রাজশাহীর তানোর উপজেলার তালন্দ ইউনিয়ন ইউপির লালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে দূর্বৃত্তরা আগুন লাগিয়ে আসবাবপত্র পুড়িয়ে দিয়েছে বলে নিশ্চিত করেন প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম । বুধবার দিবাগত রাত বা বৃহস্পতিবার ভোরে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন শিক্ষক সহ স্থানীয়রা। তবে নৈশ প্রহরী হত্যা মামলার এজহার ভুক্ত আসামী লালপুর গ্রামের আব্দুল হাকিমের দায়িত্ব অবহেলার কারনেও আগুন দেয়া হতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে। এঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিস রুমে আগুন দেয়ার ঘটনা পরিকল্পিত বলে মনে করছেন শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। কারন আগুন দিলেই তো নানা অনিয়ম ও প্রমান লোপাট করা যাবে। ফলে নৈশ প্রহরী সহ তার সহযোগীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি তুলেছেন জনসাধারণ।
স্থানীয়রা জানান, লালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় দলীয় বিবেচনায় প্রভাব খাটিয়ে নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগ পান ওই গ্রামের আব্দুল হাকিম। নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই সে স্কুলে দায়িত্ব পালন করেন না। সে ইউপি আ"লীগের সাধারণ সম্পাদক মেম্বার আবুল হাসানের ছোট ভাই। হাসান ও হাকিম উভয়ে হত্যা মামলার এজহার ভুক্ত আসামী। তাদের অত্যাচার নির্যাতনে অতিষ্ঠ ছিল ওই গ্রামসহ আশপাশের জনসাধারণ।
বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় ওই স্কুলের সভাপতি ছিলেন ইউপি আ"লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান। তিনি আট টি পদে নিয়োগ দিয়ে প্রায় দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় এবং পুকুর লীজের প্রতি বছর ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করে আসার কথা। কিন্তু সব কিছু লোপাট করা হয়েছে। এখানেই শেষ না উচ্চ বিদ্যালয় এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গায় ক্ষমতার দাপটে টাকার বিনিময়ে দোকান ঘর নির্মাণের ব্যবস্থা করে দেন হাসান। তিনি কমনরুম সংলগ্ন জায়গায় দোকান করার কারনে রুমের জরাজীর্ণ অবস্থা। স্কুলের তিল পরিমান উন্নয়ন হয়নি। উন্নয়ন হয়েছে মেম্বার হাসানসহ সংশ্লিষ্ট দের।
তবে নৈশ প্রহরী আব্দুল হাকিম জানান, আমি নিয়মিত ডিউটি করি। বুধবার রাতেও স্কুলে ছিলাম। ফজরের নামাজের সময় বাড়িতে যায়। তারপরই ঘটে আগুন দেয়ার ঘটনা বলে তিনি দায় সারেন।
প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম জানান, সকাল প্রায় ৭ টার দিকে স্কুলের আয়া অফিস খুলে দেখতে পায় পুড়ে আছে ও ধোয়া বের হচ্ছিল। সাথে সাথে স্কুলে এসে আগুন দেয়ার ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় দের অবহিত করা হয়। আগুনে অফিসে থাকা স্টাপ টেবিল, চারটির মত চেয়ার, ওয়ালের প্লাস্টার খসে পড়েছে এবং যাবতীয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে গেছে। এতে করে প্রায় ৪০/৫০ হাজার টাকার মত ক্ষতি হবে। অফিসে তালা মারা কিভাবে আগুন দিল জানতে চাইলে তিনি জানান জানালার ছিটকি খুলে আগুন দেয়া হয়েছে। তবে এটা পরিকল্পিত কাজ বলেও জানান তিনি।
ওসি আফজাল হোসেন জানান, স্কুলের অফিস কক্ষে আগুন দেয়ার ঘটনায় প্রধান শিক্ষক সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
তানোরের লালপুর স্কুলের অফিস কক্ষে আগুন
তানোরের লালপুর স্কুলের অফিস কক্ষে আগুন
রাজশাহীর তানোর উপজেলার তালন্দ ইউনিয়ন ইউপির লালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে দূর্বৃত্তরা আগুন লাগিয়ে আসবাবপত্র পুড়িয়ে দিয়েছে বলে নিশ্চিত করেন প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম । বুধবার দিবাগত রাত বা বৃহস্পতিবার ভোরে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন শিক্ষক সহ স্থানীয়রা। তবে নৈশ প্রহরী হত্যা মামলার এজহার ভুক্ত আসামী লালপুর গ্রামের আব্দুল হাকিমের দায়িত্ব অবহেলার কারনেও আগুন দেয়া হতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে। এঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিস রুমে আগুন দেয়ার ঘটনা পরিকল্পিত বলে মনে করছেন শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। কারন আগুন দিলেই তো নানা অনিয়ম ও প্রমান লোপাট করা যাবে। ফলে নৈশ প্রহরী সহ তার সহযোগীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি তুলেছেন জনসাধারণ। স্থানীয়রা জানান, লালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় দলীয় বিবেচনায় প্রভাব খাটিয়ে নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগ পান ওই
গ্রামের আব্দুল হাকিম। নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই সে স্কুলে দায়িত্ব পালন করেন না। সে ইউপি আ"লীগের সাধারণ সম্পাদক মেম্বার আবুল হাসানের ছোট ভাই। হাসান ও হাকিম উভয়ে হত্যা মামলার এজহার ভুক্ত আসামী। তাদের অত্যাচার নির্যাতনে অতিষ্ঠ ছিল ওই গ্রামসহ আশপাশের জনসাধারণ। বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় ওই স্কুলের সভাপতি ছিলেন ইউপি আ"লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান। তিনি আট টি পদে নিয়োগ দিয়ে প্রায় দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় এবং পুকুর লীজের প্রতি বছর ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করে আসার কথা। কিন্তু সব কিছু লোপাট করা হয়েছে। এখানেই শেষ না উচ্চ বিদ্যালয় এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গায় ক্ষমতার দাপটে টাকার বিনিময়ে দোকান ঘর নির্মাণের ব্যবস্থা করে দেন হাসান। তিনি কমনরুম সংলগ্ন জায়গায় দোকান করার কারনে রুমের জরাজীর্ণ অবস্থা। স্কুলের তিল পরিমান উন্নয়ন হয়নি। উন্নয়ন হয়েছে মেম্বার হাসানসহ সংশ্লিষ্ট দের।তবে নৈশ প্রহরী আব্দুল হাকিম জানান, আমি নিয়মিত
ডিউটি করি। বুধবার রাতেও স্কুলে ছিলাম। ফজরের নামাজের সময় বাড়িতে যায়। তারপরই ঘটে আগুন দেয়ার ঘটনা বলে তিনি দায় সারেন। প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম জানান, সকাল প্রায় ৭ টার দিকে স্কুলের আয়া অফিস খুলে দেখতে পায় পুড়ে আছে ও ধোয়া বের হচ্ছিল। সাথে সাথে স্কুলে এসে আগুন দেয়ার ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় দের অবহিত করা হয়। আগুনে অফিসে থাকা স্টাপ টেবিল, চারটির মত চেয়ার, ওয়ালের প্লাস্টার খসে পড়েছে এবং যাবতীয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে গেছে। এতে করে প্রায় ৪০/৫০ হাজার টাকার মত ক্ষতি হবে। অফিসে তালা মারা কিভাবে আগুন দিল জানতে চাইলে তিনি জানান জানালার ছিটকি খুলে আগুন দেয়া হয়েছে। তবে এটা পরিকল্পিত কাজ বলেও জানান তিনি। ওসি আফজাল হোসেন জানান, স্কুলের অফিস কক্ষে আগুন দেয়ার ঘটনায় প্রধান শিক্ষক সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত