রাজশাহীর তানোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহ বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদন করলেও তাকে তুষ্ট করতে না পারলে আবেদন বাতিল করে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির এক গ্রাহকের কাছ থেকে পরপর দুইবার আবেদন নিয়ে নানা অজুহাতে আবেদন বাতিল করে দেয়। একই ভাবে তৃতীয় বার আবেদন করলে সংযোগ দেয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু সংযোগ এখনো দেয়নি। শুধু ওই গ্রাহকের না এর আগে প্রায় ১৪০ টির মত আবেদন বাতিল করেন। এতে করে আবেদন কারীদের পকেট ফাকা হচ্ছে প্রতি নিয়তই। এছাড়াও ভাসমান বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে বোরিং করার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন ইন্সপেক্টর বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। তার এমন খামখেয়ালি কর্মকান্ডের জন্য গত মাসের শেষের দিকে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার পরও সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় ইন্সপেক্টর। এঘটনায় গ্রাহকরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে উত্তম মাধ্যম দেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এখানেই শেষ না ডিজিএম ও ইন্সপেক্টরের কথা না শোনা এবং অনৈতিক সুবিধা না পাওয়ার কারনে দুইজন ইলেক্ট্রিশিয়ান নিজের পকেটে রেখে বাকিদের কোন কাজ করতে দেয়না বলে সুত্র নিশ্চিত করেন। যার কারনে ইলেক্ট্রিশিয়ানরা চরম মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ফলে ডিজিএম ও
ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহর বদলির দাবি উঠেছে সর্ব মহল থেকে।
জানা গেছে, উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির ছাঐড় গ্রামের দরিদ্র মোজাম্মেল হক চা দোকানের জন্য বানিজ্যিক মিটারের আবেদন করেন তানোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বরাবর। গত এপ্রিল মাসের ২০ তারিখে আবেদন করেন। আবেদন নম্বর ০৪৯০৪২৬০০৫০২। আবেদন করলেও কাগজের ত্রুটি দেখিয়ে বাতিল করেন ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহ। দ্বিতীয় বার আবেদন করলেও বাতিল করেন। একই ভাবে তৃতীয় বার আবেদন করলে সংযোগ দেয়ার জন্য যাবতীয় কাজ শেষ করে অফিস। তবে এখনো তার দোকানে সংযোগ দেয়া হয়নি।
মোজাম্মেল জানান, প্রথমে আবেদনে নাকি কাগজের ভুল ছিল। দ্বিতীয় বার আবেদনে বাড়ির বিল পরিশোধ ছিল না। এজন্য নাকি বাতিল হয়েছে। পরে তৃতীয় বার আবেদন করার পর সংযোগ দেয়ার কথা বলেছে। তবে এখনো সংযোগ দেয়নি।
এছাড়াও অনৈতিক সুবিধা ও নানা অজুহাতে প্রায় ১৪০ টি আবেদন বাতিল করেন ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কিছু ব্যক্তিরা জানান, একই ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে আবেদন করলে বাতিল করে নিজের ক্ষমতা জানান দেন ইন্সপেক্টর। এক সাথে কখনো ১৪০ টি আবেদন বাতিল হয় না। একটা আবেদন করতে আবেদন করতে অনলাইন ফি সহ ২৩৪ টাকা করে খরচ হয়। সেই হিসেবে মোজাম্মেল নামের গ্রাহকের দুবার আবেদন বাতিল হয়। তার ৪৭৬ টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। তাহলে প্রায় ১৪০ টি আবেদন বাতিল হলে প্রায় ৩৩ হাজার ৩২০ টাকা গ্রাহকদের লোকসান হয়েছে। অফিসে ১৪ জন মত ইলেক্ট্রিশিয়ান কাজ করে। তারা উপজেলা জুড়ে কাজ করে থাকেন। কিন্তু রেজাউল করিম খান ডিজিএম হিসেবে যোগদানের পর কোন কারন ছাড়াই ১২ জন ইলেক্ট্রিশিয়ান কে কোন কাজ করতে দেয় না। অথচ নানা অনিয়ম দূর্নীতির কারনে কামারগাঁ ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মাদারিপুর গ্রামের বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম লিটনকে বরখাস্ত করেন। কিন্তু রেজাউল করিম খান তানোরে এসে লিটনকে কাজের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এখন লিটন ও শান্ত নামের আরেকজন ইলেক্ট্রিশিয়ান কে নিজের পকেটে রেখে কাজ করাচ্ছেন। কিন্তু আগের ডিজিএম জহুরুল ইসলামের সময় নানা দূর্নীতির কারনে অফিসে আসতে পারত না লিটন। আর এখন অফিসের আস্থাভাজন হয়ে পড়েছে। তাহলে বুঝতে হবে কিভাবে চলে আবেদন সহ যাবতীয় কার্যক্রম।
এদিকে লবিয়তলা ব্রীজের পূর্ব দিকে কামাল নামের এক ব্যক্তিকে ভাসমান সেচ মটরের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ দয়া হয়। কিন্তু কামাল বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সাথে আতাত করে বোরিং স্থাপন করে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন।আবেদন বাতিলের বিষয়ে ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহর মোবাইলে একাধিক বার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
তানোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) রেজাউল করিম খান জানান, আবেদনে ভুলত্রুটি থাকলে বাতিল হতেই পারে। একসাথে এত আবেদনে বাতিল হয় কিভাবে প্রশ্ন করা হলে উত্তরে তিনি জানান, কাগজ সঠিক না থাকলে বাতিল হবেই। লবিয়তলা ব্রীজের পূর্ব দিকে কামাল নামের এক ব্যক্তিকে ভাসমান সেচ মটরে সংযোগ দিয়েছেন এবং সে ওই সংযোগ নিয়ে বোরিং স্থাপন করে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন জানতে চাইলে তিনি জানান, ভাসমান সেচ মটরে সংযোগ দেয়ার অনুমতি আছে, তবে বোরিং স্থাপনের অনুমতি নাই। তিনি আরো জানান, আজিজপুর গ্রামের নজরুল নামের এক ব্যক্তি ভাসমান সংযোগ নিয়ে বোরিং স্থাপন করছিল সেটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আপনি বন্ধ করেননি, বন্ধ করেছেন নির্বাহী অফিসার জানতে চাইলে এড়িয়ে গিয়ে জানান, যাক হোক বন্ধ তো হয়েছে। কামালের বোরিংয়ের বিষয়ে কি ব্যবস্থা নিবেন প্রশ্ন করা হলে কোন সদ উত্তর দেননি তিনি।
তানোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহর তেলেসমাতি
তানোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহর তেলেসমাতি
রাজশাহীর তানোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহ বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদন করলেও তাকে তুষ্ট করতে না পারলে আবেদন বাতিল করে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির এক গ্রাহকের কাছ থেকে পরপর দুইবার আবেদন নিয়ে নানা অজুহাতে আবেদন বাতিল করে দেয়। একই ভাবে তৃতীয় বার আবেদন করলে সংযোগ দেয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু সংযোগ এখনো দেয়নি। শুধু ওই গ্রাহকের না এর আগে প্রায় ১৪০ টির মত আবেদন বাতিল করেন। এতে করে আবেদন কারীদের পকেট ফাকা হচ্ছে প্রতি নিয়তই। এছাড়াও ভাসমান বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে বোরিং করার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন ইন্সপেক্টর বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। তার এমন খামখেয়ালি কর্মকান্ডের জন্য গত মাসের শেষের দিকে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার পরও সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় ইন্সপেক্টর। এঘটনায় গ্রাহকরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে উত্তম মাধ্যম দেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এখানেই শেষ না ডিজিএম ও ইন্সপেক্টরের কথা না শোনা এবং অনৈতিক সুবিধা না পাওয়ার কারনে দুইজন ইলেক্ট্রিশিয়ান নিজের পকেটে রেখে বাকিদের কোন কাজ করতে দেয়না বলে সুত্র নিশ্চিত করেন। যার কারনে ইলেক্ট্রিশিয়ানরা চরম মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ফলে ডিজিএম ও ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহর বদলির দাবি উঠেছে সর্ব মহল থেকে। জানা গেছে, উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির ছাঐড় গ্রামের দরিদ্র মোজাম্মেল হক চা দোকানের জন্য বানিজ্যিক মিটারের আবেদন করেন তানোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বরাবর। গত এপ্রিল মাসের ২০ তারিখে আবেদন করেন। আবেদন নম্বর ০৪৯০৪২৬০০৫০২। আবেদন করলেও কাগজের ত্রুটি দেখিয়ে বাতিল করেন ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহ। দ্বিতীয় বার আবেদন
করলেও বাতিল করেন। একই ভাবে তৃতীয় বার আবেদন করলে সংযোগ দেয়ার জন্য যাবতীয় কাজ শেষ করে অফিস। তবে এখনো তার দোকানে সংযোগ দেয়া হয়নি। মোজাম্মেল জানান, প্রথমে আবেদনে নাকি কাগজের ভুল ছিল। দ্বিতীয় বার আবেদনে বাড়ির বিল পরিশোধ ছিল না। এজন্য নাকি বাতিল হয়েছে। পরে তৃতীয় বার আবেদন করার পর সংযোগ দেয়ার কথা বলেছে। তবে এখনো সংযোগ দেয়নি। এছাড়াও অনৈতিক সুবিধা ও নানা অজুহাতে প্রায় ১৪০ টি আবেদন বাতিল করেন ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কিছু ব্যক্তিরা জানান, একই ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে আবেদন করলে বাতিল করে নিজের ক্ষমতা জানান দেন ইন্সপেক্টর। এক সাথে কখনো ১৪০ টি আবেদন বাতিল হয় না। একটা আবেদন করতে আবেদন করতে অনলাইন ফি সহ ২৩৪ টাকা করে খরচ হয়। সেই হিসেবে মোজাম্মেল নামের গ্রাহকের দুবার আবেদন বাতিল হয়। তার ৪৭৬ টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। তাহলে প্রায় ১৪০ টি আবেদন বাতিল হলে প্রায় ৩৩ হাজার ৩২০ টাকা গ্রাহকদের লোকসান হয়েছে। অফিসে ১৪ জন মত ইলেক্ট্রিশিয়ান কাজ করে। তারা উপজেলা জুড়ে কাজ করে থাকেন। কিন্তু রেজাউল করিম খান ডিজিএম হিসেবে যোগদানের পর কোন কারন ছাড়াই ১২ জন ইলেক্ট্রিশিয়ান কে কোন কাজ করতে দেয় না। অথচ নানা অনিয়ম দূর্নীতির কারনে কামারগাঁ ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মাদারিপুর গ্রামের বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম লিটনকে বরখাস্ত করেন। কিন্তু রেজাউল করিম খান তানোরে এসে লিটনকে কাজের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এখন লিটন ও শান্ত নামের আরেকজন ইলেক্ট্রিশিয়ান কে নিজের পকেটে রেখে
কাজ করাচ্ছেন। কিন্তু আগের ডিজিএম জহুরুল ইসলামের সময় নানা দূর্নীতির কারনে অফিসে আসতে পারত না লিটন। আর এখন অফিসের আস্থাভাজন হয়ে পড়েছে। তাহলে বুঝতে হবে কিভাবে চলে আবেদন সহ যাবতীয় কার্যক্রম। এদিকে লবিয়তলা ব্রীজের পূর্ব দিকে কামাল নামের এক ব্যক্তিকে ভাসমান সেচ মটরের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ দয়া হয়। কিন্তু কামাল বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সাথে আতাত করে বোরিং স্থাপন করে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন।আবেদন বাতিলের বিষয়ে ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহর মোবাইলে একাধিক বার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তানোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) রেজাউল করিম খান জানান, আবেদনে ভুলত্রুটি থাকলে বাতিল হতেই পারে। একসাথে এত আবেদনে বাতিল হয় কিভাবে প্রশ্ন করা হলে উত্তরে তিনি জানান, কাগজ সঠিক না থাকলে বাতিল হবেই। লবিয়তলা ব্রীজের পূর্ব দিকে কামাল নামের এক ব্যক্তিকে ভাসমান সেচ মটরে সংযোগ দিয়েছেন এবং সে ওই সংযোগ নিয়ে বোরিং স্থাপন করে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন জানতে চাইলে তিনি জানান, ভাসমান সেচ মটরে সংযোগ দেয়ার অনুমতি আছে, তবে বোরিং স্থাপনের অনুমতি নাই। তিনি আরো জানান, আজিজপুর গ্রামের নজরুল নামের এক ব্যক্তি ভাসমান সংযোগ নিয়ে বোরিং স্থাপন করছিল সেটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আপনি বন্ধ করেননি, বন্ধ করেছেন নির্বাহী অফিসার জানতে চাইলে এড়িয়ে গিয়ে জানান, যাক হোক বন্ধ তো হয়েছে। কামালের বোরিংয়ের বিষয়ে কি ব্যবস্থা নিবেন প্রশ্ন করা হলে কোন সদ উত্তর দেননি তিনি।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত