উখিয়ায় অভিযান চালিয়ে ৪৪০ বস্তা নন ইউরিয়া সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় সার বহনকারী চট্টমেট্রো ট ১১- ৭৮৪৭ নম্বরে ট্রাকটিও জব্দ করা হয়। রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার কোট বাজার স্টেশনের ভালুকিয়া রোডে জাহেদ এন্ড ব্রাদার্স নামক সার ডিলার জাহেদুল আলমের গুদামে এ অভিযান পরিচালনা করে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিস সরকার জানান, জব্দকৃত সারের মধ্যে রয়েছে ১৭ টন টিএসপি সার (কাল সার) ও ৫ টন এমওপি সার (লাল সার)। অভিযান কালে এসব সারের কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। জব্দকৃত ৪৪০ বস্তা সার সরকারি সংস্থা কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) উৎপাদিত সার।অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিস সরকার, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোছাম্মৎ বেনজির ইকবাল, উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহমদ ও উখিয়া থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক রিপন চৌধুরী।
দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও পুলিশ যৌথ ভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে ট্রাক সহ ৩৪০ বস্তা টিএসপি ও ১০০ বস্তা এমওপি মোট ৪৪০ বস্তা নন ইউরিয়া সার জব্দ করতে সক্ষম হয়।
স্থানীয়রা জানান, কিছু অসাধু সার ডিলার চট্টগ্রামের কালো বাজার থেকে অবৈধভাবে সার ক্রয় করে চোরাই পথে উখিয়ায় নিয়ে আসে। এ সব সার গুদামে মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকটের মাধ্যমে কৃষকদের নিকট উচ্চ দামে বা অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করে থাকে। প্রত্যক্ষদর্শীর আরো জানান, জাহেদ এন্ড ব্রাদার্সের মালিক জাহেদুল আলম সরকারি বরাদ্দ ছাড়াই, বৈধ কাগজপত্র বিহীন চট্টগ্রাম শহর থেকে নন ইউরিয়া সার ট্রাক ( চট্টমেট্রো ট ১১ - ৭৮৪৭) ভর্তি করে কোট বাজারে এনে গুদামে মজুদ করছিল।
পরবর্তীতে অতিরিক্ত দামে এসব সার কৃষকদের নিকট বিক্রি করে দেয়। সচেতন নাগরিক সমাজের অভিযোগ, সম্প্রতি বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারের সার পাচার করছে। পাচারকালে প্রশাসন কয়েক দফা সার জব্দ করতে সক্ষম হয়। এ কারণে স্থানীয়ভাবে সার-সংকট দেখা দেয়।
উপ পুলিশ পরিদর্শক রিপন চৌধুরী জানান, জব্দকৃত ট্রাক ভর্তি সার উখিয়া থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।জড়িত ডিলারের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিস সরকার।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিস সরকার জানান, জব্দকৃত সারের মধ্যে রয়েছে ১৭ টন টিএসপি সার (কাল সার) ও ৫ টন এমওপি সার (লাল সার)। অভিযান কালে এসব সারের কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। জব্দকৃত ৪৪০ বস্তা সার সরকারি সংস্থা কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) উৎপাদিত সার।অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিস সরকার, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোছাম্মৎ বেনজির ইকবাল, উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহমদ ও উখিয়া থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক রিপন চৌধুরী।
দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও পুলিশ যৌথ ভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে ট্রাক সহ ৩৪০ বস্তা টিএসপি ও ১০০ বস্তা এমওপি মোট ৪৪০ বস্তা নন ইউরিয়া সার জব্দ করতে সক্ষম হয়।
স্থানীয়রা জানান, কিছু অসাধু সার ডিলার চট্টগ্রামের কালো বাজার থেকে অবৈধভাবে সার ক্রয় করে চোরাই পথে উখিয়ায় নিয়ে আসে। এ সব সার গুদামে মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকটের মাধ্যমে কৃষকদের নিকট উচ্চ দামে বা অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করে থাকে। প্রত্যক্ষদর্শীর আরো জানান, জাহেদ এন্ড ব্রাদার্সের মালিক জাহেদুল আলম সরকারি বরাদ্দ ছাড়াই, বৈধ কাগজপত্র বিহীন চট্টগ্রাম শহর থেকে নন ইউরিয়া সার ট্রাক ( চট্টমেট্রো ট ১১ - ৭৮৪৭) ভর্তি করে কোট বাজারে এনে গুদামে মজুদ করছিল।
পরবর্তীতে অতিরিক্ত দামে এসব সার কৃষকদের নিকট বিক্রি করে দেয়। সচেতন নাগরিক সমাজের অভিযোগ, সম্প্রতি বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারের সার পাচার করছে। পাচারকালে প্রশাসন কয়েক দফা সার জব্দ করতে সক্ষম হয়। এ কারণে স্থানীয়ভাবে সার-সংকট দেখা দেয়।
উপ পুলিশ পরিদর্শক রিপন চৌধুরী জানান, জব্দকৃত ট্রাক ভর্তি সার উখিয়া থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।জড়িত ডিলারের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিস সরকার।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব