মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫ উপলক্ষ্যে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, মাদ্রাসার শিক্ষক ও কমিউনিটি লিডারদের নিয়ে উপজেলা এডভোকেসি ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার ৮ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচী (ইপিআই), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জামসেদ ফরিদীর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা আক্তার।
আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক, মাধ্যমিক, মাদ্রাসার শিক্ষক ও কমিউনিটি লিডার সহ
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
সভায় জানানো হয়, টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক রোগ। দূষিত পানি, খাবার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এর মূল কারণ। বিশেষ করে শিশু-কিশোররা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
টাইফয়েড টিকা গ্রহণ করলে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদে বৃদ্ধি পায় এবং এ রোগের ঝুঁকি ৮০% পর্যন্ত কমে যায়।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জামসেদ ফরিদী বলেন, টিকা কার্যক্রমে সফলতা আনতে ইতোমধ্যে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, এই টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং পরীক্ষিত। অভিভাবকদের উচিত তাদের সন্তানদের সময়মতো টিকা দেওয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত করা।
সোমবার ৮ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচী (ইপিআই), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জামসেদ ফরিদীর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা আক্তার।
আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক, মাধ্যমিক, মাদ্রাসার শিক্ষক ও কমিউনিটি লিডার সহ
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
সভায় জানানো হয়, টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক রোগ। দূষিত পানি, খাবার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এর মূল কারণ। বিশেষ করে শিশু-কিশোররা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
টাইফয়েড টিকা গ্রহণ করলে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদে বৃদ্ধি পায় এবং এ রোগের ঝুঁকি ৮০% পর্যন্ত কমে যায়।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জামসেদ ফরিদী বলেন, টিকা কার্যক্রমে সফলতা আনতে ইতোমধ্যে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, এই টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং পরীক্ষিত। অভিভাবকদের উচিত তাদের সন্তানদের সময়মতো টিকা দেওয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত করা।