১১ জন বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে ভারতের পুনে শহরের বুধওয়ার পেথের যৌনপল্লি থেকে। স্থানীয় সময় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ওই এলাকার বিভ্নি যৌনপল্লি থেকে তাদের উদ্ধার করে পুনে সিটি পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যৌনপল্লিতে দেহব্যবসায় বাধ্য হওয়া ১ ‘বাংলাদেশি’ নারী এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনার এক মাস পর বাংলাদেশি নারীদের উদ্ধার করা হলো। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সাত দিনের মধ্যে ওই এলাকায় এটি ছিল পুলিশের দ্বিতীয় বড় অভিযান। এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি পুলিশ সেখান থেকে দুজন বাংলাদেশি নারী এবং বেশ কয়েকজন নাবালিকাকে উদ্ধার করেছিল। স্থানীয় সময় বুধবার রাত সাড়ে ১২টা দিকে উপপুলিশ কমিশনার (জোন-১) ঋষিকেশ রাওয়ালের নেতৃত্বে ৭০০ সদস্যের এক বিশাল পুলিশ দল এই অভিযান চালায়। মূলত অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশি নারী ও জোরপূর্বক দেহব্যবসায় লিপ্ত হতে বাধ্য করা নাবালিকাদের খুঁজতেই এই তল্লাশি চালানো হয়। পুনের পুলিশ কমিশনার অমিতেশ কুমার বলেন, ‘যেসব যৌনপল্লি বা ভবনে বাংলাদেশি নারীদের অবৈধভাবে রাখা হয়েছিল এবং দেহব্যবসায় বাধ্য করা হয়েছিল, সেগুলো সিল করে দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করব। অনৈতিক পাচার (প্রতিরোধ) আইনের অধীনে মামলা করা হবে। পাশাপাশি এই নারীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াও আমরা শুরু করব।’
ভারতের যৌনপল্লি থেকে যেভাবে উদ্ধার হলো ১১ বাংলাদেশি নারী
ভারতের যৌনপল্লি থেকে যেভাবে উদ্ধার হলো ১১ বাংলাদেশি নারী
১১ জন বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে ভারতের পুনে শহরের বুধওয়ার পেথের যৌনপল্লি থেকে। স্থানীয় সময় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ওই এলাকার বিভ্নি যৌনপল্লি থেকে তাদের উদ্ধার করে পুনে সিটি পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যৌনপল্লিতে দেহব্যবসায় বাধ্য হওয়া ১ ‘বাংলাদেশি’ নারী এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনার এক মাস পর বাংলাদেশি নারীদের উদ্ধার
করা হলো। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সাত দিনের মধ্যে ওই এলাকায় এটি ছিল পুলিশের দ্বিতীয় বড় অভিযান। এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি পুলিশ সেখান থেকে দুজন বাংলাদেশি নারী এবং বেশ কয়েকজন নাবালিকাকে উদ্ধার করেছিল। স্থানীয় সময় বুধবার রাত সাড়ে ১২টা দিকে উপপুলিশ কমিশনার (জোন-১) ঋষিকেশ রাওয়ালের নেতৃত্বে ৭০০ সদস্যের এক বিশাল পুলিশ দল এই অভিযান চালায়। মূলত অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশি নারী ও
জোরপূর্বক দেহব্যবসায় লিপ্ত হতে বাধ্য করা নাবালিকাদের খুঁজতেই এই তল্লাশি চালানো হয়। পুনের পুলিশ কমিশনার অমিতেশ কুমার বলেন, ‘যেসব যৌনপল্লি বা ভবনে বাংলাদেশি নারীদের অবৈধভাবে রাখা হয়েছিল এবং দেহব্যবসায় বাধ্য করা হয়েছিল, সেগুলো সিল করে দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করব। অনৈতিক পাচার (প্রতিরোধ) আইনের অধীনে মামলা করা হবে। পাশাপাশি এই নারীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াও আমরা শুরু করব।’
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত