Logo
আজঃ বুধবার ২২ মে ২০২৪
শিরোনাম

আব্দুল কুদ্দুসের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক

প্রকাশিত:বুধবার ৩০ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১৮১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নাটোর-৪ আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. আব্দুল কুদ্দুস ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (৩০ আগস্ট) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী গভীর শোক প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ শোকবার্তায় মরহুম অধ্যাপক মো. আব্দুল কুদ্দুসের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী এক পৃথক বার্তায় অধ্যাপক মো. আব্দুল কুদ্দুসের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এছাড়া মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন তিনি।

উল্লেখ্য, আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. আব্দুল কুদ্দুস। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তার ব্যক্তিগত সহকারী ইব্রাহীম গণমাধ্যমকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে তিনি ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্ব শেষ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-৪ আসনে পঞ্চমবারের মত এমপি হন অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস।


আরও খবর



মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্তের আগে কনডেম সেলে রাখা যাবে না: হাইকোর্ট

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:হাইকোর্ট রায় দিয়েছেন মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে কয়েদীকে কনডেম সেলে রাখা যাবে না।

সোমবার (১৩ মে) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে কনডেম সেলে রাখা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন শুনানি করেন। আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন মোহাম্মদ শিশির মনির। রুল শুনানিতে আদালত এ বিষয়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী ও এস এম শাহজাহান বিশেষজ্ঞ মত নেন।

এর আগে ২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা কেন বেআইনি হবে না এবং কেন জেলকোডের ৯৮০ বিধি অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, এই মর্মে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়।

বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষা রাখেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

গত বছরের ৫ এপ্রিল মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা কেন বেআইনি হবে না এবং কেন জেলকোডের ৯৮০ বিধি অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে কনডেম সেলে থাকা বন্দিদের বিষয়ে ৬ মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর মামলা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়ার আগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কনডেম সেলে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।

চট্টগ্রাম কারাগারে কনডেম সেলে থাকা জিল্লুর রহমানসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন বন্দির পক্ষে আইনজীবী শিশির মনির এ রিট দায়ের করেন।

রিট আবেদনকারী হলেন- চট্টগ্রাম কারাগারের কনডেম সেলে থাকা সাতকানিয়ার জিল্লুর রহমান, সিলেট কারাগারে থাকা সুনামগঞ্জের আব্দুর বশির ও কুমিল্লা কারাগারে থাকা খাগড়াছড়ির শাহ আলম। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই তিন আসামীর আপিল হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে।


আরও খবর



খাগড়াছড়ি তিন উপজেলার নির্বাচনি শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে প্রচারণা

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ২৮জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল, পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ  নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে খাগড়াছড়ি জেলার তিন  উপজেলা খাগড়াছড়ি সদর, দীঘিনালা,পানছড়ি নির্বাচনি শেষ মূহুর্তে প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে প্রতিটি  জনপদ । তিন উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৯ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১১ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটারদের মন জয় করতে প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। 

তবে পানছড়িতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নেই। আঞ্চলিক সংগঠনের দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির ভোট বর্জন ও আওয়ামী লীগেরও প্রার্থী না থাকায় ভোট নিয়ে তেমন আগ্রহ নেই ভোটারদের মাঝে।

বিএনপির ভোট বর্জনের মুখে প্রচণ্ড তাপদাহ, ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিতব্য খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদে প্রার্থীদের প্রচারণা চলছে। 

আগামী ২১ মে অনুষ্ঠিতব্য খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় ভোট কেন্দ্র ৪১টি। মোট ভোটার ৯২ হাজার ৮৬৪ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪৭ হাজার ৮৯৫ ও নারী ভোটার ৪৪ হাজার ৯৬৯ জন।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম (আনারস), সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মো. আকতার হোসেন (মোটরসাইকেল), গোলাবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জ্ঞান রঞ্জন ত্রিপুরা (কৈ মাছ) জাতীয় পার্টির নজরুল ইসলাম (লাঙ্গল), বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুশীল জীবন ত্রিপুরা (টেলিফোন) ও ভারত প্রত্যাগত নেতা সন্তোষিত চাকমা (দোয়াত কলম) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো. আসাদ উল্লাহ (বই), ক্যাউচিং মারমা (তালা), মো. আবু হানিফ (টিয়াপাখি), মো. এরশাদ হোসেন (চশমা) ও শাহাবুদ্দিন সরকার পেয়েছেন (টিউবওয়েল) প্রতীক।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে কল্যাণী ত্রিপুরা (কলস), নিউসা মগ (প্রজাপতি) ও নিপু ত্রিপুরা (ফুটবল) নিয়ে নির্বাচন করছেন।

দিদারুল আলম ৩২ বছরের রাজনীতি ক্যারিয়ারে দুই মেয়াদে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।দীর্ঘদিন ধরে তিনি মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।মানুষের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দিতে তিনি কাজ করছেন। খাগড়াছড়ি সদর  উপজেলাকে স্মাট উপজেলা করার লক্ষ্যে এবছর নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন  তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।  প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই তিনি খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগে ব্যস্থ সময় পার করছেন। নির্বাচনের বিষয়ে তিনি জানান, নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠু হলে তিনি জয় লাভ করবেন।নির্বাচিত হলে উপজেলা পরিষদকে সেবা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হবে জানান।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদ এর বর্তমান ভাইস-চেয়ারম্যান আকতার হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে উপজেলা নির্বাচনে মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে  উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন। প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই তিনি  খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিন-রাত প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।তিনি দীর্ঘ ৫বছর উপজেলা পরিষদের ভাইস- চেয়ারম্যান থাকা কালীন সময়ে উপজেলার  প্রতিটি ইউনিয়নে সরকারের উন্নয়ন জনগনের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি।  আমি দীর্ঘদিন মানুষের উন্নয়নে কাজ করেছি।নির্বাচনে জনগন যদি আমাকে নির্বাচিত করে আমি উপজেলার অসমাপ্ত কাজ গুলো সমাপ্ত করবো। পাশাপাশি নতুন প্রকল্পকের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদকে আধুনিক স্মাট উপজেলা পরিষদ হিসেবে গড়ে তুলবো।

গোলাবাড়ী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা জ্ঞান রঞ্জন ত্রিপুরা (কৈ মাছ) প্রচার চালাচ্ছেন প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায়। তিনি বিগত ইউপি চেয়ারম্যান থাকাকালীন বাস্তবায়িত উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন।আমাকে নির্বাচিত করে আমি উপজেলার অসমাপ্ত কাজ গুলো সমাপ্ত করবো।

দীঘিনালা উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে দুই জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। দীঘিনালা উপজেলার ভোট কেন্দ্র ৩৬টি। মোট ভোটার ৯০ হাজার ১৯৪। পুরুষ ভোটার ৪৬ হাজার ৮১ জন ও নারী ভোটার ৪৪ হাজার ১১২ জন। দুর্গম নাড়াইছড়িতে ভোটার সরঞ্জাম যাবে হেলিকাপ্টারে।

দীঘিনালায় চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মো. কাশেম (আনারস) ও ইউপিডিএফ প্রসীত সমর্থিত প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা (মোটরসাইকেল)। দুই প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণায় সরগরম দীঘিনালার প্রত্যন্ত জনপদ। উভয় প্রার্থীই জয়ে আশাবাদী। ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরাও বসে নেই।

দীঘিনালায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোস্তফা কামাল মিন্টু (টিউবওয়েল), সোলাইমান (টিয়াপাখি ) ও সুসময় চাকমা (চশমা)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সীমা দেওয়ান (কলসী) ও বিলকিছ বেগম পেয়েছেন (প্রজাপতি) প্রতীক।

পানছড়ি উপজেলা পরিষদে আওয়ামী লীগের কোন নেতাকর্মী চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়নি। সেখানে দুই আঞ্চলিক দল ইউপিডিএফ প্রসীত ও ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পানছড়ি উপজেলার ২৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১টিতে শূন্য ভোট ও অপর কেন্দ্রে মাত্র একটি ভোট পড়ে। পানছড়িতে মোট ভোটার ৫৬ হাজার ৫ ভোট। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২৮ হাজার ২৪ ভোট ও নারী ভোটার ২৭ হাজার ৯৮০ ভোট।

পানছড়িতে চেয়ারম্যান পদে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক সমর্থিত প্রার্থী মিটন চাকমা (আনারস) ও বর্তমান উপজেলা পরিষদের ইউপিডিএফ প্রসীত সমর্থিত চন্দ দেব চাকমা (কাপ-পিরিচ) নিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।

ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপ সমর্থিত প্রার্থী পানছড়ির প্রত্যন্ত এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালালেও ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের প্রচারণা বাজার কেন্দ্রিক। প্রতিদ্বন্দ্বী দুই আঞ্চলিক দলের প্রার্থীর কারণে এ উপজেলার সাধারণ ভোটাররা নির্বাচনের দিন সংঘাতে আশঙ্কায় আতঙ্কিত। দুই আঞ্চলিক দলের প্রার্থী নিজেদের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হলেও বিএনপির বর্জন ও আওয়ামী লীগেরও প্রার্থী না থাকায় ভোট নিয়ে আগ্রহ নেই ভোটারদের মাঝে।

মিটন চাকমা তিনি নির্বাচিত হলে সহাবস্থান ও উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন। অপরদিকে চন্দ্র দেব চাকমা বলেন, অবাধ,সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে তিনিই নির্বাচিত হবে।

পানছড়িতে ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে লোকমান হোসেন (বৈদ্যুতিক বাল্ব), জয়নাথ দেব (তালা), সৈকত চাকমা (টিউবওয়েল) ও কিরণ ত্রিপুরা পেয়েছেন (চশমা)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনিতা ত্রিপুরা ফুটবল) ও সুজাতা চাকমা (কলস) প্রতীক নিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।

রির্টানিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জোনায়েদ কবীর সোহাগ বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। এ ব্যাপারে সকল প্রার্থীর সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

আরও খবর



রাস্তায় নিম্মমানের বিটুমিন ও সামগ্রী ব্যবহার ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ৭৪জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরের কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) নেজামপুর-হাতিনান্দা পর্যন্ত্য ৩০০মিটার রাস্তা নির্মাণের কার্পেটিংয়ে নিম্নমাণের বিটুমিন ও বেডে নিম্নমাণের ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, রাস্তা নির্মাণকাজের শুরুতেই ব্যাপক অনিযমের অভিযোগ এনে গ্রামবাসি নির্মাণকাজে বাধা দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করেন। সম্প্রতি ইউপি চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি ফরহাদ প্রয়াত হবার সুযোগে সাব-ঠিকাদার সুরুজ আলী তার নিজের ইচ্ছেমতো কাজ করেছেন।স্থানীয় ইউপি সদস্যকে(মেম্বার) অবগত ও তার উপস্থিতি কাজ করার কথা থাকলেও তাকে জানানোই হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, রাস্তার সাববেইজ করার সময় ইটের খোয়া ও বালু একইরকম ব্যবহার করার কথা থাকলেও এখানে চার ভাগের একভাগ খোয়া ব্যবহার করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কার্যসহকারি বলেন, এমনিতে বিটুমিনের মান খারাপ তার ওপর প্রায় ২৫ কিলোমিটার দুরের পরানপুর মাঠ থেকে ট্রলিতে করে পাথর নিয়ে আশায় টেম্পারেচারের মান নস্ট হয়েছে।

জানা গেছে, দেশের সড়ক-মহাসড়ক উন্নত করার লক্ষ্যে ২০১৫ সালে বিটুমিন ব্যবহার নিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়। সেই প্রজ্ঞাপণে বিটুমিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইআরএল-এর বিটুমিন ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। সেটি পাওয়া না গেলে ৬০ থেকে ৭০ গ্রেডের 
বিটুমিন ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্ত্ত নেজামপুর রাস্তায় সেই মাণের বিটুমিন ব্যবহার করা হয়নি। এখানে আমদানি করা নিম্নমাণের বিটুমিন ব্যবহার করা হয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে সাব-ঠিকাদার সুরুজ আলী বলেন,স্থানীয়রা যে অভিযোগ করছেন তা ঠিক নয়। তিনি বলেন, সিডিউল মোতাবেক কাজ করা হয়েছে।এছাড়াও প্রকাশনগর পরানপুর গ্রাম থেকে চরশত মিটার রাস্তাও একই ভাবে অনিয়ম করে কার্পেটিং করা হয়েছে। খোয়ার ওপর করা হয়েছে কার্পেটিং। 

সরেজমিনে এমন অবস্থা দেখলে এসও শাহিন সালাম দ্রুত শ্রমিকদের বলেন পরিস্কার করে পিচ দিয়ে কার্পেটিং করতে হবে। প্রায় প্রতিটি রাস্তা দরপত্রে যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পায় তার কাছ থেকে এলজিইডির একশ্রেণির কর্মকর্তারা পছন্দের ঠিকাদারের কাছে বিক্রি করতে বলেন। প্রায় রাস্তা অগ্রিম লাভ দিয়ে কিনে করার কারনে ব্যাপক অনিয়ম করা হয় বলে অহরহ অভিযোগ থাকলেও রহস্য জনক কারনে কর্তৃপক্ষ একেবারেই নিরব। যার কারনে বিভিন্ন দোহায়ে ও এলজিইডি অফিস কে ম্যানেজ করে চলছে অনিয়ম দূর্নীতির কাজ৷ যা সরেজমিনে তদন্ত করলেই বেরিয়ে পড়বে ভয়াবহ দূর্নীতি। 
 
উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমান বলেন, রাস্তার কাজের অনিয়মের ব্যাপারে আমার জানা নেই, কেউ কোনো অভিযোগও করেনি। তিনি বলেন, রাস্তা পরিদর্শনে অনিয়মের কোনো সত্যতা পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) বুলু বলেন, ঠিকাদারের বিল পরিশোধের আগে, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে রাস্তা সরেজমিন পরিদর্শনের দাবি জানান।

আরও খবর



প্রচন্ড গরমে স্বস্তি পেতে ফুটপাতের শরবতের দোকানে ভীর

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১০৬জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:প্রচন্ড গরমে সৈয়দপুরের মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। প্রচন্ড তাপ আর ভ্যাপসা গরমে শরীর পুড়ে যাওয়ার ভয়ে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হওয়ার চিন্তাও কেউ করছেন না।কিন্তু রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকের ঘরে থাকার উপায় নেই। তাপমাত্রা যতই থাকুক,দেশ ও জনগনের খোঁজ খবর রাখতে তাদের বাড়ির বাইরে বের হতেই হবে। অন্য দিকে জীবিকার তাগিদে দিনমজুরদের ঘরে থাকার ও উপায় নেই। প্রচন্ড তাপমাত্রায় একটু স্বস্তি দিতে শহরের বিভিন্ন জায়গায় বসেছে শরবতের দোকান।


২৯ এপ্রিল দুপুর বেলায় শহরের অসহায় মানুষের খোঁজ খবর ও তথ্য পাত্ত সংগ্রহ শেষে ক্লান্ত শরীরে ফুটপাতের শরবতের দোকানে ভীর করেন মাটি ও মানুষের নেতা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন।। তার সাথেই ছিলেন স্হানীয় একাধিক সাংবাদিক। প্রচন্ড গরমে একটু স্বস্তি পেতে পান করেন ফুটপাতের শরবত।

এছাড়া শহরের প্রায় ১০ টি স্পটে খোলা হয়েছে সরবতের দোকান। অনেকে ভ্যানে করে বিক্রি
করছেন স্কুল কলেজ ও মহল্লায় মহল্লায় গিয়ে।  দই, বেল ও হরেক রকম সুস্বাদু ও সুগন্ধি দিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে শরবত। সকাল ১১ টার পর থেকে বিকাল ৪/৫ পর্যন্ত ওইসব শরবতের দোকানে থাকছে প্রচন্ড ভীড়। 

২৯ এপ্রিল দুপুরে শহরের পোষ্ট অফিসের সামনে শরবত বিক্রেতা নাসিম বলেন, প্রায় ১০/১২ দিন থেকে লাগাতার গরম পরছে। একারনে মানুষ গরম থেকে সামান্য একটু স্বস্তি পেতেই শরবত পান করতে আসছেন। বিক্রি ও হচ্ছে প্রচুর।সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৪/৫ পর্যন্ত প্রায় ৫০০ গ্লাসেরও বেশি শরবত বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, এক গ্লাস দই এর সরবত ১০ টাকা, আর বেলের শরবত ২০ টাকা করে দেয়া হচ্ছে। 

শহরের ১ নং রেলঘুমটি সংলগ্ন আজমলের দোকানে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ফলের শরবত। ইসবগুল এর ভুষি, ও তোকমার সাথে আপেল সহ বিভিন্ন ধরনের ফলের জুস মিশিয়ে বিক্রি হচ্ছে শরবত।আর এই শরবত ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এক গ্লাস।

তবে অনেকেই এসব শরবত নিয়ে প্রস্ন তুলছেন। কারন তাদের ব্যবহার করা করা আর বরফ স্বাস্থ্য সম্মত কি নয়। এনিয়ে দোকানী আজমল বলেন,আমি শরবতে যে পানি ব্যবহার করছি সেটি ফুটানো পানি।এর সাথে বাড়ির ফ্রিজের বরফ মিশ্রন করা হচ্ছে। 

সৈয়দপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন বলেন, আমরা মাঝে মধ্যে গরমে নেতা কর্মী ও সাংবাদিকদের নিয়ে ফুটপাতের শরবতের দোকানে শরবত পান করি। আজ পর্যন্ত নোংরা কিছু চোখে পড়েনি। 

তবে ডাক্তার ওয়াসিম বারি জয় বলেন, সবই ঠিক আছে কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে শরবতের ওই পানিটাই যেন মানুষের অসুস্থতার কারন হয়ে না দ্বাড়ায়।কারন খোলা থাকা পানিতে অল্পতেই জিবানু বাসা বাঁধতে পারে। সাবধানতার সাথে এসব পান করতে তিনি পরামর্শ দেন।

আরও খবর



এমপি আনারের মরদেহ নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ২০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ভারতে গিয়ে নিখোঁজ বাংলাদেশের এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারের মরদেহ কলকাতার অভিজাত এলাকা নিউটাউন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বুধবার (২২ মে) সকালে গণমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের এক ডিআইজির উদ্বৃতি দিয়ে আমাদের পুলিশও বলেছে আনোয়ারুল আজিমের মরদেহ পাওয়া গেছে কলকাতায়। বিষয়টি নিয়ে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত তথ্য নেই আমাদের কাছে। আমাদের আইজি ডিটেইলস খবর নিচ্ছে। সব নিশ্চিত হয়ে গণমাধ্যমকে জানাব।

আনোয়ারুল আজীমের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আব্দুর রউফ জানিয়েছেন, এমপি আনারকে হত্যা করা হয়েছে কি না সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সীমান্ত এলাকা ঝিনাইদহ-৪ আসনের টানা তিনবারের এমপি ও কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন আনোয়ারুল আজীম আনার। গত ১১ মে আনোয়ারুল আজিম আনার চিকিৎসার জন্য ভারতের কলকাতায় গিয়েছিলেন।


আরও খবর