বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাপক উন্নয়ন করা হবে বলে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন,প্রতিবছর শীতে এই এলাকায় দুঃস্থদের কাছে গরম কাপড় নিয়ে হাজির হতাম। নির্বাচনে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি একযুগ। ১২ তারিখ সেই অধিকার তারা প্রয়োগ করবেন।
তিনি বলেন,পঞ্চগড় এবং ঠাকুরগাঁওয়ে চা কারখানা এবং শিল্প কারখানা চালু করতে চাই। ঠাকুরগাঁওয়ে ক্যাডেট কলেজের দাবি বাস্তবায়নে চেষ্টা করব। হিমাগার তৈরি করা হবে। যুবকদের জন্য আইটি পার্ক বা হাব গড়ে তোলা হবে। ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় করার বিষয় আমরা দেখবো।
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ঠাকুরগাঁওয়ে বিমানবন্দর চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন,এক যুগ তারা নিজেদের স্বার্থ দেখেছে। ফলে মানুষ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে হেলথ কেয়ারার নিযুক্ত করা হবে। এসব কাজের জন্য ধানের শীষকে ভোট দিতে হবে।’
এবারের নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের নয়, দেশ পুনর্গঠনের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মানুষ রাজনৈতিক অধিকারের সঙ্গে অর্থনৈতিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হয়েছে। বিগত স্বৈরাচার নারী ও যুবকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করেনি।
ক্ষমতায় গেলে দেশ পুনর্গঠনের কাজে হাত দেবেন জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন,নারীদের স্বাবলম্বী করতেই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। একইভাবে কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড। যাতে তারা সহজে ঋণ নিতে পারবে। সার ও কীটনাশক পাবে। ধানের শীষ বিজয়ী হলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করতে চাই। রেজিস্টার্ড এনজিও থেকে নেওয়া ঋণ সরকার পরিশোধ করবে। কৃষি প্রধান উত্তরাঞ্চলে কল কারখানা গড়ে তোলা হবে। যাতে কর্মসংস্থান তৈরি হয়।
প্রশিক্ষণ দিয়ে যুবকদের দক্ষ করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই। আন্দোলন সংগ্রাম করেছি, এখন মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে হবে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে চাই। এই কাজ করতে দেশের মালিক জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে।
তিনি বলেন,নির্বাচনের মাঠে এক দল অন্য দলের বিপক্ষে কথা বলে। কিন্তু অন্য দলের বিপক্ষে কথা বললে, জনগণের কোনো লাভ হবে না। মানুষ তাদের জন্য কী করব, সেটা জানতে চায়। আমরা জনগণের জন্য পরিকল্পনার কথা বলছি। জনগণকেই সকল ক্ষমতার উৎস মনে করে বিএনপি।
তারেক রহমান বলেন,যেই বাংলাদেশে মা-বোনেরা নিরাপদে চলাচল করতে পারবে, তরুণরা বেকার থাকবে না, সবাই চিকিৎসা পাবে- এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই। দেশ স্বাধীন করেছি, চব্বিশে স্বাধীনতা রক্ষা করেছি। এখন গণতন্ত্র মজবুত করতে হবে, দেশ পুনর্গঠন করতে হবে।
ধর্ম দিয়ে কোনো বিচার করা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন,যোগ্যতা দিয়ে বিচার করা হবে। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়েই বাংলাদেশকে গড়তে হবে। ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হলে তাদের দায়িত্ব হবে জনগণকে দেখে রাখা।
তারেক রহমান ঠাকুরগাঁওবাসীকে যেসব প্রতিশ্রুতি দিলেন
তারেক রহমান ঠাকুরগাঁওবাসীকে যেসব প্রতিশ্রুতি দিলেন
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাপক উন্নয়ন করা হবে বলে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন তিনি। তারেক রহমান বলেন,প্রতিবছর শীতে এই এলাকায় দুঃস্থদের কাছে গরম কাপড় নিয়ে হাজির হতাম। নির্বাচনে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি একযুগ। ১২ তারিখ সেই অধিকার তারা প্রয়োগ করবেন। তিনি বলেন,পঞ্চগড় এবং ঠাকুরগাঁওয়ে চা কারখানা এবং শিল্প কারখানা চালু করতে চাই। ঠাকুরগাঁওয়ে ক্যাডেট কলেজের দাবি বাস্তবায়নে চেষ্টা করব। হিমাগার তৈরি করা হবে। যুবকদের জন্য আইটি পার্ক বা হাব গড়ে তোলা হবে। ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় করার বিষয় আমরা দেখবো। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ঠাকুরগাঁওয়ে বিমানবন্দর চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন,এক যুগ তারা নিজেদের স্বার্থ দেখেছে। ফলে মানুষ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে হেলথ কেয়ারার নিযুক্ত করা হবে। এসব কাজের জন্য
ধানের শীষকে ভোট দিতে হবে।’ এবারের নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের নয়, দেশ পুনর্গঠনের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মানুষ রাজনৈতিক অধিকারের সঙ্গে অর্থনৈতিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হয়েছে। বিগত স্বৈরাচার নারী ও যুবকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করেনি। ক্ষমতায় গেলে দেশ পুনর্গঠনের কাজে হাত দেবেন জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন,নারীদের স্বাবলম্বী করতেই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। একইভাবে কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড। যাতে তারা সহজে ঋণ নিতে পারবে। সার ও কীটনাশক পাবে। ধানের শীষ বিজয়ী হলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করতে চাই। রেজিস্টার্ড এনজিও থেকে নেওয়া ঋণ সরকার পরিশোধ করবে। কৃষি প্রধান উত্তরাঞ্চলে কল কারখানা গড়ে তোলা হবে। যাতে কর্মসংস্থান তৈরি হয়। প্রশিক্ষণ দিয়ে যুবকদের দক্ষ করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই। আন্দোলন সংগ্রাম করেছি, এখন মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে হবে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে চাই।
এই কাজ করতে দেশের মালিক জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। তিনি বলেন,নির্বাচনের মাঠে এক দল অন্য দলের বিপক্ষে কথা বলে। কিন্তু অন্য দলের বিপক্ষে কথা বললে, জনগণের কোনো লাভ হবে না। মানুষ তাদের জন্য কী করব, সেটা জানতে চায়। আমরা জনগণের জন্য পরিকল্পনার কথা বলছি। জনগণকেই সকল ক্ষমতার উৎস মনে করে বিএনপি। তারেক রহমান বলেন,যেই বাংলাদেশে মা-বোনেরা নিরাপদে চলাচল করতে পারবে, তরুণরা বেকার থাকবে না, সবাই চিকিৎসা পাবে- এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই। দেশ স্বাধীন করেছি, চব্বিশে স্বাধীনতা রক্ষা করেছি। এখন গণতন্ত্র মজবুত করতে হবে, দেশ পুনর্গঠন করতে হবে। ধর্ম দিয়ে কোনো বিচার করা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন,যোগ্যতা দিয়ে বিচার করা হবে। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়েই বাংলাদেশকে গড়তে হবে। ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হলে তাদের দায়িত্ব হবে জনগণকে দেখে রাখা।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত