রাজশাহীর তানোর উপজেলার চান্দুড়িয়া ইউনিয়ন ইউপির বিসিআইসির সার ডিলার আ"লীগ নেতা নুরুজ্জামান ফটিক চোরাই পথে বাড়তি দামে সার পাচারের সময় আটক করে স্থানীয় জনতা। আটকের পর জব্দকৃত সার সরকারী দামে বিক্রি ও জরিমানা এবং শোকজ করে দায় সারা কাজ করেছেন উপজেলা কৃষি দপ্তর বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সার ডিলার আ"লীগ নেতা ফটিকের বিরুদ্ধে বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় ইচ্ছেমত সার পাচার ও কালো বাজারে বিক্রির অহরহ অভিযোগ থাকলেও ওই সময় কোন ব্যবস্থা নেয় নি সার মনিটরিং কমিটি ও কৃষি দপ্তর বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর থেকেও ফটিক একই কায়দায় অন্যত্র সার পাচার এবং মোকামে বিক্রি করে দেন। এমনকি সে নিয়োমিত দোকান খুলেনা, সারও পায়না স্থানীয় কৃষকরা।
ডিলার ফটিকের বাড়ি উপজেলার সীমান্ত বর্তি কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির চৌবাড়িয়া এলাকায়। আর তার ডিলার পয়েন্ট আরেক সীমান্ত বর্তি এলাকা চান্দুড়িয়া বাজারে। এতে করে সরকারি দামে ডিলার ফটিকের দোকান থেকে সার কিনা কষ্টকর ব্যাপার হয়ে পড়েছে কৃষক দের। একারনে তার ডিলার বাতিল করে স্থানীয় ব্যক্তিকে দেয়ার জোর দাবি ওই এলাকার কৃষকসহ জনসাধারণের । কিন্তু সার পাচারের মত এতবড় অপরাধ প্রমানিত হলেও নামমাত্র ব্যবস্থা গ্রহণ করে দায় সারছেন সংশ্লিষ্টরা।
সার ডিলার আ"লীগ নেতা ফটিকের বিরুদ্ধে বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় ইচ্ছেমত সার পাচার ও কালো বাজারে বিক্রির অহরহ অভিযোগ থাকলেও ওই সময় কোন ব্যবস্থা নেয় নি সার মনিটরিং কমিটি ও কৃষি দপ্তর বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর থেকেও ফটিক একই কায়দায় অন্যত্র সার পাচার এবং মোকামে বিক্রি করে দেন। এমনকি সে নিয়োমিত দোকান খুলেনা, সারও পায়না স্থানীয় কৃষকরা।
ডিলার ফটিকের বাড়ি উপজেলার সীমান্ত বর্তি কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির চৌবাড়িয়া এলাকায়। আর তার ডিলার পয়েন্ট আরেক সীমান্ত বর্তি এলাকা চান্দুড়িয়া বাজারে। এতে করে সরকারি দামে ডিলার ফটিকের দোকান থেকে সার কিনা কষ্টকর ব্যাপার হয়ে পড়েছে কৃষক দের। একারনে তার ডিলার বাতিল করে স্থানীয় ব্যক্তিকে দেয়ার জোর দাবি ওই এলাকার কৃষকসহ জনসাধারণের । কিন্তু সার পাচারের মত এতবড় অপরাধ প্রমানিত হলেও নামমাত্র ব্যবস্থা গ্রহণ করে দায় সারছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, চলতি বছরের আগষ্ট মাসের ২৮ তারিখে উপজেলার চান্দুড়িয়া বাজারের ডিলার ফটিকের দোকান ৪০ বস্তা টিএসপি সার মোহনপুর উপজেলার কেশরহাটে পাচার করছিলেন। এসময় স্থানীয়রা সারগুলো আটক করে ওই সময়ের ইউএনও লিয়াকত সালমান কে অবহিত করেন। ইউএনওর নির্দেশে সারগুলো জব্দ করে ইউনিয়ন পরিষদে রাখা হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন জানান, সার আটকের দিন বিকেলে সরকারি মূল্য সারগুলো বিক্রি করে কোষাগারে টাকা জমা করা হয় এবং ডিলার ফটিকের বিরুদ্ধে পাচারের অপরাধে ৪৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। ৩০ আগষ্ট তাঁকে শোকজ করা হয়। প্রথম শোকজে সন্তোষ জনক জবাব না দেয়ার কারনে দ্বিতীয় বার শোকজ করা হয়।
তিনি আরো জানান, বাহির থেকে তানোরে সার আসলে সমস্যা নাই। কিন্তু তানোর থেকে সার বাহিরে গেলে কোন ছাড় দেয়া হবে না। আপনারা ব্যবসায়ীদের এধরনের সুযোগ দেয়ার কারনেই সার নিয়ে এত সিন্ডিকেট এবং বাড়তি দামে বিক্রি হয় জানতে চাইলে তিনি জানান, বাড়তি দামের কোন সুযোগ নেই, কোন ডিলার বাড়তি দাম নিলে প্রমান হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চান্দুড়িয়া ইউপির কৃষকরা জানান, স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর ফটিলের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা হয়। মামলার কারনে দীর্ঘ সময় সে দোকানে আসেনি। দোকানে না আসলেও তার বরাদ্দ ঠিকই ছিল। বরাদ্দের সার সে অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। সে নিয়োমিত দোকান খুলেনা। দুপুরের আগে খুলে তো বিকেলে খুলেনা, বিকেলে খুলে তো সকালে খুলে না। এভাবেই সে তার কাজ করলেও এবং সার পাচারের মত গুরুতর অপরাধ করলেও লঘু দন্ড দিয়ে দায় সারা হয়েছে। আমাদের দাবি ছিল তার ডিলারসীপ বাতিল করে স্থানীয় কাউকে দেয়া। কারন কৃষকরা সরকারি মূল্যে বিসিআইসির সার পায় না।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব