ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় কবরের পাশে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় নিহত খাইরুন নাহার’র মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় অভিযান চালিয়ে হত্যার সাথে জড়িত ৩জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। বুধবার ভোররাতে দিনাজপুর ও ঢাকার ভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান চালিয়ে র্যাব তাদের আটক করে বলে র্যাব ১৩–এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। একই সময়ে র্যাব-১৩ ও র্যাব-৪ এর পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও সনগাঁও চৌধুরীপাড়া গ্রামের মো. শফিকুল ইসলাম (৪৯),ফরিদা বেগম (৪৫) ও ওমর আলী (৪৯)।
ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, অভিযুক্তরা ঘটনার পর হতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে আছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে গত বুধবার ভোরে র্যাব-১৩ এর একটি দল দিনাজপুর সদর উপজেলার মোহনপুর রাবার ড্যাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামকে আটক করে। অপরদিকে, ওই দিনই ভোর ৫ টার দিকে র্যাব-৪ এর সহায়তায় ঢাকার শাহ্ আলী থানার উত্তর বিশিল এলাকায় আরেকটি অভিযান চালিয়ে ফরিদা বেগম ও তার স্বামী ওমর আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাবের প্রেস মিডিয়া জানায়, গ্রেফতারকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, গত ২১ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সনগাঁও চৌধুরীপাড়া গ্রামের স্বামীর বাড়ির প্রায় দু’শ গজ দক্ষিণে একটি পুরনো কবরের পাশে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় খাইরুন নাহারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। জানা যায়, নিহত খাইরুন নাহারের(২৬) সাথে প্রায় আট বছর আগে একই উপজেলার সনগাঁও চৌধুরীপাড়া গ্রামের তাজমুল হকের (৩৩) সাথে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে কোনো সন্তান না হওয়ায় তাজমুলের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা তাকে দ্বিতীয় বিয়ের জন্য চাপ দিতে শুরু করে। এ পরিস্থিতিতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়শই কলহ লেগে থাকত।
নিহত খাইরুনের পিতার অভিযোগ, এক পর্যায়ে পরিকল্পিতভাবে তার শ্বশুর বাড়ীর লোকজন ২০ এপ্রিল রাতে তার মেয়েকে মেরে একটি পুরনো কবরের পাশে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গত ২১ এপ্রিল সকালবেলা উপজেলার সনগাঁও চৌধুরীপাড়া গ্রামের স্বামীর বাড়ির দু’শ গজ দক্ষিণে একটি পুরনো কবরের পাশে খাইরুন নাহারের মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহত খাইরুন নাহারের পিতা বালিয়াডাঙ্গী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, অভিযুক্তরা ঘটনার পর হতে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে আছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে গত বুধবার ভোরে র্যাব-১৩ এর একটি দল দিনাজপুর সদর উপজেলার মোহনপুর রাবার ড্যাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামকে আটক করে। অপরদিকে, ওই দিনই ভোর ৫ টার দিকে র্যাব-৪ এর সহায়তায় ঢাকার শাহ্ আলী থানার উত্তর বিশিল এলাকায় আরেকটি অভিযান চালিয়ে ফরিদা বেগম ও তার স্বামী ওমর আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাবের প্রেস মিডিয়া জানায়, গ্রেফতারকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, গত ২১ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সনগাঁও চৌধুরীপাড়া গ্রামের স্বামীর বাড়ির প্রায় দু’শ গজ দক্ষিণে একটি পুরনো কবরের পাশে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় খাইরুন নাহারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। জানা যায়, নিহত খাইরুন নাহারের(২৬) সাথে প্রায় আট বছর আগে একই উপজেলার সনগাঁও চৌধুরীপাড়া গ্রামের তাজমুল হকের (৩৩) সাথে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে কোনো সন্তান না হওয়ায় তাজমুলের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা তাকে দ্বিতীয় বিয়ের জন্য চাপ দিতে শুরু করে। এ পরিস্থিতিতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়শই কলহ লেগে থাকত।
নিহত খাইরুনের পিতার অভিযোগ, এক পর্যায়ে পরিকল্পিতভাবে তার শ্বশুর বাড়ীর লোকজন ২০ এপ্রিল রাতে তার মেয়েকে মেরে একটি পুরনো কবরের পাশে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গত ২১ এপ্রিল সকালবেলা উপজেলার সনগাঁও চৌধুরীপাড়া গ্রামের স্বামীর বাড়ির দু’শ গজ দক্ষিণে একটি পুরনো কবরের পাশে খাইরুন নাহারের মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহত খাইরুন নাহারের পিতা বালিয়াডাঙ্গী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব