বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
ঝালকাঠির নলছিটিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৯ কর্মকর্তাকে বদলি পাবনায় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের উদ্যোগে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিক পালন হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু চাঁদাপুর লঞ্চঘাটে চাঁদা না দেয়ায় দুই যাত্রীর ওপরে হামলা, থানায় জিডি বিদ্যুতের দাম বাড়ল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: মির্জা ফখরুল বাজেট তৈরি হচ্ছে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে: অর্থমন্ত্রী আসামি সোহেল-স্বপ্না নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতে যা বললেন "প্রথম বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী কোথায় যাবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে"
বিশ্ব থাইল্যান্ডের সাবেক রানি সিরিকিত আর নেই
logo

থাইল্যান্ডের সাবেক রানি সিরিকিত আর নেই

৯৩ বছর বয়সে মারা গেছেন থাইল্যান্ডের রাজা মহা ওয়াজিরালংকর্নের মা সাবেক রানি সিরিকিত।

শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২১ মিনিটে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে জানিয়েছে থাই রয়্যাল হাউসহোল্ড ব্যুরো।

সংস্থাটি জানায়, ২০১৯ সাল থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রানি সিরিকিত সাম্প্রতিক সময়ে রক্তসংক্রমণসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।

রানি সিরিকিত ছিলেন থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘসময় রাজত্ব করা রাজা ভূমিবল আদুল্যাদেজের সহধর্মিণী। রাজা ভূমিবল ২০১৬ সালে মারা যান। দাম্পত্য জীবনে তারা ছয় দশকেরও বেশি সময় একসঙ্গে ছিলেন।

রাজা ওয়াজিরালংকর্ন রাজপ্রাসাদে রাজকীয় মর্যাদায় মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছেন বলে বিবৃতিতে জানানো হয়। রানির মরদেহ ব্যাংককের গ্র্যান্ড প্যালেসের দুশিত থ্রোন হলে শায়িত হবে।

রাজপরিবারের সদস্যরা এক বছরের জন্য শোক পালন করবেন।

রানি সিরিকিত তরুণ বয়সে প্যারিসে সঙ্গীত অধ্যয়নকালে ভবিষ্যৎ রাজা ভূমিবলের সঙ্গে পরিচিত হন। সে সময় তার বাবা ফ্রান্সে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।

১৯৮০ সালে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রানি মজার ছলে বলেছিলেন, ‘প্রথম দেখাতেই ঘৃণা হয়েছিল।’ কারণ রাজা ভূমিবল প্রথম সাক্ষাতে তিন ঘণ্টা দেরি করে আসেন।

তাদের বিয়ে হয় ১৯৫০ সালের ২৮ এপ্রিল, রাজা ভূমিবলের অভিষেকের মাত্র এক সপ্তাহ আগে।

১৯৬০-এর দশকে রাজদম্পতি বিশ্ব ভ্রমণে বের হন। তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট আইজেনহাওয়ার, ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও সংগীতশিল্পী এলভিস প্রিসলির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেই সময় রানি সিরিকিত নিয়মিতভাবে আন্তর্জাতিক ‘সেরা পোশাকধারী নারীদের তালিকায়’ স্থান পেতেন।

একই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘থাইল্যান্ডের রাজা-রানিরা সবসময় জনগণের কাছাকাছি থেকেছেন। জনগণ রাজাকে দেশের পিতা হিসেবে দেখেন। তাই আমাদের ব্যক্তিগত জীবনের খুব একটা সুযোগ থাকে না। কারণ আমরা জাতির পিতা-মাতা হিসেবে বিবেচিত হই।’

থাইল্যান্ডে রানি সিরিকিতকে এক ‘মাতৃত্বের প্রতীক’ হিসেবে দেখা হতো। তার জন্মদিন ১২ আগস্ট ১৯৭৬ সাল থেকে জাতীয় মাতৃদিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

২০০৮ সালে তিনি এক বিক্ষোভকারীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলেন, যিনি সরকারবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

২০১২ সালে তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে জনসমক্ষে খুব কমই দেখা দিতেন।

সূত্র: বিবিসি

-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব


খুঁজুন