Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

১৭ দিনে দ্বিতীয়বার বৈঠকে বসছেন পুতিন-এরদোয়ান

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

মাত্র ১৭ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার বৈঠকে বসতে চলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। শুক্রবার (৫ আগস্ট) রাশিয়ার সোচি শহরে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ২০১৯ সালের শুরু থেকে এটি হবে এরদোয়ানের অষ্টম রাশিয়া সফর।

গত মাসে জাতিসংঘ ও আঙ্কারার মধ্যস্থতায় ইউক্রেনের শস্য রপ্তানিতে চুক্তি করেছে রাশিয়া। এরই মধ্যে ইউক্রেনের বন্দর ছেড়েছে একাধিক শস্যবাহী জাহাজ। তবে ইউক্রেনের ডনবাস অঞ্চলে এখনো তীব্র লড়াই চলছে দু’পক্ষের মধ্যে। এ অবস্থায় পুতিন-এরদোয়ানের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা বিষয় উঠে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কিংস কলেজ লন্ডনের ইনস্টিটিউট অব মিডল ইস্টার্ন স্টাডিজের অস্থায়ী গবেষক ইয়ুপ এরসয় কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে বলেন, শস্য চুক্তিতে ভূমিকার কারণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে রাশিয়ার কূটনৈতিক বাহক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সফল হয়েছে তুরস্ক। কূটনৈতিক এই পুনর্বিন্যাস সম্পর্কের অসামঞ্জস্যগুলোকে তুরস্কের আরও পক্ষে নিয়েছে। এটি সাধারণ উদ্বেগের বিষয়গুলোতে তুর্কি নীতি ও উদ্যোগের বিরুদ্ধে রাশিয়ার প্রতিরোধ কিছুটা হলেও কমিয়ে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পুতিন-এরদোয়ানের বৈঠকে তুরস্কের প্রধান লক্ষ্য হবে, উত্তর সিরিয়ায় তুর্কি সামরিক অভিযানের প্রতি মস্কোর সমর্থন আদায় অথবা অন্ততপক্ষে বিরোধিতা কমানো।

এর আগে, গত ১৯ জুলাই তেহরানে ইরানের রাজধানী প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক করেন পুতিন ও এরদোয়ান। ওই বৈঠকের মাত্র তিন দিন পরেই ইউক্রেনের সঙ্গে শস্য রপ্তানি চালু করতে চুক্তি করে রাশিয়া। গত ২২ জুলাই ইস্তাম্বুলে তুরস্ক ও জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় সই হয় বহুল প্রত্যাশিত সেই চুক্তি।

তেহরানে পুতিন-এরদোয়ানের সাক্ষাতের পর বিবিসির এক বিশ্লেষণে বলা হয়, গত কয়েক বছরে পুতিনের সঙ্গে যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তা জলাঞ্জলি দিতে রাজি নন এরদোয়ান। কিন্তু রাশিয়া-তুরস্কের সম্পর্কের যে ইতিহাস, যে মাত্রার স্বার্থের দ্বন্দ্ব এখনো দুই দেশের মধ্যে রয়েছে, তাতে দুই নেতার এই বন্ধুত্ব নিয়ে সন্দিহান অনেক পর্যবেক্ষকই।

রাশিয়া-তুরস্কের পুরোনো বিরোধ
সিরিয়ায় রাশিয়া ও তুরস্কের সৈন্যরা এখনও কার্যত মুখোমুখি। সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রেসিডেন্ট আসাদকে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে দিতে চায় না তুরস্ক। বরং দেশটির আরও এলাকা দখলের পরিকল্পনা রয়েছে আঙ্কারার।

২০১৫ সালে সিরিয়া সীমান্তে একটি রুশ যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করে তুরস্ক, যা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।

আজারবাইজানেও দেশ দুটো ভিন্ন দুই প্রান্তে। নাগোরনো-কারাবাখ যুদ্ধে তুরস্কের সাহায্য নিয়ে আজারবাইজান যখন আর্মেনিয়াকে কোণঠাসা করতে শুরু করে, তখন রাশিয়া হস্তক্ষেপ করে যুদ্ধবিরতি চাপিয়ে দেয়।

লিবিয়ায় অস্ত্র, টাকা-পয়সা দিয়ে পূর্বাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণকারী মিলিশিয়া নেতা খালিফা হাফতারকে সাহায্য করছে রাশিয়া। অথচ তুরস্ক সমর্থন করছে ত্রিপলির সরকারকে।

পুতিন ও এরদোয়ানের ‘বেমানান’ সম্পর্ক
এত কিছুর পরেও পুতিন ও এরদোয়ানের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ এই সম্পর্ক কীভাবে তৈরি হলো এবং তা কীভাবে টিকে রয়েছে, এই প্রশ্ন উঠছে। লন্ডনে রাজনৈতিক ঝুঁকি সম্পর্কিত গবেষণাধর্মী সাময়িকী ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারেস্টের প্রধান সম্পাদক ও মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক গবেষক সামি হামদী বলেন, এই বেমানান’ সম্পর্কের মূলে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র ফ্যাক্টর।

তিনি বলেন, মস্কো-আঙ্কারার মধ্যে এখন যে মাখামাখি তাকে আমি স্বার্থসিদ্ধির জন্য একটি বিয়ে হিসেবে দেখি। দুটো দেশকেই যুক্তরাষ্ট্র বেশ কিছুদিন ধরে একঘরে করার চেষ্টা করছে। ফলে প্রত্যাখ্যাত দুই পক্ষ কাছাকাছি হয়ে স্বার্থরক্ষার চেষ্টা করছে।

সিরিয়া যুদ্ধ নিয়ে পুতিন ও এরদোয়ানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের দ্বন্দ্ব শুরু হয়। মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে রাশিয়ার সামরিক হস্তক্ষেপ একেবারেই মানতে পারেনি ওয়াশিংটন। পরে, সিরিয়ার সীমান্ত অঞ্চল থেকে মার্কিন সমর্থনপুষ্ট কুর্দি মিলিশিয়াদের সরিয়ে একটি ‘সেফ জোন’ তৈরির জন্য তুরস্কের দাবি প্রত্যাখ্যাত হলে ক্ষেপে যান এরদোয়ান।

হামদী বলেন, নিজেদের ভিন্ন সামরিক-রাজনৈতিক অভিলাষ থাকা স্বত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে পড়া এই দুই দেশ নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়ার মধ্যে অভিন্ন স্বার্থ খুঁজে পায়। যার ফলে, ২০১৫ সালের নভেম্বরে তুরস্ক সিরিয়ায় রুশ যুদ্ধবিমান গুলি করে নামালেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়নি।

ওই ঘটনার পরপরই, ২০১৬ সালের সামরিক অভ্যুত্থান থেকে রক্ষা পাওয়ার পর এরদোয়ানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকে। কারণ এরদোয়ানের সন্দেহ, ওই অভ্যুত্থানের পেছনে পশ্চিমাদের ইন্ধন ছিল।

ন্যাটো জোটের একটি দেশের নেতা হয়েও অভ্যুত্থানের পর এরদোয়ান প্রথমে যে দেশটিতে যান, সেটি ছিল রাশিয়া। সেসময় আঙ্কারা-ওয়াশিংটন সম্পর্ক এতটাই তিক্ত হয়ে ওঠে যে, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি উপেক্ষা করে রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার চুক্তি করেন এরদোয়ান। রাশিয়া-বিরোধী সামরিক জোটের সদস্য হয়েও রাশিয়ার কাছ থেকেই সমরাস্ত্র কিনে রীতিমতো নজির সৃষ্টি করেন তিনি।

রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক নির্ভরতা
রাশিয়ার ওপর তুরস্কের অর্থনৈতিক নির্ভরতাও ক্রমেই বাড়ছে। তুরস্কের গ্যাসের চাহিদার ৪৫ শতাংশ পূরণ করে রাশিয়া, জ্বালানি তেলের চাহিদার ৩৫ শতাংশও আসে সেখান থেকে। রুশ গমের ওপরও তুরস্ক বেশ নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এছাড়া, সংখ্যার বিচারে তুরস্কে এখন রুশ পর্যটকরা এক নম্বরে। এ কারণে, রাশিয়ার ওপর চাপানো নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করার পেছনে এই অর্থনৈতিক নির্ভরতারও যে বড় ভূমিকা ছিল, তাতে সন্দেহ নেই।

তবে সামি হামদী মনে করেন, তুরস্ক ও রাশিয়ার সম্পর্কের মূলে রয়েছে রাজনীতি। তিনি বলেন, ইউরোপের অনেক দেশের মতো জ্বালানির জন্য তুরস্কও রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এরদোয়ান ও পুতিনের সম্পর্কের প্রধান তাড়না রাজনৈতিক বা ভূ-রাজনৈতিক।

এ বিশ্লেষক বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ককে তুরস্ক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার সম্পর্কের ক্ষেত্রে দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে। আবার অতটা কাছাকাছিও হচ্ছে না, যাতে তার গায়ে রাশিয়ার মিত্র তকমা লাগে।

সে কারণে ইউক্রেনকে খোলাখুলি সামরিক ড্রোন বিক্রি করছে তুরস্ক, যা রুশ ট্যাংক ধ্বংস করছে। ইউক্রেনের অনুরোধে কিছুদিন আগে গমভর্তি রুশ জাহাজ আটকও করেছে তারা। পুতিন অসন্তুষ্ট হবেন জেনেও সুইডেন-ফিনল্যান্ডের ন্যাটোয় যোগদানের ব্যাপারে আপত্তি তুলে নিয়েছেন এরদোয়ান।

তবে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টও সমানভাবে তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ককে রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারে ব্যবহার করছেন বলে মনে করেন সাদি হামদী। তার কথায়, ন্যাটোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য দেশের সঙ্গে এই দহরম-মহরম যুক্তরাষ্ট্রের গায়ে হুল ফোটানোর জন্য পুতিনের হাতে বড় একটি হাতিয়ার। ন্যাটোতে ফাটল রয়েছে এমনটি দেখানোর বড় সুযোগ।

সম্পর্ক টিকবে?
প্রশ্ন হচ্ছে- এই সম্পর্কের ভিত্তি কতটা শক্ত? সম্ভাব্য ঝুঁকি কোথায়? সম্প্রতি লন্ডনের গবেষণা সংস্থা চ্যাটাম হাউজ আয়োজিত এক ওয়েবিনারে প্রশ্নের উত্তরে তুরস্ক বিশেষজ্ঞ ড. বেইজা উনাল বলেন, সিরিয়া নিয়ে তুরস্ক ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্কে হঠাৎ ফাটল ধরা খুবই সম্ভব।

সিরিয়ার উত্তরে কুর্দি মিলিশিয়াদের তাড়াতে নতুন সামরিক অভিযান নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে কথা বলছে তুরস্ক। কিন্তু ওই এলাকায় রুশ সেনা মোতায়েন রয়েছে। ফলে, পরিস্থিতি যেকোনো সময় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। ২০২০ সালেও সিরিয়ায় রুশ বিমান হামলায় ৩৩ জন তুর্কি সৈন্য মারা গেছেন।

ড. উনাল আরও বলেন, কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার সামরিক গতিবিধি নিয়ে তুরস্কের উদ্বেগ রয়েছে। সেখানে রাশিয়া প্রভাব বিস্তারের বেশি চেষ্টা করলে তুরস্ক সহ্য করবে না।

অবশ্য ২০১৬ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিরোধ-সংঘাত-মতভেদ আয়ত্ত্বের মধ্যে রাখার সচেতন চেষ্টা করছে মস্কো ও আঙ্কারা। দুই নেতাই নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

তবে সামি হামদী বলেন, পুতিন ও এরদোয়ানের এই সম্পর্ক একেবারেই পারস্পরিক স্বার্থনির্ভর। তার কথায়, দু'জনেরই এখন দু’জনকে দরকার। যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এরদোয়ানের সম্পর্ক ভালো হচ্ছে, তিনি পুতিনের কাছাকাছি থাকবেন। পুতিনের জন্যও ব্যাপারটি একই। ভালো কোনো বিকল্প তৈরি হলে সম্পর্ক আলগা হতে সময় লাগবে না।

সূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট, আল জাজিরা, বিবিসি বাংলা


আরও খবর



জ্যাকেট স্ক্যান করে যেভাবে চিনবেন আসল-নকল ডিবি

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের জ্যাকেটে যুক্ত হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন কুইক রেসপন্স কোড বা কিউআর কোড। এ জ্যাকেটের কিউআর কোডে কর্মকর্তাদের তথ্য আগে থেকেই জমা থাকবে ডিবির নিজস্ব সার্ভারে। মোবাইল অ্যাপ দিয়ে সদস্যের কিউআর কোড স্ক্যান করলেই তাদের পরিচয় দেখা যাবে। এক্ষেত্রে যদি কোনো ভুয়া ডিবির পোশাকের কোড স্ক্যান করা হয় তাহলে ‘ইনভ্যালিড কিউআর কোড’ নামে একটি বার্তা দেখা যাবে।

ডিবির জ্যাকেটের সামনে রয়েছে দুটি লোগো। বুকের বাম পাশে ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) পুলিশের লোগো ও ডান পাশে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের লোগো। দুটি লোগোই রঙিন। এর নিচে কালো বর্ডারে সাদা হরফে ইংরেজিতে লেখা ‘DETECTIVE BRANCH’। এছাড়া ডান পাশে পকেটের নিচে রয়েছে সাদা রঙের কুইক রেসপন্স কোড বা কিউআর কোড। জ্যাকেটের পেছনে উপরের অংশে রয়েছে ডিবির লোগো আর নিচে কালো বর্ডারে সাদা হরফে লেখা ‘DETECTIVE BRANCH’।

যে কেউ মোবাইলে স্ক্যান করে আসল বা নকল ডিবির জ্যাকেট শনাক্ত করতে পারবেন। ডিবির জ্যাকেট পরা ব্যক্তিটি আদৌ ডিবি সদস্য কি না, নাকি ভুয়া সদস্য সেটিও স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগীরা তাৎক্ষণিক জানতে পারবেন।

jagonews24

যেভাবে স্ক্যান করা যাবে-
> গুগল প্লে স্টোর থেকে QR কোড স্ক্যানার অ্যাপস ডাউনলোড করতে হবে। অথবা মোবাইলে বিল্ট ইন স্ক্যানার থেকেও কিউআর কোড স্ক্যান করা যাবে।

> দ্বিতীয় ধাপে স্ক্যানার অ্যাপস ওপেন করে সংশ্লিষ্ট ডিবি কর্মকর্তার জ্যাকেটে থাকা কিউআর কোডটি স্ক্যান করতে হবে।

> পরবর্তীতে স্ক্যানিংয়ের কিছু সময় পরে মোবাইলে আসল ডিবি পুলিশ হলে তার বিপি নম্বর, ইউনিট ও বিভাগ দেখা যাবে। এ থেকে যে কেউ নিশ্চিত হতে পারবেন ওই জ্যাকেট পরা ব্যক্তিটি আসল ডিবি।

> স্ক্যানিংয়ে যদি ‘ইনভ্যালিড কিউআর কোড’ মোবাইলে লেখা আসে তাহলে বুঝতে হবে ওই ব্যক্তি নকল ডিবি সদস্য।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জাগো নিউজকে বলেন, ডিবি পুলিশের জ্যাকেট পরে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে গুম, অপহরণ, ডাকাতি, মুক্তিপণ আদায় ও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনার বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। ভুয়া ডিবি সেজে এমন অসংখ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন অপরাধীরা। বিভিন্ন অভিযানে গ্রেফতারও হয়েছেন অনেকে। এখন থেকে ভুক্তভোগীরা মোবাইলে থাকা স্ক্যানার দিয়ে স্ক্যান করেই বুঝতে পারবেন আসল বা নকল ডিবির পরিচয়। স্ক্যানিংয়ের সময় কেউ দৌড়ে পালাতে চাইলে তাকে ধরে নিকটস্থ থানা কিংবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করতে পারবেন ভুক্তভোগী।

jagonews24

গত সোমবার (১ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ডিবিপ্রধান বলেন, ডিএমপির ডিবি পুলিশ যে জ্যাকেট পরে অভিযান চালাচ্ছে, তা বেশ পুরোনো। দীর্ঘদিন ধরে এ জ্যাকেট ব্যবহারের ফলে অনেক প্রতারক চক্র বাইরে থেকে এটি তৈরি করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করছে। অনেক সময় মানুষকে ফাঁদে ফেলারও অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন সময় জ্যাকেটটির হুবহু কপি ভুয়া ডিবি সদস্যদের কাছে পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কাউকে যেন এভাবে প্রতারণার শিকার হতে না হয় সেজন্য ডিবিতে সংযোজন করা হয়েছে নতুন জ্যাকেট। কিউআর কোড ছাড়াও পোশাকে এমন কিছু নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা রয়েছে, এর ফলে জ্যাকেটটি জালিয়াতি করা অসম্ভব হবে না।

ডিবিপ্রধান হারুন আরও বলেন, ডিবির জ্যাকেটে রয়েছে আমাদের মেধা-মননের বিশেষ সমন্বয়। কিউআর কোডসহ বিভিন্ন দৃশ্যমান ও গোপন বৈশিষ্ট্য সংবলিত যে জ্যাকেটটি আমরা ব্যবহার করতে যাচ্ছি, তাতে আমাদের সদস্যদের মধ্যে কর্মতৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি জনগণের কাছে ডিএমপির ডিবিকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে তৈরি করতে পারবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

jagonews24

যেসব বৈশিষ্ট্যের কারণে জ্যাকেট নকল করা সম্ভব হবে না সেগুলো হলো-

১. ডিএমপি ডিবির নতুন জ্যাকেটে এই প্রথম গোপন নম্বর, গোয়েন্দা বিভাগ এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সমন্বয়ে কুইক রেসপন্স কোড বা কিউআর কোডের ব্যবস্থা থাকছে। সন্দেহ হলেই যে কেউ ডিবি পোশাকে থাকা ব্যক্তির কিউআর কোড স্ক্যান করে ওই ব্যক্তি ডিবির প্রকৃত সদস্য কি না তা শনাক্ত করতে পারবেন।

২. নতুন জ্যাকেটে ডিবি এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রঙিন লোগো ব্যবহার করা হচ্ছে, যা সহজেই দৃশ্যমান হবে।

৩. জ্যাকেটে রাত্রিকালীন আলোতে দূর থেকে ডিবি পুলিশের উপস্থিতি বোঝা যাবে।

৪. নতুন ডিবি জ্যাকেটে বিভিন্ন পকেটের সুবিধা থাকাতে অভিযানকালে ডিবি সদস্যরা প্রয়োজনীয় নোটবুক, কলম ও কাগজপত্র নিরাপদে রাখতে পারবেন।


আরও খবর



অসামাজিক ব্যবসার জেরে বন্ধুকে হত্যা

প্রকাশিত:Monday ১৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

সিলেটের কানাইঘাটে নাজিম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সোমবার (১৮ জুলাই) সকালে রুহেল আহমেদ রেকেল নামের একজনকে আটকের পর হত্যার রহস্য বেরিয়ে আসে। হত্যার দায় স্বীকার করে সিলেটের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পঞ্চম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি।

রুহেলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নাজিম উদ্দিন ও রুহেল আহমেদ রেকেল পরস্পরের বন্ধু। মাঝেমধ্যে তারা বিভিন্ন স্থান থেকে যৌনকর্মী এনে কানাইঘাটে ব্যবসা করতেন। ঈদুল আজহার পরে রুহেলকে যৌনকর্মী এনে দিতে বলেন নাজিম। তবে রুহেল আনতে পারেননি।

যৌনকর্মী না পেয়ে বুধবার (১৩ জুলাই) নিজের স্ত্রীকে নিয়ে আসতে বলেন নাজিম। এ কথা বলার পর এশার নামাজের ঠিক পরে নদীর পাড়ে এসে দুজনে ধূমপান করেন। এ সময় ফের রুহেলকে তার তার স্ত্রীকে আনার কথা জিজ্ঞাসা করেন নাজিম। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আগে থেকেই লুকিয়ে রাখা মুগুর দিয়ে নাজিমের মাথায় একাধিকবার আঘাত করেন রুহেল। এতে ঘটনাস্থলেই নাজিমের মৃত্যু হয়। পরে নাজিমের সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও একটি স্মার্টফোন নিয়ে চলে যান রুহেল।

১৩ জুলাই কানাইঘাটের রাজাগঞ্জ ইউনিয়নের অন্তর্গত খালাইউরা এলাকায় সুরমা নদীর পাড়ে একজন অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের মরদেহ পাওয়া যায়। সংবাদ পেয়ে কানাইঘাট থানাপুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। এ সময় মরদেহটি দেখে পুলিশের সন্দেহ হয় এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। পরে তদন্তে পুলিশ জানতে পারে মরদেহটি উপজেলার নিজ রাজাগঞ্জ গ্রামের মৃত মনির উদ্দিনের ছেলে নাজিম উদ্দিনের।

পুলিশ জানায়, সিলেট জেলা পুলিশের তথ্যপ্রযুক্তি ইউনিট ঘটনা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একই এলাকার মহরম আলীর ছেলে রুহেল আহমেদ রুহেলকে সোমবার আটক করেন। তিনি পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।

এ বিষয়ে সিলেট জেলা পুলিশের মুখপাত্র (গণমাধ্যম) মো. লুৎফর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, রুহেল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী সংলাপের কোনো দাওয়াত দেননি: কামরুল

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

দাওয়াত না পেয়েও ‘প্রধানমন্ত্রী চায়ের দাওয়াত দিয়েছেন’ বিএনপি এমন কথা বলে বেড়াচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।

সোমবার (২৫ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

কামরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংলাপের কোনো দাওয়াত দেননি। আওয়ামী লীগের কোনো দুর্বলতাও নেই। এটা নিয়ে বিএনপি অপব্যাখ্যা দিচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আলোচনার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, দেশে এখন সাহারা খাতুনের মতো কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের অভাব। সকল আন্দোলন সংগ্রামে তিনি নেতাকর্মীদের পাশে থাকতেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দুঃসময় দেখলে তাদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন। বিএনপির সময় মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের পক্ষে আইনী লড়াই করেছেন তিনি।

আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু একাডেমির চেয়ারম্যান সাব্বির আহমেদ রনি। এতে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (বীর বিক্রম) ও আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।


আরও খবর



তফসিলের পর নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব কার্য ইসির অধীনে রাখার দাবি

প্রকাশিত:Monday ১৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের ফলাফল ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব কার্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের অধীনে রাখার দাবি জানিয়েছে খেলাফত মজলিস।

দলটি বলছে, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, তথ্য ও আইন মন্ত্রণালয়সহ নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিশেষত: মাঠ পর্যায়ের প্রশাসন যারা নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন তাদের নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশন চাইলে তাদের যে কাউকে বদলি করতে পারবেন।

সোমবার (১৮ জুলাই) বিকেলে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে এ দাবি জানান খেলাফত মজলিসের নেতাকর্মীরা।

ইসির কাছে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের সই করা লিখিত প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়-

-নির্বাচন কমিশনের কাজের ক্ষেত্রে সরকার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনোভাবেই হস্তক্ষেপ করতে পারবে না, এমন নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

- নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব জনবলের মাধ্যমেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা নেওয়া।

- নির্বাচনকে অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাব থেকে মুক্ত রাখতে হবে। সবার জন্যে সমান সুযোগ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় নির্বাচনী আইন প্রণয়ন ও পদক্ষেপ নিতে হবে।

-ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ নিশ্চিত করা ও যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

-প্রত্যেকটি নির্বাচনী বুথে সিসিটিভি স্থাপন করতে হবে।

-সব দলীয় প্রার্থীর ব্যক্তিগত প্রচারণা ছাড়া অন্যান্য আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণার দায়িত্ব ও ব্যয় নির্বাচন কমিশন বহন করবে, এমন ব্যবস্থা করা। ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো গুরুতর অনিয়ম প্রমাণিত হলে প্রার্থীতা বাতিল। এমনকি নির্বাচিত হলেও তার পদ বাতিল ঘোষণা করার ব্যবস্থা থাকতে হবে।

-সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের লক্ষ্যে বিদায়ী সংসদ ভেঙে দেওয়া অথবা দলীয় এমপি, মন্ত্রীদের পদত্যাগ করে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রয়োজনে সংবিধানের সংশোধনী আনতে হবে।

-ইভিএম যেহেতু অদ্যাবধি জনগণ ও রাজনীতিকদের আস্থা অর্জন করতে পারেনি, তাই আগামী জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম পরিহার করা। তবে ভোটার ভেরিফাইএবল পেপার ট্রেলার সংযুক্ত করে স্থানীয় নির্বাচনে পরীক্ষা করা যেতে পারে। মেশিন যেহেতু মানুষ দ্বারা পরিচালিত হয় তাই সেগুলো ব্যবহার করার আগে রাজনৈতিক সমঝোতা ও সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে, রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া ইভিএম চালু করার চেষ্টা করলে সন্দেহ আরও বেশি প্রবল আকার ধারণ করবে, যা কোনো অবস্থায়ই কাম্য নয়।

-নির্বাচনের ওপর আস্থা ফিরিয়ে আনা, সুষ্ঠু অবাধ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্বাচনকালীন দল নিরপেক্ষ একটি সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা। এর জন্য প্রয়োজনীয় সংলাপের সূচনা করা জরুরি।


আরও খবর



বিকেএমইএ সভাপতির সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত এনরিকো নুনজিয়াটা।

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বিকেএমইএ’র ঢাকা কার্যালয়ে বাংলাদেশের নিটওয়্যার শিল্পের সার্বিক পরিস্থিতি ও বাংলাদেশে ইতালির বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় রাষ্ট্রদূতকে ফুল ও শুভেচ্ছা স্মারক দিয়ে স্বাগত জানান বিকেএমইএ সভাপতি। আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএ’র নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম ও পরিচালক ফজলে শামীম এহসান।

সেলিম ওসমান বলেন, বিশ্বে কোভিড-১৯ মহামারি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক-নির্দেশনায় এই পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অব্যাহত রয়েছে এবং ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। সেক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ হিসেবে ইতালির সহযোগিতা বাংলাদেশের নিটওয়্যার খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়া ইতালিতে কীভাবে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ করা যায় সে বিষয়েও কথা বলেন বিকেএমইএ সভাপতি। সেই সঙ্গে ইতালির বিনিয়োগকারী ও নিটওয়্যার আমদানিকারকদের বাংলাদেশ সফরেরও আমন্ত্রণ জানান তিনি।


আরও খবর