Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

৫ কোটির বাড়ি, কোটি টাকার গাড়ি আছে দিশার

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
Image

বলিউড সেনশেসন দিশা পাটনির ক্যারিয়ার শুরু ২০১৫ সালে পুরি জগন্নাথ পরিচালিত তেলুগু ‘লোফার’ সিনেমার মধ্য দিয়ে। ২০১৮ সালে ‘বাগী ২’ ছবিতে নেহা রাওয়াত চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি।

যদিও এর আগেই ‘এম.এস. ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে তার অভিষেক হয়। বলিউডে প্রথম ছবি দিয়েই তিনি সাফল্যের শিখরে পৌঁছান। সালমান খানের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেন ‘ভারত’ সিনেমায়ও। ২০২০ সালে একই বছর ‘মালাং’ ও ‘বাগী ৩’ ছবিতে বাজিমাত করেন দিশা।

এরইমধ্যে বাগী ২’র নায়ক টাইগার শ্রফের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত জীবনে মন বিনিময়ের খবরও অনেকটা ওপেন সিক্রেট। টাইগার-দিশা অভিনয়ের পাশাপাশি নানা সময়ে প্রেমের সম্পর্ক নিয়েও আলোচনায় আসেন। বলা যায়, দিশা তার ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই টাইগারের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। যদিও ইদানিং তাদের সম্পর্কে ভাটা পড়েছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবর।

সে যা হোক, অর্ধযুগের ক্যারিয়ারে নিজের সিন্দুকটা কতটা ভারী করতে পেরেছেন দিশা, এ নিয়েও রয়েছে ভক্ত-দর্শকদের কৌতুহল। কত টাকার মালিক এ অভিনেত্রী? ব্যাংক-ব্যালেন্সইবা কী?

বলিউডে বেশি উপার্জন করা শীর্ষ ২০ জন অভিনেত্রীর মধ্যে দিশা পাটনির নাম রয়েছে। বর্তমানে ৮০ কোটি টাকার মালকিন তিনি। পারিশ্রমিক হিসাবে ছবি পিছু ছ’কোটি টাকা পর্যন্ত উপার্জন করেন দিশা। শুধু বড়পর্দাতেই নয়, দেশি বিদেশি বিভিন্ন নামী ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন প্রচারের মুখও তিনি।

প্রতি মাসে ছটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেন এ অভিনেত্রী। প্রতিটি বিজ্ঞাপনের জন্য তিনি নেন দেড় কোটি টাকা পর্যন্ত। ‘কেলভিন ক্লেইন’র ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসাবে বহুল প্রচলিত হলেও ‘পেপসি’, ‘ম্যাক’, ‘অরেলিয়া’ প্রভৃতি ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনেও অভিনেত্রী কাজ করেছেন।

jagonews24

বলিউডে প্রথম সিনেমার সাফল্যের পর মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় পাঁচ কোটি টাকা মূল্যের একটি বিলাসবহুল বাড়ি কিনেছিলেন দিশা। মাঝেমধ্যেই তার ছবিতে বান্দ্রার বাড়ি দেখা যায়। এ ছাড়াও খার এলাকায় তিনি আরও একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন। মুম্বইয়ের বিত্তশালীদের জন্য এই এলাকার নাম প্রচলিত। এই অ্যাপার্টমেন্ট কিনতে মোট ৫ দশমিক ৯ কোটি টাকা খরচ করেছেন অভিনেত্রী। ওই একই আবাসনে অভিনেত্রী রানি মুখার্জিও একটি অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন বলে সূত্রের খবর।

দিশার শখ নামি ব্র্যান্ডের গাড়ি গ্রাউন্ডে রাখা। তার সংগ্রহে রয়েছে মার্সিডিজ থেকে শুরু করে জাগুয়ারের মতো বহু দামি গাড়ি। সম্প্রতি অভিনেত্রী তার সংগ্রহে এক কোটি টাকা মূল্যের রেঞ্জ রোভার স্পোর্ট যুক্ত করেছেন। এছাড়া তার সংগ্রহে রয়েছে ৪৯ দশমিক ৯৩ লাখ টাকার মার্সিডিজ সি-২০০, ৬৫ লাখ টাকা মূল্যের জাগুয়ার এফ-পেস। তবে অভিনেত্রী প্রথম কিনেছিলেন হন্ডা সিভিক গাড়িটি। বর্তমানে ভারতীয় মুদ্রা অনুযায়ী, এই গাড়িটির মূল্য প্রায় সাড়ে ২২ লাখ লাখ টাকা।

পছন্দের গাড়ি কেনা ছাড়াও দিশার আরও একটি শখ হলো ডিজাইনার ব্যাগ ব্যবহার করা। পোশাকের সঙ্গে মানানসই ডিজাইনে ব্যাগ ব্যবহার করতে দেখা যায় তাকে। তার সংগ্রহে পাঁচ লাখ টাকা দামের একটি শ্যানেল ব্যাগ রয়েছে।

জানা যায়, দিশা পাটনির মাসিক উপার্জন প্রায় এক কোটি টাকা। ফোর্বসের তথ্য, দিশার উপার্জনের পরিমাণ প্রতি বছর ছয় শতাংশ হারে বাড়ছে। শিশু কল্যাণ বিষয়ক সামাজিক কাজে দিশা তার পারিশ্রমিকের একটি অংশ দান করেন।


আরও খবর



ঢেঁড়স ভেজানো পানিতেই বিভিন্ন রোগের সমাধান

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

ঢেঁড়স স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী এক সবজি। এতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টিগুণের মধ্যে আছে ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি ও বি কমপ্লেক্স।

ঢেঁড়সে থাকা পুষ্টি উপাদানসমূহ রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।

এতে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল যৌগসমূহ। বিশেষজ্ঞদের মেতে, ঢেঁড়স খুবই উপকারী এক সবজি। ২৪ ঘণ্টা ঢেঁড়স পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরে তা পান করলে শরীরের নানা উপকার হয়। ক্রীড়াবিদরা নিয়মিত এই পানীয় পান করেন।

বিজ্ঞান বলছে, ঢেঁড়সে মিউকিলেজে র্যামনোজ, গ্যালাকটোজ ও গ্যালাক্টুরনিক অ্যাসিডসহ স্বাস্থ্যকর শর্করা আছে। যা গ্যাস্ট্রিকের জ্বালা ও প্রদাহের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়। এশিয়ান ওষুধে ব্যবহৃত হয় ঢেঁড়স।

এই সবজি ভেজনো পানিতে দ্রবণীয় মিউকিলেজ থাকে। এছাড়াও এতে থাকে ফেনোলিক যৌগ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢেঁড়সে থাকা বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ পানিতে সহজেই দ্রবণীয় হয়। রান্না করলে সবটুকু পুষ্টিগুণ মেলে না।

ভারতের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. দেবাঞ্জন ব্যানার্জী বলেন, ‘ঢেঁড়স ম্যাঙ্গানিজের একটি বড় উৎস। এতে থাকা খনিজ উপাদান রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।’

ডা. ব্যানার্জী আরও যোগ করেন, ‘এতে উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন সি আছে, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে ও ফ্রি র্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াই করে। বার্ধক্যজনিত লক্ষণ নিয়ন্ত্রণ করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।’

এই চিকিৎসকের মতে, ঢেঁড়স ভেজানো পানি সত্যিই দুর্দান্ত এক পুষ্টিকর পানীয়। এটি বিজ্ঞানও প্রমাণ করেছে। ওজন কমানো থেকে শুরু করে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মতো কঠিন গুরুতর সমস্যার সমাধান মেলে ঢেঁড়স ভেজানো পানি পানেই। জেনে নিন ঢেঁড়স ভেজানো পানি পানেরি উপকারিতাসমূহ-

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

ঢেঁড়স ভেজানো পানিতে প্রচুর পরিমাণে পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েড যেমন কোয়ার দেখা গেছে, ঢেঁড়সের পানি রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়েছে ও ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়িয়েছে।

অনেক সম্প্রদায়ের মানুষই ঐতিহ্যগতভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা নিরাময়ের জন্য ঢেঁড়স ভেজানো পানি পান করেন।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস

ঢেঁড়স ভেজানো পানিতে শক্তিশালী প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যেমন- ফেনোলিক যৌগ, ফ্ল্যাভোনয়েড ও ভিটামিন সি। এসব অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষতিকারক ফ্রি র্যাডিকেলকে ধ্বংস করে ও অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের ক্ষতি প্রতিরোধ করে।

এটি বার্ধক্যের প্রাথমিক লক্ষণ যেমন- বলিরেখা ও ত্বকের ক্ষতিও কমায় উপকারী। আবার সূর্যের ক্ষতি থেকেও ত্বককে রক্ষা করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

ঢেঁড়স ভেজানো পানিতে পাওয়া শর্করা পলিস্যাকারাইড (চিনি) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে। এমনকি প্লীহার ফাংশন বাড়ায় ও প্রতিরোধ ক্ষমতা সংকেত উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে।

সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে

অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও ফেনোলিক যৌগগুলোর একটি ভালো উৎস হলো ঢেঁড়স। এর নির্যাস প্যাথোজেনিক ব্যাকটেরিয়া যেমন- মাইকোব্যাকটেরিয়াম, এসচেরিচিয়া কোলাই ওস্ট্যাফিলোকক্কাস অরিয়াস এর বৃদ্ধিকে বাঁধা দিতে পারে।

হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে

ঢেঁড়স ভেজানো পানিতে বায়োঅ্যাকটিভ যৌগ আছে, যা রক্তে উচ্চতর লিপিড (চর্বি) এর মাত্রা কমাতে পারে। কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, ঢেঁড়স ভেজানো পানির নির্যাস বিভিন্ন লিপিড ভগ্নাংশ (কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড ও এলডিএল) ও এথেরোজেনিক সূচক (কার্ডিওভাসকুলার ঝুঁকির একটি পরিমাপ) কমিয়েছে।

ঢেঁড়সের নির্যাস রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এটি এথেরোস্ক্লেরোসিসের মতো হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় (ধমনীর দেওয়াল ও তার উপর চর্বি, কোলেস্টেরল ও অন্যান্য পদার্থ জমা হওয়া)।

ডা. ব্যানার্জী বলেন, ‘এই সবজিতে থাকা সবটুকু পুষ্টিগুণ পেতে ভোরবেলা খালি পেটে সারারাত ঢেঁড়স ভেজানো পানি পান করুন।’

‘তবে অবশ্যই তা ২৪ ঘণ্টার বেশি হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে ও ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে ঢেঁড়সগুলো। যাদের ঢেঁড়সে অ্যালার্জি আছে তারা অবশ্যই এই সবজি এড়িয়ে চলুন।’


আরও খবর



‘জাতীয় দলের ক্রিকেটার হয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই’

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

‘জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়ে রংপুরের যাওয়ার পর সংবর্ধনা পেয়েছি। জেলা প্রশাসক স্যার এসেছিলেন, ডিআইজি স্যার ছিলেন, ক্রিকেট কোচরা ছিলেন। আমরা আনন্দ করেছি। আরও কিছু আয়োজন ছিল, তবে অনূর্ধ্ব-১৭ এর ক্যাম্প থাকায় আমি থাকতে পারিনি’ - আলাপচারিতায় এমনটিই বলছিলেন শাইখ ইমতিয়াজ শিহাব।

জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ম্যাচ সেরা, টুর্নামেন্ট সেরা এবং সেরা বোলারের পুরস্কার ছিল তারই দখলে। চ্যাম্পিয়ন দল রংপুর শিশু নিকেতনের অধিনায়ক ও তিন বিভাগে সেরা পুরস্কার পাওয়া শাইখ ইমতিয়াজ শিহাব এর সাথে কথা বলেছেন মোশারফ হোসাইন

জাগো নিউজ: ক্রিকেট নৈপুণ্য দিয়ে সবার নজর কাড়লেন এবার। কখন, কিভাবে প্রকাশ পেল আপনার ক্রিকেট মেধা?

শাইখ ইমতিয়াজ শিহাব: চতুর্থ শ্রেণিতে যখন পড়ি তখন রংপুর পান্থকুঞ্জ ক্রিকেট একাডেমিতে অনুশীলন করার সময় আন্তঃস্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে যিনি আমার কোচ ছিলেন, তিনি আমাকে দেখে পছন্দ করেন এবং আমার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ছেলেটাকে আমার স্কুলে খেলাবো। সে সময় স্যাররা, বড় ভাইয়েরা এবং আশেপাশের মানুষ বলেছে এতো ছোট বাচ্চা! সেকি খেলতে পারবে? আমার কোচ তখন বলেছিলেন, শিহাব পারবে। শিহাবের সেই সক্ষমতা আছে।

এরপর আন্তঃস্কুল ক্রিকেটে খেলার সুযোগ পাই। আমার দলে ও আমার বিপক্ষ যারা খেলতো তারা আমার চেয়ে অনেক বড় ছিল, কেউ নবম শ্রেণিতে পড়তো কেউবা দশম শ্রেণিতে। আন্তঃ স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ছিল আমার ১ম কোনো বড় ইভেন্টে খেলা, ১মবারই দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে সক্ষম হই এবং ৪ উইকেট নিয়ে আমি ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হই। সবাই আমার খুব প্রশংসা করে। আরও ভালো খেলার প্রেরণা পাই।

Shihab

জাগো নিউজ: পরিবার আপনার ক্রিকেটকে কিভাবে দেখে?

শিহাব: বাবা টিভিতে ক্রিকেট খেলা দেখে বলতেন তোমাকে তাদের চেয়েও বড় ক্রিকেটার হতে হবে, দেশের জন্য খেলতে হবে। বলা যায় আবার অনুপ্রেরণায় ও তার ইচ্ছে পূরণ করতেই আমার ক্রিকেটে আসা। এবং জাতীয় দলের একজন ভালো ক্রিকেটার হয়ে বাবা স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। পরিবার আমাকে খুবই সাপোর্ট দেয়, আর তারা সাপোর্ট দিয়েছে বলেই আমি এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি।

জাগো নিউজ: অনেকের তো অনেক কিছু হওয়ার স্বপ্ন থাকে, আপনার কি হওয়ার স্বপ্ন?

শিহাব: ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছে, বড় একজন ক্রিকেটার হবো। ক্রিকেটের সাথে পুরোপুরি জড়িয়ে যাওয়ায় অন্য কিছু হবো- সেসব ভাবনায়ও আসতো না। ক্রিকেটই ধ্যানজ্ঞান হয়ে থাকে।

জাগো নিউজ: দেশের ও দেশের বাইরের কোন ক্রিকেটারকে আপনার ভালো লাগে, কাকে ফলো করেন এবং কোন ক্রিকেটারের মতো হতে চান?

শিহাব: দেশের ক্রিকেটে মুশফিকুর রহিম ও আফিফ হাসান ধ্রুব’র ব্যাটিং স্টাইল ভালো লাগে এবং বিদেশি ক্রিকেটার মধ্যে ভালো লাগে বিরাট কোহলি ও রশিদ খানকে। আমি লেগ স্পিনার হিসেবে রশিদ খানকে ফলো করলেও তার মতো হতে চাই না, তার চেয়ে আরও ভালো মানের বোলার হতে চাই। নিজেকে নিজের মতো করে তৈরি করছি।

জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শেষে লেগ স্পিনার এই উদীয়মান ক্রিকেটার ডাক পেয়েছেন অনূর্ধ্ব-১৭ ক্যাম্পে। এখন প্রত্যাশা এগিয়ে যাওয়ার, জাতীয় দলে খেলে যেন দেশকে প্রতিনিধিত্ব কর‍তে পারেন। এ কারণে ক্রিকেটপ্রেমী মানুষ ও দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন শিহাব।


আরও খবর



চাল আমদানিতে আগ্রহ নেই ব্যবসায়ীদের

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবসায়ীদের কম শুল্কে চাল আমদানির সুযোগ দিয়েছে সরকার। চার দফায় এ পর্যন্ত ৯ লাখ ১০ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে অনুমতি নিয়ে এখন চাল আনা নিয়ে দ্বিধায় ভুগছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা।

তারা বলছেন, সরকার শুল্ক কমানোর সুবিধা দেওয়ার পরে ভারত চালের দাম বাড়িয়েছে। পাশাপাশি ডলারের মূল্যও বেড়ে গেছে। এ দুই কারণ মিলিয়ে আমদানি করা চাল বাজার পর্যন্ত আনতে যে খরচ হবে, সেটি স্থানীয় বাজারের চেয়েও অনেক ক্ষেত্রে বেশি। এ কারণে চাল আমদানিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না তারা।

আমদানির অনুমতি পাওয়া কয়েকজন ব্যবসায়ী জাগো নিউজকে জানিয়েছেন, ভারত এখন প্রতি টন মাঝারি মানের চাল ৪০০ থেকে ৪২০ ডলারে বিক্রি করছে। সরকারের ২৫ শতাংশ শুল্কায়নের পরে যা দাঁড়ায় ৫০০ থেকে ৫২৫ ডলার। অর্থাৎ প্রতি টন চালের দাম টাকার অঙ্কে (৯৮ টাকা ডলার হিসাবে) দাঁড়ায় ৪৯ হাজার থেকে ৫১ হাজার ৪৫০ টাকা। এরপর এলসি প্রসেসিং, পরিবহন খরচ ও অন্যান্য খরচসহ প্রতি টন চালে খরচ হবে আরও ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজিতে দেশের বাজারে এ চালের আমদানি মূল্য হবে ৫৩ থেকে সাড়ে ৫৬ টাকার মতো। কিন্তু দেশের মিলগুলোতে এরচেয়ে কম দামে মাঝারি মানের চাল বিক্রি হচ্ছে।

একই হিসেবে সরু মিনিকেট বা নাজিরশাইল চাল আমদানিতে খরচ হবে ৬৫ টাকার বেশি। যেখানে মিলগেটে সরু এসব চাল এখন ৬৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে মোটা চাল। এ ধরনের চাল আমদানি করলে তার খরচ দাঁড়াবে ৪৫ টাকার মধ্যে। দেশের মিলগুলোতে এর চেয়ে কিছুটা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

৪ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি নেওয়া নীলফামারীর শামসুল অটো রাইস মিলের কর্ণধার শামসুল হক বলেন, ভারত মোটা চাল ছাড়া সব চালের দাম বাড়িয়ে রেখেছে। ফলে সেখান থেকে গুটি স্বর্ণা বা স্বর্ণা-৫ ছাড়া অন্য কোনো চাল এনে সুবিধা করা সম্ভব নয়। সে জন্য মোটা চাল আনা ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু মোটা চালের আবার উত্তরবঙ্গ ছাড়া চাহিদা কম। সব মিলিয়ে উভয়সংকট তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, আমদানি পর্যায়ে যে দাম তা পাইকারি বিক্রেতাদের মাধ্যমে হাতবদল হয়ে খুচরা বাজারে আসতে খরচ আরও অনেক বেড়ে যায়। মিলে একই মানের চাল কম দামে পাওয়া গেলে আমদানিকারকরা চাল আনলেও তাদের কাছ থেকে কিনতে চাইবেন না ব্যবসায়ীরা। এসব হিসাব করে আমদানির অনুমতি নিলেও এখনই চাল আনছেন না অনেক ব্যবসায়ী।

এদিকে ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহের বিষয়টি পরিষ্কার হচ্ছে আমদানির তথ্য বিশ্লেষণেও। প্রথম দফায় শুল্ক কমানোর পর বেসরকারি উদ্যোগে চার লাখ নয় হাজার টন চাল আমদানি করতে ৯৫টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিয়েছিল সরকার।

এই অনুমোদনের ভিত্তিতে ৩০ হাজার টন আতপ চাল এবং তিন লাখ ৭৯ হাজার টন সিদ্ধ চাল আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে আমদানির এলসি করতে শর্ত দেওয়া হয়। এছাড়া ১১ আগস্টের মধ্যে আমদানি করা এসব চাল বাজারজাত করারও নির্দেশ রয়েছে। অর্থাৎ এলসির সময় শেষ হয়ে এলেও এখনো কাঙ্ক্ষিত এলসি খোলা হয়নি। আর বাজারজাত করার সময় অর্ধেক পেরিয়ে গেলেও দেশে চাল এসেছে মাত্র ২ হাজার টনেরও কম।

সুনির্দিষ্ট তথ্য না পাওয়া গেলেও খাদ্য মন্ত্রণালয় বলছে, গত বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) পর্যন্ত চাল আমদানি হয়েছে ১ হাজার ১০০ টন। আর বেনাপোল বন্দর দিয়ে রোববার চাল এসেছে ৫১২ টন।

এ প্রসঙ্গে খাদ্য সচিব ইসমাইল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, আমরা যে পরিমাণ আমদানির অনুমতি দিয়েছি, সে পরিমাণ এলসি হচ্ছে না সেটা ঠিক। তবে এখনো সময় আছে। দেখা যাক কী পরিস্থিতি হয়। প্রথম ধাপের সময় রয়েছে আরও কয়েকদিন। অন্যান্য ধাপে বেশ কিছুদিন সময় রয়ে গেছে।

এদিকে আমদানিকারকরা বলছেন, বেসরকারিভাবে যে চাল আমদানি হয় তার ৮০ ভাগেরও বেশি আসে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে। ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড এবং পাকিস্তান থেকেও চাল আমদানির সুযোগ রয়েছে। তবে এসব দেশ থেকে চাল আমদানি করতে হলে পরিবহন খরচ আরও বাড়বে। কারণ এর আগে কার্গো সংকটে পরিবহন খরচ কয়েকগুণ বেড়েছে।

বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাস্কিং মিল মালিক সমিতির সহ-সভাপতি শহিদুর রহামন পাটোয়ারী ৭ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি নিয়েছেন। কিন্তু এখনো তিনি কোনো এলসি খোলেননি।

জাগো নিউজকে তিনি বলেন, গত বছরের এই সময়ে ডলারের বিপরীতে খরচ হয়েছে ৮৪-৮৫ টাকা। এবার সেটা কিনতে হচ্ছে ৯৮ টাকায়। এছাড়া ভারত ছাড়া অন্য দেশে পরিবহন খরচ আরও কয়েকগুণ বেড়েছে। সেজন্য চালের আমদানি বাড়াতে শুল্ক আরও কমানো দরকার।

চাল আমদানিতে আগ্রহ নেই ব্যবসায়ীদের

ভারতীয় চালের অন্যতম গন্তব্য বাংলাদেশ

তবে এ দাবি নাকচ করে দিয়ে খাদ্য সচিব বলেন, আমরা এ পরিস্থিতি ঠিক মনে করছি। ব্যবসায়ীদের কথায় শুল্ক আরও কমানো যাবে না। প্রয়োজনে আমরা হিসাব করে দেখবো।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এলসি খোলার পর ভারত থেকে চাল আমদানি করা যায় এক সপ্তাহের মধ্যেই। কিন্তু ১ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত চাল এসেছে ২ হাজার টনেরও কম। যেখানে প্রথম দফায় যারা অনুমতি পেয়েছেন তাদের আড়াই সপ্তাহ কেটে গেছে।

এদিকে তথ্য বলছে, চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবসায়ীদের কম শুল্কে চাল আমদানির সুযোগ দেওয়ার পরও এর সুফল বরাবরই পাওয়া যায় না। কারণ গত অর্থবছরের ১৭ আগস্ট থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সংকট কাটাতে ৪১৫টি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১৭ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেসময় চাল আসে মাত্র ৩ লাখ ৩১ হাজার টন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক গবেষণা পরিচালক ড. এম আসাদুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, শুল্ক কমালে ব্যবসায়ীরা চাল আনবেন কি না সেটি তার মজুত পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। নিজেদের মজুত চাল থাকলে আমদানির কারণে বাজারে দাম পড়ে যাক সেটা তারা কখনো চাইবেন না। ফলে অনাগ্রহ দেখাবেন। আবার সংকট মোকাবিলার কথা তারা কখনো ভাববেন না, লাভটা আগে হিসাব করবেন। ধান-চালের হিসাব এত সোজা নয়।

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের ভরসা করে তাদের মাধ্যমে দাম কমবে- এ ভাবনায় বসে থাকা ঠিক হবে না। তাদের সাপ্লাই বাড়িয়ে কোনো লাভ নেই। তারা মুনাফা ছাড়া কিছুই করেন না। আমদানি সংকট সরকার কীভাবে মোকাবিলা করবে সেটা দেখার বিষয়।


আরও খবর



ভারতে নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, জানা যাবে আজ

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

অবশেষে ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল জানা যাবে আজ। বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে ভোট গণনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বিকেল চারটার দিকে ফলাফল প্রকাশিত হতে পারে। সোমবার (১৮ জুলাই) দিল্লিতে নির্বাচনে দুই রাষ্ট্রপতি প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু বনাম যশবন্ত সিনহার লড়াইয়ে দেশের প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জন সংসদ সদস্য ও বিধায়ক ভোট দেন।

জানা গেছে, দ্রৌপদী ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচিত প্রতিনিধি। বিজেপি নেতৃত্বের হিসাব অনুযায়ী, তিনি অন্তত ৬২ শতাংশ ভোট পেয়ে জিততে চলেছেন। অন্য দিকে, বিরোধী দলগুলির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী যশবন্ত সিনহা প্রায় রোজই নির্বাচনের প্রচারে নিজের পক্ষে কথা বলেছেন।

এদিকে তৃণমূল বলেছে যশবন্ত যাতে বিরোধীদের পুরো ভোটটিই পান তার ব্যবস্থা করেছে তারা।

ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হয় না। সাংসদ, বিধায়কদের ব্যালটে ভোট দিতে হয়। জানাতে হয় প্রথম ও দ্বিতীয় পছন্দও। বেগুনি রঙের কালির পেন দিয়ে ভোট দিতে হবে সংসদ সদস্য, বিধায়কদের। তবে সংসদ সদস্যদের জন্য থাকবে সবুজ ব্যালট পেপার ও বিধায়কদের জন্য গোলাপি রঙের।


আরও খবর



হবিগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Sunday ২৪ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

হবিগঞ্জের একটি মাছের খামারের পাশে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (২৪ জুলাই) বিকেলে সদর উপজেলার পইল ইউনিয়নের পশ্চিম এড়ালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বিলাল মিয়া (২৪) ওই গ্রামের আব্দুল হাসিমের ছেলে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে থানায় খবর দেন।

তিনি বলেন, বিলাল মিয়া প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করে বেশ কিছুদিন হাজত খেটে এসেছে। জামিনে মুক্তি পেয়ে সে ফের বিয়ে করে। রোববার বিকেলে বাড়ির পাশের একটি মাছের খামারে আম গাছের ডালে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মর্তুজা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। সুরতহাল তৈরি করা হচ্ছে। ওই যুবক আত্মহত্যা করেছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে।


আরও খবর