Logo
আজঃ শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

২৮ অক্টোবর ত্রিমুখী সংঘর্ষে ফটো সাংবাদিক রুবিনাসহ আহত কমপক্ষে ৩০ গণমাধ্যমকর্মী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৩৯৭জন দেখেছেন

Image
নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি সমাবেশের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে শনিবার রাজধানীর কয়েকটি স্থানে ত্রিমুখী সংঘর্ষে গণমাধ্যমকর্মী আহত হয়েছেন ৩০ জনেরও বেশি। 

এ ব্যাপারে সংঘর্ষে আহত ফটো সাংবাদিক রুবিনা শেখ বলেন, সংঘর্ষে  সময়  আমি ও আমার সহকর্মী ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর গলি থেকে বের হয়ে ভিআইপি রোডে পার্ক এবং মাদ্রাসা বরাবর রোড ক্লোজ করছিলাম ঠিক তখনই সংঘর্ষকারীরা আমাদের লক্ষ্য করে ঢিল এবং হাতে থাকা ইস্টান ছুড়ে, আমার হাতে থাকা ক্যামেরা আইডি কার্ড নিয়ে ফেলে দেয় এবং বাম পায়ে আঘাত করে। 

একপর্যায়ে ব্যথা সহ্য করতে না পেরে মাটিতে মুখ থুবরে পরে যাই, গাছের ডাল, পাইপ  রড  হকিস্টিক দিয়ে নির্যাতনের শিকার হয় আমার মত বহু সংবাদকর্মী, এ সময় আমাদের আইডি কার্ড, ক্যামেরা মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে ভাঙচুর করে। 

কয়েক জন পুলিশ সদস্য আমাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে পায়ের প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ডাক্তার বাসায় ফুল বেড রেস্ট থাকার পরামর্শ দেন। আমার প্রশ্ন সাংবাদিকদের টার্গেট করেই হামলা করেছে। 

শনিবার সংঘর্ষের ঘটনায় আরও আহত হয়েছেন নিউএজের বিশেষ প্রতিনিধি আহমেদ ফয়েজ, বাংলা ট্রিবিউনের প্রধান প্রতিবেদক সালমান তারেক শাকিল, নিজস্ব প্রতিবেদক জোবায়ের আহমেদ ও ফটো সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন,  জেটিভির ফটো সাংবাদিক রুবিনা শেখ, খোকা, সিনিয়র রিপোর্টার রবি তাজ, দেশ রূপান্তর পত্রিকার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আরিফুর রহমান রাব্বি, সংবাদ সংস্থা এএফপির প্রতিবেদক মুহাম্মদ আলী মাজেদ, শেয়ার বিজের প্রতিবেদক হামিদুর রহমান, ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদক সিরাজুম সালেকীন, ব্রেকিং নিউজের অপরাধবিষয়ক প্রতিবেদক কাজী ইহসান বিন দিদার ও আহসান হাবিব সবুজ, একুশে টিভির প্রতিবেদক তৌহিদুর রহমান ও ক্যামেরা পারসন আরিফুর রহমান, দৈনিক ইত্তেফাকের মাল্টিমিডিয়ার রিপোর্টার তানভীর আহাম্মেদ ও শেখ নাসির, দৈনিক ইনকিলাবের ফটোসাংবাদিক এফ এ মাসুম, গ্রীন টিভির বিশেষ প্রতিনিধি রুদ্র সাইফুল্লাহ ও ক্যামেরাম্যান আরজু, ভোরের কাগজের ফটো সাংবাদিক মাসুদ পারভেজ আনিস, নুরুজ্জামান শাহাদাৎ ও ক্যামেরাপার্সন আরিফুল ইসলাম পনি, কালের কণ্ঠের জ্যেষ্ঠ ফটো সাংবাদিক শেখ হাসান ও ফটো সাংবাদিক লুৎফর রহমান, দ্য রিপোর্ট ডট লাইভের ভিডিও জার্নালিস্ট তাহির জামান প্রিয়, বাংলানিউজের জাফর আহমেদ এবং ফ্রিল্যান্সার মারুফ।

এদিকে, পেশাগত কাজে দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) সহসাংবাদিক সংগঠনগুলো। 

পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনগুলো। বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, যে বা যারাই সাংবাদিকদের মারধর করেছে সেটা দুঃখজনক।

অন্যদিকে, আহত সাংবাদিকদের দেখতে শনিবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আরও খবর



যশোরে চামড়ার প্রতি পিস তিন টাকা ৮৫ পয়সা

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ১২৯জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোরের রাজারহাট দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহৎ চামড়ার বাজার। ঈদ পরবর্তী প্রথম বাজার ছিল আজ শনিবার (২২জুন)। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রতি বছরের মতই আগের রাতেই চামড়া নিয়ে হাজির হন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন হোটেল-মোটেলে বাইরে থেকে আসা ব্যাপারীরাও আগের রাতে এসে অবস্থান নেন।

সকাল সাতটা থেকে শুরু হয় এ হাটের চামড়ার কেনাবেচা। তবে, এই বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে কোনো চামড়া কেনাবেচা হয়নি। অধিকাংশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী লোকসানে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। গরুর চামড়া বিক্রি হলেও বিপাকে পড়েন ছাগলের চামড়া বিক্রেতারা। প্রতি পিস ছাগলের চামড়া তিন টাকা ৮৫ পয়সাও বিক্রি করতে দেখা গেছে।

আবার ছাগল ও ভেড়ার চামড়ার দাম বলেনি কোনো কোনো ব্যাপারী-এমন ঘটনাও ঘটেছে। এমন কোনো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী পাওয়া যায়নি যে তার গরুর চামড়ায় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা লোকসান হয়নি। সব মিলিয়ে এ বাজারে বড় দরপতন হয়েছে।

জেলার নাভারন থেকে চামড়া নিয়ে আসা আবদুল জলিল জানান, সিন্ডিকেটের কারণে বাধ্য হয়ে ৪০ টাকা ফুটের চামড়া মাত্র ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। হাটে ফুট হিসেবে চামড়া বিক্রি হয়নি, হয়েছে পিস হিসেবে। তিনি আরো বলেন, এবার দুই-আড়াই লাখ টাকা লোকসান গুনতে হবে। এবার হাটে কিছু ট্যানারি দালাল এসেছে। তাদের এ সিন্ডিকেটের হাতেই জিম্মি ঐতিহ্যবাহী বিশাল এ চামড়ার হাট।

অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে, কেশবপুর থেকে আসা কালীদাস নামে এক বিক্রেতা ইমরান হোসেন পাপ্পু নামে এক আড়তদারকে তার ৫২ পিস ছাগলের চামড়া পাঁচ টাকা করে কেনার জন্য তোষামোদ করতে থাকেন। পাপ্পু ৫২ পিস চামড়া নিয়ে পাঁচ টাকা হিসেবে ৪০ পিসের দাম দেয়ার শর্ত দেন। কালীদাস উপায় না পেয়ে তাতেই রাজি হন। সেই হিসেবে কালীদাস এক পিস ছাগলের চামড়া বিক্রি করেন তিন টাকা ৮৫ পয়সায়।

নওয়াপাড়া থেকে ৪৫০ পিস চামড়া নিয়ে আসা অশ্বিনী জানান, তিনি ৫০ থেকে আট শ’ টাকায় গরুর চামড়া বিক্রি করেছেন। তার প্রতি চামড়ায় দুই শ’ থেকে চার শ’ টাকা পর্যন্ত লোকসান হয়েছে। প্রতি বছর লোকসান হওয়ার পরও কেন চামড়ার ব্যবসা করছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি পেশা হিসেবে নিয়েছি। এ কারণে ব্যবসা না করে পারি না।

বৃহত্তর যশোর চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মুকুল বলেন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা প্রতি বছর বলে লোকসান হচ্ছে। এবার দাম ভালো। বাজারে ৩৫ হাজারের মতো চামড়া এসেছে।


আরও খবর



মধুপুর বংশাই নদী হতে অজ্ঞাত নবজাতকের লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ১২১জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইল:টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভাধীন  কাইতকাই রুপালী ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন বংশাই নদীর তীর থেকে এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে মধুপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।  মঙ্গলবার (১৬জুলাই) সকালে এলাকাবাসী নদীতে একটি ছোট শিশুর লাশ ভাসতে দেখে মধুপুর ফায়ার সার্ভিস অফিসে ফোন দিয়ে জানান।  তাৎক্ষণিক ভাবে ঘটনাস্থলে মধুপুর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাশটি উদ্ধার করে।

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. বোরহান আলী জানান, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি নদী থেকে উদ্ধার করে মধুপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ অবস্হান করছেন বলে জানা যায়। মৃত নবজাতকের লাশটি একনজর দেখার জন্য উৎসুখ জনতা ভীর করছে। মৃত নবজাতকের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

  -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



কুষ্টিয়ায় দু’টি ব্রিজের কাজ শেষ নিয়ে শঙ্খায় জনসাধারণ

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | ১০০জন দেখেছেন

Image
হাবিবুর রহমান, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃকুষ্টিয়ায় ‘পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’ এর অধীন সদর উপজেলার বিত্তিপাড়া হাট-জামজামী ভায়া ঝাউদিয়া সড়কের কুমার নদীর উপর প্রি-ষ্ট্রেজড গার্ডার ব্রিজটি ৪ বছরেও নির্মান শেষ হয়নি। ৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা প্রাক্কলন ব্যায়ে ৮১ মিটার দৈর্ঘের ব্রিজটি দুই বছর বা ২৪ মাস সময় ধরে নির্মান বাস্তবায়ন শুরু হয় মার্চ ২০২১সালে। নির্ধারিত সময়কাল ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারীতে শেষ হলেও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ ফেলে পালিয়ে যাওয়ায় ঝুলে গেছে প্রকল্পটি। এতে গত ৪বছর ধরে সীমাহিন ভোগান্তির শিকার হয়েছে এই ব্রিজের সুবিধাভোগী কৃষি প্রধান অঞ্চলের কয়েক লক্ষ মানুষ। এছাড়াও হরিনাকুন্ডু ও আলমডাঙ্গা উপজেলার সাথে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার একমাত্র সংযোগ সড়কটিতে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ এলজিইডি ও ঠিকাদাদের গাফিলতি ও যোগাসাজসী অবহেলায় এমন পরিস্থিতি। দ্রুত ব্রিজটির নির্মান সম্পন্নের দাবি স্থানীয়দের। তবে অভিযোগ নাকচ করে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জানালেন খুব শীঘ্রই ব্রিজটির নির্মানকাজ শেষ করে জনগণ চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে। কুষ্টিয়া সদর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের নভেম্বরে কুষ্টিয়া আলমডাঙ্গা সড়কের বিত্তিপাড়া হতে ঝাউদিয়া বাজার যেতে উজানগ্রাম এলাকার গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের (জিকে) খালের উপর ২৫ কিঃমিঃ দৈর্ঘ্য সেতু নির্মানের আদেশ দেয়া হয়। এই ব্রীজের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। একই বছরের ৩ নভেম্বর কার্যাদেশ পাওয়া সেতু নির্মাণ কাজ ২০২১ সালের ৪ নভেম্বর শেষ করার কথা। নির্ধারিত সময় পার হলেও কাজ হয়েছে মাত্র ২৫ থেকে ৩০% । ওই সেতু থেকে মাত্র এক কিঃমিঃ দুরে একই সড়কের কুমার নদীর উপর ৮১ মিটার দৈর্ঘের আরেকটি সেতু নির্মানের কার্যাদেশ দেয়া হয়। এই সেতুটিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। কিন্তু কাজ হয়েছে আনুমানিক মাত্র ৩০%। শুধু মাত্র কয়েকটি পিলার দেখা যাচ্ছে। সেতু দু’টি নির্মাণের কাজ পান পাবনা জেলার এমএনএম এ্্যান্ড এসই (জেভি) নামের যৌথ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিক পাবনার বেড়া উপজেলার কাশিনাথপুর এলাকার নুরুজ্জামান মিয়া। ঠিকাদারের আবেদনের প্রেক্ষিতে এলজিইডি কাজের মেয়াদও বাড়িয়েছে। তার পরেও কাজ হয়নি। পরবর্তীতে অন্য এক ঠিকাদরকে ব্রীজ নির্মানের কাজ দেয়া হলে সেও কাজ না করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। বাস্তবায়নাধীণ প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকায় সীমাহিন দুর্ভোগ ও কৃষি পন্য বহন করা দু:সাধ্য হয়ে পড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্রিজটির নির্মান শেষ করে স্বাভাবিক চলাচলের রাস্তাটিও মেরামতের দাবি তাদের। ব্রিজ সংলগ্ন স্থানীয় বাসিন্দা জরিনা খাতুন (৫৫)র অভিযোগ সেই ৪বছর আগে শুরু হয়ছে এই কাম এতোদিন সহ্য কইরি ছিলাম যে কাজ শ্যাষ হলিই তো আবার সব ঠিক হয়ে যাবিনি। কিন্তু একন দেখতিচি, এডি আমারে গলার গাড় হয়ে গেছে। সরকার যিন কামডা তাড়াতারি শ্যাষ কইরি দেয় এই আমার আবেদন। উজানগ্রাম এলাকার বাসিন্দারা তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, গা গ্রামের মানুষের কষ্ট দ্যাকার কেউ নেই গো। এই যে গাংয়ের উপর ব্রিজটা আইজ ৪বছর ধরি শেষ করতি পারতেছে না। কি এর সমস্যা আর কিইবা তার সুমাধান হবি কিডা দেকপি কও, আমরা মাঠ ঘাটের ফসল আনতি কত কষ্ট কত্তি হচ্ছে, কষ্টডা তো আমরাই পাচ্ছি। একই ভাবে চলাচলরত ড্রাইভাররা বলেন, কাম কত্তি কত্তি অদ্দেক কইরি ফ্যালা থুয়ে চইলি গেছে। এতোদিন ধইরি আমারে ভুগান্তিই যাচ্ছেনা। ব্রিজটা হয়ে গেলি আমরা বাঁচি। কুষ্টিয়া জেলা সচেতন মহলের প্রতিনিধি শেখ মোঃ সুভীন আক্তার বলেন, কুষ্টিয়ায় নির্মানাধীন রাস্তাঘাট ব্রিজ কালভার্ট ও অবকাঠামো নির্মান প্রকল্পগুলি নানা অনিয়ম অবহেলায় অসম্পন্ন ভাবে ঝুলে আছে দীর্ঘদিন ধরে। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে সকল প্রস্ততি ও সক্ষমতাসহ প্রকল্প বাস্তবায়নের যাত্রা শুরু হলেও ঝুলে থাকা এসব প্রকল্পে একদিকে বাড়ছে ব্যয় অন্যদিকে স্বভাবিক চলাচল ব্যহতের পাশাপাশি দীর্ঘ হচ্ছে ভোগান্তি। এই যদি হয় বাস্তব চিত্র তাহলে মাসে মাসে এসব মিটিং করে আদৌ কি পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে। সচেতন নাগরিক কমিটি সনাক এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল আলম টুকু প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, এই পরিস্থিতি সৃষ্টি জন্য প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দায়িত্বহীণতার প্রমান থাকলে অবশ্যই তার জবাবদিহিতাসহ শাস্তি হওয়া উচিত। টেকসই উন্নয়ন অভিযাত্রা বাস্তবায়নে সরকারের অর্থ বরাদ্দ দেয়ার পরও কেনো এমন জনভোগান্তি হবে, এতে হয় তাদের অনিয়ম অবহেলা আছে নচেৎ তারা অযোগ্য। তিনি এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন উন্নয়ন সমন্বয় সভাতে। তিনি আরও বলেন, গত উন্নয়ন সমন্বয় সভাতে যোগ দিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এবিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর এলজিইডি কুষ্টিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেন, উজানগ্রাম-ঝাউদিয়া সড়কের কুমার নদীর উপর নির্মানাধীণ ৮১ মিটার দৈর্ঘের ব্রিজটির নির্মান কাজ কিছু দিন বন্ধ ছিলো তবে খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



কোটা আন্দোলনকারীদের ব্লকেড থেকে সরে আসতে বলল ছাত্রলীগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৮৪জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার,স্টাফ রিপোর্টার:কোটা আন্দোলনকারীদের ব্লকেড থেকে সরে আসতে বলল ছাত্রলীগ অনতিবিলম্বে ব্লকেড থেকে সরে এসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল করে ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলন নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে ‘জনদুর্ভোগ তৈরি না করে ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরে আসা ও কোটার যৌক্তিক সমাধান’ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ছাত্রলীগের নেতারা।

ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের আগে কথা বলেন সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। তিনি বলেন, বুধবার আদালত একটি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আপিল বিভাগে চার সপ্তাহের সময় নিয়েছেন। কারো কোন কথা থাকলে তা আদালতে বিস্তারিত বলতে পারবে। এমন অবস্থায় আদালতের এই আদেশ নিয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। কোন কোন ক্ষেত্রে তা আদালত অবমাননার শামিল হবে বলেই মনে করি। এসময় তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা আন্দোলন করছেন তারা ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরবেন এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কোন কর্মসূচি দেবেন না।

এদিকে নারীদের জন্যে আলাদা করে কোটা না রাখার ব্যাপারটি প্রত্যাখ্যান ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, অবশ্যই সমতা প্রদর্শন করতে অনগ্রসর নাগরিকদের দিকে আমাদের লক্ষ রাখতে হবে। তাদের প্রতি থাকতে হবে সংবেদনশীলতা। মেট্রোপলিটন নির্ভর চাকরি ব্যবস্থাকে দৃঢ়তার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করে ছাত্রলীগ।’

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৩৯২০ জন‌, মৃত্যু হয়েছে ৩৫ বাংলাদেশির

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | ১৩৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:হজ পালন শেষে দেশে ফিরছেন হাজিরা। গত ২০ জুন থেকে শুরু হয়েছে ফিরতি ফ্লাইট। শনিবার (২২ জুন) ১০টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৩৯২০ জন। এদিকে হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবের মোট ৩৫ জন বাংলাদেশি হাজীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২২ জুন) ধর্ম-মন্ত্রণালয়ের হজ সম্পর্কিত সর্বশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়েছ। বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রের বরাতে এসব তথ্য জানিয়েছে হেল্পডেস্ক।

হেল্পডেস্কের তথ্যমতে, বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ হাজী নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ফ্লাইটটি সৌদির কিং আবদুল আজিজ বিমানবন্দর ছেড়ে আসে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায়। পরদিন তিনটি বিমান সংস্থার আরও ১০টি ফ্লাইট ৪০৩৭ জন হাজী নিয়ে দেশে ফিরেছে।‌ হাজী নিয়ে শেষ ফ্লাইটটি দেশে ফিরবে ২২ জুলাই।

এবার বাংলাদেশ থেকে সর্বমোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। গত ৯ মে থেকে ১২ জুন পর্যন্ত সৌদি আরব যাওয়ার ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে ২১৮টি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট সংখ্যা ১০৬টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট ৭৫টি ও ফ্লাইনাসের ফ্লাইট ৩৭টি।

ফিরতি ফ্লাইট শেষ হবে আগামী ২২ জুলাই। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স অর্ধেক হজযাত্রী পরিবহন করবে। বাকি অর্ধেক পরিবহন করবে সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স।


আরও খবর