রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর- পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী কদমতলীতে মাদক সম্রাট হারুন অর রশিদ বেপরোয়া আতঙ্কে এলাকাবাসী সালাতু সালাম স্বয়ং আল্লাহতাআলার আমল, সালাতু সালাম অতুলনীয় ঈমানী আমল: আল্লামা ইমাম হায়াত শিবির নেতা জিসান ইস্যুতে সংসদে উত্তেজনা বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংকট মেটাতে ইসলামী ব্যাংকে ২,৫০০ কোটি টাকা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার রক্ত দান করলে বিশেষ সম্মাননা ও সংবর্ধনা দেওয়ার ঘোষণা ববি ছাত্রদল নেতার বিশেষ সম্মাননা পাচ্ছেন প্রয়াত কারিনা কায়সার রামিসা হত্যার দায় স্বীকার করে জেল আপিলে যা বলেছেন আসামি সোহেল
জাতীয় বিনিয়োগে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম গন্তব্য হতে চায় ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
logo

বিনিয়োগে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম গন্তব্য হতে চায় ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান উল্লেখ করেছেন জ্বালানি সংকটকে বিনিয়োগে বড় বাধা হিসেবে। শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর একটি বেসরকারি হোটেলে আয়োজিত ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনীতিক কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক সম্মেলন’ এবং ‘ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থিতিস্থাপকতার সদ্ব্যবহার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করে।

ড. খলিল বলেন, বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে নির্ভরশীল ও গঠনমূলক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক, নিরপেক্ষ ও স্থিতিশীল বিনিয়োগ গন্তব্যে পরিণত করতে চায় সরকার।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল ভিত্তি হচ্ছে “বাংলাদেশ ফার্স্ট”। দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।’

বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবিলায় অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও স্থিতিশীল করা হবে।

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করতে সরকার টেকসই, স্বচ্ছ এবং পূর্বাভাসযোগ্য নীতিগত পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি।

ড. খলিল আরও বলেন, প্রথাগত খাতের বাইরে গিয়ে সরকার দেশের অর্থনীতিকে বহুমুখী করতে চায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সৃজনশীল শিল্প এবং ক্রীড়া খাতের মতো উদীয়মান বৈশ্বিক ক্ষেত্রগুলোতে সুনির্দিষ্ট সরকারি নীতিমালা ও পৃষ্ঠপোষকতা বাড়িয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে হবে।

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্র নীতির আলোকে আয়োজিত এই সম্মেলনে বাংলাদেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কূটনীতির অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সম্মেলনটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের মধ্যে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে অর্থবহ সংলাপের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

সম্মেলনে তিনটি বিষয়ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথম অধিবেশন ‘দ্য পলিসি কম্পাস’-এ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নীতিগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। দ্বিতীয় অধিবেশন ‘ক্যাপিটাল ফর গ্রোথ’-এ বিনিয়োগ ও অর্থায়ন বিষয়ক আলোচনা করা হয়। তৃতীয় অধিবেশন ‘দ্য নিউ স্টেজ: এআই, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি অ্যান্ড স্পোর্ট’-এ নতুন প্রবৃদ্ধির চালিকা শক্তি এবং উদ্ভাবননির্ভর উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকারি সংস্থা, বেসরকারি খাত ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক রূপান্তর ও টেকসই প্রবৃদ্ধি এজেন্ডাকে এগিয়ে নেওয়াই এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।

খুঁজুন