Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী আর নেই

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী আর নেই

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১০০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (১৯ মে) স্থানীয় সময় আনুমানিক সকাল ৭টায় যুক্তরাজ্যের লন্ডনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।


গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ।


আবদুল গাফফার চৌধুরী স্বাধীনতা যুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের মাধ্যমে নিবন্ধিত স্বাধীন বাংলার প্রথম পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক জয় বাংলা’র প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন। তিনি ভাষা আন্দোলনের স্মরণীয় গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র রচয়িতা।


আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর জন্ম ১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া গ্রামে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের মিডলসেক্সে এজোয়ার এলাবার মেথুইন রোডের ৫৬ নম্বর বাড়িতে বসবাস করতেন।


ছাত্রজীবনে লেখালেখিতে হাতেখড়ি হয়েছিল তার। ১৯৪৯ সালে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সম্পাদিত মাসিক সওগাত পত্রিকায় তার গল্প প্রকাশিত হয়। ১৯৫২ সালে সাময়িকপত্রে প্রকাশিত হয় প্রথম উপন্যাস ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’।


আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর সাংবাদিকতায় হাতেখড়িও ছাত্রজীবনে। ঢাকা কলেজের ছাত্র থাকাকালে যোগ দেন দৈনিক ইনসাফ পত্রিকায়। ১৯৫১ সালে যোগ দেন খায়রুল কবীর সম্পাদিত দৈনিক সংবাদের বার্তা বিভাগে। ১৯৫৬ সালে যোগ দেন তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া সম্পাদিত দৈনিক ইত্তেফাকে।



১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী কলমযোদ্ধার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। জয় বাংলা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে মডারেটরের ভূমিকাও পালন করেন। স্বাধীনতার পর ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক জনপদের প্রধান সম্পাদক ছিলেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।


তিনি ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে লন্ডনে পাড়ি জমান। ১৯৭৬ সালে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী সেখানে ‘বাংলার ডাক’ নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। ‘সাপ্তাহিক জাগরণ’ পত্রিকায়ও কিছুদিন কাজ করেন। পরে তিনি ‘নতুন দিন’ ও ‘পূর্বদেশ’ পত্রিকা বের করেন। প্রবাসে থাকলেও গাফ্ফার চৌধুরী আমৃত্যু বাংলাদেশের প্রধান প্রধান সংবাদ মাধ্যমে নিয়মিত লিখে গেছেন। এছাড়া ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন নানা সভা-সেমিনারে।


গাফ্ফার চৌধুরী ইউনেস্কো পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পদক, একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদকসহ অসংখ্য পদক ও সম্মাননা পেয়েছেন।


আরও খবর



২২ জুন থেকে ফ্যামিলি কার্ডে মিলতে পারে টিসিবির পণ্য

প্রকাশিত:Thursday ১৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

রাজধানীসহ সারাদেশে আগামী ২২ জুন থেকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকারি বিপণন সংস্থা (টিসিবি)। এ দফায় সারাদেশে এক কোটি পরিবারকে পণ্য দেওয়া হবে। তবে সেটি শুধু ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে। এর ফলে ট্রাক সেল বন্ধ হয়ে যাবে।

এ বিষয়ে টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির জাগো নিউজকে বলেন, আমরা ২২ জুন থেকে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে সেটা চূড়ান্ত নয়। এটা সম্ভব্য তারিখ। কয়েকদিনের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে মিটিং করে চূড়ান্ত তারিখ জানানো হবে।

জানা গেছে, আগের মতো সয়াবিন তেল, ডাল ও চিনি বিক্রি করতে চায় সংস্থাটি। এজন্য আগের নির্ধারিত মূল্যই এখন পর্যন্ত ঠিক রাখা হয়েছে। ওই মিটিংয়ে তেলের দাম বাড়তেও পারে।

অন্যদিকে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বুধবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে দরপত্রের মাধ্যমে সয়াবিন তেল, চিনি ও মসুর ডাল কেনার তিনটি আলাদা প্রস্তাব পাস হয়।

টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আরিফুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, ফ্যামিলি কার্ডে বিক্রির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে এ বিষয়ে অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। তবে এখনো সাড়া আসেনি। অনুমতি পেলেই কার্যকম শুরু হবে।

চলতি মাসের ১ তারিখ থেকে টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডে পণ্য বিক্রি শুরুর কথা ছিল। তবে ঢাকা ও বরিশাল সিটি করপোরেশনে নতুন করে ফ্যামিলি কার্ড তৈরি কার্যকম শেষ না হওয়ায় বিক্রি কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি সংস্থাটি। এরই মধ্যে এ দুই সিটিতে ওয়ার্ড কমিনারদের মাধ্যমে এ কার্ড তৈরির কার্যক্রম প্রায় শেষ হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য এলাকায় করোনাকালে ফ্যামিলি কার্ড তৈরি করা হয়েছিল।

চলতি অর্থবছরে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নিম্ন আয়ের মানুষদের স্বস্তি দিতে প্রায় সারা বছর ১১ দফায় পণ্য বিক্রি করেছে টিসিবি। এতদিন ট্রাকে তেল, চিনি, পেঁয়াজ, ডাল, খেজুর, ছোলা সুলভ মূল্যে বিক্রি হতো। এখন সে কার্যক্রম হবে ফ্যামিলি কার্ডে। শুধু কার্ডধারী ব্যক্তিরা এখন সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য পাবেন।


আরও খবর



রপ্তানি বাড়াতে বিজিএমইএর প্রতিনিধি দলের জার্মানি সফর

প্রকাশিত:Saturday ০৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৯৮জন দেখেছেন
Image

ইউরোপে রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসানের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল জার্মানি সফর করেছেন।

প্রতিনিধি দল ২ জুন জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি অব ইকনোমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিএমজেড) পার্লামেন্টারি স্টেট সেক্রেটারি (ডেপুটি মিনিস্টার) ড. বারবেল কোফলারের সাক্ষাৎ দেখা করেন।

একইদিন সকালে জার্মানির ফেডারেল মিনিস্ট্রি অব ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ক্লাইমেট অ্যাকশনের ডিজি ডোমিনিক স্নিসেলসের সঙ্গে সভা করেন। এসব মিটিংয়ে জার্মানির নতুন সাপ্লাই চেইন আইন ২০২১ মেনে কিভাবে বাংলাদেশ, জার্মানি তথা গোটা ইউরোপে রপ্তানি বৃদ্ধি করতে পারে সেই ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এছাড়াও প্রতিনিধি দল জার্মান উন্নয়ন সংস্থা জিআইজেডের সঙ্গে হোটেল ক্রাউন প্লাজায় এক আলোচনা সভায় মিলিত হন। প্রতিনিধি দল সফরের দ্বিতীয় দিনে জার্মানির হামবুর্গে এশিয়া-প্যাসিফিক বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত টেক্সটাইল রাউন্ডটেবিল বৈঠকে অংশ নেয়।

বাংলাদেশ দূতাবাসের বাণিজ্যিক কার্যালয় যৌথভাবে এই রাউন্ড টেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। এই রাউন্ড টেবিল বৈঠকটি জার্মানির বিখ্যাত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী ভুনসে গ্রুপের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া প্রতিনিধিদল বিখ্যাত জার্মান কোম্পানি মিলেস জিএমবিএইচ পরিদর্শন করেন।

জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এনডিসি বিজিএমইএয়ের উচ্চ পর্যায়ের এই প্রতিনিধি দলের সাথে বিভিন্ন মিটিংয়ে অংশ নেন। বিজিএমইএয়ের এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন প্রেসিডেন্ট ফারুখ হাসান, ভাইস প্রেসিডেন্ট মিরান আলী, ডাইরেক্টর আমরিত খান, নিলা হোসনা আরা, ইমরানুর রহমান ও শামস মাহমুদ।

জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর মো. সাইফুল ইসলাম বিজিএমইএ এর উচ্চ পর্যায়ের এই প্রতিনিধি দলের এই সফরের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় করেন।

বিজিএমইএয়ের প্রেসিডেন্ট মিটিংয়ে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের কাছে বাংলাদেশের সক্ষমতা তুলে ধরেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য গার্মেন্ট। বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। পৃথিবীর সব ব্র্যান্ডের পোশাক বাংলাদেশের ফ্যাক্টরি গুলোতে উৎপাদন হচ্ছে যা আন্তর্জাতিক মানের। সব কমপ্লায়েন্স সার্টিফিকেট রয়েছে বাংলাদেশের গার্মেন্ট শিল্পের।

তিনি জানিয়েছেন, সারাবিশ্বে দশটি গ্রিন গার্মেন্ট রয়েছে যার মধ্যে বাংলাদেশেই ৯টি। বাংলাদেশ ২০২৬ সালে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নত হবে। এরপর তিন বছর ইইউ থেকে শুল্ক-মুক্ত সুবিধা পাবে। তিনি এই সুবিধা আরও ১০-১২ বছর অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন।


আরও খবর



চোখ লাফানোও হতে পারে গর্ভধারণের লক্ষণ!

প্রকাশিত:Friday ১৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
Image

চোখের পাতা কেঁপে ওঠার অনুভূতির সঙ্গে সবাই কমবেশি পরিচিত। হঠাৎ করেই চোখের পাতা কেঁপে ওঠাকে অনেকেই চোখ লাফানো বলে সম্বোধন করেন।

আবার এ বিষয়কে অনেকেই অশুভ বা খারাপ কোনো লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করেন। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, গর্ভধারণেরও লক্ষণ হতে পারে অতিরিক্ত চোখ কাঁপা।

চোখ লাফায় কেন?

চোখের পাতা কেঁপে ওঠার ঘটনাটি তখনই ঘটে যখন চোখের পেশি বা পাতার খিঁচুনি বা নড়াচড়া। যা চাইলেও আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। চিকিৎসকরা একে ব্লেফারোস্পাজম বলেন। এটি আপনার উপরের চোখের পাতায় ঘটে থাকে। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য চোখের পাতা কেঁপে ওঠে।

আমেরিকার স্বাস্থ্য পত্রিকা ‘হেলথলাইন’এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্র অনুযায়ী, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় চোখ লাফানোর বেশ কিছু কারণ আছে। জেনে নিন কী কী-

>> অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় নারীদের মানসিক চাপ অকেটাই বেড়ে। শারীরিক বিভিন্ন পরিবর্তনের প্রভাবেই এমনটি ঘটে। ফলে মানসিকভাবে কিছুটা অস্থির, খিটখিটে হয়ে পড়েন নারীরা। এ কারণেও চোখ লাফাতে পারে।

>> গর্ভাবস্থায় শরীর অনেক ক্লান্ত হয়ে পড়া স্বাভাবিক। কারণ দেহে আরেকটা প্রাণ নিয়ে ঘোরাফেরা করা সহজ নয়। তাই এ সময় নারীরা অনেকটাই ক্লান্ত থাকেন। আর চোখ লাফানোর কারণ হতে পারে ক্লান্ত্রি।

>> শরীরে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি থাকার কারণেও চোখ লাফাতে পারে। বিশেষ করে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়ামের ভারসাম্যহীনতা চোখের খিঁচুনির জন্য দায়ী হতে পারে।

ম্যাগনেসিয়াম ৩০০টিরও বেশি এনজাইম সিস্টেমের অংশ, যা শরীরের বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। যার মধ্যে পেশি সংকোচনও আছে। এদিকে সর্বোত্তম স্নায়ু আবেগ সংক্রমণের জন্য পটাসিয়াম প্রয়োজন।

>> প্রতি মিনিটে ১০-২০ বার চোখের পলক ফেলা স্বাভাবিক বিষয়। তবে যখন কম্পিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে কেউ চোখ রাখেন, সেক্ষেত্রে চোখের পলক কম পড়ে। আর এ অভ্যাস চোখ শুষ্কতার কারণ হতে পারে।
এছাড়া গর্ভাবস্থায় চোখের শুষ্কভাব বিভিন্ন কারণে বেড়ে যেতে পারে। আর এ কারণে চোখ লাফানোও বাড়তে পারে। তাই চোখের শুষ্কভাব এঢ়াতে এ সময় স্ক্রিনটাইম কমাতে হবে।

>> ক্যাফেইনের কারণে চোখ লাপাতে পারে। তবে গর্ভাবস্থায় অবশ্যই ক্যাফেইন গ্রহণ এড়িয়ে যেতে হবে।

চোখ লাফানো ছাড়াও গর্ভাবস্থায় চোখের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগতে পারেন নারীরা। যেমন-

>>গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনে মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়তে পারে। যা উজ্জ্বল আলো বা রোদের কারণে হতে পারে।

>> ফ্লোটার বা ক্ষুদ্র দাগ দৃষ্টিতে ভেসে বেড়ায়। যারা উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের রোগী গর্ভাবস্থায় তারা চোখে ভাসমান এসব ছোট ছোট দাগ দেখতে পান।

>> অনেকেই গর্ভাবস্থায় দৃষ্টিশক্তির সমস্যায় ভোগেন। তবে এ সময় দৃষ্টিশক্তির ব্যাঘাত হতে পারে প্রিক্ল্যাম্পসিয়ার সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ। তাই সতর্ক থাকতে হবে।

>> এছাড়া ঝাপসা দৃষ্টির সমস্যাতেও গর্ভাবস্থায় অনেকেই ভোগেন। আসলে গর্ভাবস্থায় পায়ে যেমন তরল জমে, ঠিক তেমনই চোখেও তরল জমা হতে পারে। ফলে কর্নিয়ার পরিবর্তন হয় ও দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে।

সূত্র: হেলথলাইন


আরও খবর



বন্ধুর সাবেক স্ত্রীকে বিয়ের জেরে খুন হন রাকিব

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

খুন, অস্ত্র মামলাসহ ১৩ মামলার আসামি রাসেল হোসেন ওরফে কাটা রাসেল (৩১)। ৭ বছর আগে নিজেদের পছন্দে বিয়ে করেন রাসেল ও লাবণ্য সিদ্দিকা সাথী (২৬)। তাদের ঘরে রেদোয়ান আহমেদ রোজ নামে পাঁচ বছর বয়সী ছেলেও রয়েছে। গত ২৩ মার্চ দস্যুতার ঘটনায় নাটোর সদর থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে জেলহাজতে যান রাসেল। হাজতে থাকাবস্থায় সাথী তাকে ডিভোর্স দিয়ে রাকিব হোসেন (২৫) নামে রাসেলের এক বন্ধুকে বিয়ে করেন।

রাসেলের কাছেও চলে যায় এই সংবাদ। এরপর জামিনে মুক্ত ছুরিকাঘাতে খুন করেন রাকিবকে। এ ঘটনায় ছায়া তদন্ত করে মঙ্গলবার (১৪ জুন) ভোরে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাসেলকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

দুপুরে মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির এলআইসি শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মুক্তা ধর এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জামিনে মুক্ত হয়ে বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনাটি বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বেশ গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার হয়। ঘটনার পর সিআইডি ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে রাসেল হোসেনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। পরে এলআইসি’র একটি চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা করে রাসেল হোসেন ওরফে কাটা রাসেলকে মিরপুর মডেল থানাধীন এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তিনি একজন উচ্ছৃঙ্খল যুবক। প্রায় সাত বছর আগে নিজেদের পছন্দে চক বৌদ্ধনাথপুর এলাকার লাবণ্য সিদ্দিকা সাথী ও রাসেল বিয়ে করেন। তাদের একটি ছেলেও রয়েছে। গত ২৩ মার্চ দস্যুতার ঘটনার সঙ্গে জড়িত সংক্রান্তে নাটোর সদর থানা পুলিশৈর হাতে গ্রেফতার হয়ে জেলহাজতে ছিলেন রাসেল। এরপর তাকে ডিভোর্স দিয়ে রাকিবকে বিয়ে করে দাম্পত্য জীবন শুরু করেন সাথী। রাসেল ডিভোর্সের সংবাদ পেয়ে বন্ধু থেকে শত্রুতে পরিণত হওয়া রাকিবের ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ছক কষতে থাকেন।

rasel-2.jpg

মুক্তা ধর বলেন, এরপর ৩১ মে রাকিব জামিনে মুক্তিলাভ করে এলাকায় এসে খুঁজতে থাকেন রাকিবকে। ১ জুন দুপুর ১২টার দিকে কৌশলে রাকিবকে ডেকে নিয়ে নাটোর রেলওয়ে স্টেশনের ৩নং ওভার ব্রিজের ওপর যান। সেখানে রাসেলকে দেখা মাত্রই দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন রাকিব। এসশয় রাসেল সঙ্গে থাকা লোকদের সহায়তায় রাকিবের পিঠে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো ছুরি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে দ্রুত পালিয়ে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা রাকিবকে উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হত্যার ঘটনার পর নিহত রাকিব হোসেনের বড় ভাই মো. শাকিল হোসেন গ্রেফতার রাসেলকে প্রধান আসামি করে সান্তাহার রেলওয়ে থানায় মামলা করেন।

গ্রেফতার রাসেল ওরফে কাটা রাসেলের বিরুদ্ধে খুন, অস্ত্র আইন, দস্যুতা, চাঁদাবাজি, চুরি, নারী নির্যাতন ও অন্যান্য ধারায় মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২টি মামলা তদন্তাধীন ও অবশিষ্ট ১১টি মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন বলেও জানান সিআইডির এই কর্মকর্তা।

এক প্রশ্নের জবাবে এসএসপি মুক্তা ধর বলেন, রাকিবকে হত্যার ঘটনায় রাসেলকে জিজ্ঞাবাদে অন্যকেউ জড়িত থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।


আরও খবর



প্রেমের টানে মার্কিন যুবক গাজীপুরে

প্রকাশিত:Saturday ০৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৮১জন দেখেছেন
Image

প্রেমের কাছে সবকিছুই তুচ্ছ। প্রেম মানে না কোনো বাধা, কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা, ধর্ম, বর্ণ কোনো কিছুই। তাইতো প্রেমের টানে সুদূর যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে এসে বিয়ে করলেন এক আমেরিকান যুবক।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়। একবছর ধরে মন দেওয়া-নেওয়ার পর সুদূর যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে উড়ে এসে বিয়ে করলেন প্রেমিকাকে।

মার্কিন ওই যুবকের নাম রাইয়ান কফম্যান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মিশৌরি স্টেটের ক্যানসাস সিটির বাসিন্দা। আর প্রেমিকা গাজীপুর মহানগরের বাসন থানার ভোগড়া মধ্যপাড়া এলাকার মোশারফ হোসেনের নাতনি ও মৃত সিকান্দার আলীর মেয়ে সাইদা ইসলাম (২৬)।

রাইয়ান যুক্তরাষ্ট্রে নিজ এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অপারেটর পদে কাজ করেন। পড়াশোনা করেছেন মাধ্যমিক স্কুল পর্যন্ত। তার মা-বাবা ছাড়াও এক বড় ভাই রয়েছেন। তারা সেখানে প্রত্যেকেই আলাদাভাবে বসবাস করেন।

কনের নানা মোশারফ হোসেন জানান, ঢাকার দনিয়া এলাকার বাসিন্দা সিকান্দার আলী ২০১৯ সালে মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর মা ও তার ছোট বোনকে নিয়ে সাইদা গাজীপুরে নানা মোশারফ হোসেনের বাসায় চলে আসেন। সেখানেই এখন তারা বসবাস করছেন।

সাইদা জানান, ২০২১ সালের এপ্রিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রথম পরিচয় রাইয়ান কফম্যানের সঙ্গে। তারা নিজেদের ফোন নম্বর ও ঠিকানা বিনিময় করেন। এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ হতো তাদের মধ্যে। ফেসবুক ও ফোন নম্বরে ভিডিও কলে কথা বলতে বলতে নিজেরা আরও ঘনিষ্ঠ হন। এভাবে দুজন দুজনকে ভালোবেসে ফেলেন। প্রায় একবছর তারা ফেসবুকেই চুটিয়ে প্রেম করেন। শেষে দুজন সিদ্ধান্ত নেন বিয়ে করার। রাইয়ান বিয়ে করার জন্য তার দেশেই খৃষ্টধর্ম ত্যাগ করে যথা নিয়মে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পরে তার ও সাইদার পরিবারের সম্মতিতে এ বছরের ২৯ মে বাংলাদেশে পৌঁছান তিনি। এদিনই দুইজনের সরাসরি প্রথম দেখা হয়। তারপর সেখান থেকে সাইদার সঙ্গে সোজা গাজীপুরে নানার বাড়িতেই ওঠেন রাইয়ান। পরে সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বিয়ের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেন তারা।

রাইয়ান এখন গাজীপুরে মোশারফ মাস্টারের বাড়িতে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশে আসার আগেই বিয়ের গহনা ও কাপড়-চোপড়সহ মোবাইল ফোন কেনার জন্য রাইয়ান, সাইদার কাছে অর্থ পাঠান। রাইয়ান বাংলাদেশে আসার আগেই ওই অর্থ দিয়ে বিয়ের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সম্পন্ন করেন সাইদা।

এদিকে, সুদূর আমেরিকা থেকে এক যুবক গাজীপুর এসে স্থানীয় তরুণীকে বিয়ের খবরে উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় জমান।

সাইদার স্বজন ও বাংলাদেশিদের বিষয়ে অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করতে গিয়ে রাইয়ান বলেন, বাঙালিরা খুবই অতিথিপরায়ণ। আমেরিকায় অচেনাদের সঙ্গে কেউ খুব একটা কথা বলে না। কিন্তু বাংলাদেশে আসার পর দেখছি, আমার প্রতি সবাই খুবই আন্তরিক। খাবার-দাবার ও যত্ন নেওয়ার বিষয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজন খুবই ব্যস্ত হয়ে ওঠেন যা আমেরিকায় বিরল।

বিয়ের পর সাইদাকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার কথা জানান রাইয়ান। তিনি জানান, আনুষঙ্গিক কাগজপত্র (কে-ওয়ান) ও ভিসা প্রসেসিং করতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। এসব সম্পন্ন হলেই সাইদাকে আমেরিকা নিয়ে যাবেন। পরে সেখানেই তারা সংসার করবেন।


আরও খবর