ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে প্রতিবন্ধী এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ভেদালি গ্রামে ঘটে এ ঘটনা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনৈক নেতা আপোষের জরিমানার অধিকাংশ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
জানা যায়, মঙ্গলবার (২০ মে) বিকেলে ওই এলাকার একরামুল মুন্সি নামে এক বৃদ্ধ ১০০ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠে। অভিযুক্ত একরামুল মুন্সি ভেদালি গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। ঘটনার শিকার তরুণী জানান, মঙ্গলবার বিকেলে একরামুল মুন্সি তাকে একশ’ টাকা দেওয়ার কথা বলে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর টাকা দিতে অস্বীকার করলে এক পর্যায়েয় তরুণীর চিৎকারে একরামুল মুন্সি দ্রুত পালিয়ে যায়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে এ ঘটনার বিচার চেয়ে বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকালে ঠাকুরগাঁও আদালতে মামলা করতে যান ভুক্তভোগী তরুণীর ভ্যানচালক বাবা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় রাতোর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকতার হোসেন মেয়েটির বাবাকে আদালত থেকে ফিরিয়ে এনে জোরপূর্বক ৪০ হাজার টাকা হাতে তুলে দিয়ে বিষয়টি আপস করে দিয়েছেন কিন্তু একরামুল হক মুন্সীর পরিবার থেকে আপোষের জন্য হাতিয়ে নেওয়া হয় লক্ষাধিক টাকা।
ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা জানান, স্থানীয় সালিসে বিচার না পেয়ে তিনি আদালতে গিয়েছিলেন। কিন্তু আকতার হোসেনের চাপে তার ভাই তাকে আদালত থেকে ফিরিয়ে আনেন এবং বৃহস্পতিবার রাতে আবারও সালিস বসানো হয়। এই সালিসে তাকে ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে আপস করতে বাধ্য করা হয়। সালিসে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ব্যক্তি জানান, মেয়ের পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক এ আপোষ মেনে নিতে বাধ্য করা হয়। টাকার বিনিময়ে মীমাংসার বিষয়টি স্বীকার করলেও রাতোর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকতার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “মেয়েটি ধর্ষণ হয়েছে-এমন কথা জানি না। মেয়েটি বলেছে –ওই বৃদ্ধ মেয়েটার শুধু হাত ধরেছিল। তাই মীমাংসা করে দিয়েছি।” পরদিন তরুণীর বাবাকে কেন আদালত থেকে ফিরিয়ে আনলেন, এমন প্রশ্নের কোনো সঠিক সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি। এদিকে, অভিযুক্ত একরামুল মুন্সিকে তার বাড়িতে পাওয়া যায়নি। রানীশংকৈল থানার ওসি আরশেদুল হক জানান, “এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
জানা যায়, মঙ্গলবার (২০ মে) বিকেলে ওই এলাকার একরামুল মুন্সি নামে এক বৃদ্ধ ১০০ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠে। অভিযুক্ত একরামুল মুন্সি ভেদালি গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। ঘটনার শিকার তরুণী জানান, মঙ্গলবার বিকেলে একরামুল মুন্সি তাকে একশ’ টাকা দেওয়ার কথা বলে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর টাকা দিতে অস্বীকার করলে এক পর্যায়েয় তরুণীর চিৎকারে একরামুল মুন্সি দ্রুত পালিয়ে যায়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে এ ঘটনার বিচার চেয়ে বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকালে ঠাকুরগাঁও আদালতে মামলা করতে যান ভুক্তভোগী তরুণীর ভ্যানচালক বাবা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় রাতোর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকতার হোসেন মেয়েটির বাবাকে আদালত থেকে ফিরিয়ে এনে জোরপূর্বক ৪০ হাজার টাকা হাতে তুলে দিয়ে বিষয়টি আপস করে দিয়েছেন কিন্তু একরামুল হক মুন্সীর পরিবার থেকে আপোষের জন্য হাতিয়ে নেওয়া হয় লক্ষাধিক টাকা।
ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা জানান, স্থানীয় সালিসে বিচার না পেয়ে তিনি আদালতে গিয়েছিলেন। কিন্তু আকতার হোসেনের চাপে তার ভাই তাকে আদালত থেকে ফিরিয়ে আনেন এবং বৃহস্পতিবার রাতে আবারও সালিস বসানো হয়। এই সালিসে তাকে ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে আপস করতে বাধ্য করা হয়। সালিসে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ব্যক্তি জানান, মেয়ের পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক এ আপোষ মেনে নিতে বাধ্য করা হয়। টাকার বিনিময়ে মীমাংসার বিষয়টি স্বীকার করলেও রাতোর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকতার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “মেয়েটি ধর্ষণ হয়েছে-এমন কথা জানি না। মেয়েটি বলেছে –ওই বৃদ্ধ মেয়েটার শুধু হাত ধরেছিল। তাই মীমাংসা করে দিয়েছি।” পরদিন তরুণীর বাবাকে কেন আদালত থেকে ফিরিয়ে আনলেন, এমন প্রশ্নের কোনো সঠিক সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি। এদিকে, অভিযুক্ত একরামুল মুন্সিকে তার বাড়িতে পাওয়া যায়নি। রানীশংকৈল থানার ওসি আরশেদুল হক জানান, “এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব