Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে: শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের হার দিয়ে সুপার এইট শুরু গোদাগাড়ীতে রাসেল ভাইপারের চিকিৎসার দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি রূপগঞ্জে জমে উঠেছে কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার বাবা মাকে কুপিয়ে হত্যা যানজট নিরসনে সংসদ সদস্যগণের সাথে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সমন্বয়সভা ভোলায় ফের দেখা মিলল রাসেল ভাইপার, জনমনে আতঙ্ক বাজেট পাস হয়নি,অনেক কিছু পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব: অর্থমন্ত্রী দেশের সব মহৎ অর্জন আ. লীগের মাধ্যমেই হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে জাপা: চুন্নু

প্রকাশিত:সোমবার ২০ নভেম্বর ২০23 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ২৩০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:মহাজোট থেকে নয় এককভাবে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে জাতীয় পার্টি (জাপা) বলেছেন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু ।

সোমবার (২০ নভেম্বর) রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বিক্রির কার্যক্রম শুরুর প্রথমদিন গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা বলেন।

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, নির্বাচনে যাওয়ার প্রাথমিক কাজ শুরু করেছি। প্রক্রিয়া শুরু করলেও নির্বাচনে যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয় এটি। নির্বাচনি আস্থা এখনও আসেনি। খুব শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সরকারি দল ও বিএনপি কেউ সংলাপে আগ্রহী নয়। তবে এখনও সময় আছে আলোচনায় বসার।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় পার্টিতে কোনো বিভেদ নেই, জিএম কাদেরের নেতৃত্বে দল ঐক্যবদ্ধ। দলের কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার রওশন এরশাদের নেই। তিনি কার সঙ্গে কী আলাপ-আলোচনা করেছেন, সেটা ধরার মধ্যে না। এটাকে আমরা আমলে নিচ্ছি না।

তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম দাখিলের শেষ দিন ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, মনোনয়নের আপিল ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর, নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত এবং ভোটগ্রহণ ৭ জানুয়ারি।


আরও খবর



বাথরুমের ফ্লাশট্রাংক থেকে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, দুই বোন আটক

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৫৯জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোরে প্রায় ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইবোনকে আটক করেছে র‌্যাব-৬ যাশোরের সদস্যরা। আটককৃতরা হলেন, বকচর কবরস্থান রোডের লুৎফর শেখের দুই মেয়ে ফরিদা বেগম ও বকচর মাঠপাড়ার ফাতেমা বেগম।এ সময় দুই বোনের কাছ থেকে ১৯ হাজার ৮শ’পিছ ইয়াবা ও মাদক বিক্রির এক লাখ ৪৮ হাজার ৮শ’ টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে তারা জানতে পারেন বকচর কবরস্থান এলাকার একটি ফ্লাট বাড়িতে বিপুল পরিমান ইয়াবা রয়েছে। তাৎক্ষনিত তার নেতৃত্বে একটি টিম ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় বড় বোন ফরিদার বাড়ির কমডের ফ্লাস ট্রাংকির ভেতর থেকে ৯হাজার ৮শ’পিছ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সাথে তার কাছ থেকেও প্রায় দেড়লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তিতে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান তার আপন ছোট বোন ফাতেমার কাছেও ইয়াবার আরও একটি চালান রয়েছে। পরে বকচর মাঠপাড়ায় ফাতেমার বাড়িতে অভিযান চালায় তারা। ফাতেমার খাটের নিচ থেকে আরও ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, তারা দুই বোনসহ তাদের একটি চক্র রয়েছে যারা যশোর থেকে ইয়াবা নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে থাকেন। তারা নিজেরাই বোরকা পরে শরীরের বিভিন্ন অংশে অভিনব কায়দায় ইয়াবা লুকিয়ে চলে যান দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। তাদের সহযোগিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রেখেছে র‌্যাব যশোরের সদস্যরা।


আরও খবর



যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার বাবা মাকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃ 

রাজধানী যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইল আরাবাড়ি সালাহউদ্দিন স্কুলের পাশে শফিকুর রহমান (৬০) ও তার স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিনকে (৫০) কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা প্রাথমিকভাবে কিছু বলতে পারেনি পুলিশ। তবে পুলিশের ধারণা, পূর্বশত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিচতলা ও দোতলায় লাশ পাওয়া গেলেও চারতলা পর্যন্ত পায়ের রক্তাক্ত ছাপ দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বেলা ১১টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান। তিনি বলেন, আমরা সকাল ৭টায় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। এসে শফিকুর রহমান ও তার স্ত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। তাদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করছি গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা তাদের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায়।

ওসি আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে কী কারণে স্বামী-স্ত্রীকে এভাবে হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়ে জানতে পারিনি। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম এসেছে তারা আলামত সংগ্রহ করেছে। আলামত সংগ্রহ শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।


পরিবারের অভিযোগ, ফেনীতে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

জানা গেছে তিনি শফিকুর রহমান জনতা ব্যাংক মতিঝিল শাখার একজন অবসরপ্রাপ্ত ড্রাইভার ছিলেন এবং তার এক ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন (ইমন) বাংলাদেশ পুলিশের এসআই পদে (এসবি) তে কর্মরত আছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বিকেলে ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন জানান, ১৭৫ পশ্চিম মোমিনবাগ বটতলা এলাকায় নিজের চার তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় থাকতেন ওই দম্পতি। তাদের এক ছেলে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের এসবিতে কর্মরত।

অপর এক মেয়ে বিবাহিত, তিনিও ঘটনার সময় শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, এ হত্যাকাণ্ডটি আনুমানিক ভোর ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে ঘটেছে।

পূর্ব পরিকল্পিত এ হত্যাকাণ্ড। এছাড়া হত্যাকারীরা তিনজনের অধিক থাকতে পারে। তারা আগে থেকেই বাসার বাউন্ডারির ভেতরে ওত পেতে ছিল। হত্যাকারীরা দুইভাবে বাসায় প্রবেশ করতে পারে। এক প্রধান গেট টপকিয়ে পাশাপাশি ওই বাসার সঙ্গেই একটি নির্মাণাধীন ভবন আছে, সেটার একতলা ছাদ দিয়েও তারা বাসায় প্রবেশ করতে পারে।

প্রতিদিন শফিকুর রহমান ভোরের দিকে ঘুম থেকে ওঠেন। নিয়মিতভাবে বাসার পানি ছাড়েন তারপরে পাশের মসজিদে নামাজ আদায় করতে যান। আজও একই সময় উঠেছিলেন তিনি। পরে দ্বিতীয় তলা থেকে নিচে নামেন পানি ছাড়ার জন্য। হয়তো বা নিচে নেমে পানি ছাড়ার পর বাসার বাউন্ডারির ভেতরে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে টেনে হেঁচড়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। পরে দুর্বৃত্তরা চলে যায় দ্বিতীয় তলায়। তখন মশারির ভেতরে ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন তার স্ত্রী ফরিদা। মশারির ভেতরেই ঘুমন্ত অবস্থায় দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তার হত্যা নিশ্চিত করে। স্ত্রী ফরিদার রুমের দরজাটা খুলেই নিচে নেমেছিলেন তার স্বামী।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে বুঝা যাচ্ছে, এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আগে থেকেই হত্যাকারীরা ওই বাসায় ওত পেতে ছিল। কারণ শফিকুর যে প্রতিদিন ভোরে উঠে পানি ছাড়ে তারপরে মসজিদ যান তারা সেটা জানতো। দুর্বৃত্তরা ফরিদাকে হত্যার পর রুমের ভেতরে আলমারির লকার খুলে কিন্তু কোনো টাকা পয়সা নেয়নি। বিভিন্ন কাগজপত্র এলোমেলো করেছে তারা। এমনকি নিহত ফরিদার গলার স্বর্ণের চেইন ছিল সেটাও খোয়া যায়নি। এসব দেখে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে হয়তো দুর্বৃত্তরা কোনো কাগজপত্র বা এমনও হতে পারে দলিল খুঁজতে এসেছিল। ওই দম্পতির গ্রামের বাড়ি ফেনী জেলায়। সেখানে সম্পদ নিয়ে তাদের কোনো বিরোধ ছিল কিনা সেগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে ঘটনার সময় দম্পতির ছেলে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। তিনি হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে ঢাকায় আসেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাসার আশেপাশে সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো পর্যবেক্ষণ করেছে, সেটা এখনো অব্যাহত আছে। বাসার দুই পাশেই দুটি সড়কে সব সময় যানবাহন ও লোকজন চলাফেরা করে। সবকিছু মাথায় রেখে তদন্ত চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এছাড়া এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।


আরও খবর



কোরবানির পশু কাটার জন্য সৈয়দপুরের কসাই ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৯৩জন দেখেছেন

Image

জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:ঈদ উল আজহায় কোরবানির পশু কাটার জন্য সৈয়দপুর থেকে শতাধিক কসাই ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন।ট্রেন ও বাসে করে এযাবৎ অর্ধশতাধিক কসাই ঢাকা পৌঁছেছেন। কোরবানির তিন দিনে অন্তত ২০ লাখ টাকাও বেশি আয় করবেন বলে জানিয়েছেন তারা।

কসাইরা জানান, কুরবানী ঈদ এর মাস খানিক আগেই ঢাকার অনেকেই সৈয়দপুরের কসাই বুকিং দিয়ে রেখেছেন। একারনে ঈদের ২/৩ দিন আগেই ঢাকায় সব কসাইকে পৌঁছাতে হবে।কন্ট্রাক হয়েছে হাজারে ৩০০ টাকা দিতে হবে কসাইদের। সে হিসেবে এক লাখ টাকার একটি গরুতে কসাইকে দিতে হবে ৩০ হাজার টাকা।

কাল্লু নামের এক কসাই জানান, এবারে শতাধিক কসাই ঈদে ঢাকায় গিয়ে কোরবানির পশুর মাংস কাটার কাজ করবেন। চারজন  করে একটি গ্রুপে পশু কাটার  কাজটি করবেন তারা। তিনদিনে একেকটি গ্রুপ কমপক্ষে ১৬টি গরু কাটতে পারবেন। এতে করে একেকটি গ্রুপ ৪ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন।

মজ্নু নামের অপর এক কসাই জানান,১৫ জুন রাতে বাসে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবেন। অনেকে  আবার ১৬ জুন সকালে যাবেন ঢাকায়। কেউ কেউ ঈদের আগের দিন রাতে বিমানে ঢাকায় পৌঁছাবেন।

নাদের এন্টারপ্রাইজ এর সুপারভাইজার আলমগীর বলেন, আমার কাছে ১৫-২০ জন কসাই ঢাকা যাওয়ার জন্য টিকেট চেয়েছেন। এদের মধ্যে কেউ কেউ টিকেট নিয়ে গেছেন। সৈয়দপুর থেকে অনেক কসাই ঈদের আগের দিন বিমানযোগে ঢাকায় যাবেন বলে জানান বিমানের টিকেট বিক্রেতারা ।

রাজধানীর উত্তরায় থাকেন তারেক নামের এক অবসর প্রাপ্ত বিমান কর্মকর্তা। চাকরির সুবাদে তিনি সৈয়দপুরে ছিলেন দীর্ঘদিন। একারনে এশহরের অনেকেই তাঁর পরিচিত। ঈদে কুরবানির মাংস কাটতে মোবাইলে সৈয়দপুরের একজন কসাইয়ের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে তার। ঈদের দিন সকালে উত্তরার বাসায় গিয়ে কোরবানির গরুর মাংস কাটতে হবে। বিনিময়ে ২০ হাজার টাকা নিবেন কসাইকে।

সৈয়দপুর কসাই সমিতির সভাপতি মোঃ নাদিম ওরফে ছোটুয়া বলেন, ঢাকার মানুষরা তাদের কুরবানির পশু কাটাতে হাজারে ৩০০ টাকা দেয়ার কারনে ঈদের আগে কসাই শুন্য হয়ে যাবে সৈয়দপুর। এশহরের মানুষ তাদের পশু কার দ্বারা কাটবেন বুঝতে পারছি না। সৈয়দপুরের মানুষ যদি হাজারে ১৫০ টাকা মাংস কাটা বাবদ দিতেন তাহলে অর্ধেক কসাই ঢাকায় যেতো না। তিনি আরো বলেন, কসাইদের ও উচিত ঈদের শুধু নিজের স্বার্থ না দেখে সৈয়দপুর বাসীর পাশে থাকা। নিজের স্বার্থ হাসিল করতে সৈয়দপুর বাসীকে বিপদে ফেলে ঢাকায় যাওয়া ঠিক হচ্ছে না বলে জানান তিনি। 


আরও খবর



রাজধানীর বাড্ডায় ঘিরে রাখা বাড়ি থেকে ৬৫ হাতবোমাসহ আটক ৩

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৩৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:৬৫টি হাতবোমা উদ্ধার ও তিনজনকে রাজধানীর পূর্ব বাড্ডার টেকপাড়া এলাকায় ঘিরে রাখা বাড়ি থেকে আটক করেছে করেছে র‌্যাব।

সেখানে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটকও করা হয়েছে। তারা হলেন- ফাহিম, লিমন ও আকুল।

বুধবার (২২ মে) রাতে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফিরোজ কবীর।

এর আগে রাত ৯টার দিকে বোমা তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়ে বাড়িটি ঘিরে রাখে র‌্যাব।

র‌্যাবের অধিনায়ক জানান, আটকদের সবাই জুতার কারখানায় কাজ করেন। বোমা তৈরির জন্য সজীব নামে একজনের মাধ্যমে ২৬ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের চুক্তি হয়। অনাবিল বাসে করে বুধবার রাতেই বোমাগুলো গাজীপুর পাঠানোর কথা ছিল। তাদের কাছে শুধু তথ্য ছিল এ বোমাগুলো মাছুম নামে একজন সংগ্রহ করবে। মাছুমই ক্রেতা ঠিক করে দেয়। এর আগেও ডেমরা, সাভার ও বাড্ডায় বোমা তৈরির চেষ্টা করেছিলেন সজীব। এসব বোমা তারা সারাদেশে সরবরাহ করেন।

তিনি বলেন, বোমার গঠন, আকার, ওজন বিবেচনা করে বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিট বুঝতে পেরেছে এগুলো ককটেলের মতো নয়। এসব বোমা অনেক শক্তিশালী। ট্রিগার মেকানিজমের বোমা এগুলো। হাওয়াতেই ব্লাস্ট করা সম্ভব। প্রায় ৩০ মিটার জায়গায় প্রভাব বিস্তার করতে পারতো এগুলো, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফিরোজ কবীর বলেন, ধারণা করা হচ্ছে উপজেলা নির্বাচন ও ঈদ ঘিরে নাশকতার পরিকল্পনা ছিল। সজীবকে খুঁজে বের করা হবে। এছাড়া বাড়ির মালিককে খোঁজা হচ্ছে।


আরও খবর



মাগুরার শ্রীপুরে তিন ইউপি সদস্যকে মারপিটের বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৭৮জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মশিয়ার রহমান ও তার লোকজন কর্তৃক ৩ জন নির্বাচিত ইউপি সদস্যকে মারধরের প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। 

বিক্ষোভ মিছিলটি শ্রীপুর সরকারি কলেজ মোড় থেকে শুরু হয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে মানববন্ধন করে। পরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী আহত ৩ ইউপি সদস্যের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ মমতাজ মহলের নিকট স্মারক লিপি প্রদান করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিক্ষুদ্ধ ইউপি সদস্য ও এলাকাবাসীর বক্তব্য শোনেন এবং অচিরেই এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন। শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ তাসমীম আলম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ভূক্তভোগী তিন ইউপি সদস্য পৃথক পৃথক স্মারকলিপিতে উল্লেখ্য করেন, নির্বাচিত হওয়ার আড়াই বছর পার হলেও তাদেরকে ইউনিয়ন পরিষদে ঢুকতে দেওয়া হয় না। এর আগে সাবেক এমপি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও তার কোনো ফল পাননি। গত বুধবার দুপুরে ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাউল তাদের মাধ্যমে জনগণকে দেওয়ার কথা বলতে মদনপুর ওয়ার্ডের আব্দুল আলিম, খড়িবাড়িয়া ওয়ার্ডের আব্দুল মজিদ এবং তখলপুর ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য মকবুল হোসেন পরিষদে যান। তারা সরকারের বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে তাদের বরাদ্দ তাদের দিয়ে বন্টনের প্রস্তাব দেন। এতোদিন এই তিন নির্বাচিত প্রতিনিধিকে বাদ দিয়ে চেয়ারম্যানের পছন্দের লোক দিয়ে মদনপুর ওয়ার্ডে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি বাবলু মিয়া, খড়িবাড়িয়া ওয়ার্ডের পরাজিত প্রার্থী আব্দুল মতিন ও তখলপুর ওয়ার্ডের পরাজিত প্রার্থী কাজী আব্দুর রউফকে দিয়ে করিয়ে আসছেন। এতে চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে প্রথমে আব্দুল আলীমকে কিল ঘুষি মারতে শুরু করেন। এ সময় চেয়ারম্যানের কক্ষে থাকা তার অনুসারী বুলেট, চৌকিদার আকিদুলসহ ১৫-২০ জন হকস্টিক, লোহার রড় দিয়ে তাদের তিনজনকে মারধর করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  ভর্তি করেন। বর্তমানে আবদুল আলীম ও আবদুল মজিদ সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ মমতাজ মহল বলেন, তিনজন ইউপি সদস্যের পৃথক তিনটি আবেদন পেয়েছেন। শ্রীপুর সদর ইউনিয়নে এমন একটি ঘটনা ঘটছে তা তার জানা ছিলো না। উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে আলোচনার মাধ্যমে অচিরেই এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছি।

আরও খবর