রাজশাহীর তানোরে চোরাই পথে বাড়তি দামে মোহনপুর উপজেলার কেশরহাটে পাচারের সময় হাতে নাতে আটক করে জনতা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে উপজেলার চান্দুড়িয়া বাজারে ঘটে পাচার ও আঁটকের ঘটনাটি।
ওই ইউপির বিসিআইসির সার নুরুজ্জামান ফটিক চান্দুড়িয়া বাজারে তার ডিলার পয়েন্ট থেকে সারগুলো কেশরহাটে পাচার করেছিল। ফটিকের বাড়ি উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির চৌবাড়িয়া বাজারে।
সে আ"লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত। প্রতি নিয়তই বিভিন্ন কায়দায় সার পাচার করে থাকেন বলেও স্থানীয় কৃষক দের দাবি। পরে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে সারগুলো ইউনিয়ন পরিষদে জব্দ করে রাখা হয়েছে।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে উপজেলার চাঁন্দুড়িয়া বাজারের বিসিআইসি সার ডিলার মেসার্স জামান ট্রেডার্সের মালিক নুরুজ্জামান ফটিক নিজ এলাকার কৃষকদের সার না দিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাড়তি দামে ৪০ বস্তা টিএসপি সার বেশি দামে অন্যত্র বিক্রি করে।
ডিলার ফটিক নিয়োমিত দোকান খুলে না। সে প্রায় সময় মোকামে বা অন্যত্র সার বিক্রি করে থাকেন। ওই এলাকায় কৃষক গাজিমুদ্দিক জকি জানান, গত ৫ আগষ্টের পর থেকে ফটিক তেমন ভাবে দোকানে আসেনা।
কৃষকরা সারও কিনতে পারেনা। সে সরকারি বরাদ্দের সার কৃষক দের কাছে বিক্রি না করে বাড়তি দামে পাচার করে থাকে। তার বাড়ি উপজেলার সীমান্ত এলাকা চৌবাড়িয়া বাজার এলাকায়। একপ্রান্ত থেকে এসে সঠিক ভাবে সার বিক্রি করেনা।
তার সরকারি বরাদ্দের সার চোরাই পথে বাড়তি দামে কালোবাজারে বিক্রি। তার লাইসেন্স বাতিল করে স্থানীয়দের দেয়া দরকার।
ওই ইউপির বিসিআইসির সার নুরুজ্জামান ফটিক চান্দুড়িয়া বাজারে তার ডিলার পয়েন্ট থেকে সারগুলো কেশরহাটে পাচার করেছিল। ফটিকের বাড়ি উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির চৌবাড়িয়া বাজারে।
সে আ"লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত। প্রতি নিয়তই বিভিন্ন কায়দায় সার পাচার করে থাকেন বলেও স্থানীয় কৃষক দের দাবি। পরে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে সারগুলো ইউনিয়ন পরিষদে জব্দ করে রাখা হয়েছে।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে উপজেলার চাঁন্দুড়িয়া বাজারের বিসিআইসি সার ডিলার মেসার্স জামান ট্রেডার্সের মালিক নুরুজ্জামান ফটিক নিজ এলাকার কৃষকদের সার না দিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাড়তি দামে ৪০ বস্তা টিএসপি সার বেশি দামে অন্যত্র বিক্রি করে।
ডিলার ফটিক নিয়োমিত দোকান খুলে না। সে প্রায় সময় মোকামে বা অন্যত্র সার বিক্রি করে থাকেন। ওই এলাকায় কৃষক গাজিমুদ্দিক জকি জানান, গত ৫ আগষ্টের পর থেকে ফটিক তেমন ভাবে দোকানে আসেনা।
কৃষকরা সারও কিনতে পারেনা। সে সরকারি বরাদ্দের সার কৃষক দের কাছে বিক্রি না করে বাড়তি দামে পাচার করে থাকে। তার বাড়ি উপজেলার সীমান্ত এলাকা চৌবাড়িয়া বাজার এলাকায়। একপ্রান্ত থেকে এসে সঠিক ভাবে সার বিক্রি করেনা।
তার সরকারি বরাদ্দের সার চোরাই পথে বাড়তি দামে কালোবাজারে বিক্রি। তার লাইসেন্স বাতিল করে স্থানীয়দের দেয়া দরকার।
এ সময় ভ্যানে সারগুলো নিয়ে যাওয়া দেখে স্থানীয়রা সেগুলোা আটকে রেখে ইউএনওকে অবহিত করে। পরে ইউএনও এবং ওই ইউপির দায়িত্বরত প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সারগুলো জব্দ করেন।
চাঁন্দুড়িয়া ইউপির দায়িত্বরত প্রশাসক মোহাম্মদ হোসেন খান জানান, নিজ এলাকার কৃষকদের ফাঁকি দিয়ে স্থানীয় ডিলার বেশী দামে সারগুলো বিক্রি করে দিয়েছিলো। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় সেগুলো জব্দ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লিয়াকত সালমান বলেন, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে সারগুলো জব্দ করা হয়। আটক সারের ব্যাপারে পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব