এবারের নির্বাচনে ঢাকার বিভিন্ন আসনে বিএনপি ও জামায়াত জোটের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল বেশ হাড্ডাহাড্ডি। বেশ কয়েকটি আসনে বিএনপি ও জামায়াত জোটের প্রার্থীরা এবার জয়ী হয়েছে।এবার নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিলো ঢাকা-৮ আসন। তবে ব্যতিক্রম ছিল ঢাকা-৯ আসন।এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত জোটের প্রার্থীর থেকে ৫৭ হাজার ভোট বেশি পেয়ে জয় নিশ্চিত করেন।
নির্বাচনের আগে দলের মনোনয়ন দৌড়ে তিনি খুব বেশি আলোচনায় না থাকলেও শেষ পর্যন্ত দল তার ওপরই আস্থা রাখে। নির্বাচনে বিজয়ের পর তিনি শুধু সংসদ সদস্যই হননি বরং তাকে একসঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এবারই প্রথম নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি জয় লাভ করেন । প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন।
ঢাকা-৯ আসনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে বিএনপির ভেতরে বেশ আলোচনা ছিল। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস নিজে পাশের ঢাকা-৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পাশাপাশি ঢাকা-৯ আসনে তার স্ত্রী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস-কে প্রার্থী করতে চেয়েছিলেন। একই আসনে নির্বাচন করার আগ্রহ দেখান বিএনপির নেতা হাবিবুন নবী খান সোহেল। এছাড়া বিএনপির সমর্থনে ডা. তাসনিম জারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন এমনটাও গুঞ্জন ছিলো। শেষ পর্যন্ত বিএনপি মনোনয়ন দেয় হাবিবুর রশিদ হাবিবকে।
ঢাকা-৯ আসনের সবুজবাগে জন্ম নেওয়া হাবিব শিক্ষাজীবন শুরু করেন রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ-এ যেখানে থেকে তিনি মাধ্যমিক পাস করেন। পরে ঢাকা সিটি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। এরপর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
হাবিবুর রশিদ হাবিব তার রাজনীতিতে যাত্রা শুরু করেছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল থেকে এবং সেখানে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।
স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের সময় হাবিবুর রশিদ হাবিব গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি পার করেছেন। এছাড়াও একটি নাশকতার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ২০২৪ সালের এপ্রিলে কারাগারেও গিয়েছিলেন তিনি। পরে ৫ই আগস্টের ছাত্রজনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক মামলাগুলো থেকে তিনি মুক্তি পান।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে হাবিবুর রশিদ হাবিবের দায়িত্ব ও পদক্ষেপ আগামী দিনে ঢাকার স্থানীয় উন্নয়ন ও অবকাঠামো পরিকল্পনায় বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, তার মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং সাহসিকতা সরকারী কাজকে আরও ফলপ্রসূ করতে সাহায্য করবে এবং জনসেবার ক্ষেত্রেও নতুন দিকনির্দেশনা আনবে।
তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন হাবিবুর রশিদ হাবিব
তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন হাবিবুর রশিদ হাবিব
এবারের নির্বাচনে ঢাকার বিভিন্ন আসনে বিএনপি ও জামায়াত জোটের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল বেশ হাড্ডাহাড্ডি। বেশ কয়েকটি আসনে বিএনপি ও জামায়াত জোটের প্রার্থীরা এবার জয়ী হয়েছে।এবার নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিলো ঢাকা-৮ আসন। তবে ব্যতিক্রম ছিল ঢাকা-৯ আসন।এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত জোটের প্রার্থীর থেকে ৫৭ হাজার ভোট বেশি পেয়ে জয় নিশ্চিত করেন। নির্বাচনের আগে দলের মনোনয়ন দৌড়ে তিনি খুব বেশি আলোচনায় না থাকলেও শেষ পর্যন্ত দল তার ওপরই আস্থা রাখে। নির্বাচনে বিজয়ের পর তিনি শুধু সংসদ সদস্যই হননি বরং তাকে একসঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এবারই প্রথম নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি জয় লাভ করেন । প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে
দায়িত্ব দিয়েছেন। ঢাকা-৯ আসনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে বিএনপির ভেতরে বেশ আলোচনা ছিল। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস নিজে পাশের ঢাকা-৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পাশাপাশি ঢাকা-৯ আসনে তার স্ত্রী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস-কে প্রার্থী করতে চেয়েছিলেন। একই আসনে নির্বাচন করার আগ্রহ দেখান বিএনপির নেতা হাবিবুন নবী খান সোহেল। এছাড়া বিএনপির সমর্থনে ডা. তাসনিম জারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন এমনটাও গুঞ্জন ছিলো। শেষ পর্যন্ত বিএনপি মনোনয়ন দেয় হাবিবুর রশিদ হাবিবকে। ঢাকা-৯ আসনের সবুজবাগে জন্ম নেওয়া হাবিব শিক্ষাজীবন শুরু করেন রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ-এ যেখানে থেকে তিনি মাধ্যমিক পাস করেন। পরে ঢাকা সিটি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। এরপর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। হাবিবুর রশিদ হাবিব তার রাজনীতিতে যাত্রা শুরু করেছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল থেকে এবং সেখানে
কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের সময় হাবিবুর রশিদ হাবিব গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি পার করেছেন। এছাড়াও একটি নাশকতার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ২০২৪ সালের এপ্রিলে কারাগারেও গিয়েছিলেন তিনি। পরে ৫ই আগস্টের ছাত্রজনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক মামলাগুলো থেকে তিনি মুক্তি পান। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে হাবিবুর রশিদ হাবিবের দায়িত্ব ও পদক্ষেপ আগামী দিনে ঢাকার স্থানীয় উন্নয়ন ও অবকাঠামো পরিকল্পনায় বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, তার মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং সাহসিকতা সরকারী কাজকে আরও ফলপ্রসূ করতে সাহায্য করবে এবং জনসেবার ক্ষেত্রেও নতুন দিকনির্দেশনা আনবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত