Logo
আজঃ Sunday ২৪ October ২০২১
শিরোনাম
৪১তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়সমূহের লিখিত পরীক্ষা আগামী ২৯ নভেম্বর

২৯ নভেম্বর শুরু ৪১তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image

 

ডেস্ক এডিটর :

 

৪১ তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা আগামী ২৯ নভেম্বর শুরু হবে। রোববার (১০ অক্টোবর) সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নূর আহমদের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪১তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়সমূহের লিখিত পরীক্ষা আগামী ২৯ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার হল, আসন ব্যবস্থা এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশা পিএসসির ওয়েবসাইটে যথাসময়ে জানানো হবে।

 

করোনা মহামারির কারণে কয়েক দফায় পিছিয়ে চলতি বছরের ১৯ মার্চ এই বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গত ১ আগস্ট এ বিসিএসের ফল প্রকাশ করা হয়। এতে প্রাথমিকভাবে ২১ হাজার ৫৬ জন উত্তীর্ণ হন।

 

এর আগে ২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এতে বিভিন্ন পদে দুই হাজার ১৩৫ জন কর্মকর্তা নিয়োগের কথা বলা হয়।

 

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি কর্মকর্তা নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে। এই ক্যাডারে ৯১৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষায় ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বিভাগে ১০ জন প্রভাষক নেওয়া হবে।

 

শিক্ষার পর বেশি নিয়োগ হবে প্রশাসন ক্যাডারে। প্রশাসনে ৩২৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এছাড়া পুলিশে ১০০ জন, স্বাস্থ্যে সহকারী সার্জন ১১০ জন ও সহকারী ডেন্টাল সার্জন ৩০ জন নেওয়া হবে।

খবর প্রতিদিন /সি.বা 


আরও খবর



বাবা হুট করেই নাকি আমার বিয়ে ঠিক করেছে

রম্যগল্প- বিয়ে বিড়ম্বনা

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ২১৯জন দেখেছেন
Image

 

 

️লেখক: তাসনিয়া তাবাসসুম


বাবা হুট করেই নাকি আমার বিয়ে ঠিক করেছে।আমি কেবলই ইউনিভার্সিটিতে পা রেখেছি ছ'মাসও হয় নি আর তিনি অলরেডি আমার জন্য পাত্রী দেখা শুরু করেছেন।আরে বাবা,এই সদ্য উৎপন্ন চাল কি আর সেই সরিষার মতো ফুটফুটে ফুলের তেলের ঘানি টানতে পারবে!

 

বাবাকে কিছু বললেই বলে আমি বেকার হয়েছি তো কি হয়েছে?সেও নাকি এই বয়সেই বিয়ে করেছিল,তার পূর্বপুরুষের পন্থা নাকি এটা!মনে মনে সাধে তো আর বলি না যে এই জন্যেই তো মাথায় আস্ত একটা টাক জন্ম দিয়েছো!!

রাফিনকে ফোন করে আসতে বললাম সেদিন যে দোস্ত,একটা ইমারজেন্সি কথা আছে জলদি টিএসসির সামনে আয়।

ওই ব্যাটা মুখের উপরই বলে দিল,"কি রে আঙ্কেল আবার নিশ্চয়ই তোমার পিছনে বাছুরের মতো ছুটছে?তো বিয়ে করছিস কবে?"

কথাটা শুনে হাসবো না কাঁদবো না ইমোশনাল হবো কিছুই বুঝতে পারলাম না।শেষমেশ রাফিনকে অভিশাপ....থুক্কু বকা দিয়েছি আর কি!তাকে সোজাসাপটা বলে দিয়েছি বিয়ে করলে আমি একটা হিজড়ারেই বিয়ে করবো।

এই শালা রাফিন ডিরেক্ট গিয়ে বাবাকে বলে দিয়েছে কিন্তু আমি জানি না।

প্রতিদিনের মতো এবারও বেশ ফুরফুরে মেজাজে বাড়িতে ঢুকেছি।ঢুকেই দেখছি বাসা ভর্তি মানুষ।তাজ্জব ব্যাপার তো!এ সময়ে বাসায় এত মানুষ,কারো বিয়ে হবে নাকি?

বাবাকে খুঁজছি কিন্তু কেউ নেই।রুমের মধ্যে ঢুকতেই দেখি একজন মাথায় ঘোমটা দিয়ে কি সুন্দর করে শাড়ি পরে বসে আছে।মনে মনে ভাবলাম যাক বাবা মনে হয় আমার জন্য ভালো পাত্রীই ঠিক করেছেন।আস্তে আস্তে এগুলাম তার দিকে।ঘোমটাটা খুলবো এমন সময় রাফিন এসে গেছে।

কি রে মুহিব্বি!কি খবর?আঙ্কেল তোরে বিয়ে তাইলে দিয়েই দিলো।তো দোস্ত তোমার মনের সকল আশা-আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হোক।আর ভাবী,ছেলেকে তো আগেই দেখেছেন।এখন আরও ভালো করে দেখে নেন।

আসি দোস্ত,ভালো থাক...

এতক্ষণ জোর করে রাগটা চেপে রেখেছিলাম কিন্তু যাক,গাধাটা গেছে এখন।এখন তো আমার বউকে দেখাই যায়!

আস্তে আস্তে আবার এগুলাম তার দিকে।ঘোমটাটা খুলছি ধীরেধীরে।

মেয়ের চেহারা যেই না দেখতে যাবো অমনি কি এক বিচ্ছিরি মেয়েছেলে গলা দিয়ে কে যেন বলে উঠলো,"ও গো আমার না লজ্জা লাগছে!প্লিজ ওভাবে তাকিও না!"

আমি কিছুক্ষণ কথাগুলো হজম করলাম।ভাবছি আমার রুমে তো অন্য কেউ নেই তাহলে এই পুরুষ-মহিলা কণ্ঠস্বর আসছে কোথা থেকে!

ধুর,ওসব পাত্তা না দিয়ে এবার ঘোমটাটা খুললাম।ইশশ কি সুন্দর মিষ্টি গায়ের রঙ,ঠোঁটগুলোও কি গোলাপি-- একেবারে গোলাপের পাপড়ির মতো পাতলা,আর চোখ উফফ কি যে অথৈ সাগরে ডুবে গেলাম!একেবারে সাক্ষাৎ পরি!

"এই অমন করে কি দেখছো?আমাকে পছন্দ হয়েছে তো তোমার,বলো না?"

জীবনে বোধহয় এতটা হতভম্ব কখনোই হই নি।মানে কি?শেষ পর্যন্ত মেয়ের গলা পুরুষের মতো হলো!!!এত সুন্দর মেয়ে আর গলা এই বিচ্ছিরি!

মানতে কষ্ট হচ্ছে কিন্তু তারপরেও তো সে আমার বউ।

আমার জড়িয়ে ধরে সে বলতে লাগলো,"এই দেখো না আমার দিকে!কেমন লাগছে আমার হু?"

আচ্ছা এক সেকেন্ড এটা তো কোনো মেয়ের গলা না।মেয়েদের গলার স্বর তো সুকণ্ঠ,সুমিষ্ট কিন্তু...

তার মানে এ কি তাইলে হিজড়া!!!আল্লাহ গো, আমাকে বাঁচাও,আব্বা শেষমেশ আমাকে সত্যিসত্যিই হিজড়ার সাথে বিয়ে দিয়েছে!

নাআআআআআআআআ!!!

আব্বাআআআআআআআআআ....

কয়েকদিন পর...

আমি এখন কোথায়?আব্বা,রাফিন দোস্ত আছিস?

-হ্যাঁ দোস্ত বল।তুই হসপিটালে। এখন কেমন লাগছে?

-কিছুটা ভালো লাগছে।কিন্তু আমি না বাসায় ছিলাম,হসপিটালে আসলাম কিভাবে?

-আরে ব্যাটা,তোর মনে নাই তোর বিয়ে হয়েছিল।ওই যে সুন্দর একটা হিজড়ার সাথে।তোদের কথা হচ্ছিলো আর তুই তো আব্বা বলে এমন চিৎকার দিলি। আর আমরা এসে দেখি তুই অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছিস!

ভাইয়া,মুহিব্বি এখন কেমন আছে?

-দোস্ত,এবার বোধহয় আমি আর বাঁঁচবো না!

অতঃপর আমি আবারও সেন্সলেস!!!

 

️লেখক: তাসনিয়া তাবাসসুম

 


আরও খবর



মাগুরা সদরে ‘আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহত

মাগুরায় দু’গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রকাশিত:Friday ১৫ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ৩২০জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


ডেস্ক এডিটর : 

মাগুরা সদরে ‘আধিপত্য বিস্তার নিয়ে  দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে অন্তত ৫০ জন।  জগদল ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়ায় শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

তিনি জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ মাগুরা সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে। হাসপাতালের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কোনো রোগীর স্বজনকে এখন হাসপাতালে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।

 

নিহতরা হলেন রহমান মোল্লা, মো. কবির, মো. অসিয়াত ও মো. ইমরান। তাদের সবার বাড়ি জগদলের দক্ষিণ পাড়ায়।

 

স্থানীয় লোকজন জানান, ১১ নভেম্বর জগদল ইউনিয়ন পরিষদকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। এই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সবুর ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. নজরুলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



হাজীগঞ্জে শিশু ধর্ষণ-মৃত্যুর ঘটনাটি গুজব

হাজীগঞ্জে শিশু ধর্ষণ-মৃত্যুর ঘটনাটি গুজব বলে জানিয়েছে পূজা উদযাপন পরিষদ

প্রকাশিত:Saturday ১৬ October ২০২১ | হালনাগাদ:Saturday ২৩ October ২০২১ | ১২৭জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


  

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে সনাতন সম্প্রদায়ের ১০ বছরের এক শিশুকে নিয়ে ছড়ানো খবরটি ‘অসত্য ও গুজব’ বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কুচক্রী মহল একটি সাম্প্রদায়িক ইস্যু বানিয়ে গুজব রটাচ্ছে।

 

শনিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে এ মর্মে খবর ছড়ানো হয় যে, ‘ধর্ষণের শিকার সনাতন সম্প্রদায়ের ১০ বছরের ওই শিশু মারা গেছে’। এমনকি শিশুটির সঙ্গে তার ‘মাসি (খালা) ও বোনও ধর্ষণের শিকার হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে’ বলে কোনো কোনো পোস্টে দাবি করা হয়।

 

এ খবরকে নাকচ করে দিয়ে হাজীগঞ্জ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রুহিদাস বণিক এক ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘কতিপয় কুচক্রী মহল হাজীগঞ্জে নারী ও শিশুর শ্লীলতাহানি ঘটেছে বলে এক ধরনের গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছে। তবে এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, জাতীয় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বা বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের কোনো নেতৃবৃন্দ অবগত নয়। অতএব সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের গুজব পরিহার করার জন্য অনুরোধ করছি।

 

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুনুর রশিদ বলেন, ‘এ বিষয়ে থানায় এখনো কোনো অভিযোগ আসেনি। যতটুকু জেনেছি এ ধরনের কোনো ঘটনা হাজীগঞ্জ ঘটেনি। বিষয়টি গুজব।

 

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) অঞ্জনা খান মজলিশ বলেন, ‘বিষয়টি সম্পূর্ণ গুজব। ইতোমধ্যে উপজেলার সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং নেতারা নিশ্চিত করেছেন।যারা এই ধরনের গুজব ছড়ানোর অপচেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে হুঁশিয়ারি দিয়ে জেলা প্রশাসক জনসাধারণের উদ্দেশে বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি শান্তিপ্রিয় দেশ। এখানে কেউ বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করবেন না এবং একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশের শৃঙ্খলা রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। কেউই গুজবে কান দেবেন না। কোনো কিছু শুনলে আগে তার সত্যতা যাচাই করার চেষ্টা করুন।

 

খবর প্রতিদিন / সি.বা


আরও খবর



মনের স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে শরীরও অসুস্থ হয়ে পড়ে

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এই ১০ টি কাজ করুন

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ১৪৫জন দেখেছেন
Image


লাইফস্টাইল ডেস্ক:

 

মনের স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে শরীরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। সাধারণত আমরা শরীরের অসুখ টের পেলেও নিজের কিংবা অন্যের মনের অসুখ টের পাই না। এ কারণে অনেকেই মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত, নেশাগ্রস্ত কিংবা আত্মহননকারী হয়ে ওঠেন। যা কারও কাম্য নয়।

 

এজন্য ফিট ও সুস্থ থাকতে অবশ্যই মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া জরুরি। তবে কর্মব্যস্ত জীবনে অনেকেরই দু’দণ্ড বসে কাটানোর ফুরসত নেই। এ কারণেই মানুষের মধ্যে চাপ ও উদ্বেগ বাড়ছে। দীর্ঘদিন এভাবে থাকতে থাকতে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।

সম্প্রতি ব্রিটিশ জার্নাল অব সাইকেয়েট্রিতে প্রকাশিত ‘কান্ট্রি পেপার অন মেন্টাল হেলথ-বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন অনুসারে, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ১৮.৭ শতাংশ মানুষ বিভিন্ন ধরনের মানসিক রোগে আক্রান্ত।

প্রতিবেদন অনুসারে, মহামারি করোনার কারণে মানসিক রোগের ব্যাপকতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই রোববার (১০ অক্টোবর) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হচ্ছে। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য ‘অসম বিশ্বে মানসিক স্বাস্থ্য’।

নিজেকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখার দায়িত্ব কিন্তু আপনারই। তাই মানসিক রোগ যেন বাসা না বাঁধে সেদিকে সময় থাকতে সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার ১০ উপায় মেনে চলুন-

পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে

ঘুম শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুম মস্তিষ্কের রাসায়নিক পদার্থগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এই রাসায়নিকগুলো আমাদের মেজাজ ও আবেগ পরিচালনা করে।

যদি আমরা পর্যাপ্ত না ঘুমায়, তাহলে মস্তিষ্কে বিভিন্ন অংশ ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। ফলে হতাশ ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়া স্বাভাবিক। তাই পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই।

পুষ্টিকর খাবার

পুষ্টিকর খাবার শুধু শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং মনের জন্যও উপকারী। কিছু খনিজ যেমন- আয়রন ও ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি মেজাজ পরিবর্তনের জন্য দায়ী। তাই সুষম খাবার খাওয়া জরুরি। আপনি যদি খিটখিটে মেজাজ, হতাশা বা উদ্বিগ্নতায় ভোগেন তাহলে কফি খাওয়া কমিয়ে আনুন।

অ্যালকোহল, ধূমপান ও মাদক পরিহার

অনেকেই হতাশ হয়ে ধূমপান ও মাদকের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। তবে জানেন কি, এগুলো হতাশা কাটায় না বরং শরীর ও মনে বিরূপ প্রভাব ফেলে। দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত মদ্যপানে শরীরে থায়ামিনের ঘাটতি হতে পারে। থায়ামিন মস্তিষ্কের কার্যকারিতার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এর ঘাটতি দেখা দিলে স্মৃতি বিভ্রাট, মনোযোগের অভাব, বিভ্রান্তি ও চোখের সমস্যা হতে পারে। আবার যদি আপনি ধূমপান করেন, এতে থাকা নিকোটিন শরীর ও মস্তিষ্ক উভয়েরই ক্ষতি করে। পরবর্তীতে ধূমপান বন্ধ করলে আপনি আরও বিরক্ত ও উদ্বিগ্ন হয়ে উঠতে পারেন। তাই মাদকমুক্ত জীবন গড়ুন।

সূর্যের আলো গায়ে মাখুন

সূর্যালোক ভিটামিন ডি এর একটি বড় উৎস। ভিটামিন ডি শরীর ও মস্তিষ্কের খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি মস্তিষ্কের ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে। ফলে মেজাজ আরও উন্নত হয়। কারণ অ্যান্ডোরফিন ও সেরোটোনিন এর উৎপাদন বেড়ে যায়। তবে রোদে গেলে ত্বক ও চোখকে নিরাপদ রাখুন।

প্রতিদিন অন্তত আধা ঘণ্টা থেকে ২ ঘণ্টা গায়ে সূর্যের আলো মাখুন। শীতের সময় অনেকেই হতাশ হয়ে পড়েন। কারণ তখন সূর্যের দেখা কম পাওয়া যায়। এটি সিজনাল অ্যাফেকটিভ ডিসঅর্ডার (এসএডি) নামে পরিচিত। তাই পর্যাপ্ত সূর্যের আলো গায়ে মাখুন, এতে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে।

দুশ্চিন্তা দূরে রাখুন

 

সবার জীবনেই কাজের চাপ আছে। তাই বলে এ নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করা উচিত নয়। এ সমস্যা সমাধানে আপনাকে জানতে হবে কীভাবে আপনি চাপ সামলাবেন। যদি না পারেন তাহলে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়বেন।

এজন্য দৈনন্দিন জীবনের কোনো না কোনো সমস্যার তালিকা তৈরি করুন। এরপর তা সমাধানের উপায় খুঁজুন। অযথা অলীক কল্পনায় ডুবে থাকবেন না। যখন দেখবেন আপনার ঘুমাতে সমস্যা হচ্ছে, তার অর্থ হলো আপনি বেশি দুশ্চিন্তা করছেন!

 

শরীরচর্চা আবশ্যক

 

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে অবশ্যই আপনাকে নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে। কারণ যত বেশি সক্রিয় থাকবেন, মস্তিষ্কের রাসায়নিক পদার্থগুলোও বেড়ে যায়। যা মেজাজ ভালো রাখতে সহায়তা করে। অন্যদিকে শরীরচর্চার অভাবে মেজাজ খারাপ হতে পারে।

পাশাপাশি উদ্বেগ, চাপ, ক্লান্তি ও অলসতা বোধ করতে পারেন। তাই শরীর ও মন দু’টোই ভালো রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। ম্যারাথন দৌড় বা ফুটবল খেলার প্রয়োজন নেই, আপনি নিয়মিত হাঁটাহাঁটি ও কায়িক পরিশ্রম করেও সুস্থ থাকতে পারবেন।

যা ভালো লাগে, তা-ই করুন

আপনার যা ভালো লাগবে বা করতে ইচ্ছে করবে তা-ই করুন। আপনার যদি ঘুরতে যেতে, শপিং করতে কিংবা ছবি আঁকতে ভালো লাগে তাহলে তা-ই করুন। আপনি যা উপভোগ করেন সেই কাজগুলো যখন করবেন তখন মনও ভালো থাকবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা অন্যের বাধ্যগত হয়ে নিজের খুশিকে দমিয়ে রাখেন, তাদের মধ্যে খিটখিটে মেজাজ ও অসুখী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি দেখা যায়। তাই নিজের ভালো লাগাকে প্রাধান্য দিন।

মিশুক হওয়ার চেষ্টা করুন

অন্যদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করুন। যখনই সুযোগ পাবেন মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। গবেষণায় দেখা গেছে, অন্যদের সঙ্গে মাত্র ১০ মিনিট কথা বলা স্মৃতিশক্তি ও পরীক্ষার স্কোর উন্নত করতে পারে! তাই মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ান ও মিশুক হওয়ার চেষ্টা করুন।

অন্যের জন্য কিছু করুন

কাউকে সাহায্য করলে নিজের মধ্যেও অন্যরকম ভালো লাগার অনুভূতি কাজ করে। তাই অন্যের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন। কোনো দরিদ্রকে খাবার বা পোশাক কিনে দিন কিংবা সামান্য অর্থ দিয়ে সাহায্য করুন। দেখবেন আপনার মন ভালো হয়ে যাবে।

তখন নির্দিষ্ট কোনো বিষয় নিয়ে হতাশ না হয়ে বরং বিশ্ব সম্পর্কে ধারণা তৈরি হবে। নিজেকে অসহায় ভাবার আগে না খেয়ে থাকা মুখগুলোর ছবি ভাসবে মনে। ফলে অন্যের জন্য কিছু করার স্পৃহা জন্মাবে। এর মাধ্যমে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ পাবেন।

সাহায্য নিন

আপনি যদি মানসিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তাহলে অন্যের সাহায্য নিন। মুখ বুজে থাকবেন না। নিজের অসুবিধার কথা সবার সঙ্গে শেয়ার করুন। কারণ অত্যাধিক মানসিক চাপে আপনি বিকারগ্রস্তও হয়ে পড়তে পারেন। অনেকেই মনে করেন, মন ভালো নেই এ বিষয়ে কাউকে জানালে সে পাগল বলবে!

এ ধারণা থেকে সরে আসুন। মানুষের শরীর যেমন সবদিন ভালো যায় না, ঠিক তেমনই মনও সব সময় ভালো থাকে না। তাই মানসিকভাবে চাপ অনুভব করলে কাউন্সিলিং করুন বা মনোবিদের সাহায্য নিন। তার আগে পরিবারের সঙ্গে শেয়ার করুন।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



শিশু সন্তানকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে এক নারী

গাজীপুরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা

প্রকাশিত:Wednesday ১৩ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ২১৫জন দেখেছেন
Image



মাসুদ পারভেজ, গাজীপুর :

 

গাজীপুরে শিশু সন্তানকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে এক নারী। দুই বছর বয়সী শিশুটিকে আহত অবস্থায় এলাকাবাসী উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। শিশুটির হাত ও মাথা থেঁতলে গেছে।

 

স্থানীয়রা জানায়, আজ বুধবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে, শ্রীপুর পৌরসভা কাটাপুল এলাকায় ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী বলাকা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে নিজের মেয়েকে নিয়ে ঝাঁপ দেয় ওই নারী। এতে ঘটনাস্থলেই মা মারা যায়। আহত অবস্থায় মেয়েটিকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ওই নারীর পরিচয় জানা যায়নি। 


 

শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার হারুনুর রশিদ জানান, খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

 

খবর প্রতিদিন / সি.বা 


আরও খবর