যশোর যশোর জেনারেল হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও এক জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ জনে। সাবিলা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর শুক্রবার সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে।
তিনি সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার গদখালী গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী।
গত ৫ জুন সাবিলা ঠান্ডা, কাশি ও জ্বর নিয়ে যশোরের ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরীক্ষায় তার শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়।
পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে করোনা পজিটিভ রোগী হওয়ার কারণে আর রাখতে না চাইলে ১২ জুন বিকাল সাড়ে ৫ টায় তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের স্থানান্তর করা হয়। ভর্তির পর থেকে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘ আটদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে ২০ জুন বিকেল সাড়ে ৫ টায়
তার মৃত্যু হয়।
উল্লেখ্য, মৃত সাবিলা যশোর কোতোয়ালি থানায় কর্মরত নারী এসআই (নিরস্ত্র) মিনারা আলমের শাশুড়ি ছিলেন।
উল্লেখ্য, বুধবার (১৮ জুন) রাতে মণিরামপুর উপজেলার মাহমুদকাটি গ্রামের ইউসুফ আলী (৪৫) করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। একই দিন বুধবার ভোরে শেখ আমির হোসেন (৬৮) নামে আরও একজন করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
তিনি সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার গদখালী গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী।
গত ৫ জুন সাবিলা ঠান্ডা, কাশি ও জ্বর নিয়ে যশোরের ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরীক্ষায় তার শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়।
পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে করোনা পজিটিভ রোগী হওয়ার কারণে আর রাখতে না চাইলে ১২ জুন বিকাল সাড়ে ৫ টায় তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের স্থানান্তর করা হয়। ভর্তির পর থেকে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘ আটদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে ২০ জুন বিকেল সাড়ে ৫ টায়
তার মৃত্যু হয়।
উল্লেখ্য, মৃত সাবিলা যশোর কোতোয়ালি থানায় কর্মরত নারী এসআই (নিরস্ত্র) মিনারা আলমের শাশুড়ি ছিলেন।
উল্লেখ্য, বুধবার (১৮ জুন) রাতে মণিরামপুর উপজেলার মাহমুদকাটি গ্রামের ইউসুফ আলী (৪৫) করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। একই দিন বুধবার ভোরে শেখ আমির হোসেন (৬৮) নামে আরও একজন করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব