রাজশাহীর তানোর পৌর এলাকায় অবস্থিত বে সরকারি মহানগর ক্লিনিকের ভূল অপারেশন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী পৌর এলাকার আকচা গ্রামের রোজিনা নামের এক গৃহবধূ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলেন মহানগর ক্লিনিকের পরিচালক কামরুন নাহার স্মৃতি, সে মালিক হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী ও ম্যানেজার আমশো গ্রামের মামুন এবং ডা: ফজলে রাব্বি। ভূল অপারেশনের কারনে ওই গৃহবধূকে শহরের হাসপাতালে দ্বিতীয় বার অপারেশন করতে হয়েছে। মহানগর ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ভূল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু, প্রসূতির মৃত্যু সহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও দেদারসে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
ফলে কোন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করার কারনে মানুষের জীবন নিয়ে টাকার বিনিময়ে খেলা করতে তীল পরিমান দ্বিধাবোধ হয় না কর্তৃপক্ষের। অভিযোগ উঠার পর লোক দেখানো আইওয়াস করে পূর্বের নিয়মের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন মহানগর ক্লিনিকের দাপটে পরিচালক ও মালিক এবং ম্যানেজার।
অভিযুক্তরা হলেন মহানগর ক্লিনিকের পরিচালক কামরুন নাহার স্মৃতি, সে মালিক হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী ও ম্যানেজার আমশো গ্রামের মামুন এবং ডা: ফজলে রাব্বি। ভূল অপারেশনের কারনে ওই গৃহবধূকে শহরের হাসপাতালে দ্বিতীয় বার অপারেশন করতে হয়েছে। মহানগর ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ভূল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু, প্রসূতির মৃত্যু সহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও দেদারসে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
ফলে কোন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করার কারনে মানুষের জীবন নিয়ে টাকার বিনিময়ে খেলা করতে তীল পরিমান দ্বিধাবোধ হয় না কর্তৃপক্ষের। অভিযোগ উঠার পর লোক দেখানো আইওয়াস করে পূর্বের নিয়মের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন মহানগর ক্লিনিকের দাপটে পরিচালক ও মালিক এবং ম্যানেজার।
গৃহবধূ অভিযোগে উল্লেখ করেন, চলতি বছরের জুলাই মাসের ৭ তারিখে সকাল প্রায় ১০ টার দিকে মহানগর ক্লিনিকে আ্যপেন্ডিসাইড অপারেশন করায়। কিন্তু অপারেশনের ২/৩ দিন পর থেকে শরীরে জ্বর সহ নানা সমস্যা দেখা দেয়। অপারেশন অবস্থায় সমস্যা নিয়ে ক্লিনিকে আসলে তারা জ্বরের জন্য সাপোজিটার দিতে বলে। কিন্তু কোনভাবেই সমস্যা দূর হয় না।
বাধ্য হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কে দেখালে তারা বিভিন্ন ধরনের পরিক্ষা নিরিক্ষা করতে বলেন। পরিক্ষা করে দেখা যায় তারা ভূল অপারেশন করেছে। আমি পুনরায় রাজশাহীর ল্যাব কেয়ার হাসপাতালে অপারেশন করি। ল্যাব কেয়ার হাসপাতালে অপারেশনের সময় দেখা যায় আমার ভূল অপারেশন করে কিডনি সহ শরীরের বিভিন্ন ক্ষতি করেছে।
আমার জীবন সংকটাপন্ন। এসব করতে আমার প্রায় ২৫ হাজার টাকার মত ক্ষতি হয়েছে। মহানগর ক্লিনিক ইতিপূর্বে বহু মানুষের ভূল চিকিৎসায় জীবন কেড়ে নিয়েছে।
বাধ্য হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কে দেখালে তারা বিভিন্ন ধরনের পরিক্ষা নিরিক্ষা করতে বলেন। পরিক্ষা করে দেখা যায় তারা ভূল অপারেশন করেছে। আমি পুনরায় রাজশাহীর ল্যাব কেয়ার হাসপাতালে অপারেশন করি। ল্যাব কেয়ার হাসপাতালে অপারেশনের সময় দেখা যায় আমার ভূল অপারেশন করে কিডনি সহ শরীরের বিভিন্ন ক্ষতি করেছে।
আমার জীবন সংকটাপন্ন। এসব করতে আমার প্রায় ২৫ হাজার টাকার মত ক্ষতি হয়েছে। মহানগর ক্লিনিক ইতিপূর্বে বহু মানুষের ভূল চিকিৎসায় জীবন কেড়ে নিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উত্তর দিকে মহানগর ক্লিনিক। তারা দীর্ঘ দিন ধরে এউপজেলায় চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার সুবাদে বহু মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে এই মহানগর ক্লিনিক। এত অভিযোগ উঠার পরও দেদারসে চিকিৎসার নামে জীবন নিয়ে খেলা করলে সংশ্লিষ্টরা নির্বিকার। এসব বেসরকারি ক্লিনিক থেকে মোটা অংকের মাসোয়ারা আদায় করে থাকেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা বলে অহরহ অভিযোগ আছে। এজন্য এসব ক্লিনিকে ভূল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু বা ক্ষতি হলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না।
উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) বার্নাবাস হাসদাক কে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করা হলে তিনি অভিযোগের কপি হোয়াটস অ্যাপে দিতে বলেন। কপি দেয়ার পর কি ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানতে চাইলে তিনি জানান, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, তাদের চিকিৎসা দেয়ার অনুমতি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান হ্যা আছে।
মহানগর ক্লিনিকের মালিক হেলাল উদ্দিনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি গত শনিবারে থানায় গিয়ে কথা বলেছি, কোন ভূল অপারেশন করা হয়নি।
এসআই মাসুদ জানান, গত শনিবারে বাদী বিবাদীকে নিয়ে বসা হয়েছিল, আগামী শুক্রবার বসে মিমাংসা করা হবে। কত টাকায় মিমাংসা হবে জানতে চাইলে তিনি জানান, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বলছে ১৫ হাজার, যাই হোক উভয় পক্ষকে নিয়ে বসলে একটা সমাধান হবে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আফজাল হোসেন জানান, অফিসিয়াল ভাবে অভিযোগ হাতে আসেনি, আসলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।