কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তার বেপরোয়া ভাঙ্গন রোধে নদী তীরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকাল ১১ টায় উপজেলার বজরা ইউনিয়নের সাদুয়া দামার হাট এলাকার ভাঙ্গন কবলিত মানুষজন এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, সাফা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও দৈনিক বায়ান্নর আলো পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক আব্দুস সোবহান। ওই এলাকার ভাঙ্গন কবলিত এবং ভাঙ্গনের মুখে থাকা শতাধিক নারী ও পুরুষ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে।
এ সময় বক্তব্য রাখেন,সাতালস্কর বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, মোঃ আবুল কালাম আজাদ, নুরুন্নবী সরকার, আমজাদ হোসেন, নুরনাহার বেগম, নাসরিন আক্তার, মোঃ আশরাফ আলী, মোজাফফর দফাদার, নয়ামিয়া, বাহাদুর ইসলাম প্রমুখ।
গত কয়েক দিনে তিস্তার ভাঙ্গনে মোফাজ্জল ও মজিবর রহমানের বাড়ি ভেঙে তিস্তায় বিলীন হয়ে যায়। ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে, আব্দুল হান্নান, আশরাফুল ইসলাম, আব্বাস আলী, বাবলা, নাতিজার, মিলনসহ ১৫/২০ টি পরিবারের বাড়ি, দক্ষিণ সাদুয়া দামার হাট জামে মসজিদ, সাতালস্কর বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু ফসলি জমি।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমরা রিলিফ চাইনা, নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ চাই। বক্তারা বলেন, ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভিন্ন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিলেও মাত্র ৪০০ মিটার এলাকা বগুলা কুড়ার এ এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে কোন প্রকার জিও ব্যাগ ফেলানো হয়নি। অথচ ওই এলাকার দুই দিকেই জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙ্গন রোধ করা হয়েছে।
ভাঙ্গন কবলিত এলাকার পাশেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের বালুভর্তি জিও ব্যাগ মজুদ করে রাখা হয়েছে। সেগুলি এই ৪০০ মিটার এলাকায় ডাম্পিং করলেই দ্রুত ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা অনতিবিলম্বে ভাঙ্গন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সু-দৃষ্টি কামনা করেন।বক্তারা তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নেরও দাবি জানায়।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, সাফা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও দৈনিক বায়ান্নর আলো পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক আব্দুস সোবহান। ওই এলাকার ভাঙ্গন কবলিত এবং ভাঙ্গনের মুখে থাকা শতাধিক নারী ও পুরুষ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে।
এ সময় বক্তব্য রাখেন,সাতালস্কর বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, মোঃ আবুল কালাম আজাদ, নুরুন্নবী সরকার, আমজাদ হোসেন, নুরনাহার বেগম, নাসরিন আক্তার, মোঃ আশরাফ আলী, মোজাফফর দফাদার, নয়ামিয়া, বাহাদুর ইসলাম প্রমুখ।
গত কয়েক দিনে তিস্তার ভাঙ্গনে মোফাজ্জল ও মজিবর রহমানের বাড়ি ভেঙে তিস্তায় বিলীন হয়ে যায়। ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে, আব্দুল হান্নান, আশরাফুল ইসলাম, আব্বাস আলী, বাবলা, নাতিজার, মিলনসহ ১৫/২০ টি পরিবারের বাড়ি, দক্ষিণ সাদুয়া দামার হাট জামে মসজিদ, সাতালস্কর বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু ফসলি জমি।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমরা রিলিফ চাইনা, নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ চাই। বক্তারা বলেন, ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভিন্ন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিলেও মাত্র ৪০০ মিটার এলাকা বগুলা কুড়ার এ এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে কোন প্রকার জিও ব্যাগ ফেলানো হয়নি। অথচ ওই এলাকার দুই দিকেই জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙ্গন রোধ করা হয়েছে।
ভাঙ্গন কবলিত এলাকার পাশেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের বালুভর্তি জিও ব্যাগ মজুদ করে রাখা হয়েছে। সেগুলি এই ৪০০ মিটার এলাকায় ডাম্পিং করলেই দ্রুত ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা অনতিবিলম্বে ভাঙ্গন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সু-দৃষ্টি কামনা করেন।বক্তারা তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নেরও দাবি জানায়।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব