রাজশাহীর তানোরে শ্বশুর ও ডিভোর্স প্রাপ্ত স্ত্রী এবং তাদের পরিবারের লোকজনের মারপিটে জামাইকে হত্যা করে শয়ন কক্ষে গলায় উড়না পেচিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মারপিটে হত্যার শিকার জামাইয়ের নাম বেলাল হোসেন(৩০)। তার বাড়ি উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির কামারগাঁ চৌধুরীপাড়া গ্রামে। সে মতিনের পুত্র। এঘটনায় বেলালের পূর্বের শ্বশুর সুলতান ও শাশুড়ী সমিরন ডিভোর্স প্রাপ্ত স্ত্রী চাঁদনীকে আটক করেছে থানা পুলিশ ।
বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে ঘটে ঘটনাটি। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে মৃত দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এঘটনায় মৃত বেলালের পিতা মতিন বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। বেলালের অকাল মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, সেই সাথে হত্যার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্ত মুলুক শাস্তির দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
মারপিটে হত্যার শিকার জামাইয়ের নাম বেলাল হোসেন(৩০)। তার বাড়ি উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির কামারগাঁ চৌধুরীপাড়া গ্রামে। সে মতিনের পুত্র। এঘটনায় বেলালের পূর্বের শ্বশুর সুলতান ও শাশুড়ী সমিরন ডিভোর্স প্রাপ্ত স্ত্রী চাঁদনীকে আটক করেছে থানা পুলিশ ।
বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে ঘটে ঘটনাটি। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে মৃত দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এঘটনায় মৃত বেলালের পিতা মতিন বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। বেলালের অকাল মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, সেই সাথে হত্যার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্ত মুলুক শাস্তির দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, বিগত প্রায় ১০/১২ বছর আগে বেলাল হোসেন একই গ্রামের সুলতানের মেয়ে চাঁদনীকে বিয়ে করে। বিয়ের পরে পারিবারিক কলহের জেরে গত ২ বছর আগে বেলাল চাদনীকে ডিভোর্স দেয়। ঘর সংসার করা অবস্থায় বেলাল চাঁদনী দম্পতির ঘরে তিনজন সন্তান জন্ম নেয়।
ডিভোর্সের পর স্ত্রী খোরপোষের দাবিতে আদালতে মামলা করে। এর ফাঁকে বেলাল দ্বিতীয় বিয়ে করে। কিন্তু বেলাল পূর্বের স্ত্রীর সন্তানদের সাথে নিয়োমিত দেখা করত। এর এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার ভোরে সন্তানদের দেখতে যায় পূর্বের শ্বশুর সুলতানের বাড়িতে। বেলাল যাওয়ার পর শ্বশুর ও তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর সাথে কথা কাটাকাটি হয়।
কথা কাটাকাটির জেরে বেলালের শ্বশুর ও তাদের পরিবারের লোকজন পিটিয়ে ঘরে আটকে রাখে বেলালকে। তাকে উদ্ধার করার জন্য লোকজন এলে সুলতান সহ তারা মামলার ভয়ভীতি দেখায়।
এর এক পর্যায়ে আটক থাকা ঘরে আত্মহত্যার নাটক সাজায় শ্বশুর পরিবারের লোকজন বা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয় বেলাল। তবে তার মাথায়, হাতে ও পিঠে মারাত্মক জখম ছিল।
স্থানীয়রা জানান, বেলালকে বেধড়ক পিটিয়ে হত্যার পর সুলতান ও তার পরিবারের লোকজন ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় নিজ মেয়ের হলুদ উড়না পেচিয়ে রাখে। যাতে করে সবাই মনে করে বেলাল আত্মহত্যা করেছে।
কিন্তু এটা আত্মহত্যা না তাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। এঘটনার সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে করে কেউ আইন নিজ হাতে তুলে নিতে না পারে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আফজাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা না হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর সঠিক ঘটনা বের হয়ে আসবে।
এঘটনায় শ্বশুর ও শাশুড়ী এবং সাবেক স্ত্রী চাঁদনী কে আটক করা হয়েছে। নিহতের পিতা বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব