বৃষ্টির আশায় চাতক পাখির মতো তাকিয়ে আছেন বগুড়ার নন্দীগ্রামের মানুষ। সারা দেশের ন্যায় নন্দীগ্রামের জনসাধারণও স্বস্তির বৃষ্টির জন্য প্রহর গুনছেন। বগুড়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যবেক্ষক আব্দুর রশিদ জানিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তাপমাত্রা ৩২ থেকে ৩৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠানামা করছে। তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে রবিবার (১৫জুন) দুপুরে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে।
গত দুই সপ্তাহ ধরে বিরতিহীন তাপদাহে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে জনজীবন। প্রখর রোদ ও প্রচণ্ড গরমে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষদের কষ্ট সীমা ছাড়িয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকেই সূর্যের প্রচণ্ড তাপে বাইরে বের হওয়াই মুশকিল হয়ে উঠেছে। রাস্তা-ঘাটে মানুষজনের চলাচল অনেকটা কমে গেছে। অনেকে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকেও বের হচ্ছে না। এই গরমে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে অসুস্থতার হারও বেড়েছে। খেটে খাওয়া মানুষজন কাজ করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।
নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, দিনমজুর, রিকশা-ভ্যানচালক ও নির্মাণ শ্রমিকরা প্রচণ্ড রোদের মধ্যেও কাজ করছেন। কাজ করতে গিয়ে কেউ কেউ বারবার থেমে গাছতলা বা ছাউনির নিচে আশ্রয় নিচ্ছেন। নির্মাণ শ্রমিক লিটন বলেন, যে কাজ একদিনে শেষ হওয়ার কথা, সেটাই করতে হচ্ছে দুই দিনে। গরমে শরীর চলছে না, তবুও জীবিকার তাগিদে কাজ করছি। কাজের মাঝে মাঝেই পানি খেতে হচ্ছে, ছায়ায় বসতে হচ্ছে। বৃষ্টি হলেই শান্তি পেতাম। ভ্যানচালক ইমরান হোসেন জানান, রোদে যাত্রীদের নিয়ে চলাচল কষ্টকর হয়ে গেছে। মাথায় ছাতা দিয়ে বসে থাকি, যাতে কিছুটা হলেও রক্ষা পাওয়া যায়। তাড়াতাড়ি বৃষ্টি হলে কিছুটা স্বস্তি মিলতো।
নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ইকবাল মাহমুদ লিটন জানান, তাপ প্রবাহের কারণে ডায়রিয়া, জ্বর ও বমির মতো রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। শিশু ও বয়স্কদের বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের না হওয়াই ভাল।
সারা দেশের মতো নন্দীগ্রামের মানুষও এখন চাতক পাখির মতো বৃষ্টির অপেক্ষায়। কারণ, বৃষ্টি না হলে এই তীব্র তাপদাহের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
গত দুই সপ্তাহ ধরে বিরতিহীন তাপদাহে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে জনজীবন। প্রখর রোদ ও প্রচণ্ড গরমে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষদের কষ্ট সীমা ছাড়িয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকেই সূর্যের প্রচণ্ড তাপে বাইরে বের হওয়াই মুশকিল হয়ে উঠেছে। রাস্তা-ঘাটে মানুষজনের চলাচল অনেকটা কমে গেছে। অনেকে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকেও বের হচ্ছে না। এই গরমে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে অসুস্থতার হারও বেড়েছে। খেটে খাওয়া মানুষজন কাজ করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।
নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, দিনমজুর, রিকশা-ভ্যানচালক ও নির্মাণ শ্রমিকরা প্রচণ্ড রোদের মধ্যেও কাজ করছেন। কাজ করতে গিয়ে কেউ কেউ বারবার থেমে গাছতলা বা ছাউনির নিচে আশ্রয় নিচ্ছেন। নির্মাণ শ্রমিক লিটন বলেন, যে কাজ একদিনে শেষ হওয়ার কথা, সেটাই করতে হচ্ছে দুই দিনে। গরমে শরীর চলছে না, তবুও জীবিকার তাগিদে কাজ করছি। কাজের মাঝে মাঝেই পানি খেতে হচ্ছে, ছায়ায় বসতে হচ্ছে। বৃষ্টি হলেই শান্তি পেতাম। ভ্যানচালক ইমরান হোসেন জানান, রোদে যাত্রীদের নিয়ে চলাচল কষ্টকর হয়ে গেছে। মাথায় ছাতা দিয়ে বসে থাকি, যাতে কিছুটা হলেও রক্ষা পাওয়া যায়। তাড়াতাড়ি বৃষ্টি হলে কিছুটা স্বস্তি মিলতো।
নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ইকবাল মাহমুদ লিটন জানান, তাপ প্রবাহের কারণে ডায়রিয়া, জ্বর ও বমির মতো রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। শিশু ও বয়স্কদের বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের না হওয়াই ভাল।
সারা দেশের মতো নন্দীগ্রামের মানুষও এখন চাতক পাখির মতো বৃষ্টির অপেক্ষায়। কারণ, বৃষ্টি না হলে এই তীব্র তাপদাহের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব