই এড়িয়ে চলে। এই এড়ানোর বিষয়টিকে তারা তাদের ক্ষমতা হিসেবে ভাবে এবং কোন ঘটনায় কেউ কোন প্রতিবাদ করলেও ক্ষমতা জাহির করতে মারামারি করাসহ অনেক সময় খুন করতেও দ্বিধাবোধ করে না। সস্প্রতি র‌্যাব-১ এর গোয়েন্দা অনুসন্ধানে রাজধানীর মহাখালী, বিমানবন্দর, বনানী, গাজীপুর ও

টঙ্গী থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় কতিপয় কিশোর গ্যাংয়ের কার্যক্রম সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা গড়ে তুলেছে বাবা গ্রুপ, ০০৭ গ্রুপ, জাউরা গ্রুপ, ভোল্টেজ গ্রুপ, ডি কোম্পানি ও জাহাঙ্গীর গ্রুপসহ নামে বেনামে বিভিন্ন গ্রুপ। প্রত্যেক গ্রুপের আনুমানিক সদস্য ১০/১৫ জন সদস্য রয়েছে। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের নামে পেশীশক্তি প্রদর্শন করে আসছে। মাদক সেবন, সাইলেন্সারবিহীন মোটরসাইকেল চালিয়ে বিকট শব্দ করে জনমনে ভীতির সঞ্চার, স্কুল-কলেজে বুলিং, র‌্যাগিং, ইভটিজিং, ধর্ষণ, ছিনতাই, ডাকাতি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশ্লীল ভিডিও শেয়ারসহ নানাবিধ অনৈতিক কাজে লিপ্ত কিশোর গ্যাং। তারা টাকার বিনিময়ে যে কোন পক্ষের হয়ে মারামারি, দখলবাজি, পিকেটিং করে। যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিশ্চিত ক্ষতির মুখে ধাবিত করছে। এরই প্রেক্ষিতে কিশোর গ্যাং এর বিপথগামী সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে সস্প্রতি র‌্যাব-১ গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার রাত ৭টার থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব-১। মাত্র ৩ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে রাজধানী ঢাকার মহাখালী, বনানী, বিমানবন্দর, টঙ্গি ও গাজীপুর এলাকা থেকে ‘০০৭ গ্রুপের দলনেতা আল-আমিন, জাউরা গ্রুপের দলনেতা মাহাবুব, বাবা গ্রুপের দলনেতা সাদ, ভোল্টেজ গ্রুপের মনা, ডি কোম্পানি- (লন্ডন পাপ্পু চালায়) আকাশ ও আমির হোসেন গ্রুপ’ জাহাঙ্গীর গ্রুপ ওরফে বয়রা জাহাঙ্গীর গ্রুপসহ বিভিন্ন কিশোর গ্যাং গ্রুপের ৩৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রাসেল, আরাফাত, রবিন, আল-আমিন, ইসলাম, জুয়েল, রবিউল, মুরাদ, মাহাবুব, সাদ, রোহান, মনা, হৃদয়, ওবায়েদ, জিসান, আকাশ, ঈমন, রমজান, সজিব, শাকিব, রাজিব, আমির হোসেন, শাহজাহান সাজু @ রাসেল, জিলাদ মিয়া, হৃদয়, রায়হান, বাবু মিয়া, শাহজাহান, জালাল মিয়া,লামিম মিয়া, রাকিব, হিরা মিয়া, ইমরুল হাসান, সাকিন সরকার রাব্বি, সুজন মিয়া, খাইরুল, রাহাত। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫০০ গ্রাম গাজা, ২৪টি মোবাইল, ১টি ব্লেড, ১টি কুড়াল, ১টি পাওয়ার ব্যাংক, ৫টি রড, ১৬টি চাকু, ৩টি লোহার চেইন, ১টি হাতুড়ী, ১টি মোটরসাইকেল এবং ২৪ হাজার ২৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১৭ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক, অস্ত্র, ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

র‌্যাব-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া অফিসার) মোঃ মাহফুজুর রহমানের স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টাকার বিনিময়ে যে কোন পক্ষের হয়ে মারামারি, দখলবাজি, পিকেটিং, ছিনতাই, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজে লিপ্ত ছিল মর্মে স্বীকার করে। কিশোর গ্যাং এর বিপদগামী সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব-১ এর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরও খবর



মিরপুর বিআরটিএ অপকর্মের মুল হোতা আনসার কমান্ডার হাসেম

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানীর মিরপুর বিআরটিএ আনসার কমান্ডার হাশেমের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছে দালাল চক্রের ভয়ংকর সিন্ডিকেট। হাসেম শুধু বহিরাগত দালাল প্রতারক চক্রের প্রধান হুতাই না নিজস্ব আনসার সদস্যদের দ্বারা বিআরটিএ কাজে আসা সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে টাকা আদায় করে থাকে অভিযোগ পাওয়া যায়। গত সপ্তাহে দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে হাশেমের নিয়ন্ত্রণে থাকা দুইজন আনসার সদস্যকে গ্রাহকের কাজ করার সময় আটক করা এবং গণমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

এছাড়াও আনসার সদস্যেদের কমান্ডার হাসেম আদেশ করে যেন তাহারা পোশাকে থাকা নামের ব্যাচ খুলে ভিতরে ডিউটি করে। বিআরটিএ মোবাইল কোড অভিযান চালানো অবস্থায় তারই নিয়ন্ত্রণে থাকা দালাল সদস্যদের ইশারায় বের করে দেয় জানা যায়। অনেক দালালের কাছে জানা যায় কমান্ডার হাশেমের দুর্নীতি টাকা কিভাবে দিতে হয়। সপ্তাহের শেষের দুইদিন বুধ অথবা বৃহস্পতি দালালের চাঁদা আদায়ের দিন হাশেম ও তার সহকারি কমান্ডার শহিদুল ইসলাম এই দুই দিনে প্রতি দালালদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে সাপ্তাহিক টাকা আদায় করে এছাড়াও সাবেক আনসার সদস্যদের ফ্রিজ হওয়ায় চাকরিযুক্ত হয় এমন একটি গ্রুপ চাকরিতে ফিরে না যে মিরপুর ১৩ নম্বর ও সেনপাড়া বিভিন্ন স্থানে ভাড়া থেকে শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলে। এই সকল সাবেক আনসার সদস্যদের প্রতি সপ্তাহে কমান্ডার হাসেমকে এক হাজার টাকা করে জনপ্রতি দিতে হয় প্রায় ৪০ জনকে। এছাড়াও অফিসারের রুমে থাকা গেটিসদের প্রতি সপ্তাহে এক হাজার টাকা করে কমান্ডার হাসেমকে চাঁদা দিতে হয় প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জনকে।

বি আর টি এ 'র  সামনেও পাশে থাকা হকারদের প্রতিদিন কাউকে ৩০০ টাকা আবার কাউকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয়। এছাড়াও অফিস চলাকালীন সময় তারই ক্যাম্পে দালাল ও বিভিন্ন ধরনের লোকদের আনাগোনা থাকে। তথ্য ও চিত্রে দেখা যায় এই সকল আড্ডার কারণে উক্ত ক্যাম্পে খুব খারাপ ধরনের এক ঝগড়ার সৃষ্টি হয় দুই পক্ষের মধ্যে। যাহার একপক্ষকে সাপোর্ট দেয়ায় কমান্ডার হাসেমের বিরুদ্ধে  অভিযোগ আসে আমাদের কাছে। কমান্ডার হাসেম তার এই সকল অপকর্ম করার জন্য সহকারি কমান্ডার শহিদুল ইসলাম ও আনসার সদস্য মনিরুলকে বিশেষভাবে ক্ষমতা দিয়ে থাকে।

আনসার বাহিনীকে সরকারি অফিসে নিয়োগ দেয়া হয় জনগণের সেবার স্বার্থে কিন্তু এই জায়গায় দেখা যায় জনগণকে জরিমানা দিতে হয় হাশেম বাহিনীকে এই সকল দুর্নীতিবাজ আনসার সদস্যদের। তার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ পাওয়া গেছে, দালালদের আটকে রেখে আবার  টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয় । তাকে সহযোগিতা করে স্হানীয় নেতারা।তাই জনস্বার্থে আনসার কমান্ডার হাশেমের নিয়ন্ত্রণে থাকা দুর্নীতিবাজ আনসারদের শাস্তি ব্যবস্থার জন্য গণমাধ্যম সংবাদটি প্রকাশ করে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর

ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ইমরান খান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ১০ বছর সাজা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৮৩জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে,পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে।

অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের মামলায় মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দেশটির একটি আদালত এই রায় দেন।

একই মামলায় পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ইমরানের দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা শাহ মাহমুদ কোরেশিকেও ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

খবর: দ্য ডন ও আল জাজিরা


আরও খবর



টিএসসিতে ছিন্নমূল মানুষকে শীতবস্ত্র দিল ছাত্রলীগ

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৪১জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:টিএসসিতে ছিন্নমূল মানুষকে শীতবস্ত্র দিল ছাত্রলীগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি ও আশেপাশের এলাকার ছিন্নমূল মানুষ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ও ক্যান্টিনের কর্মচারীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে ছাত্রলীগ।

রোববার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে আয়েজিত এক অনুষ্ঠানে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাবি শাখার সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতসহ বিভিন্ন হলশাখার নেতাকর্মীরা।  

কম্বল বিতরণের আগে বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু কর্মচারিদের জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হয়েছিলেন।

আজকে শীতবস্ত্রে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আওয়ামীলীগের ইশতেহার জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার ইশতেহার।সুতরাং আমরা যারা আওয়ামীলীগের রাজনীতি করি, তারা কখনো হতাশ হব না। অনুষ্ঠানে সাদ্দাম হোসেন বলেন, টিএসসির ছিন্নমূল মানুষ, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীসহ যারা রয়েছে, সবাই মিলে আমরা একটি শিক্ষা পরিবার, তাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সকল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলে একটি নতুন শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন করেছে। যেটা আমাদের অভিজ্ঞতামূলক, সৃজনশীল শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে। মুখস্তনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তনে সরকার একটি বৈপ্লববিক পরিবর্তনের দিকে যাচ্ছে। আনন্দদায়ক শিক্ষা পদ্ধতির আওতায় শিক্ষার্থীরা যেন থাকতে পারে। শুধু জ্ঞানের জায়গায় নয়, আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারি হতে পারে। লিঙ্গ, বর্ণ, ধর্মের কারণে কেউ যেন বৈষম্যের শিকার না হয়। আমরা সবাই মিলে মানুষ। ট্রান্সজেন্ডারের প্রতি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের প্রতি সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি, অন্ধকার-অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার মানবিক তাড়না বর্তমান কারিকুলামে রয়েছে।  

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার কারিকুলামে যে পরিবর্তন ও সংযোজন এনেছে, তা বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। এতে যদি কোনো সমস্যা থেকে থাকে, তা কারিকুলামের আদলেই পরিবর্তন করা সম্ভব। এই কারিকুলামকে কেন্দ্র করে যারা অপরাজনীতি করতে চায়, যারা এটিকে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিষয়বস্তু করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।

আরও খবর



মধুপুরে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাল্যবিবাহ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৪৬জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাধীন কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার আঃ আজিজের ছেলের সাথে ১৩ বছরের মেয়ের বিয়ে সংঘটিত হয়েছে।দীর্ঘদিন পর মধুপুরে এতো অল্প বয়সের একটি কিশোরী মেয়ের বিয়ে সংঘটিত হলো।জানা যায়, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া কেশরগন্জ এলাকায় একটি বাল্যবিবাহ  সংঘটিত হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে ফুলবাড়িয়া পুলিশ প্রশাসন এবং সাংবাদিক মিলে ঘটনা স্থলে গিয়ে সত্যতা পেয়ে বিয়ে বন্ধ করেন।

এসময়  প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্ষন্ত ছেলে মেয়ের বিয়ে দিবেন না বলে একটি অঙ্গিকার নামায় স্বাক্ষর  প্রদান করেন উভয় পক্ষের অভিভাবক।  কিন্তু পরবর্তীতে সুকৌশলে ছেলের বাবা কুড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আঃ আজিজ সেখান থেকে মেয়েকে এনে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে নিজ বাড়িতে  বিয়ে সম্পুর্ন করেন বলে জানা যায়।  বিষয়টি মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেনকে অবহিত করা হলে তিনি ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্হানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আঃ মান্নানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান।

উক্ত বিয়ে বেশ কয়েকদিন আগে সংঘটিত হয়েছে বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান।ঘটনাটি ঘটেছে ১৪ ফেব্রুয়ারী বুধবার বিকেলে উপজেলার কুড়ালিয়া গ্রামে। বাল্য বিবাহ রোধে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপদেশ দিয়া আসছেন মধুপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত মোল্লা আজিজুর রহমান।

তিনি মাদক, বাল্য বিবাহ, ইভটিজিং সহ মোবাইলের অপব্যবহার রোধে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়ে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন। এ বাল্যবিবাহের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সরেজমিনে দেখে বাল্যবিবাহ সংঘটিত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে না পারলে ভবিষ্যতে অনেক ফুটফুটে কিশোরী অকালে ঝরে পড়বে এমনটাই বলছেন এলাকার সুধী মহল।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪