Logo
আজঃ শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১৮ মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৩৫৪জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২২ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিন হাজার ১২২ জন।

রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ মো. জাহিদুল ইসলামের সই করা ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিন হাজার ১২২ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৮৪৯ জন ও ঢাকার বাইরের দুই হাজার ২৭৩ জন। একই সময়ে মারা যাওয়া ১৮ জনের মধ্যে ১২ জন ঢাকার ও ৬ জন ঢাকার বাইরের বাসিন্দা।


আরও খবর



বোটানিক্যাল গার্ডেনে প্রবেশ ফি ১০০ টাকা অযৌক্তিক: পরিবেশমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ১৪৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়কমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী মন্তব্য করেছেন,রাজধানীর মিরপুরের জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান বা বোটানিক্যাল গার্ডেনে প্রবেশ ফি একলাফে ২০ টাকা থেকে ১০০ টাকা করাকে অযৌক্তিক বলে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।পরিবেশমন্ত্রী বলেন, এখানে একটা রাজস্ব চাহিদা আছে। তবে এতো বাড়ানো উচিত না বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। এটা অযৌক্তিক।

এর আগে, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের বন অধিশাখা-১ থেকে গত ২১ এপ্রিল একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এছাড়া দৈনিক পত্রিকায় এ বিষয়ে বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়েছে। গার্ডেনে প্রবেশের গেটেও এ নিয়ে নির্দেশনামূলক ব্যানার টানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১২ বছরের বেশি বয়সিদের ক্ষেত্রে জনপ্রতি ১০০ টাকা প্রবেশ ফি দিতে হবে। আর এর চেয়ে কম বয়সিদের জন্য প্রবেশে ফি দিতে হবে ৫০ টাকা। তবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অগ্রিম অনুমতি নিয়ে বোটানিক্যাল গার্ডেনে গেলে ১০০ জনের একটি দলের জন্য ১ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। এর চেয়ে বেশিজনের দল হলে দেওয়া লাগবে দেড় হাজার টাকা। গবেষকেরাও এই ফির আওতায় থাকবেন।

প্রজ্ঞাপনে বিদেশি পর্যটক ও শরীরচর্চার জন্য উদ্যানে যারা নিয়মিত হাঁটতে যান, তাদের জন্যও আলাদা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রত্যেক বিদেশি পর্যটকের জন্য দিতে হবে ১ হাজার টাকা বা সমমূল্যের ইউএস ডলার। আর উদ্যানে হাঁটতে যাওয়া ব্যক্তিদের একটি বার্ষিক কার্ড করাতে হবে। এর জন্য ফি দেওয়া লাগবে ৫০০ টাকা। তবে অবস্থান করা যাবে মাত্র ১ ঘণ্টা। অথচ শরীরচর্চার জন্য আগে উদ্যানে গেলে কোনোরকম ফি লাগত না।

বোটানিক্যাল গার্ডেনে প্রবেশ ফি বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। ব্যবহারকারীদের মতে, ঢাকায় সাধারণ মানুষের যাওয়ার জায়গা কম। শিশুরা গাছপালা তথা সবুজ দেখতে পায় না। এত অধিক হারে ফি বাড়ানো অনুচিত ও অযৌক্তিক মনে করছেন তারা।


আরও খবর



সিরাজগঞ্জে আসামি ধরতে নদীতে ঝাঁপ, পুলিশের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image
রাকিবুল ইসলাম রাকিব সিরাজগঞ্জ থেকে:সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা ইউনিয়নের এরানদহ গ্রামের আলোচিত হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে ধরতে গিয়ে স্বরসতী নদীতে ঝাঁপ দিয়ে উপ-পরিদশর্ক (এস.আই) রেজাউল ইসলাম শাহ (৪৫) নামের এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত রেজাউল ইসলাম শাহ রায়গঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি নওগাঁ জেলার সাপাহার গ্রামের তোজাম্মেল হক শাহ ছেলে।সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়,রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানার এরানদহ গ্রামের আলোচিত চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজা খুন ও ডাকাতি মামলার প্রধান আসামী নাজমুল হাসান (৩০) কে গ্রেফতার করতে অভিযানের সময় আসামী স্বরসতী নদীতে ঝাপ দেয়। এ সময় এসআই রেজাউল ইসলাম নদীতে ঝাপ দেয়। কিন্তু আসামী নদী পাড় হলেও এসআই রেজাউল নদীর মাঝ খানে তলিয়ে যায়। পরে উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ঘটনাস্থলে পৌছে প্রায় ১ ঘন্টা অভিযান করে তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম এ মুনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

পুলিশ সদস্য নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল বলেন, সকালে ডাকাতি ও হত্যা মামলার আসামী ধরতে গিয়ে নদীতে অভিযান চালানোর সময় পানিতে ডুবে নিখোজ হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ১ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগের ডা. গোলাম আম্বিয়া বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে নিহতের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



ফকিরহাটে কুখ্যাত সন্ত্রাসী ইমরান বিপুল পরিমানে আগ্নেয়াস্ত্র সহ আটক

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৮জন দেখেছেন

Image

ফটিক ব্যানার্জী,ফকিরহাট(বাগেরহাট)সংবাদদাতা:বাগেরহাটের ফকিরহাটে কুখ্যাত সন্ত্রাসী ইমরানকে পিস্তল গুলি ও বিপুল পরিমানে দেশিয় অস্ত্র সহ আটক করেছে ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রাসেলুর রহমান মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফকিরহাটের লখপুর ইউনিয়নের ছোট খাজুরা এলাকার গ্রামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৩০টি মামলার পলাতক আসামী মৃত হযরত আলীর পুত্র মোঃ ইমরান শেখ(৩৫) কে বিপুল পরিমানে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। এসময় তার কাছে ও ঘরের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশী চলিয়ে ১টি পিস্তল, ৫ রাউন্ড বন্দুকের গুলি, ১টি চায়না রাইফেলের গুলি, ১টি বার্মিজ চাকু, ১টি কাঠের বাটের চাকু, ১টি তালা কাটার, ২টি কাটিং প্লাস, ১টি পাইপ রেঞ্জ ও ২টি দা উদ্ধার করা হয়। 

ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আশরাফুল আলম বলেন, ইমরান শেখের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। এছাড়াও তার নামে ফকিরহাট সহ বিভিন্ন থানায় ৪টি ডাকাতি, ৬টি দস্যুতা, ৩টি চুরি, ৩টি বিস্ফোরক আইনে মামলা, ১টি চাঁদাবাজি, ৭টি মাদক, ১টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা সহ মোট ৩০টি মামলা আছে।


আরও খবর



অনেক ঝড়ঝাপটা পেরিয়ে জনগণের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন বাংলাদেশের জনগণের টাকায় অনেক ঝড়ঝাপটা পেরিয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে বলে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা আমাদের গর্বের সেতু, একটা সিদ্ধান্ত বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বদলে দিয়েছে। অনেক ঝড়-ঝাপটা পার করে বাংলাদেশের জনগণের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে হয়েছে। সাধারণত কোনো প্রকল্প শেষ হলে সেই প্রকল্প শেষ হওয়ার অনুষ্ঠান হয় না। কখনো করা হয় না, শেষ হয়ে যায়।

শুক্রবার (৫ জুলাই) বিকেলে পদ্মা সেতুর মাওয়াপ্রান্তে পদ্মা সেতুর প্রকল্পের সমাপনী উপলক্ষে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সেতু নির্মাণে যারা যুক্ত ছিলেন, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। যারা বেচে নেই আমি তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি। যারা এখানে জমি দিয়েছেন, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই। সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানানোর অনুষ্ঠান।

তিনি বলেন, যখন ক্ষমতায় ছিলাম না, বিদেশে গেলে বাংলাদেশের নাম শুনলে কেউ জিজ্ঞেস করতো, এটা কি ভারতের কোনো অংশ? বলতো, এই দেশ তো শুধু ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, দুর্ভিক্ষ লেগে থাকে। মিসকিন হিসেবে আমাদের বিবেচনা করা হতো। যেটা আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্ট ও ব্যথার ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। আর সেই স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মর্যাদা থাকবে না, আমরা মাথা তুলে কথা বলতে পারবো না, আমাদের আত্মমর্যাদাবোধ থাকবে না, এটা কি ধরনের বাংলাদেশ? যে জাতি রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করলো, সে জাতি কেন মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে না।

সরকারপ্রধান বলেন, পদ্মা সেতু বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশ্বের ধারণা পাল্টে দিয়েছে। আগে যারা কথায় কথায় খবরদারি করতো পদ্মা সেতু নির্মাণের পর তাদের মানসিকতা বদলে গেছে। এই সেতু দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জন্য আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের দ্বার উন্মোচন করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ভারতের কাছে গ্যাস বিক্রিতে বাধ সাধায় ২০০১ সালে সরকার গঠন করতে পারিনি। ওই সময় অনেক ভোট পেয়েছিলাম, কিন্তু প্রয়োজনীয় সিট পাইনি। বাংলাদেশের সম্পদ না বেচায় যদি ক্ষমতায় না আসি, তাতে আমার কিছু যায়-আসে না। শেখ মুজিবের মেয়ে কখনো দেশের সম্পদ বেঁচে ক্ষমতায় আসে না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এতে সভাপতিত্ব করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সেতু বিভাগের সচিব মো. মনজুর হোসেন। পদ্মা সেতুর থিমসং প্রচার করা হয়। এরপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। বিকেল সভাপতির বক্তব্য দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এরপরই প্রধান অতিথির ভাষণ রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সুধী সমাবেশে সেতুমন্ত্রীর ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়।


আরও খবর



ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার। ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে সহজ হয়, উদ্যোক্তারা যাতে উৎসাহ পায়, আমরা সর্বদা সেই কাজই করছি,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । আমাদের সরকার ব্যবসায় নানা প্রণোদনা প্রদান করে আসছে।

‘জাতীয় রপ্তানি ট্রফি’ প্রদান উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। আজ (১৪ জুলাই) এই রপ্তানি ট্রফি প্রদান করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি বাণিজ্যের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১-২২ অর্থবছরের জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে সফল রপ্তানিকারকদের আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে সরকার পরিচালনা করে আমরা বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে পরিণত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও উন্নয়নে রপ্তানি বাণিজ্যের অবদান অনস্বীকার্য। বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা বিশ্ববাজারে দেশীয় উৎপাদিত মানসম্পন্ন পণ্য রপ্তানি করে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। বিশ্ব অর্থনীতির এ কঠিন সময়েও পণ্য ও সেবাখাতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে ৬৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় অর্জিত হয়েছে।

২০২৭ সালে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ১১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার এবং রপ্তানিকারকসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পণ্য রপ্তানির পাশাপাশি সেবা খাতের সম্প্রসারণ ও রপ্তানিতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের সরকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি দৃঢ়ভাবে আস্থা প্রকাশ করেন, পণ্য খাতের মতো সেবা খাতেও আমরা সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান কার্যক্রম দেশের রপ্তানিকারকদের উৎসাহ প্রদানসহ রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে প্রদত্ত এ ধরনের স্বীকৃতি দেশের শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে রপ্তানির চলমান প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করবে বলে তিনি দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী জাতীয় রপ্তানি ট্রফি ২০২১-২২ প্রদান অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর