রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের এক সপ্তাহ না পেরোতেই বেইজিং সফরে পৌঁছেছেন। মঙ্গলবার (১৯ মে) চীনের রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় সফরে পৌঁছান তিনি। এই সফরকে বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে বেইজিং ও মস্কোর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের শক্ত বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং গত সপ্তাহে ট্রাম্পকে যেভাবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন, পুতিনকেও একই ধরনের জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে স্বাগত জানানো হয়। বিমানবন্দরে লাল গালিচা, সামরিক ব্যান্ড এবং তরুণদের ‘ওয়েলকাম’ স্লোগানে তাকে বরণ করা হয়।
দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা পুতিনের এটি ২৫তম চীন সফর। এ সময়ে বাণিজ্য, জ্বালানি, নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সহযোগিতায় চীন-রাশিয়ার সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অবিশ্বাস এবং শি-পুতিনের ব্যক্তিগত সখ্য এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
সফরের আগে প্রকাশিত এক বার্তায় পুতিন বলেন, রাশিয়া-চীন সম্পর্ক এখন ‘অভূতপূর্ব উচ্চতায়’ পৌঁছেছে। তিনি বলেন, ‘সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্রীয় ঐক্যসহ উভয় দেশের মৌলিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দুই দেশ একে অপরকে সমর্থন করে যাচ্ছে।’
চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও এই সফরকে গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করেছে। রাষ্ট্রীয় পত্রিকা গ্লোবাল টাইমস এক প্রতিবেদনে চীন-রাশিয়ার সম্পর্ককে ‘অটুট’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, বৈশ্বিক কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসছে বেইজিং।
বুধবার শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, ইরান সংকট, জ্বালানি সহযোগিতা ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। একইসঙ্গে ‘বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা’ ও ‘নতুন ধরনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক’ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে যৌথ ঘোষণা দিতে পারেন দুই নেতা।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে চাইছে চীন ও রাশিয়া। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালি এবং জ্বালানি সরবরাহ ইস্যুতে বেইজিং ও মস্কোর অবস্থান এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
চীন বর্তমানে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় জ্বালানি ক্রেতাদের অন্যতম। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার পর রুশ তেলের ওপর চীনের নির্ভরতা আরও বেড়েছে। এবার সফরে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।
এদিকে ইরান ইস্যুতেও চীন ও রাশিয়ার ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে। উভয় দেশই তেহরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরানকে কূটনৈতিকভাবে সমর্থন দিয়ে আসছে।
সূত্র:সিএনএন
ট্রাম্প সফরের কয়েকদিন পরই চীনে পুতিন
ট্রাম্প সফরের কয়েকদিন পরই চীনে পুতিন
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের এক সপ্তাহ না পেরোতেই বেইজিং সফরে পৌঁছেছেন। মঙ্গলবার (১৯ মে) চীনের রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় সফরে পৌঁছান তিনি। এই সফরকে বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে বেইজিং ও মস্কোর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের শক্ত বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং গত সপ্তাহে ট্রাম্পকে যেভাবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন, পুতিনকেও একই ধরনের জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে স্বাগত জানানো হয়। বিমানবন্দরে লাল গালিচা, সামরিক ব্যান্ড এবং তরুণদের ‘ওয়েলকাম’ স্লোগানে তাকে বরণ করা হয়। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা পুতিনের এটি ২৫তম চীন সফর। এ সময়ে বাণিজ্য, জ্বালানি, নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সহযোগিতায় চীন-রাশিয়ার সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অবিশ্বাস এবং শি-পুতিনের
ব্যক্তিগত সখ্য এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। সফরের আগে প্রকাশিত এক বার্তায় পুতিন বলেন, রাশিয়া-চীন সম্পর্ক এখন ‘অভূতপূর্ব উচ্চতায়’ পৌঁছেছে। তিনি বলেন, ‘সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্রীয় ঐক্যসহ উভয় দেশের মৌলিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দুই দেশ একে অপরকে সমর্থন করে যাচ্ছে।’ চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও এই সফরকে গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করেছে। রাষ্ট্রীয় পত্রিকা গ্লোবাল টাইমস এক প্রতিবেদনে চীন-রাশিয়ার সম্পর্ককে ‘অটুট’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, বৈশ্বিক কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসছে বেইজিং। বুধবার শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, ইরান সংকট, জ্বালানি সহযোগিতা ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। একইসঙ্গে ‘বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা’ ও ‘নতুন ধরনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক’ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে যৌথ ঘোষণা
দিতে পারেন দুই নেতা। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে চাইছে চীন ও রাশিয়া। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালি এবং জ্বালানি সরবরাহ ইস্যুতে বেইজিং ও মস্কোর অবস্থান এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চীন বর্তমানে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় জ্বালানি ক্রেতাদের অন্যতম। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার পর রুশ তেলের ওপর চীনের নির্ভরতা আরও বেড়েছে। এবার সফরে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে। এদিকে ইরান ইস্যুতেও চীন ও রাশিয়ার ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে। উভয় দেশই তেহরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরানকে কূটনৈতিকভাবে সমর্থন দিয়ে আসছে। সূত্র:সিএনএন
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত