সৈয়দপুর পৌরসভার নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্তুরের ২২ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও নির্মাণ হয়নি পুর্নাঙ্গ ভবন। ২০০৩ সালে এ ভবনটির ভিত্তি দেন তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মান্নান ভুইঁয়। ওই সময় ভবনের একতলার৷ সাদ পর্যন্ত নির্মাণ হয়ে দীর্ঘ ২২ বছর কাজকর্ম বন্ধ। সেই থেকে ভবনটি পরিত্যক্ত থেকে দিনে মাদকের আখরা ও সন্ধ্যার পর ভুতরে বাড়িতে পরিনত হয়েছে। সংস্কার ও তদারকির অভাবে নষ্টের পথে ইট ও লোহার রড়।
পৌরসভা সুত্র জানায়,১৯৫৮ সালে শহরের নতুন বাবু পাড়ায়একটি হিন্দুর পরিত্যক্ত ভবনে পৌরসভার কার্যক্রম শুরু হয়। প্রায় ২/৩ বছর পৌরসভার কার্যক্রম চলাকালে ভবনটি ধ্বংসে পড়ার আশংকায় ওইসময় পৌর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বখতিয়ার কবির পরিষদের নিজ অর্থায়নে শহরের বঙ্গবন্ধু সড়ক সংলগ্ন প্রায় ৪ একর পরিত্যক্ত সম্পত্তি এ্যাকোয়ার করেন নিজস্ব ভবন নির্মাণের জন্য। ওই তিনি আরো অনেক সম্পত্তি ক্রয় করেন পৌরসভার অর্থায়নে। কিন্তু সময়ের অভাবে তিনি তার ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে কোন প্রকার স্থাপনা নির্মাণ করতে পারেননি।পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে তৎকালীন মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার সাবেক চেয়ারম্যান বখতিয়ার কবির এর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে বঙ্গবন্ধু সড়ক সংলগ্ন এ্যাকোয়ার কৃত জমিতে পৌরসভার নিজস্ব ভবন নির্মাণের উদ্যোগে ১ কোটি টাকা বাজেট ঘোষণা করেন।
২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি পৌর চেয়ারম্যান থাকাকালীন ৮ম জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৩ সালে তৎকালীন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্হানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মান্নান ভুইঁয়ার দ্বারা ওই জমিতে পৌরসভার নিজস্ব ভবনের ভিত্তি প্রস্তুর স্হাপন করা হয়। ২০০৩ সালের শেষের দিকে ১ কোটি টাকা বাজেটে নির্মাণ শুরু হয় পৌরভবনটির কিন্তু সেটি মাত্র ৪ মাসে ১ তলার সাদ পর্যন্ত নির্মাণ করে উন্নয়ন কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
২০০৪ সালে শ্রমিক নেতা আকতার হোসেন বাদল মেয়র মেয়র নির্বাচিত হয়ে দীর্ঘ ৭ বছর ক্ষমতায় থাকাকালীন প্রতিবছর ভবন নির্মাণে ১ কোটি টাকা করে বাজেট ঘোষণা করলেও কোন কাজই করেননি ভবনটির।এরফলে ২০১২ সালের পৌর নির্বাচনে আমজাদ হোসেন সরকারের কাছে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হেরে যান তিনি। ২০১২ থেকে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমজাদ হোসেন সরকার মেয়রের দায়িত্ব পালন করলে তিনি ও ওই ভবন নির্মাণে কোন ভুমিকাই রাখেননি।
স্হানীয়রা জানান, সৈয়দপুর শহরে এ যাবত যতটা উন্নয়ন হয়েছে তা বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এবং সেটিও হয়েছে দায়সারাভাবে। প্রতিটি মেয়রের পছন্দের ঠিকাদার দিয়ে রাস্তা ও ড্রেন করা হয়েছে একেবারেই নিম্নমানের। ২০২১ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত রাফিকা আকতার জাহান বেবি মেয়র থাকাকালীন সময়ে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করলে তিনি ও সৈয়দপুরের সিকি ভাগ উন্নয়ন করেননি। গতদিনের সরকার প্রধানরা সারা দেশের ন্যায় সৈয়দপুরের উন্নয়ন চাইলেও উন্নয়ন হয়েছে দায়িত্ব প্রাপ্ত মেয়র সহ ক'জন। দুর্নীতিবাজ নয় এমন উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দ্বারা তদন্ত হলেই বেড়িয়ে পরবে থলের বিড়াল।
স্হানীয়রা আরো বলেন, দেশের অষ্টম বানিজ্যিক শহর হলো সৈয়দপুর। প্রথম শ্রেনির পৌরসভাও এটি। কিন্তু পরিকল্পিত ভাবে উন্নয়ন করে না কেউই। এশহরে রয়েছে দেশের বৃহত্তর রেলওয়ে কারখানা। রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, বিসিক শিল্প নগরী। বানিজ্যিক শহরে খ্যাতি ছড়িয়ে শুধু মাত্র ব্যবসায়িদের কারনে।
জানতে চাইলে পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর-ই আলম সিদ্দিক বলেন, ৫ আগষ্টের পর মেয়র রাফিকা আকতার জাহান বেবি গ্রেফতার আতংকে গা ঢাকা দেয়ায় আমাকে পৌরসভার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আমি দায়িত্ব নেয়ার পর হিসাবরক্ষক আবু তাহের কে নিয়ে শহরের ২/১ রাস্তা ও শহর থেকে দ্রুত পানি নিষ্কাসনে জন ২/৩ টি ড্রেন নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে। পৌরসভার অর্থ তেমন একটা নেই। সরকারের পক্ষ থেকে বাজেট আসলে ভবনটি নির্মাণ করা সহ এশহরকে মডেল শহরে রুপান্তরিত করা যেত।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
ভিত্তি প্রস্তুতের ২২ বছর আজো হয়নি পুর্নাঙ্গ ভবন
ভিত্তি প্রস্তুতের ২২ বছর আজো হয়নি পুর্নাঙ্গ ভবন
সৈয়দপুর পৌরসভার নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্তুরের ২২ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও নির্মাণ হয়নি পুর্নাঙ্গ ভবন। ২০০৩ সালে এ ভবনটির ভিত্তি দেন তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মান্নান ভুইঁয়। ওই সময় ভবনের একতলার৷ সাদ পর্যন্ত নির্মাণ হয়ে দীর্ঘ ২২ বছর কাজকর্ম বন্ধ। সেই থেকে ভবনটি পরিত্যক্ত থেকে দিনে মাদকের আখরা ও সন্ধ্যার পর ভুতরে বাড়িতে পরিনত হয়েছে। সংস্কার ও তদারকির অভাবে নষ্টের পথে ইট ও লোহার রড়।পৌরসভা সুত্র জানায়,১৯৫৮ সালে শহরের নতুন বাবু পাড়ায়একটি হিন্দুর পরিত্যক্ত ভবনে পৌরসভার কার্যক্রম শুরু হয়। প্রায় ২/৩ বছর পৌরসভার কার্যক্রম চলাকালে ভবনটি ধ্বংসে পড়ার আশংকায় ওইসময় পৌর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বখতিয়ার কবির পরিষদের নিজ অর্থায়নে শহরের বঙ্গবন্ধু সড়ক সংলগ্ন প্রায় ৪ একর পরিত্যক্ত সম্পত্তি এ্যাকোয়ার করেন নিজস্ব ভবন নির্মাণের জন্য। ওই তিনি আরো অনেক সম্পত্তি ক্রয় করেন পৌরসভার অর্থায়নে। কিন্তু সময়ের অভাবে তিনি তার ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে কোন প্রকার স্থাপনা নির্মাণ করতে পারেননি।পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে তৎকালীন মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার সাবেক চেয়ারম্যান বখতিয়ার কবির এর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে বঙ্গবন্ধু সড়ক সংলগ্ন এ্যাকোয়ার কৃত জমিতে পৌরসভার নিজস্ব ভবন নির্মাণের উদ্যোগে ১ কোটি টাকা বাজেট ঘোষণা করেন। ২০০১ সাল
পর্যন্ত তিনি পৌর চেয়ারম্যান থাকাকালীন ৮ম জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৩ সালে তৎকালীন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্হানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মান্নান ভুইঁয়ার দ্বারা ওই জমিতে পৌরসভার নিজস্ব ভবনের ভিত্তি প্রস্তুর স্হাপন করা হয়। ২০০৩ সালের শেষের দিকে ১ কোটি টাকা বাজেটে নির্মাণ শুরু হয় পৌরভবনটির কিন্তু সেটি মাত্র ৪ মাসে ১ তলার সাদ পর্যন্ত নির্মাণ করে উন্নয়ন কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৪ সালে শ্রমিক নেতা আকতার হোসেন বাদল মেয়র মেয়র নির্বাচিত হয়ে দীর্ঘ ৭ বছর ক্ষমতায় থাকাকালীন প্রতিবছর ভবন নির্মাণে ১ কোটি টাকা করে বাজেট ঘোষণা করলেও কোন কাজই করেননি ভবনটির।এরফলে ২০১২ সালের পৌর নির্বাচনে আমজাদ হোসেন সরকারের কাছে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হেরে যান তিনি। ২০১২ থেকে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমজাদ হোসেন সরকার মেয়রের দায়িত্ব পালন করলে তিনি ও ওই ভবন নির্মাণে কোন ভুমিকাই রাখেননি। স্হানীয়রা জানান, সৈয়দপুর শহরে এ যাবত যতটা উন্নয়ন হয়েছে তা বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এবং সেটিও হয়েছে দায়সারাভাবে। প্রতিটি মেয়রের পছন্দের ঠিকাদার দিয়ে রাস্তা ও ড্রেন করা হয়েছে একেবারেই নিম্নমানের। ২০২১ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত রাফিকা আকতার জাহান বেবি মেয়র
থাকাকালীন সময়ে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করলে তিনি ও সৈয়দপুরের সিকি ভাগ উন্নয়ন করেননি। গতদিনের সরকার প্রধানরা সারা দেশের ন্যায় সৈয়দপুরের উন্নয়ন চাইলেও উন্নয়ন হয়েছে দায়িত্ব প্রাপ্ত মেয়র সহ ক'জন। দুর্নীতিবাজ নয় এমন উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দ্বারা তদন্ত হলেই বেড়িয়ে পরবে থলের বিড়াল।স্হানীয়রা আরো বলেন, দেশের অষ্টম বানিজ্যিক শহর হলো সৈয়দপুর। প্রথম শ্রেনির পৌরসভাও এটি। কিন্তু পরিকল্পিত ভাবে উন্নয়ন করে না কেউই। এশহরে রয়েছে দেশের বৃহত্তর রেলওয়ে কারখানা। রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, বিসিক শিল্প নগরী। বানিজ্যিক শহরে খ্যাতি ছড়িয়ে শুধু মাত্র ব্যবসায়িদের কারনে।জানতে চাইলে পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর-ই আলম সিদ্দিক বলেন, ৫ আগষ্টের পর মেয়র রাফিকা আকতার জাহান বেবি গ্রেফতার আতংকে গা ঢাকা দেয়ায় আমাকে পৌরসভার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আমি দায়িত্ব নেয়ার পর হিসাবরক্ষক আবু তাহের কে নিয়ে শহরের ২/১ রাস্তা ও শহর থেকে দ্রুত পানি নিষ্কাসনে জন ২/৩ টি ড্রেন নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে। পৌরসভার অর্থ তেমন একটা নেই। সরকারের পক্ষ থেকে বাজেট আসলে ভবনটি নির্মাণ করা সহ এশহরকে মডেল শহরে রুপান্তরিত করা যেত।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত