রাজশাহীর তানোরে খেলার মাঠ ও স্কুলের গাছ কেটে রাস্তা নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির হাতিশাইল মাঠ দখল ও হাতিশাইল স্কুলের গাছ কাটে রাস্তা নির্মানের
ঘটনা ঘটে রয়েছে। এঘটনায় হাতিশাইল গ্রামের দেলোয়ার হোসেন বাদি হয়ে গত ১২ আগষ্ট নির্বাহী অফিসার ও এলজিইডি প্রকৌশলী এবং হাতিশাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
মুল রাস্তা থেকে স্কুল পর্যন্ত রাস্তা হওয়ার কথা থাকলে এক নেতার মন জয় করতেই মাঠ দখল করে রাস্তা নির্মান করা হচ্ছে বলে স্থানীয়দের দাবি। অভিযোগের পর থেকে গ্রামের লোকজন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ধরনা দিলেও কোন কাজ হচ্ছে না। ফলে রাস্তা নির্মান নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
ঘটনা ঘটে রয়েছে। এঘটনায় হাতিশাইল গ্রামের দেলোয়ার হোসেন বাদি হয়ে গত ১২ আগষ্ট নির্বাহী অফিসার ও এলজিইডি প্রকৌশলী এবং হাতিশাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
মুল রাস্তা থেকে স্কুল পর্যন্ত রাস্তা হওয়ার কথা থাকলে এক নেতার মন জয় করতেই মাঠ দখল করে রাস্তা নির্মান করা হচ্ছে বলে স্থানীয়দের দাবি। অভিযোগের পর থেকে গ্রামের লোকজন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ধরনা দিলেও কোন কাজ হচ্ছে না। ফলে রাস্তা নির্মান নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, তানোর টু চৌবাড়িয়া মুল রাস্তা থেকে হাতিশাইল স্কুল পর্যন্ত রাস্তা নির্মান হওয়ার কথা। কিন্তু উপজেলা ছাত্র দলের আহবায়কের মন জয় করতে হাতিশাইল মাঠের পূর্ব ও দক্ষিন দিকের ১০ ফিট করে মাঠ দখল করে রাস্তা নির্মানের কাজ করা হচ্ছে।
রাস্তার কাজের জন্য স্কুলের বেশকিছু গাছের ডালপালা কেটে সাবাড় করা হয়েছে। যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
অভিযোগে উল্লেখ, হাতিশাইল মাঠটি আকারে ছোট। মাঠের ১০ ফিট করে কমে গেলে মাঠটি খেলার অনুপযোগী হয়ে পড়বে।
ওই খেলার মাঠে হাতিশাইল, মিরাপুর, নিজামপুর, হাতিনান্দা ও মোহাম্মাদ আলীপুর সহ বহু গ্রামের ছাত্র/ বহিরাগতরা মাঠে খেলা ধুলা করে থাকে। রাস্তা নির্মান হলে মাঠে কোন ধরনের খেলাধূলা হবে না এবং কোন ধরনের অনুমতি ছাড়া গাছ কাটার জন্য ডালপালা কেটে সাবাড় করা হয়েছে।
ওই খেলার মাঠে হাতিশাইল, মিরাপুর, নিজামপুর, হাতিনান্দা ও মোহাম্মাদ আলীপুর সহ বহু গ্রামের ছাত্র/ বহিরাগতরা মাঠে খেলা ধুলা করে থাকে। রাস্তা নির্মান হলে মাঠে কোন ধরনের খেলাধূলা হবে না এবং কোন ধরনের অনুমতি ছাড়া গাছ কাটার জন্য ডালপালা কেটে সাবাড় করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা, মিজানুর, সালাম ও মতিউরসহ অনেকে জানান, কয়েম গ্রাম এবং স্কুলের একটাই খেলার মাঠ। খেলার মাঠ টি আকারে ছোট। ১১ জন করে খেলোয়াড় খেলতে পারে না। ৯ জন করে খেলোয়াড় খেলা ধুলা করে থাকে। দুই দিকে ১০ ফিট করে কমে যাচ্ছে।
শুধু একজনের কথার প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করছেন। অথচ গোকুল মুথরা দাখিল মাদ্রাসার মাঠ দখল করে ভবন নির্মাণ করতে পারছেনা।
এত কাঁচা মাটির রাস্তা থাকার পরও কেন এধরণের প্রকল্প হাতে নিল কর্তৃপক্ষ এটা বুঝা যাচ্ছে না। খেলার মাঠ নষ্ট করে কোথাও কোন রাস্তা হয়নি। বিষয়ট গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি।
হাতিশাইল স্কুল ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলমগীরের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, গাছ কাটা হয়নি ডালপালা কাটা হয়েছে। কোন অনুমতি নিয়ে নাকি গায়ের জোরে জানতে চাইলে তিনি জানান, মোবাইলে সব কথা বলা যায় না, সাক্ষাতে কথা বলা দরকার বলে তিনিও দায় সারেন।
উপজেলা প্রকৌশলী নুর নাহার বেগমের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাঠ দখল করে রাস্তা হচ্ছে না। তাদের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব কাজের উপর ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি সরেজমিনে তদন্ত করে দেখেছি মাঠের এক টুকরো জায়গা নষ্ট হয়নি। পূর্ব ও দক্ষিন দিকে ১০ ফিট করে কমে গেছে জানতে চাইলে তিনি জানান, কোনকিছুই কমে নি। এটা কি প্রকল্পের রাস্তা জানতে চাইলে তিনি জানান স্কুল ক্যানেক্শন রাস্তা, তাহলে স্কুল পর্যন্ত রাস্তা হওয়ার কথা মাঠে কেন যাবে প্রশ্ন করা হলে একই ধরনের উত্তর দেন এই কর্মকর্তা।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব