শুক্রবার ভোরের প্রথম দিকে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড করপস (ওজএঈ) ট্রু প্রমিস ৪’ অভিযান চালিয়ে তেল আবিবের কেন্দ্রীয় এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা পরিচালনা করেছে। হামলাটি ‘য়া মোয়াজ আল-মুমিনিন’ কোড নামে চালানো হয়েছে এবং ইমাম হাসান আল-মুজতবা (আঃ) এর জন্মবার্ষিকীর সঙ্গে মিলিয়ে পরিকল্পিত ছিল। হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে খাইবার শেকান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
সেপ্টাহ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোরের আগে শুরু হওয়া এই অভিযান কেন্দ্রীয় তেল আবিবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করেছিল। প্রকাশিত ভিডিও ও ছবি থেকে দেখা গেছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শহরের বিভিন্ন ভবন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আকাশে বিভক্ত হয়ে একাধিক ছোট হেডে পরিণত হয়েছে, ফলে ইসরায়েলের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এগুলো আটকাতে পারেনি।
ইসরায়েলের হ্যারেটজ পত্রিকা জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেল আবিবের কেন্দ্রীয় এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে।
ইরানি কর্মকর্তারা এই হামলাকে নিন্মবিত্তদের উপর ইসরায়েলি ও মার্কিন বেসামরিক গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। হামলা ২৮ ফেব্রুয়ারি, ভোরে সংঘটিত হয়, যখন মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ‘অবৈধ ও অপ্রত্যাশিত যুদ্ধ’ শুরু করেছিল।
এই হামলায় মিনাবে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে মার্কিন-ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে নিহত ১৭৫ শিশু ও শিক্ষকের স্মৃতিতে অভিযান চালানো হয়েছে। ঘটনাটি ইরানের বিভিন্ন শহরে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে এবং শিশুদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গণঅনুষ্ঠান ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সূত্র:
তেল আবিবে নতুন করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
তেল আবিবে নতুন করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
শুক্রবার ভোরের প্রথম দিকে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড করপস (ওজএঈ) ট্রু প্রমিস ৪’ অভিযান চালিয়ে তেল আবিবের কেন্দ্রীয় এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা পরিচালনা করেছে। হামলাটি ‘য়া মোয়াজ আল-মুমিনিন’ কোড নামে চালানো হয়েছে এবং ইমাম হাসান আল-মুজতবা (আঃ) এর জন্মবার্ষিকীর সঙ্গে মিলিয়ে পরিকল্পিত ছিল। হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে খাইবার শেকান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। সেপ্টাহ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোরের আগে শুরু হওয়া এই অভিযান কেন্দ্রীয় তেল
আবিবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করেছিল। প্রকাশিত ভিডিও ও ছবি থেকে দেখা গেছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শহরের বিভিন্ন ভবন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আকাশে বিভক্ত হয়ে একাধিক ছোট হেডে পরিণত হয়েছে, ফলে ইসরায়েলের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এগুলো আটকাতে পারেনি। ইসরায়েলের হ্যারেটজ পত্রিকা জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেল আবিবের কেন্দ্রীয় এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। ইরানি কর্মকর্তারা এই হামলাকে নিন্মবিত্তদের উপর ইসরায়েলি ও মার্কিন বেসামরিক গণহত্যা হিসেবে
অভিহিত করেছেন এবং দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। হামলা ২৮ ফেব্রুয়ারি, ভোরে সংঘটিত হয়, যখন মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ‘অবৈধ ও অপ্রত্যাশিত যুদ্ধ’ শুরু করেছিল। এই হামলায় মিনাবে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে মার্কিন-ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে নিহত ১৭৫ শিশু ও শিক্ষকের স্মৃতিতে অভিযান চালানো হয়েছে। ঘটনাটি ইরানের বিভিন্ন শহরে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে এবং শিশুদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গণঅনুষ্ঠান ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সূত্র:
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত