কুড়িগ্রামের উলিপুরে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বিলুপ্ত প্রজাতির একটি ময়ূর উদ্ধার করে বন কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রোববার (১১ই জানুয়ারি) উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মেহেদী হাসান দুপুরে উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের দেলদারগঞ্জ এলাকার সাদ্দাম হোসেনের বাড়ি থেকে মলময়ুরটি উদ্ধার করে।
ওই এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার দুপুরে দেলদারগঞ্জ এলাকায় কলাই ক্ষেতে বিলুপ্তপ্রায় কয়েকটি ময়ূর উড়ে এসে স্থান নেয়। এরপর এলাকাবাসী ময়ুরগুলোকে ধরতে তাড়া দেয়। এসময় ময়ুর গুলো উড়ে যাওয়ার পথে একটি ময়ুর লালমিয়া নামের এক ব্যক্তির টিনের চালে পড়ে। সেখান থেকে ওই ব্যক্তি ময়ুরটিকে আটক করে সাদ্দাম হোসেন নামের একজনের বাড়িতে রাখেন।
বন বিভাগের কর্মকর্তা স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারে দেলদারগঞ্জ এলাকার সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে একটি ময়ূর ধরে রাখা হয়েছে। পরে তাঁরা ময়ূরটি উদ্ধারে সেখানে গেলে সাদ্দাম হোসেনের বাড়ির লোকজন ময়ুরটিকে দেবেন না বলে জানান। বন বিভাগের কর্মকর্তারা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কে জানালে থানা-পুলিশ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম মেহেদী হাসান, উপজেলা বন কর্মকর্তা ফজলুল হক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ময়ূরটিকে উদ্ধার করে। পরে উদ্ধারকৃত ময়ুরটি এসফএনটিসি কর্মকর্তা ইকবাল হোসের চাঁদের মাধ্যমে রংপুর বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম মেহেদী হাসান বলেন, ময়ুরটিকে উদ্ধার করে রংপুর বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বন্যপ্রানী যাতে কেউ আটক না করে, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।
ওই এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার দুপুরে দেলদারগঞ্জ এলাকায় কলাই ক্ষেতে বিলুপ্তপ্রায় কয়েকটি ময়ূর উড়ে এসে স্থান নেয়। এরপর এলাকাবাসী ময়ুরগুলোকে ধরতে তাড়া দেয়। এসময় ময়ুর গুলো উড়ে যাওয়ার পথে একটি ময়ুর লালমিয়া নামের এক ব্যক্তির টিনের চালে পড়ে। সেখান থেকে ওই ব্যক্তি ময়ুরটিকে আটক করে সাদ্দাম হোসেন নামের একজনের বাড়িতে রাখেন।
বন বিভাগের কর্মকর্তা স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারে দেলদারগঞ্জ এলাকার সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে একটি ময়ূর ধরে রাখা হয়েছে। পরে তাঁরা ময়ূরটি উদ্ধারে সেখানে গেলে সাদ্দাম হোসেনের বাড়ির লোকজন ময়ুরটিকে দেবেন না বলে জানান। বন বিভাগের কর্মকর্তারা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কে জানালে থানা-পুলিশ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম মেহেদী হাসান, উপজেলা বন কর্মকর্তা ফজলুল হক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ময়ূরটিকে উদ্ধার করে। পরে উদ্ধারকৃত ময়ুরটি এসফএনটিসি কর্মকর্তা ইকবাল হোসের চাঁদের মাধ্যমে রংপুর বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম মেহেদী হাসান বলেন, ময়ুরটিকে উদ্ধার করে রংপুর বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বন্যপ্রানী যাতে কেউ আটক না করে, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।