সাতক্ষীরায় দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে মাদকের বিস্তার। শহরের বিভিন্ন মোড়, অলিগলি ও ওয়ার্ডে প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেকটা চা-বিস্কুটের মতো সহজলভ্য হয়ে উঠেছে এই ভয়ংকর মাদক। বিশেষ করে কিশোর ও তরুণ সমাজের একটি বড় অংশ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ায় উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবক ও সচেতন মহলে।
অভিযোগ উঠেছে, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর নিয়মিত ও কার্যকর অভিযান না থাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, জেলা ডিবি পুলিশের কার্যকর টিম না থাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। ফলে সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় সহজেই বিভিন্ন এলাকা দিয়ে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক প্রবেশ করছে।
যদিও মাঝে মধ্যে র্যাব ও ডিবি পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে থাকে, তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সীমিত বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ। অনেকের মতে, অভিযানের ধারাবাহিকতা না থাকায় মাদক কারবারিরা দ্রুত আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে।
এদিকে মাদকের বিস্তারের পাশাপাশি শহরে চুরি ও অপরাধও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। দিনে-দুপুরে ও রাতের আঁধারে একাধিক ছোট-বড় চুরির ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি বিভিন্ন এলাকা থেকে একাধিক মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় থানায় মামলা হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চোরচক্র কিংবা চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, মাদক ও চুরির ঘটনা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত বিশেষ অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। তা না হলে ভবিষ্যতে সাতক্ষীরার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।
ইয়াবায় সয়লাব সাতক্ষীরা, বাড়ছে চুরি-ছিনতাই
ইয়াবায় সয়লাব সাতক্ষীরা, বাড়ছে চুরি-ছিনতাই
সাতক্ষীরায় দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে মাদকের বিস্তার। শহরের বিভিন্ন মোড়, অলিগলি ও ওয়ার্ডে প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেকটা চা-বিস্কুটের মতো সহজলভ্য হয়ে উঠেছে এই ভয়ংকর মাদক। বিশেষ করে কিশোর ও তরুণ সমাজের একটি বড় অংশ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ায় উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবক ও সচেতন মহলে। অভিযোগ উঠেছে, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর নিয়মিত ও কার্যকর অভিযান না থাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি,
জেলা ডিবি পুলিশের কার্যকর টিম না থাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। ফলে সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় সহজেই বিভিন্ন এলাকা দিয়ে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক প্রবেশ করছে।যদিও মাঝে মধ্যে র্যাব ও ডিবি পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে থাকে, তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সীমিত বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ। অনেকের মতে, অভিযানের ধারাবাহিকতা না থাকায় মাদক কারবারিরা দ্রুত আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে। এদিকে মাদকের বিস্তারের পাশাপাশি শহরে চুরি ও অপরাধও
আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। দিনে-দুপুরে ও রাতের আঁধারে একাধিক ছোট-বড় চুরির ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি বিভিন্ন এলাকা থেকে একাধিক মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় থানায় মামলা হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চোরচক্র কিংবা চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, মাদক ও চুরির ঘটনা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত বিশেষ অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। তা না হলে ভবিষ্যতে সাতক্ষীরার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত